নবাবগঞ্জে কালের সাক্ষী ভাঙ্গা মসজিদ
, ০৮ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৪ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পাঁচ মিশালী
নবাবগঞ্জে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৪শ’ বছরের পুরাতন এই মসজিদটি। মোঘল আমলের মসজিদটি শাহী মসজিদ ও ভাঙ্গা মসজিদ নামে পরিচিতি পেয়েছে। সদর উপজেলা থেকে ৭ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে নতুন বান্দুরা শাহী মসজিদ অথবা ভাঙ্গা মসজিদ। যা বান্দুরায় ইছামতি নদীর পূর্ব বাঁকে অবস্থিত।
তিন গম্ভুজ বিশিষ্ট মসজিদটি প্রায় ৫০ শতক জমির উপর অবস্থিত। ১৬৫ ফুট উচু মিনার নির্মাণ করা হয়েছে, মসজিদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য। মিনারটি ঢাকা দক্ষিণের সবচেয়ে বড় মিনার বলেই মনে করা হয়।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় প্রত্যেকদিনই মুসল্লিরা ইবাদতের জন্য এখানে আসেন। প্রতি জুমুয়াবারে পার্শ্ববর্তী এলাকা, মানিকগঞ্জ, দোহার, কেরাণীগঞ্জসহ আশপাশের সব থানা থেকেই হাজারও মুসল্লির সমাগম ঘটে।
মসজিদটি নিয়ে বিভিন্ন ঘটনা প্রচার হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। অনেকের জোর বিশ্বাস মসজিদটি গায়েবী। মাটির নিচ থেকে উঠে এসেছে মসজিদের মূল ভবনটি। স্থানীয়রাও এমনটাই বিশ্বাস করেন।
স্থানীয়রা বলেন, এই মসজিদে নামাজ পড়ে কোন উদ্দেশ্যে মানত করলে মনের আশা পূরণ হয়।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শাসক জাহাঙ্গীরের আমলে আনুমানিক ১৬১০ সালে অর্থাৎ প্রায় ৪০০ বছর আগে মসজিদটি নির্মাণ করেন সুবেদার ইসলাম খান চিশতি। স্থানীয় অনেকের ধারণা ইসলাম খান চিশতি, ১৬১০ সালে ভারত বর্ষের, মোঘল বংশের দিল্লীর শাসক জাহাঙ্গীরের সুবেদার ছিলেন। বিভিন্ন প্রয়োজনে সুবেদার ইসলাম খান চিশতি দিল্লী হতে তার নৌবিহার নিয়ে, যমুনা নদী দিয়ে পাবনা হয়ে, পদ্মা পাড়ি দিয়ে মানিকগঞ্জের উপর দিয়ে, ইছামতি নদী দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করতেন। যাতায়াত কালীন সময়ে রাত্রি যাপন ও ইবাদতের জন্য নদীর পাশেই আনুমানিক ১৬১৫ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
মসজিদটিকে ভাঙ্গা মসজিদ হিসেবে নামকরণের কারণ হিসেবে স্থানীয়রা বলেন, কালের পরিবর্তনে নদীটি ভাঙতে ভাঙতে উত্তর দিকে চলে যায়। আর পার্শবর্তী কোন বসতি ছিলো না, ছিলো শুধু বনাঞ্চল।
১৮৮০ সালের দিকে এই বনাঞ্চলের পত্তন নেয় হিন্দু দখলদাররা। বসতি স্থাপনের জন্য কাটতে থাকে বন। বন কাটতে কাটতে হঠাৎই পেয়ে যায় এক মসজিদ, যার উপরের অংশ কিছুটা ভাঙ্গা, আর এই ভাঙ্গা অংশের কারণেই মসজিদের নামকরণ হয়ে যায় ভাঙ্গা সমজিদ। সঙ্গে সঙ্গে গায়েবী মসজিদ নামেও পরিচিতি পেয়ে যায়।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
রোযায় জরায়ু ও স্তন ক্যানসার রোগীদের করণীয়
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভিটামিন সি কেন প্রয়োজন?
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিড়াল কেন এক পাশে ঘুমায়?
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
দুই শতাব্দীর সাক্ষী রূপসা জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পাকিস্তানে ঐতিহাসিক ১২০ বছরের ‘বাবা জি’ মসজিদ
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইফতারে যেসব পানীয় পানে দূর হবে ক্লান্তি
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কদম মুবারকে কদম রসূল
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৌদি আরব কেন লাখ লাখ উটকে পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে কারণে ইফতার-সাহরিতে খেজুর খাবেন
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নারীদের জন্য লালশাক খাওয়া যে কারণে জরুরি
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে বক চয়, জানুন উপকারিতা
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইফতারে হালিম কি স্বাস্থ্যসম্মত?
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












