সম্পাদকীয়
দেশের ২৫ লাখ জেলে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার দাদনের কশাঘাতে জর্জরিত। কৃষকদের জন্য অনেক সরকারী সহযোগিতা, ঋণ ব্যবস্থা থাকলেও জেলেদের জন্য তা নেই। কৃষকদের পাশাপাশি জেলেদের দুরাবস্থা, দুর্দশা দূরীকরণে সরকারের সদিচ্ছা কবে হবে?
, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সারা দেশের প্রায় ২৫ লাখ মানুষ জেলে পেশায় জড়িত। যাদের বেশিরভাগই আটকা থাকেন দাদনের কশাঘাতে। এই দাদনের ফলে আড়তদাররা যেমন লাভবান হচ্ছে তেমনি নতুন নতুন ইলিশের সিন্ডিকেট গড়ে উঠছে। অপরদিকে জেলেদের জীবনে লেগে থাকে চরম দুর্দশা আর হতাশা।
উপকূলীয় অঞ্চল, নদী ও হাওর এলাকায় অধিকাংশ জেলের নিজস্ব মূলধন থাকে না। ইলিশ আহরণের জেলেদেরও নিজস্ব পুঁজি নেই। তারা গরিব এবং মাছ ধরার ওপরই তাদের জীবন চলে। কিন্তু মাছ ধরতে হলে তাদের জাল, নৌকা, জ্বালানির জন্য যা খরচ লাগে সে খরচের জন্য প্রয়োজনীয় পুঁজি কোনো আনুষ্ঠানিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া যায় না। ফলে অনানুষ্ঠানিক ঋণ বা দাদন ব্যবস্থার ওপরই নির্ভরশীল হতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৎস্য খাতে এ ব্যবস্থা বিদ্যমান। জাতীয় মাছ ইলিশের ক্ষেত্রে তা বিশেষভাবে দৃশ্যমান।
সহজ কথায় জেলেদের মহাজন, আড়তদার, পাইকার বা কোনো ব্যবসায়ী যে আগাম অর্থ বা ঋণ প্রদান করা হয় বা দাদন দেয়া হয়। ইলিশের মৌসুম শুরুতে মহাজন ও আড়তদাররা নৌকা, জাল ও নদীতে থাকার সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, এমনকি পরিবারকে খরচের টাকা দিয়ে দেন অগ্রিম হিসেবে। শর্ত হচ্ছে জেলেরা যে মাছ ধরবে তা দাদনদাতা মহাজন বা আড়তদারের কাছেই বিক্রি করতে হবে, যা বাজারমূল্যের চেয়ে কম হবে।
দাদন একটা মুনাফার ব্যবসা। আড়তদারদের কাছ থেকে দাদন নেয়া জেলেরা তাদের ধৃত মাছ বিক্রয়ের মাধ্যমে মূলধনের টাকা পরিশোধ করে, জেলেদের মূলধনের অতিরিক্ত কোনো সুদ দিতে হয় না। দাদন ব্যবসায়ীরা মুনাফা করে মূলত কমিশনের মাধ্যমে। দাদনের মাধ্যমে এ অর্থ গ্রহণের শর্ত হিসেবে ভবিষ্যতে আহরণকৃত মাছ নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা আড়তেই বিক্রি করতে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দাদনের কোনো লিখিত চুক্তি থাকে না। দাদন শুধু নগদ অর্থ ছাড়াও জেলেদের জাল, নৌকা, জ্বালানি ইত্যাদি সরবরাহের মাধ্যমেও প্রদান করা হয়। তবে এ কথাও বলা প্রয়োজন যে এ আড়তদাররা যদি আগাম অর্থ জেলেদের না দেন তাহলে জেলেদের অন্য উৎস থেকে পুঁজি পাওয়ার কোনো উপায় নেই। প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এখানে অনুপস্থিত। তাই জেলেরাও এ শোষণমূলক নিয়ম জেনেও এর থেকে বের হতে পারছে না। জীবিকা টিকিয়ে রাখতে তারা সেখানেই বারবার যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
(২)
