বর্তমান সমাজে ছেলে-মেয়েদের চরিত্র ও পবিত্র ঈমান রক্ষার্থে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নয় বরং বাল্যবিবাহের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো উচিত (৪)
বি:দ্র: বর্তমানে গবেষকরাও বাল্যবিবাহের উপকারিতা স্বীকার করেছে- “যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক গবেষণা করে দেখেছে যে, যারা অল্প বয়সে বিয়ে করে তারা দীর্ঘ আয়ু লাভ করে।
বিয়ে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টার এই গবেষণা চালায়। গবেষনায় বলা হয়- অল্পবয়সে বিয়ে করলে দীর্ঘ জীবন বেঁচে থাকা যায়। মৃত্যু ঝুঁকিও অনেকাংশে কমে যায় বলে জানিয়েছে গবেষকরা।
২০১৩ সালের এক গবে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান সমাজে ছেলে-মেয়েদের চরিত্র ও পবিত্র ঈমান রক্ষার্থে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নয় বরং বাল্যবিবাহের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো উচিত (৩)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে ব্রিটিশ সরকার বেনিয়া ১৯২৯ সালে মেয়ে বিয়ে বসা বা বিয়ে দেয়ার জন্য কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আইন বা শর্ত করে দেয় এবং ১৮ বছর বয়সের নিচে কোন মেয়ে বিয়ে দেয়া, বিয়ে করা বা কোনো মেয়ের জন্য বিয়ে বসা দন্ডনীয় অপরাধ বলে সাব্যস্ত করে। নাঊযুবিল্লাহ!
আর সেই আইনকে প্রয়োগ করার জন্য দেশের তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ প্রগতিবাদীরা উঠে পড়ে লেগেছে। বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান সমাজে ছেলে-মেয়েদের চরিত্র ও পবিত্র ঈমান রক্ষার্থে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নয় বরং বাল্যবিবাহের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো উচিত (২)
যুক্তরাষ্ট্রের বাল্যবিবাহ নিয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড ২০২১ সালের ১৬ জুন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ টি রাজ্যের মধ্যে ৪৫টি রাজ্যে বাল্যবিবাহ বৈধ। ২০০০ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে তিন লক্ষাধিক বাল্যবিবাহ হয়েছে।
তৃতীয় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই যুক্তরাষ্ট্রে বাল্যবিবাহ হয়। নেভাদা, ইদাহো, আরকানসাস, কেন্টাকি ও ওক বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান সমাজে ছেলে-মেয়েদের চরিত্র ও পবিত্র ঈমান রক্ষার্থে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নয় বরং বাল্যবিবাহের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো উচিত (১)
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক যখন ৬ বছর তখন উনার সাথে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নিছবাতুল আযীম শরীফ (আক্বদ্ মুবারক) সুসম্পন্ন হয় এবং ৯ বছর বয়স মুবারকে তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম হুজরা শরীফে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করে বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা মুসলমান। আমাদের সর্বক্ষেত্রে অনুসরণীয় হচ্ছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, মহাসম্মানি মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা। কেননা, উনারাই হলেন সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। আহার করার ক্ষেত্রেও উনাদেরকেই অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ মুবারকেই আহার করতে হবে।
দস্তরখানায় খাবার পড়ে গেলে তা উঠিয়ে খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিন মুবারকসমূহ উনাদের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল ও শুকুরগুজার বান্দা-বান্দী, উম্মত উনাদের জন্য সম্মানিত আয়াত অর্থাৎ নিদর্শন মুবারক, উপদেশ মুবারক, মুহব্বত-মা’রিফাত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক নিহিত রয়েছেন।” সুবহ বাকি অংশ পড়ুন...
খাবারের মধ্যে ফুঁক দেওয়া অনেক রোগ পয়দা হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন খাবার ঠান্ডা করতে মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দিতেন না। যদিও উনি মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দিলে সেই খাবার হতো সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামতপূর্ণ, বরকতময় ও সেই খাবার গ্রহণকারী পেতেন রুহানী ও জিসমানী শেফা। তথাপি তিনি উম্মতকে শিক্ষা দেয়ার জন্য কোন খাবারে মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দেননি।
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাই বাকি অংশ পড়ুন...












