হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ تَعَلَّمَ مَسْأَلَةً وَاحِدَةً قَلَّدَهُ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَلَادَةً مِّنْ نُّوْرِ، وَغَفَرَلَهٗ أَلْفَ ذَنْبٍ، وَبَنٰى لَهٗ مَدِيْنَةً مِّنْ ذَهَبٍ، وَكَتَبَ لَهٗ بِكُلِّ شَعْرَةٍ عَلٰى جَسَدِهٖ ثَوَابَ حَجَّةٍ وَّعُمْرَةٍ ـ
অর্থ: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি একটি মাসয়ালা শিক্ষা করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি কিয়ামতের দিন নূরের অনেকগুলো মালা তার গলায় পরিয়ে দিবেন, তার এক হাজার গুনাহখতা ক্ষমা করবেন, তার জন্য স্বর্ণ দ্বারা একটি শহর তৈরী করে দি বাকি অংশ পড়ুন...
যখন সাত বছর পুরা হয়ে গেলো, তখন ওই মেয়েটা বললো, এখনতো আমার যা টাকা-পয়সা ছিলো; সবশেষ হয়ে গেছে। তাহলে আপনি একটা কামাই-রোজগারের ব্যবস্থা করেন। এখন সুলতান কি কামাই-রোজগার করবে; সেতো কোন কাজ জানে না। সুলতান মনে মনে চিন্তা করলো; ওই যে কামারগুলি তাকে যে বুদ্ধি দিয়েছিলো; তাদের কাছে গেলে যদি একটা ব্যবস্থা হয়। এই চিন্তা করে সুলতান সেখানে গেলো; গিয়ে তাদের সাথে কথা-বার্তা বললো; আমার কিছু কামাই-রোজগার করা দরকার।
কামাররা জিজ্ঞেস করলো, আপনি কোন কাজ জানেন? সুলতান বললো, না আমি কোন কাজ জানি না। তখন তারা পরামর্শ দিলো, যে আপনি একটা টুকরি কিনেন। টুকরি কিনে বাকি অংশ পড়ুন...
যখন সাত বছর পুরা হয়ে গেলো, তখন ওই মেয়েটা বললো, এখনতো আমার যা টাকা-পয়সা ছিলো; সবশেষ হয়ে গেছে। তাহলে আপনি একটা কামাই-রোজগারের ব্যবস্থা করেন। এখন সুলতান কি কামাই-রোজগার করবে; সেতো কোন কাজ জানে না। সুলতান মনে মনে চিন্তা করলো; ওই যে কামারগুলি তাকে যে বুদ্ধি দিয়েছিলো; তাদের কাছে গেলে যদি একটা ব্যবস্থা হয়। এই চিন্তা করে সুলতান সেখানে গেলো; গিয়ে তাদের সাথে কথা-বার্তা বললো; আমার কিছু কামাই-রোজগার করা দরকার।
কামাররা জিজ্ঞেস করলো, আপনি কোন কাজ জানেন? সুলতান বললো, না আমি কোন কাজ জানি না। তখন তারা পরামর্শ দিলো, যে আপনি একটা টুকরি কিনেন। টুকরি কিনে বাকি অংশ পড়ুন...
সংক্ষিপ্ত তাফসীর মুবারক:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
والله على كل شيئ قدير
অর্থ: “যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সবচাইতে শক্তিশালী।” সুবহানাল্লাহ!
عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَى
শিক্ষা দিলেন কে? যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক শক্তিশালী তিনি। সুবহানাল্লাহ!
আবার বললেন,
ذُو مِرَّةٍ فَاسْتَوَى
তিনি অত্যন্ত শক্তিশালী। সুবহানাল্লাহ! তিনি অপেক্ষমান ছিলেন।
اِسْتَوَى (ইস্তিাওয়া) এই সম্মানিত শব্দ মুবারক অর্থ কি? ইমামে আ’যম আবূ হানীফাহ রহমতুল্লাহ আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো اِسْتَوَى (ইস্তাওয়া) শব্দ মুবারক উনার অর্থটা কি? তিনি সব অর্থই বললে বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে দেখা যাচ্ছে উনারাও সৃষ্টির একক। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা, মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরে উনারাও সমস্ত সৃষ্টির মাঝে একক, অনন্যা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর সেজন্য যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
وَاذْكُرْنَ مَا يُتْلٰى فِي بُيُوتِكُنَّ مِنْ آيَاتِ اللهِ وَالْحِكْمَةِ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজ থেকে উনাদেরকে খিলাফত মুবারক হাদিয়া করলেন, যেমন ইলমে তাছাওউফের সিলসিলায় খিলাফত দেয়া হয়। একজন কামিল শায়েখ, একজ বাকি অংশ পড়ুন...
(এক) গইরুল্লাহ থেকে বের হওয়ার তাওফীক্ব দিবেন।
(দুই) তাওয়াক্কুল করার তাওফীক্ব দান করবেন।
(তিন) বেহিসাব রিযিক প্রদান করবেন।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
رَضِىَ اللهُ عَنْهُمْ وَرَضُوْا عَنْهُ.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০০)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রাতে পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন। অতঃপর মুবারক আনুষ্ঠানিক দীদার দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَكَانَ قَابَ قَوْسَیْنِ اَوْ اَدْنَ.
অর্থ: “ধনুকের দুই মাথার যতটুকু ব্যবধান এই পরিমাণ অথবা এর চেয়েও আরো অধিক নিকটবর্তী হলেন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-০৯)
মূলত এটিই হচ্ছে পব বাকি অংশ পড়ুন...
আর যেহেতু তিনি গ্রহণ করবেন, এর অর্থ কি? তিনি কি নিজ থেকে গ্রহণ করবেন? নাউযুবিল্লাহ!
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوٰى، إِنْ هُوَ إِلاَّ وَحْيٌ يُّوحٰى
মহাসম্মানিত ওহী মুবারক ছাড়া তিনিতো নিজ থেকে কোন কথা মুবারক বলেন না, কোন কাজ মুবারক করেন না এবং কোন সম্মতি মুবারক প্রকাশ করেন না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাহলে ফযীলত মুবারক কতটুকু।
কাজেই উনাদের সম্মানার্থে মু’মিনদের জন্য ফরয করে দিয়েছেন যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটা ক বাকি অংশ পড়ুন...












