সুন্নত মুবারক তা’লীম
মহাসম্মানিত সুন্নতী খাদ্য কদু খাওয়ার গুরুত্ব-ফযীলত ও উপকারিতা (২)
, ১৭ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৮ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কদুকে পছন্দ করার কারণে আক্বাইদের কিভাবে এসেছে কেউ যদি বলে, “আমি কদু পছন্দ করিনা তাহলে সে কুফরী করলো। কারণ তার এ কথাটা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মত মুবারক উনার খিলাফ।” নাউযুবিল্লাহ! (কাজীখান, শেফা)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কদু খেতে পছন্দ মুবারক করতেন। আর তাই কদু খাওয়া মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। আর এই কারণে কদু অত্যস্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি সবজি। কদুর পাতা ও ডগা শাক হিসেবে এবং কদু তরকারী, সালাদ ও ভাজি হিসেবে খাওয়া হয়। মুসলমানদের কাছে কদু অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সবজি। বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের কদু চাষ হয়।
উল্লেখ্য, প্রতি ১০০ গ্রাম কদুতে আছে-
কার্বোহাইড্রেট ২.৫ গ্রাম,
প্রোটিন ০.২ গ্রাম,
ফ্যাট ০.৬ গ্রাম,
ভিটামিন-সি ৬ গ্রাম,
ক্যালসিয়াম ২০ মি.গ্রা.,
ফসফরাস ১০ মি.গ্রা,
পটাশিয়াম ৮৭ মি.গ্রা.,
নিকোটিনিক অ্যাসিড ০.২ মি.গ্রা.।
এছাড়াও কদুতে রয়েছে খনিজ লবণ, ভিটামিন বি-১, বি-২,ও আয়রন।
যেহেতু কদুর মূল উপাদান হলো- পানি; তাই কদু খেলে দেহ ঠা-া থাকে। দীর্ঘক্ষণধরে রোদে কাজ করার পর কদুর তরকারী খেলে দেহ বেশ ঠা-া হয় এবং দেহের ভেতরের অস্বস্তি লাগা অনেকটা কমে যায়। গরমের কারণে আমাদের দেহ থেকে যে পানি বের হয়ে যায়, কদু খেলে সেটার অনেকটাই পূরণ হয়। তাই প্রচন্ড গরমের সময় কদু খেলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে যায়।
মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ কুদরত মুবারক যে- মহাসম্মানিত সুন্নতী সবজি কদুতে আছে- প্রাকৃতিক প্রোটিন ও ভিটামিন। তাই নিয়মিত কদু খেলে ত্বক ভেতর থেকে ভালো হয়। ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকে। এছাড়াও যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের ত্বকের তৈলাক্ততার সমস্যা অনেকটাই কমে যায় কদু খেলে। এছাড়ও কদু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেট পরিষ্কার রাখে। ফলে মুখে ব্রণ উঠার প্রবণতাও কমে যায়।
সুন্নতী সবজি কদু বেশি ওজন কমাতে সাহায্য করে। কদুতে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার থাকে, যা ওজন কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। নিয়মিত কদু খেলে দেহ কম ক্যালোরিযুক্ত হবে। ফলে ওজনের ভারসাম্য রক্ষা হয়।
জ্বর, ডায়রিয়া ও অন্যান্য বড় ধরনের অসুখে দেহে পানির অভাব দেখা দেয়। এসব রোগে দেহ হতে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায় বলে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হয় এবং তা কিডনির উপর প্রভাব ফেলে। মহাসম্মানিত সুন্নতী সবজি কদুতে প্রচুর পানি থাকে, যা দেহের পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাই এ ধরনের অসুখের সময় অধিক পরিমাণে কদু খেলে দেহের পানিশূন্যতা দূর হয়ে যায় এবং দেহ সতেজ থাকে।
-আহমদ হুসাইন
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কিয়ামত পর্যন্ত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার কোন পরিবর্তন-পরিবর্ধন হবে না
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
স্বভাবজাত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী জয়তুনের তেল
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম চিকিৎসা পদ্ধতি মুবারক : হিজামা বা শিঙ্গা লাগানো (৪)
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী খাবার ‘পনির’
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম চিকিৎসা পদ্ধতি মুবারক : হিজামা বা শিঙ্গা লাগানো (৩)
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম চিকিৎসা পদ্ধতি মুবারক : হিজামা বা শিঙ্গা লাগানো (২)
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (২)
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম চিকিৎসা পদ্ধতি মুবারক : হিজামা বা শিঙ্গা লাগানো (১)
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (৫)
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (৪)
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (৩)
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












