মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ
অর্থ: হে ঈমানদাররা! মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য পবিত্র যে বিষয়গুলোকে হালাল করেছেন তোমরা তা হারাম করোনা এবং এ ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করোনা। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সীমালঙ্ঘন কারীকে পছন্দ করেন না। (পবিত্র সূরা আল মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৭)
আর আক্বাইদ উনার কিতাবে উল্লেখ আছে-
اِسْتِحْلَالُ الْمَعْصِيَةِ كُفْرٌ
অর্থাৎ হারাম বিষয়কে হালাল মনে করা কুফরী। (শরহে আক্বাইদে নাসাফী) অনুরূপ হালা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ১লা জানুয়ারি (নববর্ষ) বা নওরোজ পালন হারামঃ
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ওহী মুবারক উনার মাধ্যমে নাযিলকৃত, একমাত্র পরিপূর্ণ, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, নিয়ামতপূর্ণ, অপরিবর্তনীয় ও মনোনীত সম্মানিত দ্বীন। যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত বলবত থাকবে। যে প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ ۗ
অ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কালো, সবুজ, সাদা, ঘিয়া, ধুসর, গন্দম এবং খয়েরী রঙের চাদর মুবারক পরিধান করেছেন বলে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে।
বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بُرْدًا أَحْمَرَ يَلْبَسُ فِي الْعِيْدَيْنِ وَفِي الْجُمُعَةِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গন্দম রঙয়ের একখানা চাদর মুবারক ছিল। তিনি তা দুই ঈদ এবং জুমুআর দিন পরিধান করতেন। (আখলাকুন নবী বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللهِ لأُنَاسًا مَا هُمْ بِأَنْبِيَاءَ وَلاَ شُهَدَاءَ يَغْبِطُهُمُ الأَنْبِيَاءُ وَالشُّهَدَاءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِمَكَانِهِمْ مِنَ اللهِ تَعَالٰـى
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দাগণের মধ্যে এমন কতিপয় খাছ লোক আছেন, যাঁরা নবীও নন এবং শহীদও নন, কিন্তু কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে উনাদের সীমাহীন মর্যাদা মুবারক দেখে স্বয়ং হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা পর্যন্ত আশ্চর্যাম্বিত হবেন।
قَالُوا يَا رَسُوْلَ اللهِ تُخْبِرُنَا বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ভারতের রাজধানী দিল্লির সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিতের নামে চলতি ২০২৫ সালে রেকর্ড সংখ্যক ২ হাজার ২০০ জন ব্যক্তিকে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ তকমা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে বিগত বছরগুলোর তুলনায় এই সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৪ সালে যেখানে মাত্র ১৪ জনকে এবং ২০২৩ সালে ৫ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল, সেখানে এক বছরের ব্যবধানে এই সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে যাওয়াকে নজিরবিহীন ও উদ্দ বাকি অংশ পড়ুন...
লালমনিরহাট সংবাদাদতা:
ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে উত্তরাঞ্চলের জনজীবন। নেহাত প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। রাত-দিন চারদিক কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে, তার সঙ্গে যোগ হয়েছে হিমেল বাতাস।
শরীরে উষ্ণ বস্ত্র জড়িয়েও শীতের প্রকোপ থেকে রেহাই মিলছে না। গ্রামাঞ্চলে শীতার্ত মানুষ দল বেঁধে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে বাধ্য হচ্ছেন। রংপুর অঞ্চল হিমালয়ের নিকটবর্তী হওয়ায় এ এলাকায় শীতের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি। সাধারণত সূর্যের দেখা মিললে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়। তবে গত মঙ্গলবার থেকে সূর্য কুয়াশার আড়া বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ الله تعالي عنه قَالَ لَوْ تَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَضَلَلْتُمْ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, যদি তোমরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারক ছেড়ে দাও, তাহলে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে । (সুনানু ইবনি মাজাহ্ শরীফ, ছহীহ মুসলিম শরীফ, সুনানু নাসায়ী শরীফ, শুয়াবুল ঈমান লিল বাইহাক্বী শরীফ-৪/৩৪১)
বাকি অংশ পড়ুন...
‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে নির্দিষ্ট কোনো পোশাক নেই’- এ কথা বলা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। কেননা এর দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে অপূর্ণ সাব্যস্ত করা হয়। নাউযুবিল্লাহ!
কিছু লোক ‘কিল্লতে ইলম ও কিল্লতে ফাহাম’ অর্থাৎ ‘কম জ্ঞান ও কম বুঝের’ কারণে বলে থাকে যে- ‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে লিবাস বা পোশাকের নির্দিষ্ট কোনো বর্ণনা নেই। নাউযুবিল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মৌসুমের চাহিদা মোতাবেক যখন যে ধরনের পোশাক পেতেন তাই পরিধা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِي عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِي فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيدٍ
অর্থ:“যে ব্যক্তি ফিতনা ফাসাদের যুগে আমার একটি সম্মানিত সুন্নত মুবারক আকড়ে ধরে থাকবেন তথা পালন করবেন, তিনি একশত শহীদ উনাদের সমপরিমাণ ছওয়াব লাভ করবেন।” (মিশকাত শরীফ)
বর্তমান সময়ে মুসলমানরা কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন, নাস্তিক, ফাসিক-ফুজ্জারদের নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করে। অথচ পবিত্র সুন্নত মুবারক সম্পর্কে তারা সম্পূর্ণ বেখবর। মুসলমানরা মূল থেকে সরে গিয়েছে। আর এজন্যই আজ সারা বাকি অংশ পড়ুন...