মাঠ পর্যায়ের তথ্য হচ্ছে, জেলেরা যে আড়তদার থেকে দাদন গ্রহণ করেন, সেই আড়তেই তাকে তার আহরণকৃত মাছ উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করতে হয়। প্রতিবার বিক্রয়ের পরে জেলেদের মোট প্রাপ্ত মূল্য থেকে একটি নির্দিষ্ট হারে ফি আড়তদারকে দিয়ে দিতে হয়। এ ফিয়ের হার স্থানভেদে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। নদী-তীরবর্তী আড়তদার সরাসরি জেলেকে দাদন দেয়, সেক্ষেত্রে আড়তদার ১০ শতাংশের মতো ফি নেয়। লক্ষ্য করা যায় যে তিনি জেলেদের থেকে চড়া হারে ফি নিয়ে তার নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনা করছেন, অথচ জেলেরা মাছ ধরে এনেও আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারছে না। ঋণের জালেই জড়িয়ে থাকছে। কিন্তু জেলেরা যদি উন্মুক্তভাবে অন্য কোথাও এ মাছ বিক্রয় করতে পারতেন, তাহলে তারা আরো কম ফি দিয়ে মাছ বিক্রি করতে পারতেন ও আর্থিকভাবে আরো লাভবান হতেন।
দাদনের পরিমাণ অঞ্চল ও কার্যক্রমভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। নদীতে ক্ষুদ্র পর্যায়ের জেলেরা সাধারণত ১০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত দাদন গ্রহণ করে থাকেন। সাগরের মাছ ধরার জেলেদের দাদনের পরিমাণ ২-৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। দেশের সাড়ে ছয় লাখ ইলিশ জেলের মাঝে ছয় লাখ জেলে যদি ২০ হাজার টাকা করে দাদন নেন তবে মোট পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ দাদনের পরিমাণ কমপক্ষে হাজার কোটি টাকা। [সূত্র: মৎস্য অধিদপ্তর] আর বাস্তবে ২৫ লাখ জেলে যদি গড়ে ৫০ হাজার টাকাও দাদন নেয় তাহলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা।
(৩)
নদী থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে পাওয়া মাছ কেন বেশি দামে বিক্রি করতে হয়- এমন প্রশ্নের জবাবে গফুর মিয়া জানান, এ বছর পদ্মায় ইলিশ মাছ ধরার জন্য আমি মহাজনের কাছ থেকে এক লাখ টাকা দাদন নিয়েছি। সরকারের বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞাসহ নদীর অবস্থা বুঝে বছরে ২০০ দিন ইলিশ মাছ আহরণ করা যায়। মহাজনের থেকে দাদন নিয়ে আমরা ছয়জন একটি নৌকায় মাছ ধরি। মাছ ধরার পর দাদনের শর্তানুযায়ী শুধুমাত্র দাদনদাতা মহাজনের আড়তে মাছ বিক্রি করতে হয় আমাদের। ধরুন, আজ মহাজনের আড়তে আমরা সাত হাজার টাকার মাছ বিক্রি করেছি। মহাজন দাদনের মুনাফা হিসেবে বিক্রির টাকা থেকে শতকরা ১০ টাকা হারে প্রথমে ৭০০ টাকা কেটে রাখেন। এরপর দাদনের মূল টাকা পরিশোধ করার জন্য এক হাজার টাকা কেটে রাখেন। আমার কাছে রইল পাঁচ হাজার ৩০০ টাকা। এরপর নৌকার তেল, খাবারসহ অন্যান্য বিষয় মিলিয়ে খরচ হয় ৬০০।
বাকি চার হাজার ৭০০ টাকা আমরা ছয় ভাগে ভাগ করি। প্রত্যেকের ভাগে পড়ে ৮০০ টাকার কম। আমার সংসারে সদস্য সংখ্যা আটজন। ৮০০ টাকায় চাল, ডাল, তেল, নুনসহ সকল খরচ বহন করতে হয় আমাকে। এরপর নিষেধাজ্ঞাসহ সতর্ক সংকেত ইত্যাদি কারণে যেদিন মাছ ধরতে পারি না, সেদিনের মুনাফা চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে।’
(৪)
এভাবে বছরের পর বছর মহাজনের দাদন নিয়ে চলে জেলেদের সংসার, দাদন পরিশোধ করতে করতে নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফেরেন তারা। সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় মাছ শিকার করা ৯০ শতাংশ জেলের জীবনই এই চক্রে বাঁধা। প্রতি বছর বেড়েই চলেছে তাদের ঋণের বোঝা।
জেলেদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে না। কৃষকদের অনেক সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়, কিন্তু মৎস্যজীবীরা বিদ্যুৎ বিলের অতিরিক্ত খরচ বহন করতে বাধ্য হন এবং ঋণ সুবিধাও তাদের হাতে আসে না।
