স্বাস্থ্যকথন:
হাঁটু ব্যথায় কি কি করবেন?
, ২৩ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০১ ছালিছ, ১৩৯২ শামসী সন , ৩০ জুলাই, ২০২৪ খ্রি:, ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) চিকিৎসা
বয়সজনিত, আঘাতজনিতসহ নানা কারণে হাঁটু হতে পারে। হাঁটু কেবল আমাদের পুরো শরীরের ওজনের ভারই বহন করে না, হাঁটতে, দৌঁড়াতে, বসতে-উঠতে সাহায্য করে। নানা কারণে আমাদের হঠাৎ হাঁটু ব্যথা শুরু হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে আঘাতজনিত সমস্যাই অন্যতম।
হাঁটু ব্যথার আরেকটি বড় কারণ হলো আর্থ্রাইটিস বা হাঁটুর প্রদাহ, সন্ধির ক্ষয় ইত্যাদি। নানা রকম বাতরোগে হাঁটু ফুলে যায়, ব্যথা করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সন্ধি ক্ষয় বা অস্টিওআর্থ্রাইটিসই হাঁটু ব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে ওঠে। হাটু ব্যথার জন্য শুধু ওষুধ প্রয়োগ ছাড়াও কিছু ব্যায়াম প্রতিদিন কয়েকবার করলে পরিত্রাণ মেলে। এতে সময়ও লাগে খুব কম, মাত্র ৮ থেকে ১০ মিনিট। হাঁটুর মতো গুরত্বপূর্ণ স্থানে ব্যথা অনুভব হলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ খেতে হবে। ব্যথার ওষুধ বেশি খাওয়া ক্ষতিকর। তবে একটি ভাল সমাধান হল ব্যায়াম। নিয়মিত ব্যায়াম দ্বারা হাটু ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
হাড় ক্ষয়জনিত হাঁটু ব্যথায় সমন্বিত চিকিৎসা বা ইন্টিগ্রেটেট ট্রিটমেন্ট যেমন: ইনফিলট্রেশন, ম্যানিপুলেশন ও ইলেকট্রোথেরাপি খুবই কার্যকর।
এর সঙ্গে বিশেষ ধরনের ব্যায়াম করলে হাঁটু সবল হয়। ইনফিলট্রেশন দ্বারা হাঁটুর জেলির স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানো যায়। ফলে হাঁটু অধিক সচল হয় এবং দ্রুত ব্যথা কমে আসে। হাঁটু ব্যথায় ম্যানিপুলেশনও খুব ভালো কাজ করে, ডিপ ফ্রিকশন বা সিরিয়্যাক্স টেকনিক নন আথ্রাইটিক ব্যথা কমাতে খুব কার্যকর। আর ইলেক্ট্রোথেরাপি সব ধরনের হাঁটু ব্যথা থেকেই রোগীকে উপশম দেয়।
হাঁটু ব্যথার কারণ বের করে তার চিকিৎসার পাশাপাশি জীবনাচরণ পরিবর্তন ও কিছু ব্যায়াম খুবই উপকারী।
১। শরীরের ওজন কমান। এতে হাঁটুর ওপর ভার কমবে।
২। অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত ভাজাপোড়া, তেল, চর্বি ও চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (সামুদ্রিক মাছ, বাদাম-আখরোট), ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার (পেয়ারা, লেবু, আনারস, টমেটো), ভিটামিন ই-যুক্ত খাবার (সূর্যমুখীর তেল, পালং শাক, ব্রকলি) ও ভিটামিন ডি-যুক্ত খাবার (ডিম, সামুদ্রিক মাছ) খাওয়া উপকারী।
৩। হাঁটু গেড়ে বসা, হাঁটু ভাঁজ করে কোনো কাজ করা বা ভারী বস্তু ওঠানোর মতো কাজ করা থেকে বিরত থাকা।
৪। চিকিৎসকের ওষুধের পাশাপাশি নিয়মিত হাঁটুর ব্যায়াম করা।
হাঁটুর ব্যায়াম:
মেঝেতে সোজা হয়ে পা সোজা করে বসুন। এবার হাঁটুর নিচে একটা তোয়ালে রোল করে রাখুন। হাঁটু দিয়ে তাতে চাপ দিন। ১০ সেকেন্ড ধরে শরীরে অন্যান্য অংশ স্বাভাবিক রাখুন, শ্বাস-প্রশ্বাস নিন। এবার হাঁটু শিথিল করুন ও অন্য হাঁটু দিয়ে চাপ দিন। এভাবে ১০ বার করুন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ডিসলেক্সিয়া সম্পর্কে জানেন, কেন হয়?
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
একটি নয়, মানুষের মস্তিষ্ক আসলে দুটি আলাদা অঙ্গ!
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আলঝেইমার রোগ
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হার্ট অ্যাটাক-স্ট্রোকের লক্ষণ ফুটতে পারে চোখ-মুখেই : গবেষণা
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ব্যথা না পাওয়ার বিরল রোগ ‘সিপা’
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ক্লিনিকাল ট্রায়ালে প্রমাণিত- ডায়াবেটিস চিকিৎসায় কালোজিরা কার্যকর
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ডেঙ্গু নাকি সাধারণ জ্বর বুঝবেন কীভাবে?
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
চুম্বকের সাহায্যে তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম রক্তনালি
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আঁকাবাঁকা দাঁতের চিকিৎসা কী?
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
লিভারের নীরব ঘাতক হেপাটাইটিস ডি, অবহেলা করবেন না
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইস্তেঞ্জায় ফেনা : অবহেলা করবেন না
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নবজাতকের ওজন, স্বাভাবিক বৃদ্ধি-হ্রাস এবং গড় ওজন)
২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












