সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক প্রশ্ন- এতবড় মালানা-মুফতে সাহেব এই কাজ করলো, তাইলে এটা কিভাবে ভুল হতে পারে? ডাক্তার জাকির নায়েক তথা কাফির নালায়েকের মতো এ রকম অনেক প্রকা- প্রকা- গুমরাহ ও বিভ্রান্ত লোক আছে যাদের হাজার হাজার ভক্ত আছে, আছে বিভিন্ন মিডিয়ায় নামধাম(!), আছে ক্যনভাসারদের মতো বাকপটুতা; তাদের এত এত গুণগুণানি দেখেই সাধারণ মানুষের মনে এসব প্রশ্নের উদয় হয়।
কাফির নায়েকদের মত লোকদের বিভ্রান্তিকর কথা শুনে অনেকেই মাযহাবের সম্মানিত ইমামগণ উনাদের শানে অবমাননাকর কথা বলে থাকে। নাউযুবিল্লাহ।
অথচ মাযহাবের সম্মানিত ইমামগণ উনাদের যে বেমেছ বাকি অংশ পড়ুন...
মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন কৌশলগত মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে। পরগাছা ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরান এবার একা নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক অক্ষকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামার ছক কষছে। এই অক্ষের মূল কৌশল-পাঁচটি ভিন্ন ফ্রন্ট থেকে একই সময়ে একযোগে হামলা চালানো, যাতে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি পর্যদুস্ত হয়ে পড়ে।
এই সম্ভাব্য জোটের নেতৃত্ব ও ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি জোগান দিচ্ছে ইরান। উত্তর ফ্রন্ট থেকে দেড় লাখ রকেটের হুমকি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে লেবাননের হিজবুল্লাহ, গাজা ফ্রন্টে হা বাকি অংশ পড়ুন...
ক্ষুদ্র একটি দ্বীপরাষ্ট্র হয়ে বিশ্বের অন্যতম অপশক্তির মুখে ‘না’ বলে দেয়া- এটা কি সম্ভব? মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুহম্মদ মুইজ্জু প্রমাণ করেছেন, সম্ভব। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ক্ষমতায় এসে তিনি যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, “মালদ্বীপের মাটিতে কোনো বিদেশি সামরিক উপস্থিতি থাকবে না”, তা ছিল নিছক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়; এটি ছিল একটি জাতির সার্বভৌমত্বের জন্য এক ঐতিহাসিক অঙ্গীকার। আর সেই অঙ্গীকার তিনি রক্ষা করেছেন। ২০২৪ সালের ১০ মের মধ্যে তিনি ভারতের সব সামরিক সদস্যকে মালদ্বীপ থেকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য করেছেন। কেবল তাই নয়, ইউনিফর্ম হোক বা ব বাকি অংশ পড়ুন...
"" মন্তব্য কলাম""
পার্বত্য চট্টগ্রাম, বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ ও খোদায়ী দানে অপরূপ সৌন্দর্যের পার্বত্যভূমি। এই খোদায়ী নিয়ামত আজ জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এক গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাকৃতিক শোভার আড়ালে গড়ে উঠেছে সন্ত্রাসী কার্যক্রম, অস্ত্র মজুত এবং পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা। এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান-ভারতের মিজোরাম, ত্রিপুরা ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী-এবং দুর্গম পাহাড়-জঙ্গল এটিকে উপজাতি সন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী নৃগোষ্ঠীদের দেশবিরোধী কার্যক্রমের জন্য অভয়ারণ্য করে তুলেছে। সম্প্রতি বিদ বাকি অংশ পড়ুন...
সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি হলে বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও বেতন বৃদ্ধির দাবি তুলবেন। পরবর্তীতে শিল্পকারখানার শ্রমিকরাও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বেতন বাড়ানোর দাবি করতে পারেন। এটি স্বাভাবিক। কারণ একই বাজারে সবাইকে জীবনযাপন করতে হয়।
কিন্তু এখানেই আরেকটি সমস্যা তৈরি হতে পারে। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি পেলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। উৎপাদন খরচ ঠিক রাখার জন্য মালিকপক্ষ তখন অটোমেশনের দিকে ঝুঁকতে পারে। এতে শ্রমিকের বদলে মেশিন দিয়ে উৎপাদন করা হবে। মেশিনে উৎপাদন হলে একদিকে শ্রম ব্যয় কমবে, অন্যদিকে উৎপাদন দ্রুত করা সম্ভব বাকি অংশ পড়ুন...
মাসের শুরুতে বেতন আসে, আর মাস শেষ হওয়ার আগেই তা কোথায় যেন উধাও হয়ে যায়। বেতন কত বাড়বে, এই প্রশ্নের চেয়ে এখন বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত, মানুষের জীবনযাত্রার খরচ কত কমবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে। বেসরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যেও বেতন বৃদ্ধির দাবি রয়েছে।কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধু বেতন বাড়ালেই কি মানুষের জীবন সহজ হবে? বাজার, বাড়িভাড়া, যাতায়াত, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের খরচ যদি একই সঙ্গে বাড়তে থাকে, তাহলে বেতন বাড়িয়ে মানুষের প্রকৃত স্বস্তি কতটা নিশ্চিত করা যাবে?