যদি এক্ষেত্রে সরকার তথা ব্যাংকগুলো দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিনা সুদে উপযুক্ত ঋণ গ্রহণের ব্যবস্থা করতো তাহলে এই দাদন ব্যবসায়ীরা জেলেদেরকে ঋণের ফাঁদে ফেলে সর্বস্বান্ত করতে পারতো না।
সরকারের উচিত দেশ থেকে রক্তচোষা দাদন অর্থাৎ সুদভিত্তিক অর্থনীতি দূর করে হাক্বীকী ইসলামী শরীয়াহভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়ন শুধু সামরিক বা ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই নয় বরং ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের জজবাকে সমুন্নত করার জন্য হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আম্রিকা শকুনীরা চাচ্ছে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ তৈরী করতে। ডিপস্টেট আমলাদের দ্বারা প্রণীত হচ্ছে- রফতানী বাধাগ্রস্থ করার নীল নকশা। চা রফতানীর বাধাসমূহ অবিলম্বে দূর করতে হবে।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ! সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি এই মহিমান্বিত দিনটি সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াদী আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় ১৮ই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ! খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক অর্থাৎ পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আম্রিকা বাংলাদেশকে আরো বেশী তুলা আমদানিতে চাপ সৃষ্টি করছে। আম্রিকা থেকে তুলা আমদানি জটিল, অধিক ব্যয় ও সময় সাপেক্ষ। অথচ একটু উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশই হতে পারে তুলায় স্ব-নির্ভর। ইনশাআল্লাহ।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নানা নামে বিভিন্ন কর আরোপকে মহা জুলুম হিসেবেই দেখছেন ব্যবসায়ীরা। আসন্ন বাজেটে নানা কর পরিকল্পনা নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা। সরকারকে অন্যায্য কর মুক্ত বাজেট দিতে হবে।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাপবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯, ১০, ১১, ১২ এবং ১৪ তারিখ মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভূক্ত। সুবহানাল্লাহ! এ দিবসসমূহের তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ৭ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খামিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস এবং পাশাপাশি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই শরীফ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা গবেষণার দিকে আগ্রহী না হয়ে বিসিএস পরীক্ষায় আগ্রহী হয় সব বাধা দূর করে জীবন-জীবিকা বান্ধব সমৃদ্ধ গবেষণার জন্য যথাযথ তৎপরতা ও প্রচেষ্টা একান্ত দরকার
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের কুরবানীর পশু যাতায়াতের পথে এবং কুরবানীর হাটে যথাযথ নিরাপত্তাও বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন? সড়ক ও নৌপথে পশুবাহী যানগুলোতে চলছে চাঁদাবাজি-ডাকাতি চাঁদা না দিলে হত্যার ঘটনাও ঘটছে কুরবানী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












