মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلاَ تَقُولُواْ لِمَا تَصِفُ أَلْسِنَتُكُمُ الْكَذِبَ هَـذَا حَلاَلٌ وَهَـذَا حَرَامٌ لِّتَفْتَرُواْ عَلَى اللّهِ الْكَذِبَ إِنَّ الَّذِينَ يَفْتَرُونَ عَلَى اللّهِ الْكَذِبَ لاَ يُفْلِحُونَ
অর্থ: তোমাদের মুখ থেকে সাধারণত যেসব মিথ্যা বের হয়ে আসে। তেমনিভাবে তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে বলো না যে, এটা হালাল এবং ওটা হারাম। নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনার বিরুদ্ধে মিথ্যা আরোপ করে, তারা কখনোই কামিয়াবী হাছিল করতে পারবে না। নাঊযুবিল্লাহ! (সূরা নাহল শরীফ: আয়াত শরীফ ১১৬)
মূলত যারা হালালকে হারাম আর হারামকে হালাল করবে তা বাকি অংশ পড়ুন...
নাম মুবারক স্মরণের মাধ্যমে রোগ মুক্তি
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নাম মুবারক এবং উনার পবিত্র নূরুল মাগফিরাহ মুবারক অর্থাৎ পবিত্র হাত মুবারক উনার শিফা মুবারকের পবিত্র ই’জায শরীফ ইসলামী ইতিহাসে অত্যন্ত মহামূল্যবান। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের জীবনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপস্থিতি কেবলমাত্র আত্মিক উজ্জীবনই নয়, শারীরিক আরোগ্যের মাধ্যমও ছিলো।
এ প্রসঙ্গে একটি বিস্ময়কর পবিত্র ই’জায শরীফ উনার ব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلِلَّهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُولِهِ وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَلَـٰكِنَّ الْمُنَافِقِينَ لَا يَعْلَمُونَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ইজ্জত-সম্মান মুবারক, আর মু’মিনদের জন্যও। কিন্তু মুনাফিকরা তা জানে না। (পবিত্র সূরা মুনাফিকুন : আয়াত শরীফ ৮)
বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করতেছেন-
خَالِصَةً لَّكَ مِنْ دُونِ الْمُؤْمِنِينَ
এটা আপনার জন্য খাছ করা হয়েছে, অন্য কারো জন্য না। এটা আপনার জন্য খাছ। এটা আপনার শান-মান, মর্যাদা। আর অন্য কারো জন্য নয়। এখানে বলা হচ্ছে, প্রত্যেক পুরুষ মু’মিনকে বিয়ে করতে হলে তাকে মহর দিতে হবে, সাক্ষী থাকতে হবে, ওলী থাকতে হবে ইত্যাদি। এছাড়া সে বিয়ে করতে পারবে না। কিন্তু মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে কোনটাই প্রয়োজন নেই। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَكِنَّ اللَّهَ حَبَّبَ إِلَيْكُمُ الْإِيمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِكُمْ وَكَرَّهَ إِلَيْكُمُ الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ أُولَئِكَ هُمُ الرَّاشِدُونَ
অর্থ: কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের অন্তর মুবারকে সম্মানিত ঈমান উনার মুহব্বত মুবারক সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং আপনাদের অন্তর মুবারকসমূহ সম্মানিত ঈমান উনার দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফরী, শিরকী, নাফরমানী ইত্যাদির প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) উনারাই সঠিক পথপ্রাপ্ত। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হু বাকি অংশ পড়ুন...
উস্তাদের প্রতি আস্থা:
হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হুসনুল মুহাদ্বারাহ গ্রন্থে নিজ উস্তাদের একটি ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, আল্লামা তকীউদ্দীন শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি শেফা শরীফ গ্রন্থের পাদটীকায় মি’রাজের ঘটনা প্রসঙ্গে হযরত আবুল জামরা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত একটি হাদীছের উৎস সুনানে ইবনু মাজাহ-তে উল্লেখ করেছেন। আমি বারংবার সুনানে ইবনু মাজাহ অনুসন্ধান করেছি কিন্তু এ হাদীছটি আমি সুনানে ইবনু মাজাহ শরীফে পেলাম না। পরবর্তীতে মু’জামুস ছাহাবা লি ইবনু কানে’ঈ শরীফ অনুসন্ধান করে এ হাদীছ শরীফটি পেয়ে গে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ ۖ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য হারাম করেছেন, মৃত প্রাণী, (মাছ ব্যাতীত) রক্ত, শুকরের গোস্ত এবং সেসব প্রাণী মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যাতীত অন্য কারো নামে যবেহ করা হয়। অবশ্য যে ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে পড়ে (মা’যূর হয়ে যায়) এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন গুনাহ নেই। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু।” সুবহানা বাকি অংশ পড়ুন...
আর মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব মাহবুব নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খুছূছিয়ত এবং তিনিই যে একমাত্র অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় সে সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ أَخَذَ اللهُ مِيْـثَاقَ النَّبِيِّينَ لَمَا آتَـيْـتُكُم مِّنْ كِتَابٍ وَحِكْمَةٍ ثُمَّ جَاءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ لِّمَا مَعَكُمْ لَتُـؤْمِنُنَّ بِهِ وَلَتَـنْصُرُنَّهٗ ۚ قَالَ أَأَقْـرَرْتُمْ وَأَخَذْتُمْ عَلٰى ذٰلِكُمْ إِصْرِي ۖ قَالُوا أَقْـرَرْنَا ۚ قَالَ فَاشْهَدُوْا وَأَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشَّاهِدِيْنَ
অর্থ: “যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে এই মর্মে ওয়াদা গ্রহণ করলেন যে, আমি আপনাদের বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَبَنَاتِ عَمِّكَ وَبَنَاتِ عَمَّاتِكَ
চাচাতো ফুফাতো বোন যারা রয়েছেন আপনার
وَبَنَاتِ خَالِكَ وَبَنَاتِ خَالاتِكَ
মামাতো খালাতো বোন যারা রয়েছেন
اللاَّتِي هَاجَرْنَ مَعَكَ
উনাদের মধ্যে যারা হিজরত মুবারক করেছেন শুধু উনাদেরকে আপনি গ্রহণ করুন।’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখানে একটা শর্ত দিয়েছেন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি, যেহেতু মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি,
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
‘উনার আলোচনা মুবারক অনেক সম্মানিত, বুলন্দ।’ এতো বুলন্দ মু বাকি অংশ পড়ুন...












