মুর্শিদ কিবলা উনার ছোহবত মুবারককে মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মনে করে উনার ছোহবত মুবারককেই নিজের জন্য লাজিম করে নিবে
এ প্রসঙ্গে সাইয়্যিদুল মুজাহিদীন, হযরত আবূ আলী দাক্কাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যে গাছগুলো নিজ থেকে জন্মে, যাকে আগাছা বলা হয়; যাতে কোনরূপ যত্মাদি করা হয় না, তাতে পত্র পল্লব হয় বটে কিন্তু সে গাছে ফল ধরে না। যদিও বা ধরে, সে ফল তেমন সুস্বাদু হয় না বরং তা হয় বিস্বাদ। ঠিক একইভাবে মুর্শিদ কিবলা বা কামিল শায়েখের পক্ষ থেকে যে সকল মুরীদগণ ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ লাভ করে না তেমন মুরীদগণ কস্মিনকালেও সফলতা লাভে সক্ষম হয় না।”
হ বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট থেকে প্রস্থান কালে উনাকে কখনও পিঠ প্রদর্শন করবে না। বরং ফিরে আসার সময় উনার দিকে মুখ রেখে পিছনের দিকে হেঁটে আসবে। অতঃপর দৃষ্টির আড়াল হলে স্বাভাবিকভাবে চলতে পারবে।
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, কুতুবুল আলম, খাযিনাতুর রহমাহ, হযরত আবু উছমান হারীরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “শাইখুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাহবুবে ইলাহী, হযরত আবু হাফ্স্ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার রাগ করে আমাকে উনার দরবার শরীফ হতে বের করে দিলেন এবং বললেন, “তুমি দ্বিতীয়বার আমার সামনে আসবে না।” আমি কিছুই বললাম না। তবে মনে মনে খুবই কষ্ট পেলাম। তারপরও ইচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে মুরীদ বা সালিকের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু আদব বর্ণনা করা হলো। বাকী আরো অনেক কিছু রয়েছে যা শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার মাঝে এসে শিখে নিতে হবে।
১১। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট কখনোই কারামত দেখতে চাইবে না।
১২। মুরীদের মনে কোনো সন্দেহের উদ্রেক হলে শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট আরয করবে। তিনি বুঝিয়ে দিলে যদি মন না বুঝে, তবে নিজেরই ত্রুটি মনে করবে। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি কোনো সন্দেহ পোষণ করবে না।
১৩। কোনো ঘটনা বা স্বপ্ন প্রকাশ বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
২৫। নামায-রোযা, ইবাদত-বন্দেগী, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি ছোট-বড় সকল বিষয়ে স্বীয় কামিল শায়েখ উনার অনুসরণ-অনুকরণ করবে। উনার কাজ দেখে “ফিক্বাহ”-এর মাসয়ালা শিক্ষা করবে।” (মাকতুবাতে ইমামে রব্বানী)
কামিল শায়েখ উনার পরিপূর্ণ অনুসরণ-অনুকরণ করার অর্থই হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক ও উনার সম্মানিত হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাকীকী অনুসরণ-অনুকরণ করা। সুতরাং যে সালিক বা মুরীদ স্বীয় কামিল শায়েখ উনার যে পরিমাণ অনুসরণ-অনুকরণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে মুরীদ বা সালিকের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু আদব বর্ণনা করা হলো। বাকী আরো অনেক কিছু রয়েছে যা শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার মাঝে এসে শিখে নিতে হবে।
১। সালিক বা মুরীদ সর্বদাই নিজ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে সর্বশ্রেষ্ঠ মনে করবে।
২। মনকে সকল দিক থেকে সরিয়ে শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দিকে নিয়োজিত রাখবে। যথাসম্ভব মাল ও জান দিয়ে উনার খিদমত করবে।
৩। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার হুকুম ছাড়া উনার সামনে ফরয ও সুন্নত ব্যতীত কোনো নফল আমল করবেনা, এমনকি যিকিরও না।
৪। ম বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে হযরত শায়েখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
پسر نوح بابداں بنشست+ خاندان نبوتش گم شد
سگ اصحاب کھف روزے چند+ پئے نیگاں گرفت مردم شد
অর্থ: হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার ছেলে কেনান, খারাপ লোকদের ছোহবতে থাকার কারণে নুবুওওয়াতী খান্দানের মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়ে জাহান্নামী হলো। আর আছহাবে কাহাফ উনাদের কুকুর নেককার লোক উনাদের ছোহবত মুবারক-এ থাকার কারণে মানুষের ছূরতে জান্নাতী হবে। সুবহানাল্লাহ! (গুলিস্তাঁ)
অর্থাৎ হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার ছেলে কেনান কাফিরদের ছোহ্বতে থাকার কারণে নুবুওওয়াতী খান্দান হারিয়ে বেঈমান হয়ে মারা গেলো। আর আছহাবে কাহাফ উ বাকি অংশ পড়ুন...












