একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রতিরক্ষা কৌশলে কেবল সৈন্য সংখ্যা দিয়ে যুদ্ধ জয় অসম্ভব, যদি না প্রতিটি সেনাকে প্রযুক্তিগতভাবে সুপার-সোলজারে' রূপান্তর করা যায়। যখন বাহিনীর আকার ৫০ লক্ষাধিক বিশাল বহরের হয়, তখন তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা, কার্যক্ষমতা এবং যুদ্ধের স্থায়িত্ব ধরে রাখার জন্য পার্সোনাল ট্যাকটিক্যাল ও সারভাইভাল লজিস্টিকসের প্রয়োজনীয়তা এক বিশাল লজিস্টিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়।
একটি বিশাল বাহিনীকে শতভাগ আধুনিকায়ন করতে কী বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তিগত লজিস্টিকস লাগবে এবং এই বিশাল সরবরাহের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণ কেমন হওয়া উচি বাকি অংশ পড়ুন...
ফ্রান্স ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট এর গেরিলাদের থেকে সাধারণ জনগণকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য বিশাল গ্রামীণ জনসংখ্যাকে তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে ফরাসী দস্যু বাহিনী। প্রায় ২০ লক্ষ আলজেরীয় মুসলিমদের জোরপূর্বক কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সামরিক কারাগারে স্থানান্তর করে। এই কারাগারগুলোতে খাবার, চিকিৎসা এবং স্যানিটেশনের খুবই সীমিত করে দেয়, যার ফলে ক্ষুধা ও মহামারীতে হাজার হাজার মুসলিম মারা যায়।
দৈহিক নির্যাতনের পাশাপাশি আলজেরীয় নাগরিকদের থেকে উর্বর জমিগুলো কেড়ে নেয় ফ্রান্স। ফলে হাজার হাজার পরিবার ভূমিহীন ও নিঃস্ব হয়ে পড়ে। স বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের কৃষি খাতের দুঃখজনক কথা হলো, কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না, আবার ভোক্তাও সস্তায় কিনতে পারে না। মাঝখানের এই বিশাল ‘দাম’ শুষে নিচ্ছে মধ্যসত্ত্বভোগীরা।
গুটিকয়েক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতার অংশীদার হয়, তখন তারা একটি শক্তিশালী ‘দাম নিয়ন্ত্রণকারী’ গোষ্ঠী তৈরি করে। এই গোষ্ঠীটি হিমাগার, সার এবং বীজের বাজারের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং নিজেদের স্বার্থেই রফতানী প্রক্রিয়াকে আমলাতান্ত্রিকভাবে জটিল করে রাখে, যাতে রফতানী সহজ হলে তাদের একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ ভেঙে না যায় এবং প্রান্তিক কৃষক বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি নূরপুরে ঘটে যাওয়া এক বর্বরোচিত ও নৃশংস হত্যাকা- সমগ্র দেশবাসীকে স্তব্ধ ও গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। একই পরিবারের চারজন নিরপরাধ মানুষকে একজন মা ও তাঁর তিন সন্তানকে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা উগ্র হিন্দু সন্ত্রাসীদের চরম স্পর্ধাকে প্রকাশ করে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অন্তর নামের উগ্র হিন্দুটাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা এবং পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও, এই ঘটনাটি দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জননিরাপত্তা নিয়ে গভীর ও মৌলিক কিছু প্রশ্ন সা বাকি অংশ পড়ুন...
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদা হলোÑ বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখুক বা না দেখুক তিনি অবশ্যই হাযির-নাযির অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনাকে না দেখলেও বান্দাকে বিশ্বাস করতে হবে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি হাজির-নাযির তথা সব জায়গায় উপস্থিত এবং সবকিছু দেখে থাকেন। ঠিক তদ্রƒপ শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উম্মত দেখুক বা না দেখুক তিনিও হাযির-নাযির তথা সব জায়গায় উপস্থিত এবং সবকিছু দেখে থাকেন।
اِنَّا اَرْسَلْنٰكَ شَاهِدًا
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে প্রত্যক্ষদর্শী তথা হাজির-নাযির হিসাব বাকি অংশ পড়ুন...
قَالَتْ: بَلَى. قَالَ فَأَحِبِّي هَذِهِ . فأُحِبُّ هولاء.
সাইয়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম তিনি নিজেই বলেন, হ্যাঁ অবশ্যই আমি উনাদেরকে পবিত্র মুহব্বত মুবারক করবো। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! (তাহলে ফয়সালা মুবারক কি হলো? সাইয়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র শান মুবারকে বলা হয়েছে।) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইর বাকি অংশ পড়ুন...
