মুয়ানাকা (معانَقَه) শব্দের অর্থ কোলাকুলি করা, বুকে বুক মিলানো। দীর্ঘদিন পর একে অন্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে পরস্পরে মুয়ানাকা বা কোলাকুলি করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। কেউ সফর থেকে এলে দীর্ঘদিন পর দেখা-সাক্ষাৎ হওয়ায় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা মুয়ানাকা বা কোলাকুলি করতেন।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, হযরত যায়েদ ইবনে হারিছা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি যখন পবিত্র মদীনা শরীফে এলেন তখন নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে সাক্ষাতের পর সালাম দেয়ার পর মুহব্বত প্রকাশের মাধ্যমটির নাম হল মুছাফাহা। দেখা হলে মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মুছাফাহ-এর মাধ্যমে উভয়ের মাঝে মুহব্বত বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে এটি মুসলমানদের পারস্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ ও কলহ দূর করে দেয়। দুই হাতে মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক। আর এটি গুনাহ মাফ হওয়ার মাধ্যমও বটে।
হযরত ইবনে বাত্তাল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “সর্বস্তরের আলিম উনাদের মতে, মুছাফাহা একটি নেক কাজ। ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, সাক্ষাতের সময় মুছাফাহা কর বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصَّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ الْبِطِّيْخَ بِالرُّطَبِ فَيَقُوْلُ نَكْسِرُ حَرَّ هٰذَا بِبَرْدِ هٰذَا وَبَرْدَ هٰذَا بِحَرِّ هٰذَا.
অর্থ : “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাজা খেজুর দিয়ে তরমুজ খেতেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করতেন, এর ঠা-া ওটার গরম কমাবে, এবং এর বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِي عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِي فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيدٍ .
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের সময় আমার একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক আঁকড়ে ধরে রাখবেন, তিনি একশত শহীদের ফযীলত মুবারক লাভ করবেন।” সুবহা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযার সঙ্গে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার নফল রোযা আদায় হওয়া তো দূরের কথা, এমনকি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার ক্বাযা রোযার সঙ্গে যদি মান্নতের রোযার নিয়ত করা হয়, সেক্ষেত্রেও পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযাই আদায় হবে। মান্নতের রোযা আদায় হবে না।
যেমন, ‘ফতওয়ায়ে আলমগীরী’ কিতাবের ১ম খন্ডের ১৯৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে, “যদি কেউ একই রোযার মধ্যে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযা এবং মান্নতের রোযার নিয়ত করে তবে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযা আদায় হবে।”
এমনিভাবে যদ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখার গুরুত্ব, ফযীলত সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক হয়েছে:
(১) যে ব্যক্তি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ছয়টি রোযা রাখবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে শাস্তির শৃংখল ও কঠোর জিঞ্জিরের বেষ্টনী হতে নাযাত দিবেন। সুবহানাল্লাহ!
(২) যে ব্যক্তি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ৬টি রোযা রাখবে, তার আমলনামায় প্রত্যেক রোযার পরিবর্তে সহ¯্র রোযার ছওয়াব লিখে দেয়া হবে। সুবহানাল্লাহ!
