সম্পাদকীয়
ঈদ যাত্রায় নিহতদের নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক প্রকাশ করা হয়েছে। এযাবত বহু তদন্ত কমিটি গঠন ও সুপারিশ করা হয়েছে।
কিন্তু যতক্ষণ যাবত হক্কুল ইবাদের ইলম ও আমলের জাগরণ ঘটানো না হবে এবং রাজধানীর বিকেন্দ্রীকরণ করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি লোকের ঢাকা ছাড়া এবং ঢোকার ঈদ যাত্রা কখনও স্বস্তির ও নিরাপদ হবে না
, ১৫ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৪ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ২১ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মুসলমানদের প্রধান দুটি দ্বীনি আনন্দ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় বাড়ি যাওয়া এবং ঈদ শেষে ঢাকায় ফেরা এখন এক বিরাট আতঙ্কের বিষয়।
সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) জানিয়েছে, ঈদের সাত দিনের (১৭-২৩ মার্চ) ছুটিতে সারা দেশে ৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০০ জন নিহত এবং ২১৭ জন আহত হয়েছেন। যদিও বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রাথমিক হিসাবে, একই সময়ে ২৬৮টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন অন্তত ২০৪ জন এবং আহত হয়েছেন ছয় শতাধিক মানুষ।
দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পরিসংখ্যানে সরকারি ও বেসরকারি তথ্যের মধ্যে এই বড় ফারাক আরেকটি বড় সমস্যা। বরাবরই সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে বেসরকারি পরিসংখ্যানে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি থাকে। ফলে প্রশ্ন ওঠে, কার তথ্যটি সঠিক?
সরকার তথ্য গোপন করে নাকি বেসরকারি সংগঠনগুলো অতিরঞ্জিত তথ্য দেয়?
নাকি তথ্য সন্নিবেশের প্রক্রিয়াগত পার্থক্যের কারণে হতাহতের সংখ্যায় এই ব্যবধান তৈরি হয়?
এ এক মহা বিতর্ক। কিন্তু যে তর্কটি বহু বছর ধরেও মীমাংসা করা গেলো না, সেটি হলো, ঈদযাত্রায় স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি মানুষ বড় শহরগুলো ছেড়ে জেলা-উপজেলা শহর বা গ্রামে যাবে, এটি জানার পরও সরকার এবং বেসরকারি গণপরিহনগুলো কেন নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে পারে না?
এটা সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতার অভাব নাকি উদাসিনতা?
নাকি রাষ্ট্রের সামগ্রিক দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থার কারণে ঈদযাত্রাগুলো অস্বস্তির ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে?
নাকি একসঙ্গে অনেক মানুষ যাতায়াত করে বলে বাস্তবিক কারণেই কোনও কিছু সামলানো সম্ভব হয় না?
সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থার হিসাব অনুসারে, দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। দুর্ঘটনায় আহত হয় প্রায় ১০ হাজার মানুষ। শুধু গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসাব করে দেশীয় সংস্থাগুলো। হাসপাতালে কিংবা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু এই হিসাবে আসে না।
(২)
অপরদিকে প্রতিটি দুর্ঘটনার পর গঠিত হয় তদন্ত কমিটি। কিন্তু সেই কমিটির দেয়া সুপারিশ কেন আলোর মুখ দেখে না, সেই প্রশ্ন সবার।
গবেষণায় দেখা গেছে, সড়কে দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটনা পথচারীকে চাপা দেওয়ার। পথচারীর গাড়িচাপার ঘটনা ২৮ শতাংশ।
এরপরেই রয়েছে একটি গাড়ির পেছনে আরেকটি গাড়ির ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা। এমন ঘটনা মোট সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনার ২৪ শতাংশ। দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ১৭ শতাংশ।
পর্যবেক্ষক মহল বলেছেন, বিআইডব্লিউটিএ আছে, ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট অথরিটি আছে, ডিপার্টমেন্ট অব শিপিং আছে, শিপিং মিনিস্ট্রি আছেন যারা এই সেক্টরটা নিয়ন্ত্রণ করে; আবার ট্রান্সপোর্ট অথরিটি আছে, বিআরটিএ আছে, সামষ্টিকভাবে কাজগুলো করতে হবে। শুধু ড্রাইভার, শুধু বাসের মালিক বা যেকোনো একটা করলে তো হবে না। সম্মলিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
(৩)
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি এ বক্তব্যও যথার্থ নয়। দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন দুটো বিষয়। হক্কুল ইবাদের ইলম ও আমল এবং বিকেন্দ্রীকরণ।
গাড়িচালকদের নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নেই। অতিরিক্ত সময় ধরে গাড়ি চালানোর কারণে তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ক্লান্ত শরীরে গাড়ি চালানোর কারণে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, এসব দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালকদের অতিরিক্ত লোভ আর পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খল প্রতিযোগিতা। এক্ষেত্রে চালকদের মধ্যে হক্কুল ইবাদের ইলম ও আমলের জাগরণ ঘটাতে হবে ইনশাআল্লাহ।
