খারগ দ্বীপকে ইরানের লাইফলাইন বলা হয় কেন?
, ২৫ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৫ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৫ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ৩০ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পাঁচ মিশালী
ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে ১০০টিরও বেশি দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দ্বীপ হলো-
কেশম ইরানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ, কিশ পর্যটন ও বাণিজ্যকেন্দ্র, খারগ প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র, আবু মুসা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এবং হরমুজ দ্বীপ হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত।
এসব দ্বীপের অনেকগুলোতেই সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো বা বাণিজ্যিক বন্দর রয়েছে। পারস্য উপসাগরে তেল পরিবহন ও সামরিক কৌশলের দিক থেকে এগুলোর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
খারগ দ্বীপ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
পারস্য উপসাগরে ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত খারগ দ্বীপ। আয়তনে ছোট হলেও এটি ইরানের জ্বালানি খাতের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
এই দ্বীপে রয়েছে-বিশাল তেল সংরক্ষণ ট্যাংক, একাধিক তেল লোডিং টার্মিনাল, বড় বড় তেলবাহী ট্যাংকারের জেটি ও পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন তেলক্ষেত্র থেকে আসা তেলের মজুত।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মোট তেল রপ্তানির ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে খারগ দ্বীপের টার্মিনাল থেকেই বিশ্ববাজারে পাঠানো হয়।
ইরানের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। ফলে খারগ দ্বীপ কার্যত দেশটির জ্বালানি অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু।
কেননা ইরানের তেল রপ্তানির বড় অংশ এখান থেকেই হয়, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় উৎস এটি এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও এখান থেকে তেল পাঠানোর ব্যবস্থা বজায় থাকে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি খারগ দ্বীপের কার্যক্রম দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে ইরানের তেল রপ্তানি বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে।
অতীতের যুদ্ধেও ছিলো প্রধান লক্ষ্য:
ইরান-ইরাক যুদ্ধ (১৯৮০-১৯৮৮) চলাকালে খারগ দ্বীপ ছিলো ইরাকি বাহিনীর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ওই সময় দ্বীপটির তেল স্থাপনায় বহুবার বিমান হামলা চালানো হয়।
তারপরও ইরান দ্রুত অবকাঠামো পুনর্গঠন করে তেল রপ্তানি চালু রাখে।
বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক যুদ্ধ আরও বাড়তে থাকলে খারগ দ্বীপ আবারও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারে।
আয়তনে ছোট হলেও খারগ দ্বীপ ইরানের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার কেন্দ্রবিন্দু। দেশটির তেল রপ্তানির বড় অংশ এখান থেকে হওয়ায় এটি কেবল একটি দ্বীপ নয়-বরং ইরানের অর্থনীতির প্রধান ধমনী হিসেবে বিবেচিত।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রায় ৮ বছর পর বুধ গ্রহে পৌঁছাতে শুরু করেছে মহাকাশ মিশন
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘সাদা সোনা’ কি সত্যিই সোনা, এর দাম এত বেশি কেন?
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কডিনি সুস্থ রাখতে করণীয়
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
গৃহসম্পদের উপযোগিতা বৃদ্ধির উপায়
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ওজন কতটুকু কমানো উচিত
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জবিতে নাইট্রোজেন সার ব্যবহারে ২২ শতাংশ সাশ্রয়ের সম্ভাবনাময় প্রযুক্তির উদ্ভাবন
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শুধু বরফই নয়, ঠান্ডায় পানি জমে যেভাবে কাচও হতে পারে
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পাখিরা কি উড়ে আনন্দ পায়-কাকাতুয়াদের নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণা
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
কোন ডিম বেশি পুষ্টিকর, বাদামি নাকি সাদা?
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
একটি ভেড়ার দাম কোটি টাকা!
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পৃথিবীর যে ছয় পবিত্র মসজিদে সবচেয়ে বেশী জনসমাগম হয়
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পাট শিল্পের স্বর্ণযুগ ফেরাতে দুই শিক্ষার্থীর অ্যাপ
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












