সম্পাদকীয়
আরব দেশগুলো থেকে মার্কিনীদের যুদ্ধ করতে না দেয়ার আহবান সম্পূর্ণই কুরআন শরীফ - সুন্নাহ শরীফের নির্দেশ। মুসলমানদের চির শত্রু ইহুদী-নাছারা-মুশরিক পরস্পর, পরস্পরের ঘণিষ্ঠ বন্ধু।
ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে ওমান। অন্য মুসলিম দেশগুলোরও সক্রিয় সহযোগিতা করা উচিত ইনশাআল্লাহ।
, ০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
গত পরশু পেজেশকিয়ান বলেছেন- আঞ্চলিক দেশগুলোর উচিত নয় শত্রুদেরকে আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার সুযোগ দেওয়া।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এ কথা লিখেছেন। তিনি আরও লিখেছেন: আমি বারবার বলেছি ইরান কখনই প্রাক-উদ্যমি মানে আগবাড়িয়ে হামলা করবে না। তবে আমাদের অবকাঠামো কিংবা অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হলে বসেও থাকবো না। হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়ে শত্রুদের বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা প্রতিক্রিয়া দেখাবো।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন- আমি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে বলছি আপনারা যদি উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা চান তাহলে আমাদের শত্রুদেরকে আপনাদের দেশ থেকে যুদ্ধ চালাতে দেবেন না।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি পেজেশকিয়ানের এ আহবানের যৌক্তিকতা ও যথার্থতা রয়েছে। দ্বীন ইসলামের দৃষ্টিতে তা ফরজের পর্যায়েই পড়ে। আঞ্চলিক মুসলিম দেশ তথা আরবের মুসলিম দেশগুলোর কখনও উচিৎ ছিল না ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিনীদেরকে তাদের দেশকে ব্যবহার করতে দেয়া। তাদের দেশে মার্কিন ঘাটি তৈরী করতে দেয়া।
পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ তাআলা বলেন-
হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু বানিয়ো না। তারা পরস্পরে একে অন্যের বন্ধু! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই মধ্যে গণ্য হবে। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি জালিমদেরকে হেদায়েত দান করেন না। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫১)
অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেছেন-
হে মুমিনগণ! তোমরা মুসলিমদের ছেড়ে কাফিরদেরকে বন্ধু বানিয়ো না। তোমরা কি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে নিজেদের বিরুদ্ধে (অর্থাৎ নিজেদের শাস্তিযোগ্য হওয়া সম্পর্কে) সুস্পষ্ট প্রমাণ দাঁড় করাতে চাও? (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪৪)
শুধু কাফের নয়। কাফেরদের সঙ্গে যারা মিলেমিশে থাকে এবং ঈমানের উপর কুফরকে প্রাধান্য দেয়- এমন লোকদের সাথেও বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই ব্যক্তি যদি নিজের বাবা কিংবা ভাই হন তবুও। ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
হে মুমিনগণ! তোমাদের পিতা ও ভাইয়েরা যদি ঈমানের বিপরীতে কুফরকে পছন্দ করে, তবে তাদেরকে নিজেদের বন্ধু বানিয়ো না। তোমাদের মধ্যে যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, তারাই জালেম। (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
এমনিভাবে যারা মুসলমানদের ক্ষতি করার চেষ্টায় থাকে এবং মুসলমানদের ক্ষতি দেখলে খুশি হয়, তাদের সাথে বন্ধুত্ব ও ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের বাইরের কোনো ব্যক্তিকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বানিয়ো না। তারা তোমাদের অনিষ্ট কামনায় কোনো রকম ত্রুটি করে না। তারা মনে-প্রাণে কামনা করে- তোমরা কষ্ট ভোগ কর। তাদের মুখ থেকে আক্রোশ বের হয়ে পড়ে। আর তাদের অন্তর যা-কিছু (বিদ্বেষ) গোপন রাখে, তা আরও গুরুতর। আমি আসল বৃত্তান্ত তোমাদের কাছে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিলাম- যদি তোমরা বুদ্ধিকে কাজে লাগাও! (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৮)
পবিত্র কুরআন শরীফে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ইহুদী ও মুশরিকরাই মুসলমানদের সবচে কঠিন বড় শত্রু। মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ মুবারক করেন-
আপনি অবশ্যই মানুষের মধ্যে মুসলমানদের শত্রুতায় সর্বাপেক্ষা কঠোর পাবেন ইহুদীদেরকে এবং সেই সমস্ত লোককে, যারা শিরক করে। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
(২)
অপরদিকে মুসলমানদের জন্য কত বড় সৌভাগ্যের বিষয় এই যে, তাদেরকে স্বয়ং মহান আল্লাহ তাআলা নিজের বন্ধু হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ঘোষণা করেছেন উনার রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং অপরাপর মুমিনদেরও বন্ধু হিসেবে। ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
(হে মুসলিমগণ!) তোমাদের বন্ধু তো কেবল মহান আল্লাহ পাক, উনার রাসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মুমিনগণ, যারা (আল্লাহ পাক উনার সামনে) বিনীত হয়ে সালাত আদায় করেন ও যাকাত দেন। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৫)
শুধু তাই নয়। ঘোষণা করেছেন- যারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মুমিনদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে তাদের বিজয় ও সফলতা সুনিশ্চিত। ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
