মন্তব্য কলাম
চিকিৎসকের ভুল নির্ধারণ এবং শাস্তি প্রয়োগে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন সম্পূর্ণই ব্যর্থ তন্ত্র-মন্ত্রের ভাবধারায় আইন প্রণয়ন যেমন সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ হয়নি তেমনি প্রয়োগও স্বচ্ছ হয় না কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায়ই রোগী-চিকিৎসক সুসম্পর্ক এবং উত্তম চিকিৎসা সম্ভব ইনশাআল্লাহ!
, ১৪ ছফর শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ ছালিছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ২৬ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
দেশের চিকিৎসকের ভুলকে ভুল চিকিৎসা বলার অধিকার সাধারণ মানুষের নেই। এটা বলতে পারবে কেবল বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)।
চিকিৎসায় অবহেলা কিংবা ভুলের ঘটনায় মামলাও হয়েছে। সেই মামলায় চিকিৎসককে গ্রেফতারের নজিরও দেশে রয়েছে। কিন্তু বিএমডিসির সনদ বাতিলের নজির বিরল। ভুল চিকিৎসার দায়ে মাত্র একজন চিকিৎসকের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। চার জনের নিবন্ধন স্থগিত করা হয়েছে এক বছরের জন্য। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুসহ গত ২০ বছরে বিএমডিসিতে পাঁচ শতাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে অর্ধেক অভিযোগই নিষ্পত্তি করতে পারেনি সংস্থাটি। এতে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই ধরনের অভিযোগ স্বাস্থ্য অধিদফতরেও জমা পড়ে।
তবে সেখানে এ পর্যন্ত কত অভিযোগ জমা পড়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও হিসাব নেই কারও কাছে। ভুল চিকিৎসায় প্রতি বছর কতজন মানুষের মৃত্যু হচ্ছে; সেই হিসাবও কারও কাছে নেই। মাঝে-মধ্যে ভুল চিকিৎসা কিংবা অবহেলার খবর আসে। তখন কিছুটা নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। শুরু হয় অভিযান। কয়েক দিন পর আবার সব কিছু আগের মতোই হয়ে যায়।
বর্তমানে বিএমডিসির নিবন্ধিত চিকিৎসকের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ১০৪ জন। দন্ত চিকিৎসক প্রায় ১৩ হাজার, চিকিৎসা সহকারী প্রায় ২৭ হাজার ৯৪২ জন। প্রতিবছর সাড়ে ১১ হাজার নতুন চিকিৎসক যুক্ত হচ্ছেন তাদের সঙ্গে। রোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী আইন জরুরি বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, যেকোনও অপরাধের শাস্তি পর্যাপ্ত না হলে সেই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। চিকিৎসায় অবহেলা ও ভুল চিকিৎসাকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে শাস্তির বিধান রাখা উচিত। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছিলো, চিকিৎসক ও রোগীর সুরক্ষার দায়িত্ব আমার। দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে আইন হচ্ছে। আইনটি বাস্তবায়ন হলে কমে আসবে এ (ভুল চিকিৎসা ও অবহেলা) পরিস্থিতি।
একজন চিকিৎসকের কাছে যখন একজন মানুষ (রোগী) চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন, তখন লিখিত থাকুক বা না থাকুক উভয়ের মধ্যে একটি অলিখিত সুনির্দিষ্ট চুক্তির সৃষ্টি হয়। সেখানে অর্থের বিনিময়ে বা বিনিময় ছাড়াই সেবা প্রদানের বিষয়টি মুখ্য হয়ে ওঠে। এই চুক্তি বলবৎ থাকা অবস্থায় চিকিৎসকের অবহেলার কারণে যদি কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে এ বিষয়ে তার আইনি প্রতিকার লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়ে যায়। আইনি পরিভাষায় ‘মেডিকেল নেগলিজেন্স’ বা চিকিৎসায় অবহেলা বলতে মূলত চিকিৎসক ও রোগীর চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত অন্য ব্যক্তিদের অবহেলাকেই বোঝায়।
