৬) মহাসম্মানিত রহমত মুবারক লাভ করা যায়।
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা মুবারক করলে, মহাসম্মানিত রহমত মুবারক লাভ করা যায়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَطِيْعُوا اللَّهَ وَالرَّسُوْلَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ
অর্থ : তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সম্মানিত ইত্তিবা মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক কর; তাহলে তোমরা অবশ্যই সম্মানিত রহমত মুবারক লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইর বাকি অংশ পড়ুন...
মাতা-পিতার অন্যতম দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, সন্তান জন্মগ্রহণের সপ্তম দিনে সুন্দর অর্থবোধক নাম রাখা। নামের তাছির বা প্রভাব সন্তানের উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে। সেক্ষেত্রে ‘মুহম্মদ’ কিংবা ‘আহমদ’ নাম রাখা খাছ সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জাতী নাম মুবারক ‘মুহম্মদ’ এবং ‘আহমদ’। তিনি উনার পবিত্র নাম মুবারকে সন্তানের নাম রাখতে নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
سَمُّوْا بِاسْمِي
অর্থ: “আমার মুবারক নামে নামকরণ করো।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
সন্তানের নাম †বাকি অংশ পড়ুন...
(৪র্থ পর্ব)
এখন আরেকটি হাদীছ শরীফ উনার মাঝে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَت أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ أَحَبَّ سُنَّتِي فَقَدْ أَحَبَّنِي، وَمَنْ أَحَبَّنِي كَانَ مَعِي فِي الْجَنَّةِ.
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা মুবারক করেন। যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে বা যারা আমার পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত মুবারক কঠবাকি অংশ পড়ুন...
৪) কমপক্ষে একশত শহীদ উনাদের সমপরিমাণ ছওয়াব লাভ করা যায়।
একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করলে, কমপক্ষে একশত শহীদ উনাদের সমতুল্য ছওয়াব লাভ করা যায়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِيْ عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِيْ فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيْدٍ
অর্থ: “যে ব্যক্তি ফিতনা-ফাসাদের যুগে আমার একটি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক কায়িম করবেন, ধারণ করবেন এবং দৃঢ়তার সহিত পালন করবেন তিনি একশত শহীদ উনাদের সমপরিমাণ ছওয়াব লাভ করবেন।” (মিশকাত শরীফ, আয যুহ্দ লিল বাইহাক্বী ১/২২১, ২০৭, আল কামিল লিইবনে ‘আদী ৪৬০, আল আমালী)
প বাকি অংশ পড়ুন...
২) দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বপ্রকার ফিতনা (আযাব-গযব থেকে) ও পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে মুক্তি লাভ করা যায়।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالـٰى قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةٌ لَا تَمَسُّهُمْ فِتْنَةُ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ: الْمُقِرُّ بِالْقَدَرِ، وَالَّذِي لَا يَنْظُرُ فِي النُّجُومِ، وَالْمُتَمَسِّكُ بِسُنَّتِي.
অর্থ : হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিন প্রকার ব্যক্তি ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মাক্বাম মুবারক সর্বোচ্চ। সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার গুরুত্ব-ফযীলত মুবারক সম্পর্কে মহাসম্মানিত নছীহত মুবারক করার সময় প্রায় ইরশাদ মুবারক করেন যে, সৃষ্টির শুরু থেকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত সমস্ত আমল যদি একপাল্লায় রাখা হয় আর মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক যদি আরেক পাল্লায় রাখা হয় তাহলে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবà বাকি অংশ পড়ুন...












