মন্তব্য কলাম
ক্রমাগতভাবে মুসলমান যুবকদের শহীদ, আর মুসলমান নারীদের সম্ভ্রমহরণ করে চলছে ভারতের হায়েনা গো-রক্ষকরা গত জুমুআবারে ভারতে ২ মুসলমানকে পিটিয়ে শহীদ করে নদীতে ফেলে দিয়েছে গোরক্ষক নামধারী নরখাদকরা ভারতে যেভাবে গো-রক্ষকদের নর খাদক হওয়ার উন্মাদনা তৈরী হচ্ছে তার পরিণতি ভাবলে শিউরে উঠতে হয়
, ০৩ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১২ আউওয়াল, ১৩৯২ শামসী সন , ১০ জুন, ২০২৪ খ্রি:, ২৭ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
ভারতে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন, পিটিয়ে হত্যা, গো-রক্ষকদের হামলা, ইবাদত-বন্দেগী ও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পালনে বাধাদান, নাগরিক পঞ্জির নামে মুসলিম উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র এবং হিন্দুত্ববাদী সেøাগান ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করাসহ বহুমুখী সাম্প্রদায়িক হামলা চরমে উঠেছে।
অভিজ্ঞমহল মনে করেন, দীর্ঘ ব্রিটিশ পরাধীনতার নাগপাশ থেকে সমগ্র ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার লড়াইয়ে মুসলমানরাই ময়দানে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন। যে মুসলমানদের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে ভারত স্বাধীন হয়েছে, আজ ভারতে সেই মুসলমানদেরকেই নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার করা হচ্ছে। এর চেয়ে বড় গাদ্দারী, নিমকহারামী ও জুলুম আর কিছু হতে পারে না।
গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি ও গোরক্ষকরা মুসলমানদের উপর বর্বরোচিত সাম্প্রদায়িক হামলাসহ তাদের মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার হরণ দিন দিন আরো বাড়িয়েই চলেছে। প্রায় প্রতিদিনই প্রকাশ্য রাজপথে উল্লাস নৃত্য করে মুসলমানদেরকে পিটিয়ে খুন করা হচ্ছে। এ পর্যায়ে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে কার্যত: হামলাকারীদেরকে সহযোগিতা করছে। এমনকি মুসলমানদের নাগরিকত্ব হরণের মতো ধৃষ্টতামূলক ষড়যন্ত্রে ভারত সরকার জড়িয়ে পড়েছে।
ভারতে হরিয়ানা রাজ্যের মেওয়াটে দুই মুসলিম নারীকে সংঘবদ্ধ সম্ভ্রমহরণের দুই সপ্তাহ পর এক নারী অভিযোগ করেছেন, গরুর গোশত খাওয়ার অজুহাতে তাকে এবং তার ১৪ বছরের কিশোরী চাচাতো বোনকে সংঘবদ্ধ সম্ভ্রমহরণ করা হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে ২০ বছর বয়সী ওই নারী এসব কথা জানিয়েছেন।
গত বছরও গরুর গোশত পাচারের অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে কথিত গো-রক্ষক দলের সদস্যরা। ভারতের ৩২ বছর বয়সি এই মুসলিম নাগরিক মুম্বাই থেকে নাসির শেখের সঙ্গে একটি গাড়িতে যাচ্ছিলেন। সে সময় কথিত গো-রক্ষক সদস্যরা তাদের গাড়িটি আটক করে এবং গো-গোশত পাওয়ার অভিযোগে নির্যাতন করে। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে ভারতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি।
গত বছর এক সকালে উত্তর ভারতের রাজ্য হরিয়ানার ছোট শহর তাউরুর কাছে একটি গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটে। একটি ভ্যানের সাথে ধাক্কা খেয়ে গাড়িটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গত বছর মে মাসের এক সকালে উত্তর ভারতের রাজ্য হরিয়ানার ছোট শহর তাউরুর কাছে একটি গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটে। একটি ভ্যানের সাথে ধাক্কা খেয়ে গাড়িটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গাড়িটির ভেতরে তিনজন মুসলিম যুবক ছিলেন - ওয়ারিস, নাফিজ আর শওকীন।
ওয়ারিস এখন আর বেঁচে নেই। নাফিজ জেলে। আর শওকীনকে এখনো সেই রাতের ভয়াবহ স্মৃতি তাড়া করে বেড়ায়।
শওকীনের ভাষ্য, তার বন্ধুকে একদল হিন্দু যুবক পিটিয়ে হত্যা করেছে। তাদের গাড়ির পেছনে গরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে পেরে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।
শওকীন বলছিলেন যে গরুটি ছিল তার বন্ধু নাফিজের। পাশের রাজ্য রাজস্থানের ভিওয়াড়ি জেলা থেকে নিজের বাড়ি হরিয়ানায় গরুটি নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। সাথে ছিল তার দুই বন্ধু ওয়ারিস আর শওকীন।
