সম্পাদকীয়-১
দেশের ফসলী জমিতে কমছে জৈবসারের ব্যবহার, বাড়ছে রাসায়নিক সার। সরকারের উচিত আইন করে জৈবসার ব্যবহার ও জৈবসারের জন্য প্রয়োজনীয় ভর্তুকি-প্রণোদনা প্রদান করা।
, ২৪ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৫ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ৩০ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মাটিকে বলা হয় খাদ্য শস্যের ভান্ডার। এখানে শস্য জন্মায় এবং সেই খাদ্য আমাদের শরীর এবং স্বাস্থ্যের পুষ্টি ও শক্তি যোগায়। কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মাটির স্বাস্থ্যেও চরম অবক্ষয় হচ্ছে। মাটির স্বাস্থ্য হলো মাটির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাগুণের সর্বাধিক সমন্বয়। একসময় বাংলাদেশের মাটির উৎপাদনশীলতায় অবদান রাখে এমন গুণগত মানের বৈশিষ্ট্যাবলি রক্ষায় কাজ করা হতো। পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় গুণগত মানকে খুব কম বিবেচনা করা হতো। কিন্তু বর্তমানে তা করা হয় না। একতরফা ফসল উৎপাদনে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার এবং জৈব সার ব্যবহারে কৃষকের অনীহার কারণে প্রতিনিয়ত দেশের মাটির স্বাস্থ্য দুর্বল হচ্ছে। দেশে বিভিন্ন এলাকার বেশিরভাগ ফসলি জমির জৈব পদার্থ কমে দাঁড়িয়েছে ১.৭ শতাংশের নিচে। এমনকি বহু জমিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ ১ শতাংশেরও নিচে নেমে গেছে। যার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে দেশের ফসল উৎপাদনে।
৬ দশক আগে ফসলি জমিতে হেক্টরপ্রতি ৮.৮ কেজি রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা হতো, বর্তমানে তা ৭৫ গুণ বেড়ে প্রতি হেক্টরে প্রায় ৬৬০ কেজি রাসায়নিক সার ব্যবহার হচ্ছে। এতে সাময়িক সময়ের জন্য ফসলের উৎপাদন বাড়লেও ফসলি জমির দীর্ঘমেয়াদী উর্বরতা শক্তি বহুগুণে কমিয়ে দিয়েছে।
তাই কৃষিজমিতে জৈব সার ব্যবহার প্রয়োজনে আইন করে বাধ্যতামূলক করতে হবে। দেশে উঁচু, মাঝারি উঁচু ও মাঝারি নিচু মিলে ৭৫ ভাগ কৃষিজমি হয়। তাতে প্রতি হেক্টরে ১০ টন সাদামাটা হিসেবে, ৬০-৬২ মিলিয়ন টন জৈবসারের চাহিদা রয়েছে। অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করে, বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয় জৈব সারের উপকরণ কোথায় পাওয়া যাবে? এ প্রশ্নের উত্তর হলো- বাংলাদেশে জৈবসারের উপকরণের অভাব অতীতেও ছিলোনা এবং বর্তমানেও নেই। দেশে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎসের পশুপাখির মল (গরু, মুরগি, হাঁস), শহরাঞ্চলের জৈব বর্জ্য, গৃহস্থালির আবর্জনা, কাঁচা বাজারের বর্জ্য, নিটিং শিল্পের বর্জ্য, চিনিকলের পুনর্ব্যবহারযোগ্য বা জৈব সারের কাঁচামালের পরিমাণ বছরে ১৩০-১৫০ মিলিয়ন টন। সে পরিমাণ কাঁচামাল যথাযথ প্রক্রিয়ায় কম্পোস্ট করলে তা থেকে ৪৫-৫৫ মিলিয়ন টন জৈব সার উৎপাদন সম্ভব।
সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি, দেশের মাটির স্বাস্থ্য অটুট রাখতে প্রয়োজন রাসায়নিক সারের মতো জৈব সারের জন্য বিশেষ শিল্প গড়ে তোলা। তথ্যমতে, সরকার রাসায়নিক সার খাতে ৮০০০ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করে। অথচ, জৈব পদার্থ তথা জৈব সার তৈরী, বিপনন এবং মাঠপর্যায়ে সরবরাহে যদি বছরে ৩০০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখে তাহলেই দেশের মাটির স্বাস্থ্য অটুট রাখা সম্ভব।
এতে মাটির স্বাস্থ্য, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন হবে, শহরের বর্জ্য কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করায় বর্জ্য কমে যাবে ও পরিবেশ দূষণ কমবে। উদ্যমী তরুণদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে, পাশাপাশি পরিবেশের উন্নয়ন হবে। অধিকন্তু জৈব সারের পদ্ধতির মাধ্যমে দেশে জৈব কৃষির অপার সম্ভাবনা তৈরি হবে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ আজ।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান মহাপবিত্র ১১ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহাব্বুন নাসি ইলান নাবিয়্যি, সাইয়্যিদাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, যাকিয়্যাহ, রদ্বিয়্যাহ, মারদ্বিয়্যাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাবুল ইলম, কুতুবুল আলম, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চিনিকলগুলো থেকে বাণিজ্যিকভাবে ভিনেগার, জৈব দ্রাবক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সহ রাসায়নিক সামগ্রী সহ-উৎপাদক হিসেবে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া সম্ভব।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা, ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা সর্বোপরি উনার নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সব নারীদের জন্য ফরয।
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তিউনিসিয়া এবং পেরু, পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনলেও বাংলাদেশ কেনো সক্ষম হচ্ছে না।
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূলিল্লাহ আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূলিল্লাহ আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাবেক সরকার নারিকেল দ্বীপে পর্যটক বন্ধ করে- দেশে নাগরিকের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার, জীবন জীবিকার অধিকার চরমভাবে ক্ষুন্ন করেছে।
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রসঙ্গ: পারিবারিক বন্ধন ধ্বংস, পর্নোগ্রাফির রাজত্ব এবং ইসলামী মূল্যবোধের গুরুত্ব।
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশে মানসিক রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি। বিপরীতে স্বাস্থ্য বাজেটের মাত্র ০.২৫% ব্যয় হচ্ছে মানসিক চিকিৎসায়। রয়েছে মানসিক বিশেষজ্ঞ ও দক্ষ জনবল সঙ্কট।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ব্যাপকভাবে বাড়ছে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি ও হয়রানী
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












