গরুর গোস্ত নিয়ে তথাকথিত চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের
ভ্রান্ত বক্তব্য ও তার খ-ন
শুরুতেই বলা বাহুল্য যে, আমরা জানি- পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু কেউ যদি অতিরিক্ত পরিমাণে পানি পান করে, তবে তার শারীরিক সমস্যা দেখা দিবে। একইভাবে লবণ হলো শিফাযুক্ত সুন্নতী খাবার, যা ছাড়া সকল খাবার-ই স্বাদহীন; কিন্তু এই লবণও যদি কেউ অধিক পরিমাণে খায় তবে তার রক্ত পানি হওয়ার উপক্রম হবে। সে রকমভাবেই, গরুর গোস্ত স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে তো একটু-আধটু অসুবিধা হবে। তার মানে এই নয় যে, গরুর গোস্তের মধ্যেই রোগ রয়েছে। অর্থাৎ চিকিৎসকরা যেটা বলে থাকে তা হয় তাদ বাকি অংশ পড়ুন...
শায়েখ গ্রহণ করা ফরজ এটা মনে রাখবেন। কারণ ওস্তাদ ছাড়া আপনি কি করে শিক্ষা করবেন? বিনা ওস্তাদে কোনদিন শিক্ষা করা যায় না।
আপনি একটা সাধারণ জিনিসই ধরেন, যে কোন একটা মাইক যদি কেউ পরিচালনা করতে চায়, তাকেও শিখে নিতে হবে একজন লোকের কাছে। যে কোন জিনিস আপনি বলেন, দুনিয়ার যে কোন একটা জিনিস শিখতে চান, সেটা আপনাকে একজন ওস্তাদের কাছে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। বিনা ওস্তাদে আপনি শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবেন না।
কাজেই ইলমে ফিকাহর জন্য হাজার হাজার মাদরাসা আছে, হাজার হাজার মক্তব আছে সেখানে আপনি ইলমে ফিকাহ শিক্ষা করবেন। হাজার হাজার ওস্তাদ রয়ে গেছে। তো ই বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوْا بِمَا جَاءَكُمْ مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُوْنَ الرَّسُوْلَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَنْ تُؤْمِنُوْا بِاللهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِيْ سَبِيْلِيْ وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِيْ ۚ تُسِرُّوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيْلِ.
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি মুহব্বত ঢেলে দাও অর্থাৎ তোমরা ত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার জলিলুল কদর ও সম্মানিত রসূল হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম। মহান আল্লাহ পাক উনাকে সারা দুনিয়ার কর্তৃত্ব (শাসন ক্ষমতা) দিয়েছেন। তিনি সকল মাখলুকাতের ভাষা জানতেন। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার প্রধান ও সভাসদগণের বিশেষ ব্যক্তিত্বের নাম মুবারক ছিল আসিফ বিন বারখিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি। যিনি সিদ্দীক তবকার ওলী আল্লাহ ছিলেন। উনার দ্বারা যে কারামত মুবারক প্রকাশ পেয়েছে তা মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে বর্ণনা করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وقَالَ الَّذِي عِندَهُ عِلْمٌ مِّنَ الْكِتَابِ أَنَا বাকি অংশ পড়ুন...
অমুসলিমদের গির্জা, মন্দির ইত্যাদি পাহারা দেয়া মুসলমানদের জন্য নিষেধ ও ঈমান নষ্ট হওয়ার কারণ :
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে নেকী ও পরহেজগারীর কাজে সহযোগিতা করার কথা বলা হয়েছে এবং গুনাহ ও শত্রুতার কাজে সহযোগিতা করতে নিষেধ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
تَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
অর্থ: তোমরা পরস্পর নেকী ও তাক্বওয়ার কাজে সাহায্য, সহযোগিতা করো। আর গুনাহ ও শত্রুতার কাজে সহযোগিতা করো না। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, তিনি কঠিন শাস্তিদাতা। ( বাকি অংশ পড়ুন...
উনি প্রথম বাইয়াত হয়েছিলেন আহলে বাইতে রসূল হযরত ইমাম বাকের আলাইহিস সালাম উনার কাছে। হযরত ইমাম বাকের আলাইহিস সালাম উনার কাছ থেকে তিনি ইলমে তাছাওউফ অর্জন করেন। এবং উনার বিছালী শান মুবারকের (ইন্তিকালের) পর উনার ছেলে ইমামুল সাদিস মিন আহলে বাইতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ইমাম জা’ফর ছাদিক আলাইহিস সালাম উনার কাছে হযরত ইমাম আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি ইলমে তাছাওউফ শিক্ষা করেন।
কারণ তাকওয়া হাছিল করতে হলে ইলমে তাছাওউফ হাছিল করতে হলে ওস্তাদ ছাড়া, শায়েখ ছাড়া আপনার পক্ষে তাকওয়া অর্জন করা কখনও সম্ভব হবে না। ক বাকি অংশ পড়ুন...
দু‘আ বা মুনাজাত উনার সম্মানিত আদব:
১. দু‘আ বা মুনাজাতকারীর পানাহার, লিবাস-পোশাক হারাম ও অবৈধ উপার্জন থেকে মুক্ত থাকতে হবে। তার উপার্জনের মধ্যে কোন প্রকার হারাম মিশ্রিত হতে পারবে না। অর্থাৎ তার সকল রিযিক হালাল পন্থায় উপার্জিত হতে হবে। কেননা, হারাম ভক্ষণকারীর দু‘আ ও ইবাদত মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করেন না।
২. অত্যন্ত ইখলাস ও খুলূছিয়তের সাথে দু‘আ করতে হবে।
৩. দু‘আ করার সময় মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে খালিছভাবে রুজু থাকতে হবে। রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে দু‘আ করা যাবে না।
৪. দু‘আ করার পূর্বে কোন নেক কাজ করা উত্তম। অর্থাৎ পবিত্র মীল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ وفى رواية لَيْسَ وَرَاءَ ذَلِكَ مِنَ الْإِيمَانِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ
অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় বা হারাম কাজ সংঘটিত হতে দেখে সে যেনো তা হাত দ্বারা বাধা দেয়। যদি সে তা হাত দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে সে যেনো যবান দ্বারা বাধা দেয়। যদি যবানের দ্বারাও বাধা দিতে না পারে তাহলে যেনো অন্তরে তা ঘৃণা করে উক্ত অন্যায় বা হা বাকি অংশ পড়ুন...
মূল কথা হলো- বাতিল ফিরক্বা লা মাযহাবী বা তথাকথিত সালাফীদের আক্বীদা হলো- মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষের মতই ছূরত বা আকার-আকৃতি ও অঙ্গ প্রত্যঙ্গের অধিকারী। নাউযুবিল্লাহ! পক্ষান্তরে প্রকৃত সালাফী বা চার মাযহাব অর্থাৎ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা হলো- মহান আল্লাহ পাক তিনি ১০টি বিষয় থেকে পবিত্র। এ সম্পর্কে আক্বাইদের কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
اَللهُ مُنَـزَّهٌ عَنْ جِسْمٍ وَجَوْهَرٍ وَعَرْضٍ وَتَصْوِيْرٍ وَتَـعْدِيْدٍ وَتَـبْعِيْضٍ وَتَجْزِئٍ وَتَـرْكِيْبٍ وَتَـنَاهِيٍّ وَتَحْدِيْدٍ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি জিসিম বা শরীর বা নির্ভরশীলতা থেকে, চওড়া বা প্রশস্ত হওয়া বাকি অংশ পড়ুন...












