ইলমে তাছাওউফ
খিলাফত, খলীফা, পীর বা মুর্শিদ, গদীনশীন পীর বা মুর্শিদ পরিভাষার ব্যাখ্যা
, ২৩ ছফর শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০১ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ২৯ আগষ্ট, ২০২৪ খ্রি:, ১৪ ভাদ্র , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) ইলমে তাছাউফ
খিলাফত:
সালিক পবিত্র ইলমে তরীক্বত উনার রাস্তায় প্রবেশ করে কামিল ওলী বা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করতঃ পবিত্র ইলমে তরীক্বত উনার সবকাদি আদায় করার মাধ্যমে বিভিন্ন মাক্বাম বা মঞ্জিল অতিক্রম করে যখন তাকমীল বা পূর্ণতায় পৌঁছেন তখন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নির্দেশে হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে পূর্ণতার যে সনদ প্রদান করেন উনার নামই খিলাফত।
খলীফা ও পীর:
যিনি খিলাফত মুবারক লাভ করেন উনাকে খলীফা বলা হয়। প্রত্যেককে খিলাফত মুবারক লাভ করে খলীফা হয়ে মুর্শিদ বা পীর হতে হয়। তিনি গদীনশীন হোন বা না হোন তা শর্ত নয়। তবে খিলাফত লাভ না করে কেউই পীর বা মুর্শিদ হতে পারেন না। অতএব, পীর বা মুর্শিদ উনার ছেলে হোক, ভাই হোক, পীর বা মুর্শিদ হওয়ার জন্য উনাকেও অবশ্যই খিলাফত মুবারক লাভ করতে হবে। অন্যথায় তিনি পীর বা মুর্শিদ হতে পারবেন না।
গদীনশীন পীর বা মুর্শিদ:
“গদীনশীন” শব্দটি ফার্সী। গদী অর্থ আসন আর নশীন অর্থ উপবেশনকারী। অর্থাৎ আসনে উপবেশনকারী। পীর-মুর্শিদ উনার অবর্তমানে বা ইন্তিকালের পর উনাদের গদী বা আসনে বসে যিনি দায়িত্ব পালন করেন উনাকে বলা হয় গদীনশীন পীর বা মুর্শিদ।
আজকাল দেখা যায়, পীর বা মুর্শিদ উনার আত্মীয়-স্বজন ও মুরীদরা মিলে আলোচনা বা পরামর্শ করে পীর-মুর্শিদ উনার গদীনশীন ও খলীফা নির্বাচিত করছে। নাঊযুবিল্লাহ! যা পবিত্র শরীয়ত ও তরীক্বত উনাদের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
পীর বা মুর্শিদ উনার ছেলে হোক, জামাই হোক, ভাই হোক, মুরীদ হোক ইত্যাদি যেই হোক না কেন তিনি যদি পূর্বে যে খিলাফত উনার বর্ণনা দেয়া হয়েছে সেই খিলাফত মুবারক না পেয়ে থাকেন তাহলে তাকে গদীনশীন কিংবা খলীফা হিসেবে গ্রহণ করা জায়িয নেই। ছহীহভাবে খিলাফত মুবারক লাভ না করে যারা গদীনশীন বা খলীফা নির্বাচিত হবে শরীয়ত ও তরীক্বত মুবারক উনাদের পথে তারা অন্ধ। এক অন্ধ আরেক অন্ধকে রাস্তা দেখাতে পারে না।
কাজেই, এসব গদীনশীন ও খলীফা এবং তাদের যারা অনুসারী সকলকেই একজন খিলাফতপ্রাপ্ত মুর্শিদ বা ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হয়ে তাকমীলে পৌঁছার জন্য কোশেশ করতে হবে।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কৃপণতা জঘণ্যতম বদ খাছলত
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ উনাদের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫৫) কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় মনে করে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করার গুরুত্ব
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫৪) কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় মনে করে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করার গুরুত্ব
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫৩) কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় মনে করে যথাযথ তা’জীম-তাকরীম করার গুরুত্ব
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫২) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫১) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৪৯) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৪৯) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৪৮) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যখন যা আদেশ করবেন তখন তা পালন করাই মুরীদের জন্য সন্তুষ্টি লাভের কারণ
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক প্রসঙ্গে (৪৭)
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র ছোহবত মুবারক গ্রহণের ফাযায়িল-ফযীলত, গুরুত্ব-তাৎপর্য ও আবশ্যকতা:
০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












