৪৬নং সম্মানতি ও পবিত্র হাদীছ শরীফ
عن حضرت عبد الرحمن بن عوف رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُول اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ "فضل العالم على العابد سبعون درجة ما بين كل درجة كما بين السماء والأرض
অর্থ : “হযরত আব্দুর রহ্মান ইবনে আউফ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আলিম এবং আবিদ-এর ফযীলতের মধ্যে প্রার্থক্য হলো সত্তুরটি দরজা। আর এক দরজা থেকে আরেক দরজার দূরত্ব হলো আসমান থেকে যমীনের দূরত্বের সমান বাকি অংশ পড়ুন...
সবক্ব নং ২৯ : নূন সাকিন বা তান্উয়ীনে ইদ্গাম উনার ব্যবহার
ইদ্গাম উনার হুরূফ ৬টি। যথা- ى - ر - م - ل - و - ن
ইদ্গাম উনার ছয় হুরূফ হতে কোন একটি হরফ যদি নূন সাকিন বা তানউয়ীন উনার বামে হয়, তাশ্দীদ থাক আর না থাক, তাশ্দীদ ধরে পড়তে হয়।
ى - و - م - ن গুন্নাহ সহ পড়তে হয়। ر এবং ل হরফ গুন্নাহ ছাড়া পড়তে হয়।
مِنْ يَّوْمٍ، مِنْ وَّلَدٍ، مِنْ مَّسَدٍ، مِنْ نَّذِيْرٍ، يَكُنْ لَّهٗ، مِنْ رَّبِّـهِمْ، مِنْ يَّشَاءُ، شَرًّايَّرَهٗ، مِنْ يَّعْمَلْ، يَوْمَئِذٍ يَّصْدُرُ النَّاسُ، لَنْ يَّقْدِرَ، لِـمَنْ نَّزِيْدَ، لَنْ نَّدْخُلَهَا، مِنْ نُّطْفَةٍ، اَنْ نَّشَاءُ، عَمَدٍ مُّـمَدَّدَةٍ، كَعَصْفٍ مَّاكُوْلٍ، بِـحِجَارَةٍ مِّنْ سِجِّيْلٍ، نَذِيْرٌ مُّبِيْنٌ، وَعَادًا وَّث বাকি অংশ পড়ুন...
কামালিয়াত সম্পন্ন আমল মুবারক করেছেন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা। পরবর্তীতে হযরত তাবিয়ীনে কিরাম, ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম উনারাই করেছেন এবং জারী রেখেছেন।
এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللَّهُ وَرَسُولُهُ أَحَقُّ أَنْ يُرْضُوهُ إِنْ كَانُوا مُؤْمِنِينَ
অর্থ: যদি তারা মু’মিন হয়ে থাকে তাহলে তাদের কর্তব্য হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার রসূল নূরে মুজাসাসম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সন্তুষ্ট করা। কেননা উনারাই সন্তুষ্টি মুবারক পাওয়ার সর্বাধিক হক্বদার।
ক বাকি অংশ পড়ুন...
শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার খিদমত মুবারকের আঞ্জাম
মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মা’রিফাত-মুহব্বত, সন্তুষ্টি, রেযামন্দি, তায়াল্লুক-নিছবত হাছিলের জন্য শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার খাছ ফায়িয-তাওয়াজ্জুহ দরকার। উনার অন্তর নিংড়ানো দোয়া আবশ্যক। যেদিন সেই অন্তর নিংড়ানো খাছ দোয়া পাবে। ফায়িয-তাওয়াজ্জুহ লাভ হবে সেদিনই মা’রিফাত, মুহব্বত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি, তায়াল্লুক নিছবতের দ্বার খুলে যাবে।
আর সেই খাছ-ফায়িয-তাওয়াজ্জুহ ও আন্তরিক দোয়া শায়েখ বা মুর বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি মুবারক:
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল হাদিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নাম মুবারক হচ্ছেন হযরত উম্মে হাবীবা বিনতে আবি সুফিয়ান আলাইহাস সালাম। তিনি কুরাইশ গোত্রের উমাইয়া শাখার অন্তর্ভূক্ত। হযরত হাবীবাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার মেয়ের নাম, সেজন্য হযরত উম্মে হাবীবা আলাইহাস সালাম এই কুনিয়াত মুবারকেই তিনি প্রসিদ্ধ হয়েছেন। উনার প্রকৃত নাম মুবারক ছিল হযরত রামলা আলাইহাস সালাম। উনার পিতা হযরত আবু সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। তিনি দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পূর্বে কুর বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব (১ম অংশ):
মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষকে সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُوْنِ
আমি জিন ও ইনসানকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমার ইবাদত করার জন্য।
ইবাদত কামালিয়াত ও আমালিয়াত হিসেবে দুই প্রকার। প্রথমত: কামালিয়াত, দ্বিতীয়ত: আমালিয়াত।
কামালিয়াত:
দুনিয়াবী ও উখরবী কোনরূপ ফায়দা হাছিল ব্যতীত একমাত্র যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার শ্রেষ্ঠতম রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্ট বাকি অংশ পড়ুন...
সাধারনতঃ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ এবং উনাদের আলোকে পবিত্র ইজমা শরীফ এবং পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ সংক্রান্ত ইলিম অর্জনকারী ও আমলকারী ব্যক্তিকে আলিম বলা হয়। কিন্তু অত্যন্ত আফসুসের বিষয় যে, উক্ত আলিম নামধারী ব্যক্তিরা পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার অর্থ ও মর্ম উপলব্ধি করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
উম্মুল কুরআন এবং ফাতিহাতুল কিতাব পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দা- নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ ও ছলেহ উনাদের প্রদর্শিত বা অনুসৃত পথে চলার জন্য ব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
অর্থ: তোমরা খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ ও অনুকরণ করো; অবশ্যই তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হবে। (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩২)
অর্থাৎ উম্মত হিসেবে মাথার তালু থেকে পায়ের তলা এবং হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ ও অনুকরণের মধ্যেই রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত। এর লক্ষ-কোটি ব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
“যে ব্যক্তি খুশির সাথে পবিত্র ঈদে মীলাদে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন করে রৌপ্যের অথবা স্বর্ণের দিরহামসমূহের উপর ফুঁক দেয়, অতঃপর তা অন্য জাতীয় মুদ্রার সাথে মিশায় তাহলে তাতে অবশ্যই বরকত হবে এবং এর পাঠক কখনই ফকীর হবে না। আর উক্ত পাঠকের হাত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতে কখনো খালি হবে না। ” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’য়ামাতুল কুবরা)
খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পা বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
অর্থাৎ মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যে শান মুবারক, এমন সম্মানিত নৈকট্য মুবারক, এমন সম্মানিত নিছবত মুবারক, সম্মানিত কুরবত মুবারক দায়িমী ২৪ ঘন্টা। এর মধ্যে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম বা অন্যকোন যেই হোক না কেন, কারো কোন প্রবেশ করার সুযোগ নেই। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সুবহানা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! তাহলে উনাদের সম্মানিত শান-মান কতটুকু, ফযীলত মুবারক মানুষ কি ব্যাখ্যা করবে? উনাদের সম্পর্ বাকি অংশ পড়ুন...












