বর্তমানে বাংলাদেশের একদল চিহ্নিত বুদ্ধিজীবী ও দালাল মিডিয়ার ট্রাম্পকার্ড হলো ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’। যদিও আওয়ামী মদদে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে সংখ্যালঘুদের প্রাধান্য, তারপরও বাংলাদেশে নাকি হচ্ছে ব্যাপক সংখ্যালঘু নির্যাতন! পাঠকগণ আসুন দেখি, এসব ভারতে যেভাবে মুসলমান নির্যাতন (সংখ্যালঘু নয়?) হয়ে থাকে তার কিছু নমুনা:
ভারতের মীরাট শহরে বারবার দেখা গিয়েছে রক্তাক্ত দাঙ্গার দৃশ্য। ১৯৩৮-এ দাঙ্গা, ১৯৪৬-এ দাঙ্গা, ১৯৪৯-এ দাঙ্গা, ৬২, ৬৮, ৭৩, ৮২, ৮৭ এবং ৯০’তেও দেখা গিয়েছে মুসলমানদের উপর আপতিত হত্যা-লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের পৈশাচিক হিন্দুত্ব বাকি অংশ পড়ুন...
বৈশ্বিক জায়নবাদের প্রবর্তক ‘থিওডর হের্জল’ নামক এক উগ্রতাবাদী সন্ত্রাসী। ১৮৯৭ খৃষ্টাব্দে জায়নবাদীদের প্রথম বিশ্বসভায় যেই দলীলগুলো উপস্থাপন করেছিল। সেগুলোকে ‘জায়নবাদি বুদ্ধিজীবিদের গোপন ‘প্রটোকলস' বলা হয়। এই হের্জল ছিলো অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির ইহুদি সাংবাদিক ও লেখক। তাকে আধুনিক ইহুদী রাজনীতির জনক এবং ইজরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।
আসুন জেনে নেয়া যাক সেই গোপন প্রটোকলসে কী আছে?
সেখানে বলা আছে-
১. আমাদের পাসপোর্ট অথবা আমাদের পরিচয় পত্র মিথ্যা ও দাবিসর্বস্ব হবে।
২. আমাদের শক্তিই হবে আমাদের অধিকার। ( বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের ক্ষতিসাধনে কোনো ক্রটি করে না, তারা চায় তোমরা কষ্টে থাকো (এতেই তাদের আনন্দ। )” নাউযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা আল ইমরান: আয়াত শরীফ ১১৮)
এছাড়া ‘মুসলমানদের প্রধান শত্রু ইহুদী অতঃপর মুশরিক (মূর্তিপূজারী)’- একথাও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে বর্ণিত আছে। পবিত্র আয়াত শরীফসমূহের বাস্তবতা যুগে যুগে প্রতিফলিত হয়েছে, হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধি বাকি অংশ পড়ুন...
ব্রিটিশিয় কায়দা-কানুন যারা এখনো ছাড়তে পারে নি, যারা এখনো স্যুটেড-বুটেড হয়ে দেশ চালাতে চায়, সেই সব শাসকগোষ্ঠী দিয়ে দেশের উন্নয়ন আশা করা যায় না, মুষ্টিমেয় কিছু পুঁজিবাদী ব্যবসায়ীর উন্নয়ন হয় মাত্র। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে গরিব-মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উন্নতি হলেই দেশের সামগ্রীক উন্নয়ন হয়েছে বলে বিবেচিত হয়।
কেননা, উন্নয়ন কেবল অনুন্নয়নদের জন্য। তেলওয়ালা মাথায় তেল দেয়া কোনো কাজ নয়, বরং তেলহীন গরিবের সাথে পরিহাস করা হয়। আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক শাসকরা এ কাজটিই করে থাকেন। পয়সাওয়ালারা আরো বেশি পয়সা ওয়ালারা হয়, আর কুঁড়েঘরের বাসিন্দারা ছিন্ন বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা সকলে আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হয়ে যাও”। এই সম্মানিত আয়াত শরীফ অনুসারে প্রত্যেক পুরুষ-মহিলা, ছেলে-মেয়ে, ছোট-বড় সকলের জন্যেই আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হওয়াটা ফরয। সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে একটি শিশু বোঝার বয়সে উপনীত হলেই তাকে দ্বীনী তালিম দেয়ার কথা বলা হয়েছে। কেননা শৈশবকালীন দ্বীনী তালিম একটি শিশুর জন্য আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হওয়ার ক্ষেত্রে পাথেয় হিসেবে কাজ করে। সেই হিসেবে প্রত্যেক পিতা-মাতারই উচিত একটি শিশু জন্মগ্রহণ করলেই তাকে বাকি অংশ পড়ুন...
৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের দুই প্রধান ত্রিদিব এবং অংশু প্রু পাকিস্তানের পক্ষ নেয়। ত্রিদিব সে প্রথম রাঙ্গামাটিতে পাকিস্তানি আর্মিদের নিয়ে আসে।
এরপর আসে বিশুদ্ধানন্দের নাম। ‘একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায়’ বইতে উল্লেখ করা হয়েছে- স্বাধীনতা যুদ্ধের নয় (৯) মাস বিশুদ্ধানন্দ পাকসেনাদের কার্যকলাপকে অভিনন্দন জানিয়ে বহু বিবৃতি দিয়েছে, পাকসেনার জন্য সমর্থন আদায়ের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান সফর করেছে। ৬ মে তারিখে সে পাকিস্তানের তৎকালীন সরকারি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও সেনাব বাকি অংশ পড়ুন...
পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আরো দাবি করেন, পুরাতন পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার জন্য হাইকোর্ট একাধিক বার নির্দেশনা দেয়। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব নায়েব আলীর নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল সিলেটের বিভিন্ন পাথর কোয়ারি পরিদর্শন করে। এরপর তারা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে শর্তসাপেক্ষে পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া হতে পারে মর্মে মত দেওয়া হয়। কিন্তু পরে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। অথচ, পাথর কোয়ারি বন্ধ রেখে বিদেশ থেকে রিজার্ভের ডলার খরচ করে পাথর বাকি অংশ পড়ুন...
বিদেশী শক্তির পাথর ব্যবসা চাঙ্গা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আছে দেশীয় পাথর উত্তোলন। এ ব্যাপারে অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে মর্মান্তিক চিত্র।
সিলেট অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের মতে, স্থানীয় অর্থনীতির মজবুত ভিত্তি হচ্ছে পাথর কোয়ারি। এবার সেই কোয়ারিগুলো থেকে পরিবেশসম্মতভাবে পাথর উত্তোলনের সুযোগ করে দেয়া জরুরী। এই দাবি কোয়ারি অধ্যুষিত এলাকাগুলোর বাসিন্দাদেরও। তাদের দাবি, কয়েক বছর কোয়ারি বন্ধ থাকা ও পাথর উত্তোলন না করায় নদীর প্রবেশমুখে স্তুপাকারে আটকে আছে পাথর। এতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে সিপাহী বিদ্রোহের পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের মুসলমানগণ, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানদের উপর দমননীতি গ্রহণ করে। তারা সম্ভ্রান্ত মুসলমানদেরকে সমস্ত সরকারি উচ্চপদ থেকে বরখাস্ত করে সেখানে হিন্দুদের নিয়োগ দেয়, কারণ সিপাহী বিদ্রোহের সময়ে বাঙালি হিন্দুরা ছিল ব্রিটিশদের একনিষ্ঠ অনুগত গোলামগোষ্ঠী।
তৎকালীন বাংলায় নিয়োজিত ব্রিটিশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও চরম মুসলিমবিদ্বেষী উইলিয়াম হান্টারও তার ১৮৭১ সালে লেখা ‘দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস’ বইটিতে ব্রিটিশদের এসব অন্যায়-অবিচারের কথা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। উদাহরণস্বর বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকগোষ্ঠীর পতনের পেছনে যেসব কারণ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো রাজপ্রাসাদে শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বিধর্মীদের সংস্কৃতির অতিরিক্ত পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান। ইতিহাসে রয়েছে যে, মুর্শিদাবাদের মতিঝিল প্রাসাদে শাহমত জংগ ও শওকত জংগ এবং মনসুরগঞ্জ প্রাসাদে খোদ সিরাজউদ্দৌলা ‘হোলি উৎসব’ পালন করতো। মীরজাফরও এই হোলিতে অংশগ্রহণ করতো এবং মৃত্যুর আগমুহূর্তে সে দেবী কীর্তিশ্বরীর মূর্তির পা ধোয়া পানি খেতেও দ্বিধা করেনি। (সূত্র: ভারতের মুসলমান ও স্বাধীনতা আন্দোলন, ড. ইনাম উল হক, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ২)
সময় পাল্টেছে, রাজতন্ত্রের স্থ বাকি অংশ পড়ুন...
এই ভারত উপমহাদেশর মানুষ একটার পর একটা সংগ্রাম করেই আসছে। ইংরেজরা ২০০ বছর শোষণ করার পর তাদেরকে এ অঞ্চল থেকে তাড়ানো হয়েছে। এরপর ভারত পাকিস্তান ভাগ হয়েছে। অতঃপর পাকিস্তান থেকে ভাগ হয়েছে বাংলাদেশ। কিসের জন্য? মুক্তির জন্য, স্বাধীনতার জন্য। ১৯৭১ সালে মুক্তির জন্যই ৩০ লক্ষ মানুষ জান দিয়েছিলেন।
কিন্তু কথা হচ্ছে এরপরেও কি সেই কাঙ্খিত মুক্তি এসেছিলো? আসেনি।
সর্বশেষ ২০২৪-এ এসে নামানো হলো স্বৈরাচার সরকারকে। যাকে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ২য় স্বাধীনতা। আসলেই কি স্বাধীন হয়েছে এই দেশ? নাকি মনিব পরিবর্তন হয়েছে। আসলে মনিব পরিবর্তন হয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...












