মন্তব্য কলাম
অবশেষে জাতিসংঘও স্বীকার করতে বাধ্য হলো নিকৃষ্ট, নির্মম গণহত্যাকারী যুদ্ধাপরাধী ইসরাইল, গাজায় চরম দুর্ভিক্ষ তৈরী করেছে নৃশংস ইসরাইল ক্ষুধার অস্ত্র দ্বারা গাজাবাসীকে শহীদ করছে বর্তমানে গাজা জুড়ে ৫ লাখেরও বেশি মানুষ চরম দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতিতে রয়েছে| এছাড়া আরও প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার মানুষ (গাজার মোট জনসংখ্যার ৫৪ শতাংশ)
, ০১লা রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৭ ছালিছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৬ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ১১ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
গুরুতর ‘জরুরি’ অবস্থায় আছেন| আর ৩ লাখ ৯৬ হাজার মানুষ (২০ শতাংশ) চরম ‘সঙ্কট’ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন|
গাজায় পাঁচ বছরের নিচে অন্তত ১ লাখ ৩২ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে|
এদের মধ্যে প্রায় ৪১ হাজার শিশুর অবস্থা গুরুতর, যাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে|
শুধু শিশুই নয়, প্রায় ৫৫ হাজার গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী নারীও মারাত্মক পুষ্টিহীনতায় ভুগছেন
গাজায় স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে| ৯৮ শতাংশ চাষযোগ্য জমি নষ্ট হয়ে পড়েছে, গবাদি পশুও প্রায় শেষ, আর সমুদ্রে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ|
'ইসরায়েলের ওপর অর্থবহ চাপ প্রয়োগে আন্তর্জাতিক মহলের ব্যর্থতা, শিশুসহ মানুষ অনাহারে মারা যাওয়ার সময় অলসভাবে দাঁড়িয়ে থাকা - এগুলো যতটা বিভ্রান্তিকর, ঠিক ততটাই নিন্দনীয়|
গাজার দুর্ভিক্ষ আমেরিকা, ইউরোপ, ইসরাইল সৃষ্ট বিপর্যয়, যা জাতিসংঘ মানবাধিকার সনদ এবং মানবতারই চূড়ান্ত ব্যর্থতা|
গাজায় চলছে নিরন্তর গণহত্যা এবং নিকৃষ্ট যুদ্ধাপরাধ|
আন্তর্জাতিকভাবে এর এখনি বিচার হওয়া দরকার
মুসলিম বিশ্বের আলাদা আন্তর্জাতিক আদালত তৈরি করা দরকার
(৩য় পর্ব)
ইসরায়েলের আগ্রাসনের কারণে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে|
অপুষ্টির শিকার এসব শিশুর চিকিৎসা করতে অন্তত ১০টি হাসপাতাল দরকার বলে জানিয়েছে শহরটির আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া ও নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের শিশু হাসপাতালের পরিচালক আহমদ আল-ফারা|
আবু সালমিয়া বলেন, শিশুদের পাশাপাশি গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে আহত হয়ে আরও যারা ভর্তি হয়েছে, তারাও বিভিন্ন মাত্রায় অপুষ্টিতে ভুগছে| অপুষ্টি গাজার অন্যতম প্রধান সমস্যায় পরিণত হয়েছে| এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে|
এছাড়া গত শুক্রবার দ্য ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি) এক প্রতিবেদনে জানায়, গাজা উপত্যকার গাজা নগর প্রশাসনিক অঞ্চল ও আশপাশের এলাকায় দুর্ভিক্ষ চলছে| এতে অন্তত ৫ লাখ ১৪ হাজার গাজাবাসী দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছে| বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী মাসের শেষের দিকে উপত্যকার মধ্যাঞ্চলের প্রশাসনিক অঞ্চল দেইর আল-বালাহ ও দক্ষিণের খান ইউনিসেও দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়তে পারে|
জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেছে, গাজায় নিজেরা যে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেছে, তা অস্বীকার করা ইসরায়েলকে বন্ধ করতে হবে|
আইপিসির প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় টম বলে, ‘এ দুর্ভিক্ষ পুরোপুরি ঠেকানো যেত| কিন্তু ইসরায়েলের পরিকল্পিত বাধায় গাজায় খাদ্য ঢুকতে পারছে না| তাই দুর্ভিক্ষ তৈরি হয়েছে| ’
