মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلْتَكُنْ مِنْكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُوْنَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوْفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ.
অর্থ: “তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা আবশ্যক যারা (অন্যান লোকদেরকে) নেক কাজ ও কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে। নেক কাজ করার জন্য বলবে এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে। এবং উনারাই কামিয়াব হবেন।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ; ১০৪)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مُرُوا بِالْمَعْرُوفِ وَانْهَوْا عَنِ الْمُنْكَرِ
অর্থ: “তোমরা ভালো কাজেঠবাকি অংশ পড়ুন...
লিবাস পরিধান সম্পর্কিত দোয়া মুবারক :
ক্বামীছ পরিধানের দোয়া মুবারক:
ক্বামীছ পরিধান করার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নতী তারতীব মুবারক হলো, প্রথমে ডান হাত, ডান আস্তিনে (ডান হাতায়) প্রবেশ করাবে অতঃপর বাম হাত, বাম আস্তিনে (বাম হাতায়) প্রবেশ করাবে। ক্বামীছ পরিধান করার সময় নি¤েœাক্ত দোয়া মুবারক পাঠ করতে হয়-
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِىْ كَسَانِىْ هٰذَا الثَّوْبَ وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِّنِّيْ وَلَا قُوَّةٍ.
অর্থ : সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য যিনি আমাকে ইহা পরিধান করিয়েছেন এবং আমার শক্তি ও সামর্থ ছাড়াই তিনি আমাকে ইহা দান করেছেন।
নতুন লিবাস পরঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَت عَبْدِ اللَّهِ بن عَمْرٍو رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّمَ بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আমার পক্ষ থেকে একটি পবিত্র আয়াত শরীফ হলেও পৌঁছে দাও।” (বুখারী শরীফ: পবিত্র হাদীছ শরীফ নং; ৩৪৬১, সুনানুত তিরমিযী শরীফ: পবিত্র হাদীছ শরীফ নং; ২৬৬৯, মু’জামুল কবীর লিত্ব ত্ববারনী শর বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীনী দাওয়াত দেয়ার ফযীলত মুবারক ঃ
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম এবং হক্ব পথের দাওয়াত দেয়া মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। উম্মতের জন্য এটা গুরত্বপূর্ণ একটি ইবাদত মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّن دَعَا إِلَى اللَّهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَقَالَ إِنَّنِي مِنَ الْمُسْلِمِينَ ﴿٣٣﴾
অর্থ: “আর উনার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে, যিনি মানুষকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে ডাকেন, নেক আমল করেন এবং বলেন নিশ্চয়ই আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।” (পবিত্র সূরা হা-মীম সাজদাহ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ; ৩৩)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবাঠবাকি অংশ পড়ুন...
একটি হলো- জাহেরী সুন্নাহ লিবাস মুবারক; অন্যটি হলো- অন্তরের তাক্বওয়া হাছিলের লিবাস মুবারক (২)
উল্লেখিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ থেকেও প্রমাণিত খোদা ভীতি অর্জনের মাধ্যমে যে মর্যাদা অর্জন করে ঐ মর্যাদা অনুসারে তাকে একটি গোপনীয় চাদর পরিধান করিয়ে দেয়া হয়। আর সম্মানিত তাক্বওয়া উনার ঐ চাদর মুবারককেই লিবাসুত তাক্বওয়া বা খোদা ভীতির পোশাক বলা হয়েছে। যা তাক্বওয়া অর্জনের স্তর অনুযায়ী, তাক্বওয়া অর্জনকারীকে পরিধান করিয়ে দেয়া হয়। এটাই হলো সর্বোত্তম পোশাক। কেননা, বাহ্যিক পোশাক পরিধান করলেই অন্তরের তাক্বওয়া হাছিল হয়ে যায় না। যà বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র সামা শরীফ সম্মানিত শরীয়তসম্মত তো অবশ্যই বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত:
ভারতের আজমীর শরীফ-এ শুয়ে আছেন ৭ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি (৫৩৬-৬৩৩ হিজরী) এবং দিল্লীতে রয়েছেন ৮ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মাহবূব-ই-ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি (৬৩৫-৭২৫ হিজরী) উনারা। এই মহান মুজাদ্দিদদ্বয় রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণে পবিত্র হামদ-নাত শরীফ ও ক্বাছীদা শরীফ শুনতেন এবং পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হামদ্ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ কখনোই হারাম গানের সুরে পাঠ করা যাবে না বরং বাদ্যযন্ত্র ও হারাম গানের সুর বাদ দিয়ে ক্বাছীদা শরীফ উনার লেহানে (স্বরে) পাঠ করতে হবে।
আমরা আরবী ভাষাকে মুহব্বত করি। কেননা, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভাষা মুবারক আরবী, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষা আরবী এবং আখিরাতের ভাষা আরবী। কিন্তু পবিত্র হামদ্ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ বিভিন্ন ভাষায় পাঠ হয়ে থাকে। তাই যে বিষয়টি লক্ষণীয় তা হচ্ছে, যে ভাষায়ই পবিত্র হামদ্ শরীফ, পঠবাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِیَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْغِنَاءُ يُنْبِتُ النِّفَاقَ فِى الْقَلْبِ كَمَا يُنْبِتُ الْمَاءُ الزَّرْعَ.
অর্থ : “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পানি যেরূপ যমীনে ঘাস উৎপন্ন করে, গান-বাজনা তদ্রƒপ অন্তরে মুনাফিকী পয়দা করে।â বাকি অংশ পড়ুন...












