(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এ বিষয়টি সম্পর্কে দেশবাসীর বিস্তারিত কোনো ধারণা ছিল না। তবে ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে উইকিলিক্স-এর ফাঁস করা তথ্যে সর্বপ্রথম দেশবাসী জানতে পারে যে, সন্ত্রাসবিরোধী কৌশলের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষার পাঠক্রম পরিবর্তনে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশ সরকার যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উইকিলিক্সের তথ্যে বলা হয়, মাদরাসার পাঠক্রম পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ডিএফআইডি) এক সাথে কাজ করছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রà বাকি অংশ পড়ুন...
তৎকালীন বাংলায় অনেক বিখ্যাত মাদরাসা, ‘মাদরাসা-বাড়ি’ ও ‘দরস-বাড়ি’ (অর্থাৎ স্কুল ও কলেজ; ‘দরস’ মানে পাঠ বা শিক্ষা, আর ‘বাড়ি’ মানে ভবন বা প্রতিষ্ঠান) ছিল, যেখানে শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল।
নাওহাটা থেকে প্রাপ্ত বালকা খানের (৬২৬-৬২৮ হিজরি, ১২২৯-১২৩১ খ্রিস্টাব্দ) শাসনামলের একটি প্রাচীন শিলালিপিতে এমন একটি মসজিদের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা ওই অঞ্চলে একটি উচ্চতর শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবেও কাজ করত;
রাজধানী গৌড় উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল। ত্রয়োদশ শতাব্দীতেই সেখানে অসংখ্য মসজিদ (এই অঞ্চঠবাকি অংশ পড়ুন...
দেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০০৯ সালে। শুরুতে পরিকল্পনায় ছিল কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপ।
ওই বছর জাপানের প্যাসিফিক কনসালট্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল নয়টি সম্ভাব্য এলাকা পরিদর্শন করে সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের সুপারিশ করে সমীক্ষা প্রতিবেদন জমা দেয়। ২০১২ সালে সরকার সোনাদিয়া দ্বীপে গভীর সমুদ্রবন্দরের প্রকল্প অনুমোদন দেয়। ২০১৬ সালে প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার সময় ধরা হয়। অর্থায়ন করার আলোচনা চলছিল চীনের সঙ্গে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোনাদিয়া সমুদ্রবন্দরের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ ২০০৯ সà বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামি মূল্যবোধ, দ্বীনি অধিকার ও পরিবেশ রক্ষার প্রশ্নে দ্বৈতনীতি কেন? কুরবানির ঈদে পশুর রক্ত বৃষ্টির পানিতে মিশে গেলে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে সরব হয়ে ওঠে একশ্রেণির পরিবেশবাদী ও সংবাদমাধ্যম। অথচ পূজার মূর্তি ফেলার সময় নদী, খাল, বিলে মূর্তির রং, রাসায়নিক পদার্থ ও বিভিন্ন উপকরণ মিশে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাদের কোন উচ্চবাচ্য দেখা যায় না। কথিত ‘পরিবেশ রক্ষার’ প্রশ্নে এমন বৈষম্যমূলক আচরণ কেন? ধর্মীয় পরিচয় ভেদে পরিবেশের সংজ্ঞা কি বদলে যায়?
পূজা শেষে মূর্তি ফেলার সময় মূর্তির রং, নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য বর্জ্য পানিতে মিশতে পারে। মূর্ বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক ও অবশ্য পাঠ্য হিসেবে সমস্ত শ্রেণীর মূল বই হিসেবে সিলেবাস প্রণয়ন করে। সেখানে কোনো শিক্ষার্থী সব বিষয়ে ভালোভাবে পাস করলেও কমুনিজমে ফেল করলে তাকে অনুত্তীর্ণ করা হতো।
পাঠক! কট্টর যুলুমবাজ নাস্তিক সমাজতান্ত্রিক কà বাকি অংশ পড়ুন...
১৪৫ কোটির বেশি মানুষের বসতি নিয়ে আফ্রিকা বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল মহাদেশ এবং খুব দ্রুতই এটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ কর্মক্ষম জনসংখ্যার অধিকারী হতে চলেছে। একইভাবে বাদ পড়ে আছে ৬৫ কোটি মানুষের লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল। মধ্যপ্রাচ্যেরও কোনো স্থায়ী কণ্ঠস্বর নেই। নিরাপত্তা পরিষদ আজও ১৯৪৫ সালের কাঠামোতেই অবরুদ্ধ হয়ে আছে।
পরিষদটি আসলে কী, তা মনে রাখা প্রয়োজন। ১৫টি দেশ সেই টেবিলে বসে। পাঁচটি দেশ স্থায়ী আসন ও ভেটো ক্ষমতার অধিকারী। বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্যদেশ অঞ্চলভিত্তিক বিন্যাসের মাধ্যমে দুই বছরের মেয়াদে সাধারণ পরিষদ দ্বারা নির্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কা’বা শরীফের দিকে ফিরে নামায পড়তে হয়। অন্য কোনো দিকে ফিরে হাজার হাজার রাকায়াত নামায পড়লেও নামায আদায় হবে না। বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ অনেক কিছুতে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছে, ডিগ্রি নিচ্ছে, পিএইচডি করছে, গবেষণা করছে। কিন্তু সরে যাচ্ছে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম-আহকাম থেকে। আজ মুসলমানরা সুন্নতী পোশাকের বদলে অমুসলিমদের স্যুট-কোর্ট, প্যন্ট, টাই পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ক্লিনশেভ করছে, হিন্দুদের পূজায় যাচ্ছে, তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, পূজার প্রসাদ খাচ্ছে। ইহুদী, খ্রিস্টান মুশরিকদের কাঠবাকি অংশ পড়ুন...
নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষীরা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কটূক্তি করে বলে থাকে, মাদরাসায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা হয়না। নাউযুবিল্লাহ! সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান শেখানো হয়! এ অপপ্রচারে মাদরাসা নিয়ে অভিবাবক মহলে হীনমন্যতার প্রবেশ করে।
ইতিহাস সাক্ষী অতীতের সকল মুসলিম বিজ্ঞানী, জ্ঞানী-গুনী সবাই মক্তব-মাদরাসায় পড়াশোনা করেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। বেনিয়া বৃটিশ শাসনের পুর্বে মুসলিম শাসনামলে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই ছিলো মূল। যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কে পড়ানো হত।
মুসলিম শাসনামলের অবদান:
মুসলিম শà বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে একটি প্রশ্ন তারা করতে পারে-
সেটা হলো- এই ৯৫ মিলিয়ন ডলার লোকসান হলেও টার্মিনালটি আধুনিক হবে ও সক্ষমতা বাড়বে, আন্তর্জাতিক মানের একটি টার্মিনাল হবে!
আরে ভাই, সক্ষমতা বাড়ার প্যারামিটার কী? অবশ্যই অধিক কন্টোইনার হ্যান্ডেলিং। কিন্তু ডিপি ওয়ার্ল্ড যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটি তো দেশীয় সক্ষমতার চেয় অনেক কম। তাহলে সক্ষমতা বাড়বে- এটি বলা তো অবান্তর! আর এনসিটি ২০১৭ সাল থেকেই তো আন্তর্জাতিক মানের একটি টার্মিনাল হয়ে আছে। এটাকে নতুন করে আন্তর্জাতিক মানের করা হবে মর্মে যেসব বক্তব্য পাওয়া যায় সেগুলো নিছক গালগল্প।
৬. পরনির্ভরশীল মডেল:
সিঙà§ বাকি অংশ পড়ুন...
রেভিনিউ শেয়ারিং বা আয় বণ্টন: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ গড় টার্মিনাল আয়ের ওপর নির্ভর করে প্রতি কনটেইনারের জন্য প্রায় ৪০ শতাংশ থেকে ৬৭ শতাংশ পাবে। এর পাশাপাশি প্রতিবছর প্রায় ১০ কোটি টাকা নির্দিষ্ট ফি দেবে ডিপি ওয়ার্ল্ড।
আমাদের উত্তর: এই অংশটি অস্পষ্ট। তবে চুক্তির পূর্বে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই অংশটির ব্যাপারে যেসব নিউজ ছাপা হয়েছে সেগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- রেভিনিউ শেয়ারিংয়ে বাংলাদেশ প্রতি বছরে প্রায় ৯৫.৬ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১ হাজার ১৭৮ কোটি টাকা হারাবে। তবে এই অংশটি সরকার স্পষ্ট করলে আমরা আরো এ্যাকিউরেট হিসাবটা দিতে পারঠবাকি অংশ পড়ুন...
* পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
‘নিশ্চয়ই আকাশ ও পৃথিবীর সৃজনে আর রাত ও দিনের ক্রমাবর্তনে সে সকল লোকদের জন্য অসংখ্য নির্দশন বিদ্যমান’। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : ৩/১৯০)
* পবিত্র কুরআন শরীফে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম সম্পর্কে উদ্ধৃত হয়েছে- ‘যখন হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি উনার চাচা ও উনার সম্প্রদায়কে বললেন, এই মূর্তিগুলো কি যাদের পূজায় তোমরা রত রয়েছ। তারা বলল, আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে এদের পূজা করতে দেখেছি। তিনি বললেন, তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের পিতৃ-পুরুষরাও রয়েছ স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে। তারা বলল, আপনি কি আমাদের নি বাকি অংশ পড়ুন...
জ্বালানি তেল কোনো সাধারণ পণ্য নয়; এটি একটি দেশের পুরো অর্থনীতির চালিকাশক্তি। পরিবহন, কৃষি, শিল্প উৎপাদন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার প্রতিটি ধাপের সাথে তেলের মূল্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত। এমন এক স্পর্শকাতর খাতে হুট করে তেলের অযৌক্তিক বা মাত্রাতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি কেবল সাধারণ মানুষের পকেট কাটবে না, বরং তা সরকারের প্রতি তীব্র জনঅসন্তোষ সৃষ্টি করবে- যা কোনো অবস্থাতেই কাম্য নয়।
বর্তমানে বিশ্ববাজারের দোহাই কিংবা অভ্যন্তরীণ রাজস্ব ঘাটতি মেটানোর অজুহাতে যখনই তেলের দাম বাড়ানো হয়, তার প্রথম এবং প্রত্যক্ষ ধাক্কা গিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...












