আল ইহসান ডেস্ক:
মনসুর খালেদের ‘আল-বাদর’ গ্রন্থে বর্ণিত আল-বাদরদের বিভিন্ন অপারেশনের বিবরণ থেকে একটি তালিকা প্রণয়ন করা যায় এভাবেÑ
ঢাকা শহর: আসাদুজ্জামান- কমান্ডার, সদস্য- নূর মল্লিক, মোহাম্মদ আলী, আবু নসর ফারুকী, ইকরামুল হক, ফেদাউল ইসলাল, রেজাউল ইসলাম, এফ এম কামাল, মুস্তাফা শওকত ইমরান, হুসাইন খান, মুহম্মদ মাসুম।
চট্টগ্রাম: কমান্ডার- আবদুল জাহের আবু নাসের ও আবু জাফর; কমান্ডার- মুহাম্মদ নাঈমুর রহমান, ইফতেখারুল ইসলাম, সলিমুল্লাহ, আবু জাফর; কমান্ডার- এনামুল হক সন্তু; সদস্য- সৈয়দ আকরাম হোসাইন, আবু ওসমান, শাহ জামান, আবদুর রহমান, মীর হাসান, মু বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
বিভিন্ন সংগ্রহশালা থেকে উদ্ধৃত তৎকালীন আল-বাদর হাইকমান্ডের একটি তালিকা এখানে তা দেয়া হলো:
মওদুদীবাদী ছাত্রসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটি (আল-বাদর হাইকমান্ড)Ñ
৭। খুররম ঝা মুরাদ, লন্ডনে অবস্থানরত আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত জামাত নেতা। বিভিন্ন দেশে জামাতীদের তৎপরতা সমন্বয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত।
৮। আবদুল বারী (জামালপুর জেলা আল-বাদর প্রধান), ঢাকায় চাকরি করে।
৯। আবদুল হাই ফারুকী (রাজশাহী জেলা আল-বাদর প্রধান), দুবাইয়ে ব্যবসা করে।
১০। আবদুল জাহের আবু নাসের (চট্টগ্রাম জেলা আল-বাদর প্রধান), ঢাকায় সউদী রাষ্ট্রদূতের ব্যক্তিগত সহক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
বিভিন্ন সংগ্রহশালা থেকে উদ্ধৃত তৎকালীন আল-বাদর হাইকমান্ডের একটি তালিকা এখানে তা দেয়া হলো:
মওদুদীবাদী ছাত্রসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটি (আল-বাদর হাইকমান্ড)Ñ
১। আশরাফ হোসাইন (আল-বাদর বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা এবং ময়মনসিংহ জেলা প্রধান), ঢাকায় ব্যবসা করে।
২। শামসুল হক (ঢাকা শহর প্রধান), কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য- জামাতে ইসলামী।
৩। মুস্তাফা শওকত ইমরান (ঢাকা শহর আল-বাদর বাহিনীর অন্যতম নেতা), স্বাধীনতার পর পরই নিখোঁজ হয়।
৪। আশরাফুজ্জামান খান (ঢাকা শহর আল-বাদর বাহিনীর হাইকমান্ড সদস্য এবং বুদ্ধিজীবী হত্যাকা-ের ‘চিফ এক্সিকিউ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জানায়, শহরের বাজির মোড়ে সরকারি টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ভবনকে নরসিংদীবাসী টর্চার সেল ও হত্যাপুরী বলেই চেনে-জানে। মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণরা এর সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় এখনো আঁতকে উঠেন।
পুনর্বাসন: স্বাধীনতার পরপরই রাজাকার কমান্ডার মতিউর সিকদার পালিয়ে পাকিস্তানে চলে যায়। পরে ঘাতকদের গুরু জামাতের সাবেক আমির গো’আযম দেশে ফেরার সময় তার সঙ্গে মতিউর সিকদারও দেশে ফেরে। দেশে ফিরে জামাত কর্মীদের সংগঠিত করে দল পুনর্গঠনে সক্রিয় সহায়তা করে। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে না থাকলেও মতিউর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নরসিংদীতে গণহত্যা, লুটপাট আর অগ্নিসংযোগের নারকীয় মহোৎসব চালাতো রাজাকার কমান্ডার জামাত নেতা মতিউরের সিকদার। একাত্তরে নরসিংদীসহ আশপাশের শতাধিক গ্রামকে রক্তাক্ত জনপদে পরিণত করেছিলো কুখ্যাত এ রাজাকার মতিউর রহমান। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ কয়েকটি অভিযোগে মামলা হলেও গ্রেফতার এড়িয়ে এখন সে ব্যবসায়ী ও জামাতের একনিষ্ঠ কর্মী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, কাউকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তাকারী হিসেবে বিন্দুমাত্র সন্দেহ হলেই রা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
‘একাত্তরের ঘাতক দালালরা কে কোথায়’ গ্রন্থ থেকে জানা যায়, একাত্তরের ২৫ নভেম্বর ঢাকা শহর ছাত্রসংঘের কার্যকরী পরিষদ পুনর্গঠিত হয়। এ কমিটিতে প্রধান জল্লাদ বা খুনি হিসেবে আশরাফুজ্জামানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অন্য সদস্যরা ছিলো: ১. মোস্তাফা শওকত ইমরান, ২. নূর মোহাম্মদ মল্লিক, ৩. একে মোহাম্মদ আলী, ৪. আবু মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, ৫. আ.ক.ম. রুহুল কুদ্দুস ও ৬. সর্দার আবদুল সালাম।