মিসর সীমান্তে ত্রাণভর্তি হাজারো ট্রাক কয়েক মাস ধরে গাজায় ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে| কিন্তু গত মার্চ থেকে ইসরায়েলের অবরোধের কারণে সেগুলো গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না| মে মাসের শেষ থেকে তারা গাজায় কিছু ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকতে দিচ্ছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল|
গাজায় ভয়াবহ আকারের মানবিক বিপর্যয় নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক ফর এইড রিলিফ অ্যান্ড অ্যাসিসটেন্সের গাজা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর ইউসরা আবু শারেখ| বলেন, যুদ্ধে সবচেয়ে বড় মূল্য দিচ্ছে ফিলিস্তিনি শিশুরা|
ইউসরা আবু শারেখ গাজা সিটিতে বসবাস করে| তার ১২ ও ৭ বছর বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে| ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সবাই এখন অপুষ্টিতে ভুগছে| গত পাঁচ মাস ধরে ফিলিস্তিনির গোশত, ডিম কিংবা ফলের মতো পুষ্টিকর খাবার খেতে পারেনি| ’
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘এই সংঘাতে সবচেয়ে বড় মূল্য দিচ্ছে শিশুরা| প্রতিদিনই ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংসতার শিকার হচ্ছে নিষ্পাপ শিশুরা| কবে এই যুদ্ধের শেষ হবে কেউ জানে না| ’
ইসলায়েলি বোমা আর ক্ষুধায় প্রাণ হারানো গাজার শিশুদের জন্য আবেগঘন পোস্ট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসওম্যান টেইলর|
ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে বলে একাধিকবার উল্লেখ করেছেন তিনি| রিপাবলিকান পার্টিতে ইসরায়েলের বর্বরতা নিয়ে সরব নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম|
সর্বশেষ গত শনিবার এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট দিয়ে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি| বিশেষ করে ইসরায়েলি অবরোধ ও সামরিক অভিযানে সৃষ্টি দুর্ভিক্ষে মারা যাওয়ার শিশুদের জন্য একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তিনি| প্রচলিত মারণাস্ত্র নির্বিচারে ব্যবহারের পাশাপাশি খাদ্য, চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকারের বিষয়গুলোকেও ‘অস্ত্রে’ পরিণত করে ফিলিস্তিনিদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল|
নিচে গ্রিনের পোস্টটির বাংলা অনুবাদ তুলে ধরা হলো:
যদি আমাদের সরকার দ্বারা সংঘটিত কোনো ভয়াবহ কাজের কারণে আমেরিকায় দিন-রাত বোমা বর্ষণ করা হতো, এবং অসংখ্য নিরীহ আমেরিকান ও আমেরিকান শিশু নিহত ও মারাত্মকভাবে আহত হতো, এবং আমরা করুণার জন্য মিনতি করতাম, কিন্তু বাকি বিশ্ব বলতো-
‘আমেরিকানরা তাদের সরকারকে ভোট দিয়েছে, তাই তারা এর যোগ্য| তাদের সরকার খারাপ, তাই সব আমেরিকানই খারাপ| অতএব, এটিই তাদের প্রাপ্য এবং এটি করা উচিত| ’
এবং আমাদের দুর্ভোগের প্রতি বিশ্ব নীরব থাকতো| কেউ আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসতো না| এবং আমাদের শহর ও বাড়িঘর বোমা হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতো| এবং আমাদের অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যেত, কোনো খামার, কোনো মুদি দোকান, কোনো সুসংগঠিত সমাজ আর অবশিষ্ট থাকতো না| এবং কেউ আমাদের আহত ও ক্ষুধার্ত শিশুদের সাহায্য করতো না|
তাহলে আপনার কেমন লাগতো? আপনি কী ভাবতেন? আপনি কী করতেন?
আমাদের সবাইকে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও এটাই ঘটছে গাজায়, যেখানে অসংখ্য নিরীহ মানুষ ও শিশু নিহত হচ্ছে এবং তারা হামাস নয়|
হামাস কি এর যোগ্য? হ্যাঁ| নিরীহ মানুষ ও শিশুরা কি এর যোগ্য? না|
গাজার নিরীহ মানুষরা ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের নিরীহ মানুষদের হত্যা বা অপহরণ করেনি|
যেভাবে আমরা ৭ অক্টোবরের শিকার ও তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে কথা বলেছিলাম, একইভাবে আমেরিকানরা কীভাবে গাজার অসংখ্য নিরীহ মানুষ ও শিশুদের প্রতি সমবেদনা জানাতে নীরব থাকতে পারে?
এক ধরনের নিরীহ জীবনের কি কোনো মূল্য আছে, আর অন্য ধরনের নিরীহ জীবনের কোনো মূল্য নেই?
