একটি আধুনিক ও বিশাল সামরিক বহরের যুদ্ধের ময়দানে মূল চালিকাশক্তি হলো তার দ্রুত, নিরাপদ এবং নিরবচ্ছিন্ন আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা (ওহঃবৎড়ঢ়বৎধনরষরঃু ্ ঞধপঃরপধষ ঈড়সসঁহরপধঃরড়হ)। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ৫০ লক্ষাধিক সেনাসদস্য, রিজার্ভ ফোর্স এবং কমান্ড সেন্টারের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইরানের অত্যাধুনিক ও নিজস্ব প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে। পশ্চিমা প্রযুক্তি-নির্ভরতা কমিয়ে এই তিন দেশের সামরিক প্রযুক্তির সঠিক সমন্বয় কীভাবে আমাদের সি৪আইএসআর ও ডিজিট বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৯৬ সালে প্রথম জিএম ফসলের চাষ ও বাজারজাত শুরু হয় আমেরিকায়। সে সময় ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমি চাষ হয়েছিল। বাংলাদেশে জিএম ফসলের চাষ শুরু না হলেও, নানারকম বিদেশি দ্রব্যের আমদানির মাধ্যমে দেশের বাজারে প্রবেশ করেছে জিএম ফসল। এর মধ্যে রয়েছে বিটি বেগুন, গোল্ডেন রাইস, সয়াবিন ইত্যাদি।
বিটি বেগুন হলো- ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী বেগুন, যা জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি করা এক ধরনের জিএম ফসল। অনেকে মনে করেন বায়োটেকনোলজি শব্দ থেকে বিটি বেগুনের নামকরণ করা হয় যা সঠিক নয়। বিটি হলো- ইধপরষষঁং ঞযঁৎরহমবহংরং (বেসিলাস থুরেনজেনসিস)-এর সংক্ষিপ্ত নাম। বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৯৬ সালে প্রথম জিএম ফসলের চাষ ও বাজারজাত শুরু হয় আমেরিকায়। সে সময় ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমি চাষ হয়েছিল। বাংলাদেশে জিএম ফসলের চাষ শুরু না হলেও, নানারকম বিদেশি দ্রব্যের আমদানির মাধ্যমে দেশের বাজারে প্রবেশ করেছে জিএম ফসল। এর মধ্যে রয়েছে বিটি বেগুন, গোল্ডেন রাইস, সয়াবিন ইত্যাদি।
বিটি বেগুন হলো- ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী বেগুন, যা জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি করা এক ধরনের জিএম ফসল। অনেকে মনে করেন বায়োটেকনোলজি শব্দ থেকে বিটি বেগুনের নামকরণ করা হয় যা সঠিক নয়। বিটি হলো- ইধপরষষঁং ঞযঁৎরহমবহংরং (বেসিলাস থুরেনজেনসিস)-এর সংক্ষিপ্ত নাম। বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়া ইউক্রেন সংঘাত, কারাবাও যুদ্ধ এবং মধ্যাংচাচোর সাম্প্রতিক সামরিক বাস্তবতা প্রমাণপ করেছে যে একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধক্ষেত্রে প্রয়াগ পদাতিক ও আর্মার্ড ডভিশনের পাশাপাশি আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেমস (টঅঝ) বা ড্রোন প্রযুক্তি যুদ্ধ জয়ের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। একটি ৫০ লক্ষাধিক সদস্যের সুবিশাল প্রতিরক্ষা কাঠামোর প্রেক্ষিতে প্রথাগত আর্টিলারি বা পদাতিক বাহিনীর মতো ড্রোন যুদ্ধ পরিচালনার জন্য একাধিক বিশেষায়িত এবং স্বতন্ত্র ড্রোন রেজিমেন্ট (উবফরপধঃবফ খঅঠ উৎড়হব জবমরসবহঃ) গড়ে তোলা কেবল সময়োপযোগী নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অ বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের মানচিত্রে কোনো রাজদ- নেই নেই কোনো পুরনো বাজকীয় মুকুট। তবুও পৃথিবীর দূর-দূরান্তের অনেক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলো যেন এক অলৌকিক নিয়মে এক অদৃশ্য ডাকাতের হাতে বন্দী। আধুনিক যুগের সাম্রাজ্য জয়ে আর কামান কিংবা ভারী অশ্বারোহী বাহিনীর প্রয়োজন হয় না, কয়েকটি ফাউন্টেন পেনের সোনালী নিব মসৃণ বন্ড পেপার এবং কিছু প্রহসনময় চুক্তির ধারাই যথেষ্ট। আমেরিকা বিশ্বমঞ্চে এমন এক ডাকাত যে ডাকাতির স্মারক হিসেবে সার্বভৌমত্বের হাতকড়া পরিয়ে দেয়, আর স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে রূপ নেয় তার আধুনিক করদ রাজ্যে।
এই সূক্ষম মায়াজালের বাকি অংশ পড়ুন...
ইউনাইটেড ফ্রুট কোম্পানি ছিল একটি যুক্তরাষ্ট্রের (আমেরিকা) বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। এটি ১৮৯৯ সালে বস্টন শহরে তৈরি হয়।
১৯০০ সাল। ইউনাইটেড ফ্রুট ফার্ম কোম্পানী গুয়াতেমালায় যায়। তারা গুয়াতেমালা সরকারের কাছে বলল যে, তোমাদের প্রচুর জমি আছে। জমিগুলো চাষবাস হচ্ছে না, পড়ে আছে কিন্তু অনেক উর্বর। আমরা এখানে কলা তৈরি ঢ়ৎড়ফঁপব করতে চাই। আমরা প্রচুর কলা এখানে চাষ করব। চাষ করে এটা আবার আমেরিকাতে আমরা নিয়ে যাব ব্যবসা করবার জন্য। তখন গুয়াতেমালা সরকার মনে করেছে, হ্যাঁ, কোন অসুবিধা নাই। আমাদের দেশে বিশাল জমি খালি পড়ে আছে। তো তারা সেই ইউনাইটেড ফ্র বাকি অংশ পড়ুন...
