দেশ পরিচিতি ওমান
, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পাঁচ মিশালী
অবস্থান: ওমানের পশ্চিমে ইয়েমেন, সৌদি আরব, উত্তর পশ্চিমে সংযুক্ত আরব আমিরাত, পূর্ব-দক্ষিণে আরব সাগর এবং উত্তরে ওমান উপসাগর।
আয়তন ও জনসংখ্যা: ওমানের আয়তন ৩০৯৫০০ বর্গকিলোমিটার। ওমানের জনসংখ্যা ৪২,৯৮,৩৩০ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গমাইলে ৩৪ জন।
প্রধান ভাষা: ওমানের প্রধান ও সরকারী ভাষা আরবী।
প্রধান জাতিগত দল : আরবি, বেলুচি, দক্ষিণ এশীয় ও আফ্রিকান।
প্রধান ধর্ম: দ্বীন ইসলাম। ওমানে বসবাসরত জনসংখ্যার প্রায় ৯০ ভাগই মুসলিম। বাকিরা খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য।
ইতিহাস: বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শক্তির দ্বারা ওমান আক্রান্ত ও শাসিত হয়েছে। ক্যারিবীয়রা ৯৩১ সাল থেকে ৯৩২ এবং ৯৩৩ থেকে ৯৩৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত শাসন করে। ৯৬৭ থেকে ১০৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ওমান ইরানের ডোমেনে পরিণত হয়।
১০৫৩ থেকে ১১৫৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ওমান সেলজুক সাম্রাজ্যের অংশে পরিণত হয়। ১১৫৪ খ্রিষ্টাব্দে আদিবাসী নভনি রাজবংশ ওমানের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে ১৪৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত নভনি রাজারা ওমান শাসন করে। ১৫১৫ সালের পর্তুগিজরা মাসকাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং ১৬৫০ সাল পর্যন্ত তারা এই শাসনক্ষমতা ধরে রাখে। একই সময়ে ১৫৮১ থেকে ১৫৮৮ সাল পর্যন্ত ওমান ওসমানী সাম্রাজ্যের শাসনাধীন ছিল। ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে নভনি পুনরায় ওমানের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং তা ১৬২৪ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
১৯৫০ সালের ১৮ নভেম্বর পর্তুগীজদের থেকে ওমান স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৭১ সালের ৭ অক্টোবর ওমান জাতিসংঘ সদস্যপদ লাভ করে।
সরকার পদ্ধতি: ওমানে রাজতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। ওমানের রাজাকে সুলতান বলা হয়। সুলতান একই সাথে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান। সুলতানকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি একটি মন্ত্রী পরিষদ নিয়োগ করে থাকেন। সুলতান নিজেই প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
প্রধান কৃষি: খেজুর, কলা, শাকসবজি, উট, গবাদিপুশ, মাছ ইত্যাদি। প্রাকৃতিক সম্পদ ও পেট্রোলিয়াম, তামা, চুনাপাথর, মার্বেল, ক্রোমিয়াম, জিপসান, গ্যাস।
প্রধান রপ্তানি দ্রব্য: পেট্রোলিয়াম, মাছ, ধাতব পদার্থ, বস্ত্র ইত্যাদি।
প্রধান আমদানিকারক দ্রব্য: যন্ত্রপাতি ও পরিহন সরঞ্জাম, পণ্যজাত দ্রব্য, খাদ্য, পশুসম্পদ, লুম্বিকেন্টস ইত্যাদি।
প্রধান ব্যবসায়িক পার্টনার: চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর ও ভারত।
সামরিক বাহিনী: ওমানের সামরিক বাহিনী সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত। বিশ্বে ওমানের সামরিক বাহিনীর অবস্থান ৭৯। সামরিক বাহিনীর চাকুরির বয়স ১৬-৪৯ বছর। সামরিক বাহিনীতে মোট জনশক্তি ৬১ হাজার ৮০০ জন। এর মধ্যে সক্রিয় ৫৭ হাজার ৩০০ জন এবং রিজার্ভ ৪ হাজার ৫০০ জন।
যোগাযোগ ব্যবস্থা: ওমানে কোনো রেলপথ নেই। প্রায় ৬৫০০০ কি.মি. সড়ক পথ আছে। প্রধান বন্দর- মিনা, কৃাবস, সালালাহ, সুহার। বিমান বন্দর ১৩২টি
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ভারী খাবারের পর পেট ফাঁপা: কিভাবে এড়াবেন?
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নতুন জুতা পরে পায়ে ফোসকা পড়লে যা করবেন
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাসযোগ্য অঞ্চলে পৃথিবীসদৃশ ৪৫ গ্রহ শনাক্ত
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিজ্ঞানীদের ধারণা বদলে দিলো ক্ষুদ্র এক মাছ
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ঈদে সুস্থ থাকতে মিষ্টি ও ভারী খাবার, ডায়াবেটিস রোগীরা সতর্ক থাকবেন যেভাবে
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ঈদে ভিড় বাড়ে টাকার হাটে
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইফতারের পর ক্লান্ত লাগার কারণ
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জার্মানিতে সাহরি ও ইফতার
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এবারও বাড়েনি ‘বিশেষ ট্রেন’, ভোগান্তির আশঙ্কা
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
খারগ দ্বীপকে ইরানের লাইফলাইন বলা হয় কেন?
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইফতারে কোন মুসলিম দেশে কী খাওয়া হয়? (২)
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইফতারে কোন মুসলিম দেশে কী খাওয়া হয়? (১)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












