বিশ্ব জুড়ে আজ মুসলিম উম্মাহ যে বৈচিত্র্যময় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা যেকোনো সচেতন ও সংবেদনশীল হৃদয়কে গভীরভাবে ব্যথিত করে। আরাকানের রোহিঙ্গা সংকট, কাশ্মীরের দীর্ঘমেয়াদী ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা, কিংবা গাজায় ঘটে যাওয়া অভূতপূর্ব মানবিক বিপর্যয়-প্রতিটি ঘটনাই মানবিক বিবেককে নাড়া দেয়। এই ধারাবাহিকতায় নেপালের মতো প্রতিবেশী দেশে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
নেপালে মুসলিম জনগোষ্ঠীর বর্তমান স্থিতি:
নেপালের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্য বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অখন্ডতা সুরক্ষায় সীমানার নিরাপত্তা হলো প্রথম ও প্রধান প্রাচীর। ভৌগোলিক অবস্থান ও জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে বাংলাদেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্রে এক বিশেষ অগ্রাধিকারের দাবি রাখে।
বাংলাদেশের সীমান্ত ও ভৌগোলিক বিস্তৃতি: বাংলাদেশের মোট স্থল ও নদী সীমানার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৪২৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে ভারতের সাথে দীর্ঘ ৪,০৯৬ কিলোমিটারের সুবিশাল সীমান্ত রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক স্থল সীমানা। দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমারের সাথে প্রায় ২৭১ কিলোমিটারের পাহাড়ি বাকি অংশ পড়ুন...
যারা বাল্যবিবাহ বন্ধ করার আইন করেছে ও যারা এ কাজে সহযোগিতা করছে তাদের জন্য ও পাঠকদের জন্য কিছু প্রশ্ন দিয়েই লেখাটি শুরু করতে চাই।
গ্রামের একটি মেয়ের বিয়ে ভেঙ্গে গেলে কি হয়-
একটি দরিদ্র পরিবার একবার বিয়ের আয়োজন করতে জমি-জমা বিক্রি করে, ধার-কর্য করে কিন্তু সেটা ভেঙ্গে গেলে পরবর্তীতে তার আয়োজন করে দেবে কে?
প্রশাসনিক আমলারা অবৈধ অর্থ হাছিলের লক্ষ্যে একটা মেয়ের বিয়ে ভেঙ্গে দিলে, ছবি তুলে মিডিয়ায় প্রচার করলে, পরবর্তীতে মেয়েটির বিয়ের খরচ যোগাবে কে?
একটি মেয়ের বিয়ে ভেঙ্গে গেলে, পরবর্তীতে বছরের পর বছর মেয়েটির বিয়ের প্রস্তাব আসে না। গ্ বাকি অংশ পড়ুন...
গত সাত বছরে দেশে সুগন্ধি চালের উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। প্রচলিত সেদ্ধ চালের তুলনায় কৃষকরা বেশি দাম পাওয়ায় তারা এই ধান উৎপাদনে আগ্রহী।
ব্রি'র তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে ৩৩ ধরনের সুগন্ধি ধানের চাষ হচ্ছে।
স্থানীয় জাতগুলো চাষে বিঘাপ্রতি ধান পাওয়া যায় ১৮৭ থেকে ২৯৯ কেজি। উচ্চ ফলনশীল জাতে প্রতি বিঘায় ধান পাওয়া যায় ৪৪৮ থেকে ৮২১ কেজি।
রপ্তানি নীতি আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমোদন নিয়ে সুগন্ধি চাল রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে সরকার সুগন্ধি ও অন্যান্য চাল রপ্তানি বাকি অংশ পড়ুন...
‘আবূ দাউদ শরীফ’ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, “মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রোকনা পাহলোয়ানকে কুস্তি মুবারকে ধরাশায়ী করেছিলেন।” সুবহানাল্লাহ!
(তবে তা অবশ্যই খেলা হিসেবে নয়; বরং রিসালাতের প্রমাণ ও মু’জিযা মুবারক হিসেবে তিনি রোকনা পাহলোয়ানের সাথে কুস্তি মুবারকে লড়েছেন এবং তাকে পরাস্ত করেছেন।)
উল্লেখ্য, পবিত্র হাদীছ শরীফ বা সম্মানিত শরীয়তে যেসব বিষয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে, সে বিষয়গুলো কোনো প্রকার খেলার অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে তীর-ধনুক বাকি অংশ পড়ুন...
একটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈশি^ক ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে বিশাল সামরিক বাহিনী গঠন কেবল প্রথম পদক্ষেপ। কিন্তু সেই বাহিনীকে সুসংগঠিত, সদা-প্রস্তুত এবং রিয়েল-টাইম কমব্যাট অপারেশনে সচল রাখতে প্রয়োজন একটি যুগোপযোগী ও বিস্তৃত অবকাঠামোগত বিন্যাস। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ৫০ লক্ষাধিক বিশাল বাহিনীর জন্য বর্তমান সেনানিবাস ও গ্যারিসন কাঠামো যে একেবারেই অপ্রতুল, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এই বিশাল সৈন্যবহরের জন্য দেশজুড়ে কী পরিমাণ এবং কেমন সেনানিবাস, গ্যারিসন ও সেনাছাউনি প্রয়োজন-তা নিয়ে একটি সুদূরপ্রসা বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের দিবস ভালো না লাগলেও অসাম্প্রদায়িকতার দোহাই দিয়ে অমঙ্গল যাত্রাসহ সকল পূজা, খৃস্টীয় দিবস, বৌদ্ধদের পক্ষে নাস্তিক, ইসলামবিদ্বেষি, চুশিল, প্রগতিশীল মিডিয়া একাট্টা। বিজাতীয় কালচার পালন করতে খুবই উদগ্রীব তারা। পবিত্র কুরবানিতে এদের কষ্ট হলেও দুর্গা পূজার বিকৃত ও হিংস্র চেহারা দেখলে এদের কষ্ট হয়না। তাদের কাছে অসাম্প্রদায়িকতা মানেই বিজাতীয় কালচার পালন করা। মুসলমানদের কালচার তাদের কাছে সাম্প্রদায়িকতা! নাউযুবিল্লাহ। মুসলমানগণ শরীয়ত উনার কথা বলতে গেলেই তারা বিভিন্ন চেতনার দোহাই দেয়।
অথচ ইসলামী শরীয়ত উনার কথা বলা প্ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে বহুজাতিক এগ্রো কর্পোরেশনের বীজ রাজনীতির নতুন সংযোজন জেনেটিক্যালী মডিফাইড (জিএম) ধান গোল্ডেন রাইস। গোল্ডেন রাইস প্রকল্পের সাথে জড়িত মূলত আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউ (ওজজও), বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট, ব্রি (ইজজও) এবং মার্কিন সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ভুট্টা অথবা ড্যাফোডিল ফুল থেকে নেয়া ‘ফাইটোন সিনথেজ’ জিন এবং মাটির এক ধরণের ব্যাকটেরিয়া থেকে নেয়া ‘ক্যারোটিন ডিস্যাচুরেজ’ জিন ধানের জিনোমে প্রবেশ করিয়ে এই গোল্ডেন রাইস প্রস্তুত করা হয়। এই দুইটি জিন ধানের এন্ডোস্পার্মে বিটা ক্যারোটিন (ভ বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর ভূ-রাজনীতি এবং যুদ্ধকৌশলের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে যেকোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্বিন্যাস করা একটি যুগের দাবি। বাংলাদেশের মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত একটি দেশের জন্য প্রথাগত সমরাস্ত্রের পাশাপাশি জনবলের সর্বোচ্চ শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই প্রেক্ষাপটে, দেশের সার্বিক প্রতিরক্ষা প্রাচীরকে সুদৃঢ় করতে একটি বিশাল জনসংখ্যাকে- ৫০ লক্ষাধিক সেনাবাহিনীকে সর্বাগ্রে-সংগঠিত করে একটি দক্ষ স্ট্র্যাটেজিক বাহিনী হিসেবে গড়ে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যারা খেলাধুলা দেখছে, সমর্থন করছে, টাকা পয়সা খরচ করছে সবই হারাম ও কবীরা গুণাহ হচ্ছে। শুধু তাই নয় সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী এ সকল মুসলমানদের হাশর নশরও কাফেরদের সাথেই হবে। নাউযুবিল্লাহ!
এখন প্রশ্ন হচ্ছে- কাফির মুশরিকদের যে সকল দেশগুলোকে মুসলমান নামধারীরা সমর্থন জানাচ্ছে, তাদেরকে মহব্বত করছে, খেলোয়াড়দের প্রশংসা করছে, তারা কি দ্বী বাকি অংশ পড়ুন...
আধুনিক ভূ-রাজনীতি এবং যেকোনো সম্ভাব্য জাতীয় নিরাপত্তার মহাবিপর্যয় মোকাবিলায় সামরিক প্রতিরক্ষার পরিধি কেবল সম্মুখ সমরাস্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কোনো দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান ভিত্তি হলো তার সামরিক বাহিনীর টেকসই লজিস্টিকস এবং ব্যাক-আপ সাপোর্ট। এই সাপোর্টের মধ্যে সবচেয়ে সংবেদনশীল ও অপরিহার্য অংশটি হলো চিকিৎসা সক্ষমতা। সাম্প্রতিক বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে যদি কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রকে ৫০ লক্ষাধিক সম্ভাব্য বিশাল রিজার্ভ বা নিয়মিত সেনাবহরের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হয়, তবে তার জন্য যে বিশাল পরিমাণ বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থনৈতিক ও লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনা: থ্রি-টায়ার মডেল:
৫০ লক্ষাধিক বাহিনীর জন্য এই স্তরের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে এককালীন বাজেট বরাদ্দ করা অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত জটিল। তাই লজিস্টিকস বিশেষজ্ঞরা একে একটি থ্রি-টায়ার সিস্টেমে বিন্যস্ত করার পরামর্শ দেন:
বাহিনীর স্তর বরাদ্দকৃত লজিস্টিকস আনুমানিক পরিমাণ অগ্রাধিকার
টায়ার-১ (এলিট ও ফ্রন্টলাইন স্ট্রাইকার্স) এক্সোস্কেলিটন, ৪র্থ প্রজন্মের এনভিজি, এআর ড্রোন হেলমেট, লেভেল ৫+ প্রটেকশন। ৫,০০,০০০ সৈন্য অবিলম্বে (১-২ বছর)
টায়ার-২ (নিয়মিত পদাতিক ও বর্ডার ফোর্স) লাইটওয়েট স্মার্ট স্ বাকি অংশ পড়ুন...