ধরা যাক ১,০০০ জন মালিক, ১,০০০ জন চালক, ১,০০০টি বাস বা লঞ্চ। ফলে প্রত্যেকে প্রত্যেকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে- কে কার আগে যাবে, কে কার আগে ফেরিতে উঠবে, কে আগে যাত্রী উঠাবে এবং পৌঁছাবে, এই প্রতিযোগিতা আমরা যতদিন পর্যন্ত বন্ধ করতে না পারবো এবং হক্কুল ইবাদের চেতনা দিতে না পারবো ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই দুর্ঘটনাগুলো দেখতে হবে। নাউযুবিল্লাহ।
(৪)
বিশ্বের যে কোনও দেশের রাজধানীর সঙ্গে তুলনা করলে ঢাকা হয়তো শীর্ষে, বা এক নম্বরেই থাকবে যেখানে প্রতি ঈদে প্রায় ২ কোটি মানুষ শহরটি ছেড়ে যায় এবং ঈদ শেষে আবার এই শহরে ফিরে আসে। পৃথিবীর অসংখ্য দেশ আছে, যাদের পুরো জনসংখ্যাও ২ কোটি নয়। অর্থাৎ একটি দেশের পুরো জনসংখ্যার সমপরিমাণ একটি জনগোষ্ঠী যখন একসঙ্গে একটি শহর ছেড়ে যায় এবং একসঙ্গে আবার তারা ফিরে আসে, তখন সেখানে নানা ধরনের মারাত্মক সংকট তৈরি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সেই সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্রের যে ধরনের বিকেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার কথা ছিল, তা কি গত অর্ধ শতাব্দীতেও নিশ্চিত করা গেছে?
ঈদের সময় যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ থাকে বলে লোকাল রুটের বাসও দূরপাল্লার বাস হয়ে যায়। সেসব বাসে গাদাগাদি করে মানুষেরা শত শত মাইল পাড়ি দেয়। প্রথমত ওইসব বাস মহাসড়কে চলারই উপেযাগী নয়, উপরন্তু তারা মহাসড়কে উঠে অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়।
ঈদের সময় একসঙ্গে প্রায় ২ কোটি মানুষকে তিন-চার দিনের ব্যবধানে সারা দেশে পৌঁছে দিতে রাষ্ট্র কি এমন কোনও পদ্ধতি আশা করতে পেরেছে, যেখানে স্বাভাবিক সময়ের মতোই তারা আরামে, স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ঢাকা ছাড়বে এবং ঈদ শেষে একইভাবে নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছাবে?
মূলতঃ বাস্তবতার নিরীখে তা কখনই সম্ভব নয়। উদাহারণত এত দক্ষ চালক তৈরীও সম্ভব নয়। আর তৈরী হলেও তারা ঈদের পর বেকার হবে। সুতরাং একটাই সমাধান বিকেন্দ্রীকরণ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়ন শুধু সামরিক বা ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই নয় বরং ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের জজবাকে সমুন্নত করার জন্য হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আম্রিকা শকুনীরা চাচ্ছে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ তৈরী করতে। ডিপস্টেট আমলাদের দ্বারা প্রণীত হচ্ছে- রফতানী বাধাগ্রস্থ করার নীল নকশা। চা রফতানীর বাধাসমূহ অবিলম্বে দূর করতে হবে।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ! সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি এই মহিমান্বিত দিনটি সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াদী আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় ১৮ই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ! খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক অর্থাৎ পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আম্রিকা বাংলাদেশকে আরো বেশী তুলা আমদানিতে চাপ সৃষ্টি করছে। আম্রিকা থেকে তুলা আমদানি জটিল, অধিক ব্যয় ও সময় সাপেক্ষ। অথচ একটু উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশই হতে পারে তুলায় স্ব-নির্ভর। ইনশাআল্লাহ।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নানা নামে বিভিন্ন কর আরোপকে মহা জুলুম হিসেবেই দেখছেন ব্যবসায়ীরা। আসন্ন বাজেটে নানা কর পরিকল্পনা নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা। সরকারকে অন্যায্য কর মুক্ত বাজেট দিতে হবে।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাপবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯, ১০, ১১, ১২ এবং ১৪ তারিখ মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভূক্ত। সুবহানাল্লাহ! এ দিবসসমূহের তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ৭ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খামিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস এবং পাশাপাশি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই শরীফ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা গবেষণার দিকে আগ্রহী না হয়ে বিসিএস পরীক্ষায় আগ্রহী হয় সব বাধা দূর করে জীবন-জীবিকা বান্ধব সমৃদ্ধ গবেষণার জন্য যথাযথ তৎপরতা ও প্রচেষ্টা একান্ত দরকার
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের কুরবানীর পশু যাতায়াতের পথে এবং কুরবানীর হাটে যথাযথ নিরাপত্তাও বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন? সড়ক ও নৌপথে পশুবাহী যানগুলোতে চলছে চাঁদাবাজি-ডাকাতি চাঁদা না দিলে হত্যার ঘটনাও ঘটছে কুরবানী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