আল-বাদরদের একটি বড় অংশ ১৯৭২ সাল থেকেই সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে মিশে গেছে। শুধু তাই নয়, অনেকে রাজনীতি, সমাজ, অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে।
জামালপুরের ইসলামপুর থান বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত মৌলভীবাজার রাজনগর উপজেলার আকমল আলী তালুকদারসহ চার রাজাকার। জানা গেছে, আকমল আলীসহ অন্যান্য রাজাকাররা ৭০ জন পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। তারা এলাকার মা ও বোনদেরকে বেইজ্জতি করেছিল। রাজকাররা গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এসব অপরাধের জন্য চেয়ারম্যান বিচারক শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তাদের বিচার চলছে।
মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রামে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২৩ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
এসকে সিনহার রাজাকারগিরি সম্পর্কে মুখ খুলেছেন খোদ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক নিজেও। ২১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে তিনি বলেছেন, সাবেক প্রধান বিচারক এসকে সিনহা পিস কমিটির সদস্য ছিলো। তাই সে বঙ্গবন্ধুকে একক নেতা মানতে রাজি নয়।
স্বয়ং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী নিজেই যখন এসকে সিনহার রাজাকারগিরি সম্পর্কে অবহিত তাহলে তার বিচারের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না কেন?
সিনহা প্রধান বিচারক থাকা অবস্থায় রাজাকারদের বিচারেও সে নানারকম ছলচাতুরি করেছে, তাদের থেকে টাকাও খেয়েছে সেটাও এখন ফাঁস হয়েছে। বুঝাই যাচ্ছে সি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সিনহার রাজাকারগিরি সম্পর্কে দেশের মন্ত্রী-এমপি আমলা সকলেই জানে। তারপরও কেন তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে না? গত ২২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে আ’লীগের প্রকাশ ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ নিজেও হিন্দু রাজাকার এস কে সিনহাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে, সিনহা আদালতে মামলা চলাকালীন নিজের মুখে স্বীকার করেছে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি বাহিনীকে সহায়তার জন্য রাজাকার আলবদরদের সহায়ক শক্তি হিসেবে গ্রামে গ্রামে যে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়েছিল সেই শান্তি কমিটির সদস্য ছিলো। এটি সে নিজে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সাবেক প্রধান বিচারক এস কে সিনহা নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়েছে সে রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদেরা সংগঠন ‘শান্তি কমিটি’র একজন সদস্য ছিলো। সিনহা ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে নিজের এক বক্তব্যে তখন বলেছে, “মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি নিজেও শান্তি কমিটির সদস্য ছিলাম।”
তাছাড়াও তার সম্পর্কে আরো অভিযোগ আছে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সংখ্যালঘুদের ভেতর বেশ কয়েকটি স্বাধীনতার বিপক্ষে সক্রিয় ছিলো। এদের মধ্যে উপজাতি চাকমা নেতা ত্রিদিব রায় তার অন্যতম। সিনহার বাড়ি ভারত সীমান্তবর্তী সে চাইলে সহজে ভারতে যেতে পারতো। তা না গিয়ে সে রাজ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
জাফর ইকবালের পারিবারিক আত্মজীবনীমূলক বই থেকে আরো জানা যায়- পিরোজপুরের ওই বন থেকে পরবর্তিতে তারা যায় গুয়ারেখা নামক এলাকার এক ক্বারি সাহেবের বাড়িতে। সেখান থেকে জাফর ইকবালের নানা তাদের নিয়ে যায় ঢাকা, ঢাকা থেকে যায় নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ এ নানার বাড়ি।
মোহনগঞ্জে এসে আয়েশা ফয়েজ জানতে পারে তার বাবা অর্থাৎ জাফর ইকবালের নানা রাজাকার। আয়েশা ফয়েয এ সম্পর্কে উক্ত বইয়ের ৭৪ পৃষ্ঠার মোহনগঞ্জে অধ্যায়ে লিখে “বাবা (জাফর ইকবালের নানা) যখন আমাদের আনতে গিয়েছে তখন মিলিটারিরা তাকে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান তৈরি করেছিল। বাবা ছিলো ন বাকি অংশ পড়ুন...