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্ বাকি অংশ পড়ুন...
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি গোষ্ঠীগুলো উস্কে দেয়ার মূলে কাজ করছে বিদেশী কিছু সংস্থা, যেমন- জাতিসংঘ (ইহুদীসংঘ), ইউএনডিপি, কারিতাস, কেয়ার, আশা, সিসিডিবি’সহ আরো কিছু বিদেশী এনজিও। এরাই কুটবুদ্ধি ও কুপরামর্শ দিয়ে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে ক্ষেপিয়ে রাখছে। এই উস্কে দেয়ার পেছনে উপজাতিদের মুলো দেখানো হয়- ‘তাদের জন্য আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে দেয়া হবে’। কিন্তু বাস্তবে উপজাতিদের স্বার্থ এখানে মুখ্য নয়। মূল স্বার্থ পশ্চিমা সম্রাজ্যবাদীদের, যারা উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে শুধু ব্যবহার করছে তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। বাকি অংশ পড়ুন...
আশি ও নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘১০০% হালাল সাবান’ বাজার থেকে রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেছে। হারিয়ে যাওয়ার পেছনের কারণটিও অতি গোপন রাখা হয়েছে, যে কারণে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই জানে না- হালাল সাবান কি বা হারাম সাবান কি? এই নিবন্ধে বিষয়টি পরিস্কারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
বাজারে আমরা যত গোসলের সাবান দেখি, সেগুলো প্রায় শতভাগই তৈরি হয় প্রাণীজ চর্বি দিয়ে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- তাহলে এগুলো কোন প্রাণীর চর্বি দিয়ে তৈরি হচ্ছে? গভীর অনুসন্ধানে গেলে এর উত্তর পাওয়া যায়- সব সাবানই শুকরের চর্বি দিয়ে তৈরি হয়।
আশি ও নব্বইয় বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় খাদ্যমান পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রে একটি নিয়ম রয়েছে যে, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বাজারে যাবে পণ্য। কিন্তু জনগণের স্বাস্থ্যরক্ষায় ও খাদ্যনিরাপত্তায় অন্যতম ভূমিকা পালনকারী এ প্রতিষ্ঠানটি খাদ্যমানের লাইসেন্স দিয়ে থাকে অনেকটা বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতোই বাণিজ্যিক(!)ভাবে (অর্থাৎ টাকা বিনিময়ে ‘ঠিক আছে’র লাইসেন্স পাওয়া যায়। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশের বাজারে ম্যাগি নুডলসের চাহিদা ও বিপণন ছিলো রমরমা। এর চাহিদা কখনো কমেনি বরং দিনে বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের এক অংশ (আসামের বরনগর) থেকে অন্য অংশে (বিহারের কাটিহার) বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের ভূখন্ডের ওপর দিয়ে ৭৬৫ কেভি হাইভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের প্রক্রিয়াটি পুনরায় টেবিলমুখী হওয়া একটি চরম উদ্বেগজনক ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমের খবরের সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত এই সুবিশাল ট্রানজিট লাইনের বিশাল খরচ বাংলাদেশের কাঁধে চাপানোর পাঁয়তারা চলছে, অথচ এ বিদ্যুৎ থেকে বাংলাদেশ নিজে কোনো সুবিধা বা বিদ্যুৎ ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না। সোজা কথায়- ভারতের নিজস্ব এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে বিদ্য বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন নগরীতে বিধিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবন নির্মাণ করলে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ সব ধরনের ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বিধিমালাবহির্ভূত নির্মাণকাজ ঠেকাতে ভবন পরিদর্শন ও উচ্ছেদ অভিযান জোরদার করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে দেশের বিভিন্ন নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলো।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গত আগস্ট মাসের দপ্তর ও সংস্থাগুলোর সমন্বয় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গত ১৯ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক স্মৃতির ক্যানভাসে কিছু স্থান কেবল ইট-পাথরের দেওয়াল হয়ে থাকে না; তারা হয়ে ওঠে একটি জাতির আত্মপরিচয় ও চেতনার জন্মভূমি। বাংলাদেশের বিগত ৩০০ বছরের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের মোড় ঘোড়ানো স্থানগুলোর পানে তাকালে, একটি নাম সমস্ত নীরবতা ভেদ করে অত্যন্ত স্বমহিমায় ও বিষাদময় আত্মমর্যাদায় ভেসে ওঠে-ইশরাত মঞ্জিল। এটিকে কেবল একটি স্থাপত্য হিসেবে দেখা ইতিহাসের প্রতি চরম অন্যায্যতা। ইশরাত মঞ্জিল ছিল বস্তুত একটি রূপান্তরের যুদ্ধক্ষেত্র, উপমহাদেশের মুসলমানদের নিজেদের হারিয়ে যাওয়া আত্মপরিচয় ও রাজনৈতিক সত্তাকে নতুন করে খুঁজে পা বাকি অংশ পড়ুন...












