খেজুরের রসের উপকারিতা সমূহ:-
১. খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০% দ্রবীভূত শর্করা থাকে, যা থেকে গুড় ও সিরাপ উৎপাদন করা হয়। খেজুরের গুড় আখের গুড় থেকেও বেশি মিষ্টি, পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। ঘ্রাণ ও স্বাদের জন্য এ গুড়ের রয়েছে বিশেষ চাহিদা। খেজুরের গুড়ে আখের গুড়ের চেয়ে বেশি প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল রয়েছে। সকালের নাশতায় খেজুর রসের সিরাপ দিয়ে রুটি খেলেই বেশি তৃপ্তি পাওয়া সম্ভব।
২. প্রকৃতির এনার্জি ড্রিংকস খেজুর রস: খেজুর রসে সরল শর্করা ও গ্লুকোজ থাকে প্রায় ১৫-২০%। এই মিশ্রিত শর্করার সঙ্গে প্রচুর খনিজ লবণ ও মিনারেল থাক বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষ ক্ষুধা নিবারণের জন্য, শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও শরীরের যাবতীয় কার্যক্রম সঠিকভাবে চলাচলের জন্য, বেঁচে থাকার জন্য এবং সঠিকভাবে ইবাদত-বন্দেগী করার জন্য বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ভক্ষণ করে থাকে।
আর সেই খাদ্যটি যদি মহাসম্মানিত সুন্নতী খাদ্য হয়, তাহলে এর উপকার ও ফযীলত অতুলনীয়। কেননা, প্রত্যেকটি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হচ্ছেন এক একটি মহাসম্মানিত নূর মুবারক। আর তাই সম্মানিত সুন্নতী খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে প্রত্যেক লোকমা, গ্রাসে বা চুমুকেই নূর মুবারক ভিতরে প্রবেশ করবে। যার মাধ্যম দিয়ে মুসলমানদের অন্তর প্রশান্ত হব বাকি অংশ পড়ুন...
খেজুর চিপা রস ও কিশমিশের রস মিশ্রিত শরবত পান করা খাছ সুন্নত মুবারক। এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عَنْ حَضْرَتْ صَفِيَّةَ بِنْتِ عَطِيَّةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهَا قَالَتْ دَخَلْتُ مَعَ نِسْوَةٍ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ عَلٰى سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَسَأَلْنَاهَا عَنِ التَّمْرِ وَالزَّبِيْبِ فَقَالَتْ كُنْتُ اٰخُذُ قَبْضَةً مِّنْ تَمْرٍ وَقَبْضَةً مِّنْ زَبِيْبٍ فَأُلْقِيْهِ فِىْ اِنَاءٍ فَاَمْرُسُهٗ ثُمَّ اَسْقِيْهِ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ: “হযরত সাফিয়্যাহ বিনতু ‘আত্বিয়্যাহ রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকে বর বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করাই কামিয়াবীর একমাত্র উছীলা বা মাধ্যম মুবারক। মূলত মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা প্রত্যেক মুসলমানেরই জন্য ফরযে আইন। কেননা কোনো ব্যক্তিই মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণ মুবারক ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক উনাকে কস্মিনকালেও হাছিল করতে পারবে না। মহান আল্লাহ পাক উনাকে হাছিল করতে হলে, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করতে হলে অবশ্যই তাকে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার দায়িমী অনুসারী হতে হবে। আর মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করার মাধ্যমেই মহান আল্লাহ পা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার একটি বিশেষ দান ‘খরগোশ’ এর গোস্ত খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক। এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حضرت أَنَسٍ ـ رضى الله تعالى عنه ـ قَالَ أَنْفَجْنَا أَرْنَبًا بِمَرِّ الظَّهْرَانِ، فَسَعَى الْقَوْمُ فَلَغَبُوا، فَأَدْرَكْتُهَا فَأَخَذْتُهَا، فَأَتَيْتُ بِهَا أَبَا طَلْحَةَ فَذَبَحَهَا، وَبَعَثَ بِهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِوَرِكِهَا ـ أَوْ فَخِذَيْهَا قَالَ فَخِذَيْهَا لاَ شَكَّ فِيهِ ـ فَقَبِلَهُ. قُلْتُ وَأَكَلَ مِنْهُ قَالَ وَأَكَلَ مِنْهُ.
অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাররায যাহরান নামক স্থানে আমরা এ বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে ও সফর অবস্থায় ঠান্ডা দূরীকরণের জন্য কান ঢেকে রাখে এমন টুপি অর্থাৎ কানটুপি ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَلْبِسُ مِنَ الْقَلَانِسِ فِيْ السَّفَرِ ذَوَاتَ الْآذَانِ وَفِيْ الْحَضَرِ الْمُشَمَّرَةَ يَعْنِيْ الشَّامِيَةَ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সফররত অবস্থায় কান বিশিষ্ট টুপি মুবারক পরিধান করতেন আর আবাসে অর্থাৎ পবিত্র হুজরা শরীফ উ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَمَا آَتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা গ্রহণ করুন এবং যা নিষেধ করেছেন, তা থেকে বিরত থাকুন এবং এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করুন। নিশ্চয় মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা। (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ; পবিত্র আয়াত শরীফ ৭)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللّهَ.
অর্থ: যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ
অর্থ: হে ঈমানদাররা! মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য পবিত্র যে বিষয়গুলোকে হালাল করেছেন তোমরা তা হারাম করোনা এবং এ ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করোনা। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সীমালঙ্ঘন কারীকে পছন্দ করেন না। (পবিত্র সূরা আল মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৭)
আর আক্বাইদ উনার কিতাবে উল্লেখ আছে-
اِسْتِحْلَالُ الْمَعْصِيَةِ كُفْرٌ
অর্থাৎ হারাম বিষয়কে হালাল মনে করা কুফরী। (শরহে আক্বাইদে নাসাফী) অনুরূপ হালা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ১লা জানুয়ারি (নববর্ষ) বা নওরোজ পালন হারামঃ
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ওহী মুবারক উনার মাধ্যমে নাযিলকৃত, একমাত্র পরিপূর্ণ, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, নিয়ামতপূর্ণ, অপরিবর্তনীয় ও মনোনীত সম্মানিত দ্বীন। যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত বলবত থাকবে। যে প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ ۗ
অ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কালো, সবুজ, সাদা, ঘিয়া, ধুসর, গন্দম এবং খয়েরী রঙের চাদর মুবারক পরিধান করেছেন বলে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে।
বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بُرْدًا أَحْمَرَ يَلْبَسُ فِي الْعِيْدَيْنِ وَفِي الْجُمُعَةِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গন্দম রঙয়ের একখানা চাদর মুবারক ছিল। তিনি তা দুই ঈদ এবং জুমুআর দিন পরিধান করতেন। (আখলাকুন নবী বাকি অংশ পড়ুন...












