প্রচলিত তন্ত্র-মন্ত্রের কারণে সরকারের নীতি নির্ধারণকারী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে নিম্ন শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারী পর্যন্ত প্রায় সকলেই প্রতিযোগিতামূলকভাবে চুরি ডাকাতি, ছিনতাই, রাহজানী, খুনখারাবি ইত্যাদি অপরাধ অপকর্মে লিপ্ত। নাউযুবিল্লাহ!
অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন, প্রশাসন ইত্যাদি কোন কাজই আসছে না। যাকে যে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে সে সেই দায়িত্বের অবহেলা, খেয়ানত ও অবমাননা করছে। দায়িত্বশীল নিজেই অপরাধে জড়িত হচ্ছে। এটার একমাত্র কারণ যিনি সত্যিকার আইন বা বিধান দানকারী খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার বাকি অংশ পড়ুন...
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোদের মুলো দেখানো হয়- ‘তাদের জন্য আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে দেয়া হবে’। কিন্তু বাস্তবে উপজাতিদের স্বার্থ এখানে মুখ্য নয়। মূল স্বার্থ পশ্চিমা সম্রাজ্যবাদীদের, যারা উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে শুধু ব্যবহার করছে তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। এ প্রক্রিয়া চলে চার প্রকারে-
১. মগজ ধোলাই সম্পর্কিত পুশিং: বিদেশী গোষ্ঠীগুলো উপজাতিদের কাছে গিয়ে সর্বদা কানপড়া দিতে থাকে- “তোমাদের বাংলাদেশের সাথে থেকে কি লাভ আছে? তোমরা নিজেরাই একটা দেশের জন্য চিন্তা করো, সেটা হবে তোমাদের রাজত্ব। সে বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চন্দ্র ও সূর্যের ঘূর্ণন বা আবর্তনের সাথে রাত-দিনের বা তারিখের পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যার কারণে চন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী-প্রবর্তন করা হয়েছে হিজরী সন ও ক্যালেন্ডার। আর সূর্যের হিসাব অনুযায়ী প্রবর্তন করা হয়েছে শামসী সন ও ক্যালেন্ডার। এ দুটি সন ও ক্যালেন্ডারই মুসলমানদের দ্বারা প্রবর্তিত।
কাজেই, মুসলমানদের জন্য মুসলমানদের প্রবর্তিত সন ব্যতীত কাফির-মুশরিকদের প্রবর্তিত কোনো সন ও ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা জায়িয নেই।
অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আমাদের এই দেশে শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান বাকি অংশ পড়ুন...
বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী যিন্দেগীতে কা’ব বিন আশরাফ এবং আবু রাফে নামে দুই ব্যক্তি সমালোচনা ও কটুক্তি করলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলে সাথে সাথে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা গিয়ে ঐ দুই নালায়েককে মৃত্যুদ- দিয়ে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেন। যার কারণে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের ফতওয়া বা মাসয়ালা হচ্ছে, কেউ যদি নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
এক লোক মারা যাওয়ার সময় খুবই ছটফট করছিল, চোখ বড় বড় করে এদিক-সেদিক তাকাচ্ছিল, হাত-পা ছুটাছুটি করছিল। ছটফট করতে করতে শেষ পর্যন্ত চকির উপর থেকে নিচে পড়ে মারা যায়। এর মূল কারণ হলো-সে যেহেতু বদকার ছিলো তাই তার রুহ কবজ করার জন্য আযাব-গযবের ফেরেশতা নাযিল হয়েছিলেন। বদকারের রুহ কবজ করার সময় উনারা ভয়ঙ্কর ছুরত ধারণ করেন। তাই এই বিকট ছুরতের হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে দেখেই সে ভয় পেয়ে এমন ছুটাছুটি করছিল।
এ তো দুনিয়ার অবস্থা, জাহান্নামের কঠিন আযাব তো পড়েই থাকলো। সে এমন সময় ছুটাছুটি করতে ছিলো যখন তার কিছুই করার ছিল না। এই ছুটাছুটি যদি বাকি অংশ পড়ুন...
ভুয়া উন্নয়ন পরিসংখ্যান তৈরি ও ঋণের ফাঁদ এগুলোর পুরোটাই একটি আর্ন্তজাতিক চক্রের কাজ। এ চক্রের হয়ে কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ‘জন পার্কিন্স’ নামে তাদেরই এক এজেন্ট ‘গর্ব’ করে একটি বই লিখেছে। এই অর্থনৈতিক ঘাতকের বই থেকে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো। যা পড়লে বুঝা সহজ হবে- কিভাবে ভুয়া উন্নয়নের হিসাব-নিকাশের ফেরে একটি দেশকে জড়ানো হয় ও ঋণের জালে আবদ্ধ করা হয়। বইটির নাম- Confessions of Economic Hitman|
(৬ষ্ঠ অংশ)
“...এ ঘটনার পর আমি এই তিনটি পাঠাগারে বহু সময় ব্যয় করলাম। সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করলাম বোস্টন পাবলিক লাইব্রেরীতে। এই পাঠাগারটি ছিল আমার অফিস ও অ্যাপ বাকি অংশ পড়ুন...
