৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
উল্লেখ্য যে, কামিল শায়েখ উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্য শয়তানী ওয়াসওয়াসা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু সেদিকে ধাবিত হওয়া যাবে না। বরং সর্বদা কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি তালাশের কোশেশে লিপ্ত থাকতে হবে।
মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মা’রিফাত-মুহব্বত, সন্তুষ্টি-রেজামন্দি মুবারক হাছিলের বুনিয়াদ বা ভিত্তি হচ্ছে- “স্বীয় মুর বাকি অংশ পড়ুন...
৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
হযরত কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আরো বলেন, একদিন আমি মদীনা শরীফের বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। এমন সময় একজন বণিক লোকজনকে জিজ্ঞেস করলো, কা’ব ইবনে মালিক কে? সকলেই আমার দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়ে দিলেন যে, আমিই তার কাঙ্খিত ব্যক্তি। সে ব্যক্তি কাছে এসে আমাকে গাস্সানের বাদশাহর পত্র দিলো। তাতে লিখা ছিলো, “আমি জানতে পেরেছি, আপনার সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আপনার প্রতি কঠোর ব্যবহার করেছেন। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি তো আপনাকে কম মর্যাদা বাকি অংশ পড়ুন...
৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
কামিল শায়েখ যদি কোন মুরীদের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তবে তা মুরীদ নিজের জন্য নিয়ামত মনে করে মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করবে।
আর যদি কোন কারণে কামিল শায়েখ কোন মুরীদের উপর অসন্তুষ্ট হন কিংবা অসন্তুষ্টিবশতঃ ছোহবত মুবারক ত্যাগ করতে বলেন, তথাপি ছোহবত মুবারক ত্যাগ করবে না। বরং অধিক মাত্রায় তওবা-ইস্তিগফার করতঃ ধৈর্যধারণ করবে। অসন্তুষ্টির কারণ তালাশ করে তার সঠিক তথ্য পেশ করে ওজরখায়ী ও ক্ষমা প্রার্থনা করবে। এটাই হচ্ছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে মুরীদ বা সালিকের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু আদব বর্ণনা করা হলো। বাকী আরো অনেক কিছু রয়েছে যা শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার মাঝে এসে শিখে নিতে হবে।
২১। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সাথে সময় ও সুযোগ বুঝে বিনয়ের সাথে কথা বলবে। উনার জবাব খুব মনোযোগ ও ভক্তিভরে শুনবে।
২২। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র আওলাদ-ফরযন্দ ও আহলে বাইত শরীফ উনাদেরকে উনারই জাত মুবারক হিসেবে উনার তুল্য সম্মান করবে। উনার আত্মীয়-স্বজন উনাদেরকেও পরম শ্রদ্ধা করবে। অন্যদিকে উনার সাথে ঘনিষ্ঠতার বাকি অংশ পড়ুন...
৩১। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবার খেলাফ কোন কাজ-কর্ম, কথা-বার্তা, আচার-আচরণ কিংবা অন্য কোন বিরুপ মন্তব্য করবে না।
যায়িদ ইবনে লুছাইতের অন্তরে নিফাকী তথা কপটতা থাকার কারণে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম ছোহবত মুবারকে থাকার পরেও উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উপলব্ধি করতে পারেনি। বিধায় বিরূপ মন্তব্য পেশ করতে দ্বিধা করেনি। নাঊযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَقَدْ ذَرَأْنَا لِ বাকি অংশ পড়ুন...
৩১। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবার খেলাফ কোন কাজ-কর্ম, কথা-বার্তা, আচার-আচরণ কিংবা অন্য কোন বিরুপ মন্তব্য করবে না।
কেননা তা ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিলের ক্ষেত্রে বিরাট অন্তরায়। কোন কোন ক্ষেত্রে ঈমান ও আমল বিনষ্টের কারণও বটে। যেমনিভাবে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেলায় ঈমান ধ্বংসের কারণ তথা কুফরী এবং মুনাফিকীর অন্তর্ভুক্ত।
সীরতে ইবনে হিশামসহ অন্যান্য সীরাত গ্রন্থসমূহে উল্লেখ আছে যে, ৯ম হিজরীতে তাবুকের জিহাদ সংঘটিত হয়। এ জিহাদে যাওয়ার পথে এক স্থানে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন ন বাকি অংশ পড়ুন...
কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার ব্যবহৃত কোন বস্ত্র কিংবা অন্য কোন দ্রব্য পেলে তা তাবারুক বা বরকতময় মনে করে তার যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করবে এবং ওজুসহকারে ব্যবহার করে তার হক আদায় করবে।
একবার মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হযরত ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খুশি হয়ে এক ব্যক্তিকে একটি জিনিস দান করেছিলেন। বস্তুটি তেমন মূল্যবান ছিলো না। তবুও অন্য এক ব্যক্তি উনার নিকট হতে তা অধিক মূল্যে ক্রয় করতে চাইলো। সেই ব্যক্তি বললো, “ভাই! আপনার ঐ জিনিসটি আমাকে দিন। আমি আপনাকে তার দ্বিগুণ মূল্য দিবো।” প্রথম ব্যক্তি বললো, “দ্বিগ বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
মুর্শিদ কিবলা উনার ছোহবত মুবারককে মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মনে করে উনার ছোহবত মুবারককেই নিজের জন্য লাজিম করে নিবে
এ প্রসঙ্গে সাইয়্যিদুল মুজাহিদীন, হযরত আবূ আলী দাক্কাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যে গাছগুলো নিজ থেকে জন্মে, যাকে আগাছা বলা হয়; যাতে কোনরূপ যত্মাদি করা হয় না, তাতে পত্র পল্লব হয় বটে কিন্তু সে গাছে ফল ধরে না। যদিও বা ধরে, সে ফল তেমন সুস্বাদু হয় না বরং তা হয় বিস্বাদ। ঠিক একইভাবে মুর্শিদ কিবলা বা কামিল শায়েখের পক্ষ থেকে যে সকল মুরীদগণ ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ লাভ করে না তেমন মুরীদগণ কস্মিনকালেও সফলতা লাভে সক্ষম হয় না।”
হ বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট থেকে প্রস্থান কালে উনাকে কখনও পিঠ প্রদর্শন করবে না। বরং ফিরে আসার সময় উনার দিকে মুখ রেখে পিছনের দিকে হেঁটে আসবে। অতঃপর দৃষ্টির আড়াল হলে স্বাভাবিকভাবে চলতে পারবে।
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, কুতুবুল আলম, খাযিনাতুর রহমাহ, হযরত আবু উছমান হারীরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “শাইখুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাহবুবে ইলাহী, হযরত আবু হাফ্স্ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার রাগ করে আমাকে উনার দরবার শরীফ হতে বের করে দিলেন এবং বললেন, “তুমি দ্বিতীয়বার আমার সামনে আসবে না।” আমি কিছুই বললাম না। তবে মনে মনে খুবই কষ্ট পেলাম। তারপরও ইচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে মুরীদ বা সালিকের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু আদব বর্ণনা করা হলো। বাকী আরো অনেক কিছু রয়েছে যা শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার মাঝে এসে শিখে নিতে হবে।
১১। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট কখনোই কারামত দেখতে চাইবে না।
১২। মুরীদের মনে কোনো সন্দেহের উদ্রেক হলে শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট আরয করবে। তিনি বুঝিয়ে দিলে যদি মন না বুঝে, তবে নিজেরই ত্রুটি মনে করবে। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি কোনো সন্দেহ পোষণ করবে না।
১৩। কোনো ঘটনা বা স্বপ্ন প্রকাশ বাকি অংশ পড়ুন...