১) ইংরেজ নৌদস্যুদের লিডার ‘ক্লাইভ’ পলাশীর যুদ্ধ শেষে মীর জাফরের কাছ থেকে ২ লাখ ৩৪ হাজার পাউন্ড আত্মসাৎ করে রাতারাতি ইংল্যান্ডের ধনীতে পরিণত হয়।” (সূত্র-পি. রবার্টস, হিস্টরী অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া, পৃষ্ঠা ৩৮।)
২) ১৭৫৭ থেকে ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত মাত্র কয়েক বছরে শুধুমাত্র ইংরেজ কর্মচারীরাই লুট করেছিরো কমপক্ষে ৬২ লক্ষ ৬১ হাজার ১৬৫ পাউন্ড।’ (সূত্র- বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস, আব্বাস আলী খান, পৃষ্ঠা-৯৫)
৩) পলাশী যুদ্ধে শেষ হতে না হতেই লুণ্ঠিত হয়েছিল মুর্শিদাবাদের রাজকোষ। সার্জন ফোর্থের প্রদত্ত হিসেব মতে মণিমুক্তা হিরা জহরতের মূল্য বাদে শুধু ক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিন সম্মানিত ইসলাম উনার ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য তাৎপর্যময় ঘটনার ঐতিহাসিক দিন। এ সম্পর্কে একমতে বর্ণিত আছে, মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শায়েখ হযরত বাবা ফরিদউদ্দিন মাসউদ গঞ্জে শকর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বরাতে উল্লেখ করেন, পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিন হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার অবাধ্য ক্বওমকে ধ্বংস করা হয়েছিল।
এছাড়া হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনেক ঘটনার জামে হলো এই পবিত্র ছফর শরীফ মাস এবং ‘আখিরী চ বাকি অংশ পড়ুন...
পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদাবাজি ও আধিপত্যের পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে উপজাতি সন্ত্রাসীরা। আঞ্চলিক এই উপজাতি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হামলে পড়ছে অসহায় বাঙ্গালীদের উপর। শান্তির পাহাড়কে অশান্ত করে তুলছে এই উপজাতি সন্ত্রাসীরা। আতঙ্ক আর অপরাধের অঙ্গরাজ্যে পরিণত করছে দেশের পর্যটনের অপার সম্ভাবনার পার্বত্য অঞ্চলকে। উপজাতি পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সেখানকার নিরীহ বাঙালিরা। প্রতিবাদ বা মুখ খুললেই হত্যা বা নির্যাতন করা হচ্ছে।
সাধারণ পাহাড়ি বাঙালিরা বলছেন পাহাড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠার ল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্রতম কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
إِن تَمْسَسْكُمْ حَسَنَةٌ تَسُؤْهُمْ وَإِن تُصِبْكُمْ سَيِّئَةٌ يَفْرَحُواْ بِهَا وَإِن تَصْبِرُواْ وَتَتَّقُواْ لاَ يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئًا إِنَّ اللّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطٌঅর্থ: মুসলমানদের ভালো কিছু ঘটে থাকলে তখন কাফিররা কষ্ট পায়। আর মুসলমানদের যদি কোন ক্ষতি হয় তখন কাফিররা খুশি প্রকাশ করে। এ অবস্থায় যদি ঈমানদারগণ ধৈর্য্যধারণ করে এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করে তবে কাফিরদের প্রতারণায় ঈমানদারদের কোনই ক্ষতি হবে না। নিশ্চয়ই কাফিররা যাই করুক না কেন সমস্ত কিছুই মহান আল্লাহপাক উনার করায়ত্তে রয়েছে। (পবিত্র সূরা আল ইম বাকি অংশ পড়ুন...
নগর জীবনের আলো যতই উজ্জ্বল হোক, তার আড়ালে অদৃশ্য কিছু ঝুঁকি প্রতিদিনই নীরবে বেড়ে চলেছে। কখনো ডেঙ্গুবাহী মশা, কখনো বিষধর প্রাণী, বর্তমানে শহরের রাস্তায় মালিক বিহীন ক্ষতিকর কুকুরের আক্রমণ সব মিলিয়ে জননিরাপত্তার প্রশ্ন ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে
বেওয়ারিশ কুকুরের জন্য কোটি কোটি মানুষ ভুক্তভোগী পানিতঙ্ক এবং বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মারা যাচ্ছে ভয়ংকর ব্যাপার হলো ভ্যাকসিন নিয়েও জীবন বাঁচাতে পারছে না যার উদাহরণ কিছুদিন আগেই গাইবান্ধায় একসাথে ৪ জনের মৃত্যুর খবর।
পৃথিবীর উন্নত দেশের দিকে তাকালেও বেওয়ারিশ কুকুর খু বাকি অংশ পড়ুন...
একটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি কেবল সাংবিধানিক প্রধানই নন, তিনি জাতীয় ঐক্য, রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কের প্রতীক। এমন একটি পদে এমন ব্যক্তিত্বের প্রয়োজন, যার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় দেশপ্রেম, নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। সেই বিবেচনায় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হতে পারে।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ একাধারে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতা। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ¯স্নাতকোত্ বাকি অংশ পড়ুন...












