মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنَّمَا حَرَّمَ رَبِّيَ الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَالإِثْمَ وَالْبَغْيَ بِغَيْرِ الْحَقِّ وَأَن تُشْرِكُواْ بِاللّهِ مَا لَمْ يُنَزِّلْ بِهِ سُلْطَانًا وَأَن تَقُولُواْ عَلَى اللّهِ مَا لاَ تَعْلَمُونَ
অর্থ: আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, আমার রব তায়ালা তিনি সমস্ত প্রকার অশ্লীল বিষয়সমূহ হারাম করেছেন সেটা প্রকাশ্য হোক এবং অপ্রকাশ্য হোক। আর হারাম করেছেন সমস্ত গুনাহের কাজ, অন্যায়-অত্যাচার। মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে এমন বস্তুকে শরীক করা, তিনি যার কোন সনদ বা দলীল নাযিল করেননি। আর মহান আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই, যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাশরীফ মুবারক এনেছেন তাই উনাকে ব্যতীত অন্য কারো পথ, তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ করা যাবে না। যদি কেউ করে তাহলে প্রকাশ্য গোমরাহে সে গোমরাহ্ তো হবে-ই এবং তার ভয়াবহ পরিণতিও হবে। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا
অর্থ: “হযরত আমর ইবনে শুয়াইব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, নিশ্চয়ই বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের চার জনকে তারা বাদ দিয়ে বলে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! যে, উনাদের পরে কাউকে গ্রহণ করা জায়িয নেই। নাউযুবিল্লাহ! আসলে এখানে শর্ত দেয়া হয়েছে। এই শর্তটা না বুঝার কারণে তারা চু-চেরা, কীল-কাল করে নিজেরা গোমরাহ হচ্ছে এবং মানুষদেরকে গোমরাহ করতেছে। অর্থাৎ এখানে বলা হচ্ছে, আগেই এ শর্তগুলো বলে দেয়া হয়েছে, যে সমস্ত মহিলা উনারা মু’মিনাহ এবং যারা হিজরত মুবারক করেছেন এই ধরনের মহিলা ছাড়া আর কাউকে আর আপনি গ্রহণ করবেন না, এটা আপনার শান-মানের খিলাফ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- إذَا رَأَيْتُمُ الَّذِيْنَ يَسُبُّوْنَ أصْحَابِىْ فَقُوْلُوْا لَعْنَةُ اللهِ عَلَى شَرِّكُمْ. অর্থ: যখন তোমরা কাউকে আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালি দিতে দেখবে, তখন তোমরা বলো, এ নিকৃষ্ট কাজের জন্য তোমাদের প্রতি আল্লাহ পাক উনার লা’নত বর্ষিত হোক। (তিরমিযী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
ছলাত বা নামাযের ফযীলত ও গুরুত্ব :
পবিত্র ছলাত বা নামায সম্মানিত দ্বীন ইসলামের পাঁচটি মূলভিত্তি বা রুকন উনাদের দ্বিতীয় রুকন। অর্থাৎ পবিত্র ঈমান উনার পরেই পবিত্র নামাযের স্থান। সুবহানাল্লাহ! প্রত্যেক বালেগ-বালেগা ও আকেল-আকেলা, পুরুষ ও মহিলার উপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া ফরযে আইন। এ ফরযকে যে অস্বীকার করবে সে কাফির হবে। আর যে তরক করবে সে চরম ফাসিক হবে। এমনকি বিনা ওজরে তা ক্বাযা করলেও কঠিন গুনাহগার হবে। নাউযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফের মধ্য ৮২ স্থানে এই নির্দেশ মুবারক প্রদান করেন যে-
اَقِيْمُوا الصَّلٰوة বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلْعَيْنَانِ زِنَاهُمَا النَّظَرُ، وَالأُذُنَانِ زِنَاهُمَا الاسْتِمَاعُ، وَاللِّسَانُ زِناهُ الكَلاَمُ، وَاليَدُ زِنَاهَا البَطْشُ، وَالرِّجْلُ زِنَاهَا الخُطَا، والقَلْبُ يَهْوَى وَيَتَمَنَّى، وَيُصَدِّقُ ذَلِكَ الفَرْجُ أَوْ يُكَذِّبُهُ
অর্থ: হযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “চোখের ব্যভিচার হলো দৃষ্টি করা, কানের ব্যভিচার হলো শ্রবণ করা, মুখের ব্যভিচার হল বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেভাবে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে রাখেন ঠিক সেভাবে উনারা সন্তুষ্ট আছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তা’খীরের পবিত্র আয়াত শরীফ উনার পরে বলা হয়েছে। উনারাতো আগেই বলেছেন যে, উনাদের কোন চাহিদা নেই। আপনি উনাদেরকে যেভাবে রাখবেন, সেভাবে উনারা সন্তুষ্ট মুবারক থাকবেন। তাহলে উনাদের শান-মান নিয়ে মানুষ কিভাবে চু-চেরা, কীল-কাল করে। নাউযুবিল্লাহ!
এরপর যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ক বাকি অংশ পড়ুন...
১। যা খেয়ে সে হজম করে ফেলেছে।
২। যা পরিধান করে সে পুরাতন করে ফেলেছে।
৩। যা দান করে পরকালের জন্য সে জমা করেছে।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُوْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ حَدَّثَتْهُ اَنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَـمْ يَكُنْ يَتْرُكُ فِىْ بَيْتِهِ شَيْئَا فِيْهِ تَصَالِيْبُ اِلَّا نَقَضَهُ
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বীয় পবিত্র হুজরা শরীফ-এ (প্রাণীর) ছবিযুক্ত কোনো জিনিসই রাখতেন না। দেখলেই ভেঙ্গে চূর্ণ করে দিতেন। (বুখারী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বার বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে, আপনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে বলুন, কি বলবেন? মানুষ বলে যে আপনারা নাকি দুনিয়া তালাশ করেন। নাউযুবিল্লাহ!
তাহলে-
إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا
যদি দুনিয়া চান, দুনিয়ার সৌন্দর্য চান তাহলে ঠিক আছে বলুন, কোন অসুবিধা নেই। আপনারা যা বলেন, যা চান, সব আপনাদেরকে দিয়ে আপনারা যেখানে যেতে চান আপনাদেরকে সেখানে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিব। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজ থেকে বললেন, এটা প্রমাণ করলেন যে উনাদের শান-মান কত বড়।
فَتَعَالَيْنَ
আপনার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
كُلُّ مَالٍ نَحَلْتُهُ عَبْدًا حَلاَلٌ وَإِنِّى خَلَقْتُ عِبَادِى حُنَفَاءَ كُلَّهُمْ وَإِنَّهُمْ أَتَتْهُمُ الشَّيَاطِينُ فَاجْتَالَتْهُمْ عَن دِينِهِمْ وَحَرَّمَتْ عَلَيْهِمْ مَا أَحْلَلْتُ لَهُمْ وَأَمَرَتْهُمْ أَنْ يُشْرِكُوا بِى مَا لَمْ أُنْزِلْ بِهِ سُلْطَانًا
অর্থ: প্রত্যেক সেই সম্পদ যা আমি কোন বান্দাকে দান করেছি, তা তার জন্য হালাল। (সে নিজে তা হারাম করতে পারে না।) নিশ্চয়ই আমি আমার সকল বান্দাদেরকে একনিষ্ঠরূপে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদের নিকট শয়তানরা এসে তাদেরকে তাদের দ্বীন হতে পথভ্রষ্ট করেছে। তাদের জন্য তা হারাম করেছে, যা আমি তা বাকি অংশ পড়ুন...