(৩) যে ব্যক্তি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে রোযা রাখবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার জন্য দোযখের আগুন হার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস অন্যান্য মাসগুলোর মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মাস। এ মাসের বহুবিধ তাৎপর্য রয়েছে। পবিত্র হিজরী মাসের দশম মাস পবিত্র শাওওয়াল শরীফ। এই মাস পবিত্র হজ্ব উনার তিনটি মাসের (পবিত্র শাওওয়াল শরীফ, পবিত্র যিলক্বদ শরীফ, পবিত্র যিলহজ্ব শরীফ) অন্তর্ভুক্ত। এ মাসের প্রথম তারিখ পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন। পহেলা শাওওয়াল শরীফ অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল ফিতর ছুবহে ছাদিকের সময় পবিত্র ছদক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়, তবে এ ছদক্বা বা ফিতরা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের মধ্যে আদায় করা উত্তম এবং অধিক ফযীলত মুবারক লাভের কারণ। পবিত্র ঈদুল ফিতর উন বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র ঈদের নামায কোন সময় আদায় করলে তা পবিত্র সুন্নত হবে সে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পবিত্র ঈদ উনার দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ফজর নামায আদায় করে পবিত্র হুজরা শরীফ উনার মধ্যে গিয়ে সকাল সকাল গোসল মুবারক করতেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর হলে বিজোড় সংখ্যক (৩, ৫, ৭) খোরমা খেজুর মুবারক খেয়ে ঈদগাহে যেতেন। আর পবিত্র ঈদুল আদ্বহার দিনে কিছু না খেয়ে সরাসরি ঈদগাহে যেতেন এবং পবিত্র ঈদের নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে পবিত্র ঈদের নামায আদায় কর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, পাঁচটি মহিমান্বিত রাত্রিতে বিশেষভাবে দু‘আ কবুল হয়ে থাকে। তারমধ্যে একটি রাত্রি হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার রাত্রি।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِنَّ الدُّعَاءَ يُسْتَجَابُ فِىْ خَمْسِ لَيَالٍ اَوَّلُ لَيْلَةٍ مِّنْ رَجَبَ وَلَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ وَلَيْلَةُ الْقَدْرِ الْمُبَارَكَةِ وَلَيْلَتَا الْعِيْدَيْنِ.
অর্থ : “নিশ্চয়ই দোয়া পাঁচ রাত্রিতে নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার পহেলা রাত্রি, পবিত্র শা‘বান শরীফ মাস উনার মধ্য রাত্রি ( পবিত্র ১৪ই শা’বান শরীফ দিবাগত রাত্রি), পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকের বেজোড় সংখ্যক রাতে পবিত্র ক্বদর শরীফ তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক। মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-ফযীলতপূর্ণ দিবস মুবারক।
সকলকেই এই মহামান্বিত ‘লাইলাতুল ক্বদর’ উনার পরিপূর্ণ নি’য়ামত, রহমত-বরকত অর্জন করতে হবে। এই বরকতময় রাত্রিতে অবহেলা-অলসতা আর খোশগল্পে কাটানো কোনোক্রমেই নেককারদের কাজ হবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও ইখলাছের সাথে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার বাকি অংশ পড়ুন...
রেডিও থেরাপি (Radio Therapy):
রেডিও থেরাপি দেয়া হয়, সাধারণতঃ দু’টি প্রধান পদ্ধতিতে- (১) টেলিথেরাপি (Tele therapy), (২) ব্রেকি থেরাপি (Bracy therapy)। এ দু’টো পদ্ধতিতে বিশেষতঃ দু’টি রশ্মি ব্যবহৃত হয়- গামা রশ্মি (γ-ray) এবং বিটা রে (β-ray) রেডিও থেরাপিতে যে সকল তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহৃত হয়, তাদের মধ্যে কোবাল্ট-৬০, সিজিয়াম-১৩৭, রেডিয়াম, ইররিডিয়াম, ষ্ট্রনিয়াম, ফসফরাস, ইট্রিয়াম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। রেডিও থেরাপি এক্সরে প্রয়োগের মাধ্যমেও দেয়া হয়। তবে সেখানে অনেক উচ্চ মাত্রার এক্সরে প্রয়োগ করা হয়। এই পদ্ধতিতে রশ্মি ব্যবহৃত হয় বলে রেডিও থেরাপি প্রয়োগে রোযার কোন ক্ষতি হবে বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
সকলকেই এই মহামান্বিত ‘লাইলাতুল ক্বদর’ উনার পরিপূর্ণ নি’য়ামত, রহমত-বরকত অর্জন করতে হবে। এই বরকতময় রাত্রিতে অবহেলা-অলসতা আর খোশগল্পে কাটানো কোনোক্রমেই নেককারদের কাজ হবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও ইখলাছের সাথে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মহাসম্মানিত সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য পবিত্র লাইলাতুল বাকি অংশ পড়ুন...












