হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক সম্পর্কে ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ (৩৪৮তম পর্ব)
, ০৮ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৫ খ্বমীছ ১৩৯১ শামসী সন , ২৪ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রি:, ০৮ কার্তিক, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
আর সেই অংশ মুবারকের হক্বদার হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাও। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে বিষয়টা ফিকির করতে হবে। উনাদের খুছূছীয়াত মুবারক, বৈশিষ্ট্য মুবারক, ফযীলত- সম্মান মুবারক ফিকির করতে হবে। এটা কিন্তু কঠিন বিষয়, আমি অনেকবার বলেছি। অনেক দিন বলেছি, আমরা বলতেই থাকবো অনন্তকাল ধরে। উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক যাতে মানুষ বুঝতে পারে। এখানে কিন্তু বিন্দু থেকে বিন্দুমাত্র চূ-চেরা কিল ও কাল করলে তার ঈমানটা নষ্ট হয়ে যাবে। কঠিন বিষয়, সুক্ষ্ম বিষয়। কাজেই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক উম্মতের জন্য হিফয করা, আয়ত্ব করা, মুখস্থ, ঠোঁটস্থ, কন্ঠস্থ করা সম্পর্কে আমরা বলে থাকি এটা ফরযে আইন। এবং উনাদের সম্পর্কে যে যতকিছু বলুক বা লিখুক যদি উনাদের শান মুবারকের খিলাফ হয় তাহলে কখনও এটা গ্রহণযোগ্য হবে না। কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভূক্ত হবে। তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে। এই শাস্তি কিন্তু মানুষ রদ করতে পারবে না। একটা লোক কুফরী করলো উনাদের শান মুবারকে সে মাফ চাইলো, এটা মানুষের কোন ক্ষমতা নাই মাফ করার। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা যদি ক্ষমা করেন তাহলে ক্ষমা। অন্যথায় ক্ষমার কোন ব্যবস্থা নেই। জ্বীন-ইনসান ক্ষমা করতে পারবে না। যদি কেউ ক্ষমা করে সেও জাহান্নামী হবে। নাউযুবিল্লাহ! এখানে কোন সুযোগ নেই। তাহলে বিষয়টা ফিকির করতে হবে, উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক কতটুকু? উনাদেরকে সমস্ত মাক্বামের মালিক করে দেয়া হয়েছে এবং সমস্ত কিছুর উনারা মালিক। এবং মহামসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শান-মান মুবারক উনারাইতো বর্ণনা মুবারক করেছেন, ফযীলত মুবারক বর্ণনা করেছেন, খুছূছীয়াত মুবারক বর্ণনা করেছেন এবং উনাদের বর্ণনা মুবারক ক্বিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে। উনাদের মাধ্যমে এসেছেন।
সংকলনে-সাইয়্যিদ শাবীব আহমদ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