আমেরিকা সামরিক সাহায্যের জন্য ইসরায়েলকে বার্ষিক ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার দেয়|
আসলে, সংশোধন করছি|
মার্কিন করদাতারা সামরিক সাহায্যের জন্য ইসরায়েলকে বার্ষিক ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার দেয়|
এর অর্থ হলো, প্রতিটি মার্কিন করদাতা ইসরায়েলের সামরিক কর্মকা-ে অবদান রাখছে|
তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোগান মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে গাজার মানবিক সংকট নিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে| শনিবার (২৩ আগস্ট) পাঠানো চিঠিতে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রতি মেলানিয়া যে সহানুভূতি দেখিয়েছে, গাজার মানবিক পরিস্থিতির প্রতিও একই সহানুভূতি দেখানোর আহ্বান জানানো হয়|
ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে রাশিয়ার নেতা ভøাদিমির পুতিনকে মেলানিয়ার পাঠানো সাম্প্রতিক চিঠির কথা উল্লেখ করে এমিন বলেন,
আপনার চিঠিতে যেমনটি আপনি বলেছেন, প্রতিটি শিশুরই একটি প্রেমময় এবং নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সর্বজনীন ও অনস্বীকার্য অধিকার রয়েছে| এই অধিকার কেবল কোনো অঞ্চল, জাতি, ধর্ম বা আদর্শের জন্য নয়| এই অধিকার থেকে বঞ্চিত নিপীড়িতদের সমর্থন করা মানব পরিবারের প্রতি একটি মৌলিক দায়িত্ব|
'এই প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে একজন নেতার স্ত্রী হিসেবে, ইউক্রেন যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক প্রভাবে প্রাণ হারানো, বিচ্ছিন্ন পরিবার এবং এতিম শিশুদের প্রতি আপনার সমবেদনা এমন একটি উদ্যোগ, যা হৃদয়ে আশা জাগিয়ে তোলে| '
চিঠিতে বলা হয়, আমি বিশ্বাস করি আপনি গাজার জন্য আরও জোরালোভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীলতা প্রদর্শন করবে, যা আপনি যুদ্ধে প্রাণ হারানো ৬৪৮ জন ইউক্রেনীয় শিশুর প্রতি দেখিয়েছে| গাজায় দুই বছরের মধ্যে ১৮ হাজার শিশুসহ ৬২ হাজার নিরীহ বেসামরিক নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে|
গাজায় নজিরবিহীন সহিংসতার কথা তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, আমাদের কি কখনো মনে হয়, একদিন 'অজানা সৈনিক' শব্দটি, যা একসময় নিহত সৈনিকদের জন্য ব্যবহৃত হত - এখন শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে? আজ, হাজার হাজার গাজা শিশুর কাফনের ওপর লেখা 'অজানা শিশু' শব্দগুলো| তাদের নামও শনাক্ত করা যাচ্ছে না| এগুলো আমাদের বিবেকের ওপর অপূরণীয় ক্ষত রেখে যাচ্ছে|
এমিন আরও বলে, এই শিশুদের গভীর মানসিক ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে এবং তারা হাসতে ভুলে গেছে| মাইক্রোফোনে চিৎকার করে বলছে, তারা মরতে চায়, তাদের নিষ্পাপ হৃদয়ে যুদ্ধের ক্লান্তি বয়| গাজায় ইতিহাস লিপিবদ্ধ করছে, এই ক্ষুদ্র-এতিম শিশুদের চুলও অবর্ণনীয় যন্ত্রণা এবং ভয়ের কারণে ধূসর হয়ে গেছে|
তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিশুদের নীরব হাসি কেবল ইউক্রেইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না| যখন বিশ্ব একটি সম্মিলিত জাগরণ অনুভব করছে এবং ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি বিশ্বব্যাপী ইচ্ছাশক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে, তখন আমি বিশ্বাস করি যে, গাজার পক্ষ থেকে আপনার আহ্বান ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি একটি ঐতিহাসিক দায়িত্বও পূরণ করবে|
তুর্কি ফার্স্ট লেডি ফিলিস্তিনের পরিস্থিতিকে কেবল গণহত্যা হিসেবেই বর্ণনা করেনি, বরং এটিকে স্বেচ্ছাচারী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বহিঃপ্রকাশ বলেও বর্ণনা করে - যেখানে ক্ষমতা ও আয়েশের তাড়নায় কিছু জীবনকে অন্যদের চেয়ে বেশি মূল্যবান বলে মনে করা হয়|
এই অন্যায্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংহতির আহ্বান জানিয়ে তিনি চিঠিতে বলেন, 'আমাদের অবশ্যই এই বিকৃত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর এবং শক্তি একত্রিত করতে হবে, যা কিছু শিশুর জীবনকে অন্যদের তুলনায় কম মূল্যবান বলে মনে করে| আন্তর্জাতিক আইন এবং শেয়ার করা মানবিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা ও আমাদের সাধারণ নীতিগুলোর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য| '
তিনি আরও বলেন, 'একজন মা, একজন নারী এবং একজন মানুষ হিসেবে, আমি আপনার চিঠিতে প্রকাশিত অনুভূতির সঙ্গে গভীরভাবে একমত| আমি আশা করি আপনি গাজার শিশুদের জন্য একই আশা লালন করবেন, যারা শান্তি ও প্রশান্তি কামনা করে| '
এমিন জোর দিয়ে বলেন, গাজার ১৮ হাজার ৮৮৫ জন শিশু, যারা ইতিমধ্যেই হারিয়ে গেছে - যেমন ছয় বছর বয়সী হিন্দ রজব - যাকে ৩৩৫ বার গুলি করা হয়েছিল, অথবা তিন বছর বয়সী রিম - যার দাদু আনন্দে ভরা চোখে তাকে বিদায় জানিয়েছিলো - ইতোমধ্যেই অনেক দেরি হয়ে গেছে| কিন্তু দশ লক্ষেরও বেশি শিশু যারা বেঁচে আছে, তাদের জন্য আমাদের এখনো সুযোগ আছে|
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ|
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যদি গোবর-গোচনা থেকে বিরত থাকতে চান, তাহলে বিধর্মীদের হোটেলে খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকুন মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা (পূজারী) নাপাক”।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