তিস্তা নদী :
সিকিম হিমালয়ের ৭,২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত চিতামু হ্রদ থেকে এই নদীটি সৃষ্টি হয়েছে। নদীটি নীলফামারী জেলার কালীগঞ্জ সীমান্ত এলাকা দিয়ে ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দের অতিবৃষ্টি একটি ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি করেছিল এবং সেই সময় নদীটি গতিপথ পরিবর্তন করে লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে চিলমারী নদীবন্দরের দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদে পতিত হয়। তিস্তা নদীর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৩০৯ কিমি, তার মধ্যে ১১৫ কিমি বাংলাদেশ ভূখ-ে অবস্থিত। তিস্তা একসময় করতোয়া নদীর মাধ্যমে গঙ্গার সঙ্গে সংযুক্ত ছিল এবং এর অংশবিশেষ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকির পর এবার শাহিরয়ারের স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থানের বিষয়টি আরো স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন। বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধদের সেবক ডাক্তার জাফর উল্লাহ। যিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে আহত মুক্তিযুদ্ধা ও শরণার্থীদের সেবা দেয়ার জন্য নিজেই অস্থায়ী হাসপাতাল করেন। তিনিও শাহরিয়ার কবিরের রাজাকারগিরির প্রমাণ তুলে ধরেছেন। অনলাইন খুঁজলে শাহরিয়ার কবিরের স¦াধীনতা বিরোধী অভিযোগের প্রমাণ ভুরি ভুরি পাওয়া যায়।
শাহিরয়ার কবিরের স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান তথা রাজাকারগিরির অভিযোগ তুলেছেন-
১) ঘাতক দালাল ন বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
“শাহরিয়ার আমরা একসঙ্গে বহুদিন কাজ করেছি, বিশেষ করে ৭১-এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিতে। কিন্তু যখন জানতে চেয়েছি সে কোথায় যুদ্ধ করেছে, তখনই সে নিশ্চুপ থেকেছে, কোনদিন সদুত্তর দেয়নি”। শাহরিয়ার কবিরের হাক্বিকত এভাবেই ফাঁস করেছেন কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান সেক্টর কমান্ডার।
এভাবেই একে একে তার আশপাশের লোকেরাই তার গোমর ফাঁস করে দিয়েছে।
মূলত ১৯৭১ সালে শাহরিয়ার কবির যে, স্বাধীনতার পক্ষে তথা মুক্তিযুদ্ধে কোনভাবেই জড়িত ছিলো না তার প্রমাণ এখন আর লুকোচাপা নেই। বরং দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তার যে ভূমিকা ছিলো সেটাই এখন একে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
শাহরিয়ার কবিরের নামে ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার বিষয়টি শুধুমাত্র ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাবেক আহবায়ক বেগম মোস্তারী শফি লিখিত ‘জাহানারা ইমামের স্মৃতির উদ্দেশে লেখা চিঠি’ নামের বইটিতেই নয়, আরো অনেকের কাছ থেকেই পাওয়া গেছে।
এমনকি বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীও তার বিরুদ্ধে রাজাকারগিরির অভিযোগ তুলে বক্তব্য দিয়েছেন। ইন্টারনেটে কাদের সিদ্দীকীর উক্ত বক্তব্য ব্যাপকভাবে প্রচারিতও হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় কাদের সিদ্দিকীর ভূমিকা সকলেই জানে। যে কারনে বাংলাদেশ সরকার তার কৃ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
শাহরিয়ার কবিরের নামে ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার বিষয়টি শুধুমাত্র ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাবেক আহবায়ক বেগম মোস্তারী শফি লিখিত ‘জাহানারা ইমামের স্মৃতির উদ্দেশে লেখা চিঠি’ নামের বইটিতেই নয়, আরো অনেকের কাছ থেকেই পাওয়া গেছে।
এমনকি বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীও তার বিরুদ্ধে রাজাকারগিরির অভিযোগ তুলে বক্তব্য দিয়েছেন। ইন্টারনেটে কাদের সিদ্দীকীর উক্ত বক্তব্য ব্যাপকভাবে প্রচারিতও হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় কাদের সিদ্দিকীর ভূমিকা সকলেই জানে। যে কারনে বাংলাদেশ সরকার তার ক বাকি অংশ পড়ুন...












