ফরজ থেকে অতিরিক্ত যে ইলিম রয়েছে, তা সকলের জন্য নয়। তা ব্যক্তি বিশেষের জন্য, অর্থাৎ ব্যক্তি বিশেষকে ফরজের অতিরিক্ত ইলিম দিতে হবে। অন্যথায় সে ইলিমের অপব্যবহার করবে। যার ফলশ্রুতিতে সে নিজেও গোমরাহ হবে, মানুষকেও সে গোমরাহ করবে। যা হয়েছে অতীতে, বর্তমানে হচ্ছে, সামনে হবে। অপাত্রে ইলিম দান করলে সে তার অপব্যবহার করবে। যার ফলশ্রুতিতে সে নিজেও গোমরাহ হবে, মানুষকেও গোমরাহ করবে।
এ প্রসঙ্গে বলা হয় যে, হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি খুব পরহেযগার ও মুত্তাক্বী ছিলেন, যেটা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। পূর্ববর্তী যামানায় প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
বাতিল ফিরকার লোকেরা বলে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা বিদয়াত। নাউযুবিল্লাহ। অথচ তারা স্বল্প জ্ঞানের কারনে অনেক দলীলই খুঁজে পায় না। এমন হাদীছ শরীফ আছে যার থেকে প্রমাণ হয় স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার নিজের সম্মানিত মীলাদ শরীফ উনার আলোচনা করেছেন। হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عن ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام قالت : تذاكر رسول الله صلى الله عليه و سلم وأبو بكر ميلادهما عندي وكان رسول الله صلى الله عليه و سلم أكبر من أبي بكر فتوفي رسول الله صلى الله عليه و سلم وهو ابن ثلاث وستين [ وتوف বাকি অংশ পড়ুন...
কারামত মুবারক:
সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদে যামান, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অসংখ্য-অগণিত কারামত মুবারক রয়েছে। যা উনার সীমাহীন মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ। আমরা আলোচ্য অংশে উনার কিছু কারামত মুবারক উল্লেখ করবো। যাতে খ¦ালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক প্রত্যাশী ছূফীগণের ঈমানী কুওওয়াত (শক্তি) বৃদ্ধির কারণ হয়। উনারা জজবা বা বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর শব্দের অর্থ:ছদাক্বাতুল ফিতর (صَدَقَةُ الْفِطْرِ) আরবী শব্দ। এখানে صدقة শব্দের অর্থ দান করা। আর الفطر শব্দের অর্থ ভঙ্গ করা। সুতরাং ছদাক্বাতুল ফিতরের সম্মিলিত অর্থ হল ভঙ্গ করার দান। যাকে যাকাতুল ফিতর বলেও উল্লেখ করা হয়।
পারিভাষিক অর্থে দীর্ঘ একমাস রোযার রাখার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন মালিকে নিছাবের পক্ষ থেকে প্রত্যেক ২ জনের জন্যে এক ছা’ আটা বা তার মূল্য পরিমাণ যে সম্পদ গরীবকে প্রদান করা হয় তাকে ছদাক্বাতুল ফিতর বলে।
ছদাক্বাতুল ফিতর কে দিবেন:
ছদাক্বাতুল ফিতর প্রদান করা ধনীদের জন্যে ওয়াজিব। দ্বিতীয় হিজরীর শা’বান বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই যিনি হাক্বীক্বী আলিম হবেন, উনার এই গুণগুলি থাকতে হবে- দুনিয়া থেকে বিরাগ হতে হবে, আখেরাতের প্রতি ঝুঁকে থাকতে হবে, গুণাহ্র প্রতি সতর্ক থাকতে হবে, ইবাদতের মধ্যে সবসময় মশগুল থাকতে হবে, সুন্নতের পাবন্দ হতে হবে, মাথার তালু থেকে পায়ের তলা। মুসলমানদের সম্ভ্রম নষ্ট করা যাবে না, সম্পদের প্রতি লোভ করা যাবে না এবং সব সময়েই মানুষকে নছীহত করার মধ্যে থাকতে হবে, তাহলে উনি হবেন হাক্বীক্বী আলিম। যেটা
إِنَّمَا يَخْشَى اللهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ
.এর ব্যাখ্যার অন্তর্ভুক্ত। কাজেই প্রত্যেক ব্যক্তিকেই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক ত বাকি অংশ পড়ুন...












