নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ مَنْصُورِيْنَ عَلَى الْـحَقِّ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَذَلَـهُمْ
অর্থ: সর্বদাই আমার উম্মতের মধ্যে একটি সাহায্যপ্রাপ্ত বিজয়ী দল হক্বের উপর থাকবে। বাতিলপন্থিরা উনাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত দ্বীন উনাকে জীবন্ত রাখার জন্য যুগে যুগে নিযুক্ত করেছেন নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া এবং উনাদের ওয়ারিছ ওলীআল্লাহ ও মুজাদ্দিদ উনাদেরকে এবং উনাদের স বাকি অংশ পড়ুন...
মানব হৃদয়ে যাবতীয় রোগ তথা বদ খাছলতসমূহের মধ্যে কৃপণতা বা ধনাসক্তি সর্বাপেক্ষা জঘণ্যতম রোগ। এটা যত ক্ষতি সাধন করতে পারে অন্য কোন কিছু তত ক্ষতি করতে পারে না। (কিমিয়ায়ে সাআদাত)
একবার সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ তাওয়াফ করছিলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে পবিত্র কা’বা শরীফের বেষ্টনীর উপর হাত রেখে বলতে লাগলেন, “হে দয়াময় মহান আল্লাহ পাক! এই পবিত্র ঘরের উছীলায় আপনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ইলমে তাছাউফ উনার মূল বিষয় হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার মত মুবারক অনুযায়ী হওয়া, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথ মুবারক অনুযায়ী হওয়া।
যেহেতু মহান আল্লাহ পাক উনাকে সরাসরি পাওয়া যাবে না, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেও সরাসরি পাওয়া যাবে না। সেহেতু যিনি নায়িবে নবী, ওয়ারিছে নবী-উলিল আমর উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে এবং উনার আদেশ-নিষেধ মুবারক পালন করে রিদ্বায়ে মাওলা, রিদ্বায়ে রসূল, রিদ্বায়ে মুর্শিদ কিবলা উনাদের হাছিল করতে হবে।
এক্ষেত্রে বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুরপূজারীদের কুফরী আক্বীদার দলীলভিত্তিক খ-নমূলক জবাব:
কুকুর পূজারীরা যদি মুসলমান হয়ে থাকে তাহলে তাদেরকে অবশ্যই মহাপবিত্র শরীয়ত উনার হুকুম অনুযায়ী আমল করতে হবে। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন মানুষের উপকারের জন্য। যেমন-
১ম দলীল:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
هُوَ الَّذِىْ خَلَقَ لَكُمْ مَا فِى الْاَرْضِ جَمِيْعًا
অর্থ : তিনি সেই মহান আল্লাহ পাক যিনি যমীনে যা কিছু আছে সমস্ত কিছু তোমাদের (উপকারের) জন্য সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ ২৯)
অথচ ক বাকি অংশ পড়ুন...
২২। কামিল শায়েখ উনার ব্যবহৃত খাছ কোন কিছুই ব্যবহার করবে না। উনার জায়নামায ও না’লাইন মুবারকের উপর পা রাখবে না। ওযূ-গোসলের স্থানে ওযূ-গোসল করবে না। ইস্তিঞ্জাখানার ক্ষেত্রেও একই হুকুম। (মাকতুবাত শরীফ)
পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, কামিল শায়েখ উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল জিনিসই উনার মত সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী। সুতরাং উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় বস্তুর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন করা মুরীদের জন্য অতি আবশ্যক। অন্যথায় তার ইলিম ও আমলের বরকত উঠে যায়। আমলের শক্তি খর্ব হয়, অন্তর- নূরের অবসান ঘটে। সর্বোপরি তার বাকি অংশ পড়ুন...
মুরীদ বা সালিকের জন্য পবিত্র আদব-কায়দা উনার প্রতি খেয়াল রাখা অবশ্য কর্তব্য। পবিত্র আদব অর্থ স্বাভাবিকতা। অর্থাৎ যা স্বাভাবিক তাই পবিত্র আদব। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে বলা হয় ‘ফিতরাত’ বা স্বাভাবিকতার দ্বীন। অর্থাৎ অন্য ভাষায় পবিত্র দ্বীন ইসলাম পবিত্র আদব উনারই দ্বীন।
অপরদিকে পবিত্র তরীক্বত সম্পর্কে বলা হয়েছে যে-
اَلطَّرِيْقَةُ كُلُّهٗ اَدَبٌ
অর্থ : “পবিত্র তরীক্বত উনার সবটুকুই আদব।” (মাকতুবাত শরীফ, মাদারিজুস সালিকীন)
আরো বলা হয়েছে যে-
اَلتَّصَوُّفُ كُلُّهٗ اَدَبٌ
অর্থ : “পবিত্র তাছাওউফ সম্পূর্ণই আদবের অন্তর্ভুক্ত।” (মাকতুবাত শরীফ, মাদারি বাকি অংশ পড়ুন...
মানব হৃদয়ে যাবতীয় রোগ তথা বদ খাছলতসমূহের মধ্যে কৃপণতা বা ধনাসক্তি সর্বাপেক্ষা জঘণ্যতম রোগ। এটা যত ক্ষতি সাধন করতে পারে অন্য কোন কিছু তত ক্ষতি করতে পারে না। (কিমিয়ায়ে সাআদাত)
একবার সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ তাওয়াফ করছিলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে পবিত্র কা’বা শরীফের বেষ্টনীর উপর হাত রেখে বলতে লাগলেন, “হে দয়াময় মহান আল্লাহ পাক! এই পবিত্র ঘরের উছীলায় আপনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ইবাদতে যাহিরাহ ও পবিত্র ইবাদতে বাতিনাহ উভয়টি সঠিক ও পরিপূর্ণভাবে পালন করার জন্য পবিত্র ইলিম অর্জন করা ফরয।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَليْهِ وَسَلَّمَ: طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيْضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ
অর্থ: “হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা উনাদের জন্য পবিত্র ইলিম অর্জন করা ফরয।” ( বাকি অংশ পড়ুন...