আর যে কেউ মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মুমিনদেরকে বন্ধু বানাবে (সে মহান আল্লাহ পাক উনার দলভুক্ত হয়ে যাবে)। আর নিশ্চয় মহান আল্লাহ পাক উনার দলই বিজয়ী হবে। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬)
(৩)
দুঃখজনক হলেও সত্য আরব দেশগুলো পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফের সরাসরি বিরোধিতা করছে। এতে তারা ঈমানদার না কাফিরদের অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে তা তারা উপলব্ধি করতে পারছে না। নাউযুবিল্লাহ।
এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম ব্লুমবার্গ স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং তাদের বিশ্বাস এই সংঘাতে কৌশলগত সুবিধাজনক অবস্থায় নেই আম্রিকা।
এ অঞ্চলের আরব দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে উল্লেখ করে এই মার্কিন সাময়িকী লিখেছে, ইরান সম্পর্কে মার্কিন যুদ্ধকামিতা ও অস্থির নীতি এই আরব সরকারগুলোকে ক্লান্ত করে ফেলেছে।
এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব সরকারি নেতৃবৃন্দ ব্যক্তিগত পর্যায়ে নিজেদের আলোচনায় তাদের ভূমিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে আতিথ্য দেয়ার কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা মনে করছেন যে এই ঘাঁটিগুলো নিরাপত্তা দিতে পারছে না তাদেরকে, বরং সম্মুখ সমরের লাইনে থাকার উত্তেজনা বয়ে আনছে! বিশেষ করে তাদের মূল উদ্বেগ হল যে এই যুদ্ধ আরও জোরালো হয়ে উঠলে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের মৌলিক গুরুত্বের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদেরকে একা ফেলে রাখবে।
(৪)
ইরানকে নিয়ে উপসাগরীয় প্রায় সব রাজতান্ত্রিক আরব সরকার এমন সময় অচলাবস্থার শিকার হয়ে আছে তখন ইরানের পাশে দাড়িয়েছে ওমান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাদর আলবুসায়িদি দুবাই, মানামা ও দোহার মত শহরগুলোতে মার্কিন সেনা-অবস্থানগুলোর ওপর ইরানি হামলাগুলোকে মার্কিন-ইসরায়েলি বোমা বর্ষণের মোকাবেলায় ‘একমাত্র যৌক্তিক পথ’ বলে অভিহিত করেছেন।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি- ওমান, পাকিস্তান, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মিশর সব মুসলিম দেশকে সম্মিলিতভাবে ইরানের সাথে সহযোদ্ধা হয়ে জিহাদ করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নিজেদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টিতে শত্রুদের যেন মুসলিম দেশগুলো আশকারা না দেয়; সে আহবান জানিয়েছে: পেজেশকিয়ান বর্তমান পরিস্থিতি শুধু ইরানের বিষয় নয়-এটা পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি ঈমানী পরীক্ষা। কিন্তু এই পরীক্ষায় মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব ব্যর্থ হচ্ছে।
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসলাম বিরোধী ও বিদ্বেষী, পশ্চিমা এজেন্ট কুখ্যাত অন্তর্বর্তী সরকারের কুপথেই হাটতে চাচ্ছে। নতুন সরকারের অমুসলিম সংস্কৃতিমন্ত্রী। বিগত সময় তীব্র আন্দোলনের মুখে বন্ধ করা সংগীত শিক্ষকের পদ আবার চালু করতে চাইছে সে।
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিজাতীয় লানত ও গুঁড়োদুধের মরণছোবল : রূহানী পবিত্রতা রক্ষায় মুসলিম দেশসমূহ হতে আমদানির বিকল্প নেই
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ঈদ যাত্রায় নিহতদের নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক প্রকাশ করা হয়েছে। এযাবত বহু তদন্ত কমিটি গঠন ও সুপারিশ করা হয়েছে।
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ১২ই শাওওয়াল শরীফ আজ।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা এড়ানোর সমাধান রাজধানী ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর্ন্তজাতিক দরপত্র আহবান নয় বরং প্রয়োজন তেল গ্যাস উত্তোলনে নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি। এক্ষেত্রে তুরস্কের বহুদেশের কাজের বহুমুখী অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে বাংলাদেশ।
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যানজট কমাতে নতুন সরকারের ঢাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত যানজট নিরসনে ও ক্ষতি কমাতে সম্পূর্ণই ব্যর্থ হবে। যানজটের কারণে বছরে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে।
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পুঁজিবাদের তথাকথিত বৈধ ক্যাসিনো ভেঙে ফেলতে হবে; প্রকৃত সমাধান ইসলামী অর্থনীতি ও খিলাফত প্রতিষ্ঠাতেই নিহিত
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রসঙ্গ: স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানোর রীতি। স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক ও ১ মিনিট নিরবতা খ্রিষ্টান বেনিয়া অপসংস্কৃতি।
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জুলাই সনদের ৮ নং অনুচ্ছেদ LGBTQ এর পরিপূর্ণ প্রতিফলন। তারপরেও ঈমান বিক্রী করে, ইসলামের ধ্বংস ডেকে তথাকথিত ইসলামী দল কী করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারে? জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বি.এন.পির নির্বাচনী ইশতেহারে এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইসলামী অনুভূতির প্রতি সহযোগী মনোভাবের চরম খেলাফ।
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ত্বাহিরাহ, তাইয়্যিবাহ, মাহবুবাহ, ফাক্বীহা, মাশুক্বাহ, তাওশিয়াহ, নূরে হাবীবা, লখতে জিগারে ইমামুল উমাম, উম্মু আবিহা, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