‘রাজাকার’ শব্দটি অর্থের দিক দিয়ে খারাপ নয়। রাজাকার অর্থ সাহায্যকারী। ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা পাক বাহিনীকে মুক্তযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি হওয়া সত্ত্বেও সাহায্য করেছে তাদের দেশবাসী রাজাকার হিসেবে চেনে। এই রাজাকাররা অনেকেই মানবতাবিরোধী কাজে লিপ্ত ছিলো। তাইতো স্বাধীনতার ৪২ বছর পরে হলেও এদের বিচার হচ্ছে। এই বিচার কার্যে রাজাকার শব্দটি ব্যবহার হচ্ছে না। এদের মানবতাবিরোধী কাজের জন্য বিচার হচ্ছে, তা অবশ্য অবশ্যই হওয়া উচিত এবং সর্বোচ্চ কঠিন শাস্তি দেয়া উচিত। রাজাকার শব্দটি ব্যবহার না করার কারণ আমি কিছুটা বুঝতে পারলেও সক বাকি অংশ পড়ুন...
যারা বেপর্দা- বেহায়পনাকে পেশা- নেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে, নারীবাদের নামে মুসলিম নারীদের বেপর্দা করতে উৎসাহিত করছে- সে সকল নাফরমানদের উচিত ভবিষ্যত পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক হওয়া। তারা তওবা করে ফিরে না আসলে তাদের জন্য আফসোস। যদি তওবা করে ফিরে না আসে তাহলে ওদের কঠিন শাস্তি হবে। কেননা, মহান আল্লাহ পাক জানিয়ে দিয়েছেন,
وَأَنَّ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِالْآخِرَةِ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا
অর্থ: যারা পরকাল বিশ্বাস করে না তাদের জন্য আমি যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। (পবিত্র সূরা ইসরা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১০)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দ্বীন ইসলাম এমন একটি দ্বীন যার মাঝে রয়েছে ইহকাল পরকালের সকল বিষয়ের সঠিক সমাধান। মুসলমানরা কি খাবেন, কি খাবেন না, কি পরবেন, কি পরবেন না সবই বিশদভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে বর্ণনা করা হয়েছে।
সকলেরই জানা আছে প্যান্ট -শার্ট হচ্ছে কাফির পুরুষদের পোশাক। এগুলো কোন মুসলমান পুরুষ বা মহিলার পোশাক না।
মুসলমান পুরুষরা পরবেন সুন্নতী কোর্তা,ইযার বা লুঙ্গী, সেলোয়ার, মাথায় সুন্নতী টুপি, পাগড়ী, রুমাল ইত্যাদি।
আর মুসলমান মহিলারা পরবেন ক্বমীছ, সেলোয়ার বা পাজামা, মাথায় বড় ওড়না। আর ঘর থেকে বের হলে পরবেন সুন্নতী বোরকা।
আর পুরুষদের জন্ বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলিম দেশগুলোতে চাঁদ দেখার সুন্নতী পদ্ধতি বাদ দিয়ে মনগড়া নিয়মে মাস গণনা হচ্ছে। আমাদের দেশেও আরবী মাস শুরু নিয়ে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করে যাচ্ছে বিশেষ একটি গোষ্ঠী। সামগ্রিকভাবে সকল বিষয়গুলো লক্ষ্য রেখে দেশের মুসলমানদের আমলের সুবিধার্থে আরবী মাসের সঠিক তারিখ জানাবার উদ্দেশ্যে এই আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখা কমিটি ‘মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ গঠন করা হয়েছে। ১৪২৭ হিজরী সনের পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রু’ইয়াতে হিলাল মজলিসের কার্যক্রম শুরু হয়। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই মজলিসের কার্যক্রম বিস্তৃত রয়েছে।
ম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তোমরা পেরেশান হয়োনা, চিন্তিত হয়ো না তোমরাই কামিয়াবী হাছিল করবে বা (বিজয়ী) হবে যদি তোমরা মু’মিন হও।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩৯)
মু’মিন মু’মিনাগণের অভিভাবক স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। আর সারা কায়িনাতের সবকিছুর মালিক উনারা। উনাদের কুরবত, নৈকট্য, তায়াল্লুক, নিছবত হাছিলের কোশেশকারীদের উপর রহমত-বরকত, সাকীনা সদা বর্ষিত। যুগে যুগে উনারাই কামিয়াবী লাভ করেছেন এবং ভবিষ্যতে করবেন। মহান আল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
এদেশে ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। এখানে মুসলমানদের পাঠ্যপুস্তকে সম্মানিত কুরআন শরীফ সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের বিষয়গুলো থাকতে হবে। মুশরিকদের কোনো বিষয় এখানকার পাঠ্যপুস্তকে থাকতে পারবে না। মহান আল্লাহ পপাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিঃসন্দেহে কাফির-মুশরিকরা হলো নাপাক।” আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ করো না।”
তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে সর্বনিকৃষ্ট প্রাণী হলো এই কাফির-মুশরিকরা। নাউযুবিল্লাহ! বর্তমানে পাঠ্য-পুস্তকে কাফির-মুশরিকদের কুফরী শিক্ষা ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। নাউযুবিল্ বাকি অংশ পড়ুন...