চিকিৎসায় অবহেলা শুধুই ‘অপারেশন’ বা অস্ত্রোপচারসংশ্লিষ্ট নয়, এর বাইরেও রোগীকে সঠিকভাবে পরীক্ষা না করা, রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, ফি নিয়ে দর-কষাকষি, ভুল ওষুধ দেওয়া, মৃত রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি রাখা, রোগীর ওপর জোর খাটানো, রোগীকে চিকিৎসা না দিয়ে অন্যত্র প্রেরণ করা, আইনি জটিলতার কথা ভেবে চিকিৎসা না দিয়ে রোগীকে ফেলে রাখা, হাসপাতালের শয্যা খালি না থাকার অজুহাতে চিকিৎসা না দেওয়া, স্বাস্থ্যগত বিষয়ে ভুল রিপোর্ট দেওয়া-এগুলোও চিকিৎসা অবহেলার অন্তর্ভুক্ত। চিকিৎসকদের ফি নির্ধারণসহ অনেক বিষয়ে ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেজিস্ট্রেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২’-এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে বিশ্বের অনেক দেশে টর্ট আইনে মামলা করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে টর্ট আইনে বিচারের জন্য আদালতব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। তাই দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তি চেয়ে বা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করতে হয়। চিকিৎসায় অবহেলার বিষয়ে আমাদের দেশে কোনো সুনির্দিষ্ট আইন নেই। এ কারণে কোন কোন কাজগুলো চিকিৎসায় অবহেলা হিসেবে গণ্য হবে এবং অবহেলার প্রমাণ পেলে কখন দেওয়ানি বা কখন ফৌজদারি মামলা করা যাবে, কী পরিমাণ শাস্তি বা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, সেসব বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই। এ কারণে এসব মামলার ক্ষেত্রে অন্য আইনগুলোতে থাকা অবহেলা ও ক্ষতিপূরণসংক্রান্ত বিধান এবং আদালতের নজিরের ওপর নির্ভর করতে হয়।
১৮৬০ সালের দ-বিধির ৩০৪এ ধারামতে, কোনো ব্যক্তি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনিত কোনো কাজের মাধ্যমে কারও মৃত্যু ঘটালে এবং সেই অপরাধ শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হলে, তবে সেই ব্যক্তি অবহেলাকারী হিসেবে বিবেচিত হবেন। এ জন্য তাকে পাঁচ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদ-ে অথবা অর্থদ-ে অথবা উভয় দ-ে দ-িত করা যাবে। এই ধারা অনুসারে অপরাধ হয়েছে কি না, তা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় তিনটি উপাদানের ওপর নির্ভর করতে হবে। সেগুলো হলো, অবহেলার কারণে ব্যক্তিটি মৃত্যুবরণ করেছিল, অবহেলার কারণেই মৃত্যুটি সংগঠিত হয়েছিল এবং অবহেলাটি দায়মুক্তির নরহত্যা হিসেবে বিবেচিত নয়। এ ধারা অনুসারে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উঠলে আদালতের পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করতে পারবেন। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতগুলো এসব ক্ষেত্রে একজন চিকিৎসককে রুটিনমাফিক গ্রেপ্তারে নিরুৎসাহিত করেছেন।
চিকিৎসা অবহেলার কারণে ক্ষতিপূরণ চেয়ে ভুক্তভোগী মামলা করতে পারবেন। অধস্তন আদালত ছাড়াও সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুসারে চিকিৎসায় অবহেলার কারণে হাইকোর্টে রিট করা যাবে। এসব মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কিছু নজির রয়েছে। তবে রোগীর ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের বিষয়টি অত্যন্ত জটিল। তাই চিকিৎসা অবহেলা ও এর ফলে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের বিষয়টি আদালতের বিবেচনাপূর্ণ এখতিয়ারের ওপর নির্ভর করে।
চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীর প্রতি অবহেলা করবেন না, এটাই স্বাভাবিক। নিজের বুদ্ধিমত্তা ও পেশাগত দক্ষতা প্রয়োগ করেই তারা সাধারণত চিকিৎসাসেবা প্রদান করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করার পরও কোনো দুর্ঘটনা ঘটে গেলে তার জন্য চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীকে দায়ী করার সুযোগ নেই। অভিযোগকারীর বক্তব্য শুনে একই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোনো চিকিৎসক যদি চিকিৎসায় অবহেলা হয়নি-এমন মতামত দেন, তাহলে সে মামলা থেকে অভিযুক্ত চিকিৎসক সহজেই অব্যাহতি পেয়ে যাবেন। জ্যাকব ম্যাথিউস বনাম পাঞ্জাব মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ‘অনেক সময় চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয় অনৈতিকভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে। কিন্তু সমাজের স্বার্থে আইনের এ অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। চিকিৎসকদের মিথ্যা মামলার হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। ...’ তাই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অবহেলার সুস্পষ্ট অভিযোগ না থাকলে অযথা মামলা করে হয়রানি করা থেকে সবার সতর্ক থাকা উচিত। চিকিৎসায় অবহেলার বিষয়টি যেমন কারও কাম্য নয়, তেমনি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা যাতে ভয়ভীতি ছাড়া স্বাধীনভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তেমন পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
বাংলাদেশের জনগণের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতি বছর চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যায়। সে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় দুইটি আইনের কথা বলা হয়েছে। থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট “দ্যা মেডিকেল কাউন্সিল অব থাইল্যান্ড” এ দুই আইনের কথা বলা হয়েছে।
থাইল্যান্ডের এই আইনে চিকিৎসকদের লাইসেন্স প্রত্যাহার করার বিধানও রয়েছে। এই আইনের একটি ধারায় তিন বছরের বেশি নয় এমন মেয়াদের কারাদ-ে দ-িত করার বিধান রাখা হয়েছে। একইসাথে ৩০ হাজার থাইল্যান্ডি বাথ পর্যন্ত জরিমানা করার বিধানও রয়েছে।
আরেকটি ধারায়, এক বছর বা তার বেশি নয় এমন কারাদ-ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া জরিমানা হিসেবে দশ হাজার বাথ বা তার বেশি নয় এমন শাস্তির বিধান রয়েছে।
দেশটিতে চিকিৎসায় অবহেলা হলে কঠোর আইনের বিধান রয়েছে। এটি “মেডিকেল ম্যানস্লটার ল” নামেই বেশি পরিচিত।
“এ আইনে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি স্বাধীন কমিটি তদন্ত করে বড় ধরনের কোনো ভুল বা অবহেলা হয়েছে কিনা। এটি প্রমাণিত হলে লাইসেন্স বাতিল এবং দুই থেকে দশ বছরের কারাদ-ের বিধান রয়েছে। ”
উল্লেখ্য প্রচলিত ভাবধারার আইন করলে তা কখনও ভারসাম্যপূর্ণ হয় না। হয়- তা চিকিৎসকের জন্য বেইনসাফী হয় অথবা তা রোগীর জন্য বেইনসাফী হয়।
পাশাপাশি আইন যাই হোক না কেন? তন্ত্র-মন্ত্রের সরকারে আইনের স্বচ্ছ প্রয়োগই হয় না।
সেক্ষেত্রে রোগী চিকিৎসক উভয়ের মধ্যেই সুসম্পর্ক, নিজেদের দায়বোধের পূর্ণ উপলব্ধি এবং উত্তম চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র জজবায়ই অর্জন সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
৫০ লক্ষাধিক সেনাবাহিনীর জন্য বাংলাদেশের বাংকার নেটওয়ার্কের রূপরেখা (পর্ব ৯)
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