তারা গাড়ি দিয়ে হরিয়ানা যাওয়ার সময় গো-রক্ষকরা তাদের ওপর হামলা করে। এই গো-রক্ষকরা মূলত হিন্দু তরুণ ও যুবকদের নিয়ে গড়া দল, যারা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় গরু আনা-নেয়ার বিষয়টি নজরদারিতে রাখেন। জবাই করার জন্য যেন গরু আনা নেয়া করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারা দেয় তারা।
ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা চরমে পৌঁছেছে বলে উদ্বেগ জানিয়ে সরকারের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন দেশের কয়েক ডজন সাবেক আমলা।
পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিক মহম্মদ আফরাজুলকে রাজস্থানে পুড়িয়ে মেরে ফেলা, গোরক্ষকদের তা-বে পহেলু খান বা উমের খানদের মৃত্যু, কিংবা হরিয়ানায় কিশোর জুনেইদ খানকে ট্রেন থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা - এই জাতীয় বহু ঘটনার উল্লেখ করে তারা সরকারের কাছে এর প্রতিকার দাবি করেছেন।
আর এই চিঠিতে সই করেছেন এমন ৬৭ জন, যারা সবাই কর্মজীবনে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন।
কিন্তু কেন এই সাবেক আমলারা এমন একটি চিঠি লেখার মতো বিরল পদক্ষেপ নিলেন?
মোদি সরকারের উদ্দেশ্যে লেখা এই খোলা চিঠিতে যারা সই করেছেন তারা প্রত্যেকেই ভারতের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ, পুলিশ ও ফরেন সার্ভিসের প্রাক্তন কর্মকর্তা।
সাবেক আমলা, কূটনীতিক বা পুলিশ অফিসাররা অবসরের পর একজোট হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলছে, এমনটা ভারতে খুব একটা দেখা যায় না।
কিন্তু এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান কারিগর ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্য সচিব অর্ধেন্দু বলছিলো সরকারের নীরবতাই তাদের বাধ্য করেছে এই ধরনের চিঠি লিখতে।
কিন্তু তারপরেও আসছে না গো-রক্ষকদের মুসলমান খাদক হওয়ার বীভৎস ঘটনা। (সর্বশেষ গত ৭ই জুন/২০২৪)
ভারতের ছত্তিশগড়ে গরু পাচারকারী আখ্যা দিয়ে দুই মুসলমান ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে কট্টর হিন্দুত্ববাদী ‘গোরক্ষক’রা। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরো একজনের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
জুমুয়াবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে ছত্তিশগড়ের আরাংয়ে।
জানা গেছে, ট্রাকে করে মহিষ নিয়ে যাচ্ছিলেন তিন ব্যক্তি। কিন্তু গরু পাচার করা হচ্ছে সন্দেহে ১৫-২০ জনের একটি ‘গোরক্ষক’ দল ট্রাকটির পিছু ধাওয়া করে। পাটেয়া থেকে মহাসমুন্দ-আরাং রোড পর্যন্ত ট্রাকটিকে ধাওয়া করে ওই দলটি। মহানদীর উপর একটি সেতুতে সেই ট্রাকটিকে আটকায় তারা। তারপর ট্রাকে থাকা মহিষ উদ্ধার করে। পাচারের অভিযোগ তুলে এরপরই চালক এবং তার দুই সঙ্গীকে ট্রাক থেকে নামিয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। হামলার মুখে পড়ে পালানোর চেষ্টা করেন ট্রাকচালক এবং তার সঙ্গীরা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।
তিনজনকে টানতে টানতে নিয়ে এসে বেধড়ক মারধর করা হয়। সেই হামলায় প্রাণ হারায় দুইজন। শুধু হত্যা করাই নয়, দু’জনের লাশ নদীতে ছুড়েও ফেলা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জুমুয়াবার রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে। পরে মহানদীর পাড় থেকে তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুইজনের।
এই ঘটনায় নিহতরা হলেন চাঁদ মিঞা ও গুড্ডু খান। আহত হয়েছেন সাদ্দাম কোরেশি। তারা উত্তর প্রদেশের সাহারনপুর জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অর্থাৎ মুসলমানদের উপর নির্যাতন “পরিস্থিতির কোনও উন্নতিই নেই। আর যেভাবে মুসলমানদের বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ও বিদ্বেষ তৈরি করা হচ্ছে, তার পরিণতি যে দেশকে কোথায় নিয়ে যাবে ভাবলে শিউড়ে উঠতে হয়”।
কিন্তু এখনও পর্যন্ত সরকারের দিক থেকে তেমন কোনও প্রতিক্রিয়া নেই।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












