পশ্চিমা বিশ্ব ও তাদের সমমনা কাফের মুশরিকরা মিলে নিজস্ব অর্থায়নে এনজিও ও সেকুলার গণতান্ত্রিক সরকারের মাধ্যমে মুসলিমদেশ বাংলাদেশের জনসংখ্যা কমিয়ে আনার একটা প্রকল্প শুরু করে। কিন্তু তাদের জন্য হতাশা ও পরিতাপের বিষয় হলো, এই প্রকল্প সফল হয়নি। বরং দিনদিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন যদি তারা প্রকৃত ব্যাপারটা প্রকাশ করে, তবে সে অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যাবে। বিশ্ব জরিপ সংস্থা ‘জনসংখ্যা ৪০ কোটি ছাড়িয়েছে’ দাবি করে এই কারণটাই বলার চেষ্টা করছেন।
তার উপর জনসংখ্যা কম দেখিয়ে জিডিপি ও মাথাপিছু আয় বেশি দেখানো যায়। যদি বাংলাদেশে ১৬-১৭ কোটি বা বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “তোমরা ইহুদী ও খ্রিস্টানদের তোমাদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। ”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা পবিত্র আশূরা শরীফ দিবস রোযা রাখো এবং এতে ইহুদীদের বিপরীত করো। পবিত্র আশূরা শরীফ উনার পূর্বে ১ দিন অথবা পরে ১ দিন মিলিয়ে রোযা রাখো। ” (মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ)
চিন্তা ও ফিকিরের বিষয় হলো, ইহুদীরা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনকে পবিত্র দিন হিসেবে সম্মান করে থাকে এজন্য তারা এদিনে ১টি রোযা রেখে থাকে। মুসলমান যেহে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ শুরু করা হয়েছে পবিত্র ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম’ উনার মাধ্যমে।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ১১৪টি পবিত্র সূরা শরীফ উনাদের মধ্যে শুধুমাত্র পবিত্র সূরা তওবা শরীফ ছাড়া অন্য বাকি ১১৩টি পবিত্র সূরা শরীফ শুরু করা হয়েছে পবিত্র “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” দিয়ে।
খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন: “(জবেহ করার সময়) যেসব প্রাণীর উপর মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক (বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম) নেয়া হয়নি, সেগুলো তোমরা আহার করো না। ” (পবিত্র সূরা আনআম শরীফ: পবিত্র আয়া বাকি অংশ পড়ুন...
ইদানিং বাংলাদেশে আমরা একদল মুসলিমদের দেখতে পাচ্ছি, যারা ইসলামের সুমহান আদর্শের উপর অটল ও অবিচল থাকার চাইতে হিকমত অবলম্বনের নামে বিভিন্ন রকমের ইসলাম বিবর্জিত কাজে জড়িয়ে পড়ছে। পরাজিত মানসিকতার এসব মুসলিমরা এখন ইসলামের নামে বিভিন্ন পশ্চিমা মূল্যবোধ গ্রহণ করছে। মূলত তাদের এসকল ভ্রান্ত কাজের বড় উদ্দেশ্যটি হলো- তথাকথিত ভারতীয় ও পশ্চিমা মোড়লদের কাছ থেকে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতার সার্টিফিকেট অর্জন করা।
অথচ এ ব্যাপারে পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
مَنْ اِلْتَمَسَ رِضَا النَّاسِ بِسَخَطِ اللَّهِ سَخَطَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَأَسْخَطَ عَلَيْهِ النَّاسَ
অর্থ: যে বাকি অংশ পড়ুন...
পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। যার ভৌগোলিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের জাতিগত ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দেশবিরোধী শক্তি ও আমেরিকা ভারতের যৌথ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এই অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা চলছে। এই চক্রান্তকে মোকাবেলা করার জন্য বাংলাদেশের সর্বসাধারণের সচেতনতা ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আশা করি। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কার্যকর ভূমিকা কাম্য।
২৪ বাকি অংশ পড়ুন...
মন্দির পাহারা দেয়া তো দূরের কথা, মুসলমানের জন্য পূজাম-পে হাজির হওয়াই তো জায়েজ নাই। হযরত ফারুকে আজম আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَا تَدْخُلُوا عَلَى الْمُشْرِكِينَ فِي كَنَائِسِهِمْ يَوْمَ عِيدِهِمْ، فَإِنَّ السَّخْطَةَ تَنْزِلُ عَلَيْهِمْ.
অর্থ: তোমরা মুশরিকদের উৎসবগুলোতে তাদের মন্দিরে প্রবেশ করো না অর্থাৎ তাদের পূজাম-পে হাজির হইও না। কেননা, তাদের উপরে লানত বর্ষিত হয়। (সুনানুল কুবরা, বাইহাকী, ৭/৩৯২পৃ.)
শয়তানদের মজমায় উপস্থিত হওয়া, সেখানের পাহারাদার দারোয়ান হওয়া অবশ্যই হারাম নাজায়েজ। কওমী জমাতি হেফাজতি চরমোনাইদের এই পদস্খলন আমাদের লজ্জা দিচ্ছে বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে মুসলমানরা মেজরিটি হলেও তাদের দ্বীনি উৎসবকে (যেমন ঈদুল আজহা) সর্বজনীন হিসেবে গণ্য করা হয় না, অথচ হিন্দুদের দুর্গাপূজা, তাদের কথিত ধর্মীয় উৎসব হওয়ার পরও, ‘সার্বজনীন’ বলে প্রচারিত হচ্ছে। এ নিয়ে আমার প্রশ্ন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমাদের উৎসব ‘সার্বজনীন’ না হয়ে, সংখ্যালঘুদের একটি উৎসব কীভাবে ‘সার্বজনীন’ বলে বিবেচিত হয়? আমি মনে করি, দুর্গাপূজাকে ‘সার্বজনীন’ উৎসব হিসেবে বর্ণনা করা, লেখা, বলা, প্রচার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ, এটি একটি নির্দিষ্ট ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান। এটাকে ‘সার্বজনীন’ বলার ক্ষেত্রে কোনো যুক্তি দেখি না।
ব বাকি অংশ পড়ুন...












