এত ফযীলত দেয়া হয়েছে আলিমদেরকে। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আলিমদের ফযীলত সম্পর্কে আরো বলেন-
فَضْلُ الْعَالِمِ عَلَى الْعَابِدِ كَفَضْلِي عَلَى أَدْنَاكُمْ
আবেদের উপরে আলিমের এতটুকু ফযীলত যেমন, সাধারণ লোকের উপরে আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফযীলত। অর্থাৎ সাধারণ লোকের উপরে আমার যেমন ফযীলত রয়েছে ঠিক আবেদের উপরে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ঈমানী কুওওয়াত, মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি প্রগাঢ় তাকওয়া ও খোদাভীতি সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। যেমন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রশংসা করে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন কাফিররা তাদের অন্তরে পোষণ করতো গোত্রীয় অহমিকা, জাহিলী যুগের অহমিকা তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় প্রশান্তি দান করলেন উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি এবং মু’মিনদের প্রতি (অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-
وَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ لَتَضَعُ أَجْنِحَتَهَا رِضًا لِطَالِبِ الْعِلْمِ
নিশ্চয়ই ফেরেশ্তারা তালিবে ইলিমের সন্তুষ্টির জন্য তাদের স্বীয় নূরের পাখাগুলি রাস্তায় বিছিয়ে দেয়। যাতে তালিবে ইলিমরা সেই নূরের পাখার উপর দিয়ে হেঁটে তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পারে। সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ স্বয়ং ফেরেশ্তারা সেই তালিবে ইলিমদের সন্তুষ্টি তালাশ করে থাকে মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুমে। কাজেই তালিবে ইলিমদের ফযীলত অনেক বেশী।
বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ ذَكَّرَكُمُ اللَّهَ رُؤْيَتُهُ وَزَادَ فِي عِلْمِكُمْ مَنْطِقُهُ وَذَكَّرَكُمْ بِالآخِرَةِ عَمَلُهُ
অর্থ: যাঁকে দেখলে মহান আল্লাহ পাক উনার কথা স্মরণ হয়, যাঁর কথা শুনলে দ্বীনি ইলিম বৃদ্ধি হয়, যাঁর আমল দেখলে পরকালের আমল করতে ইচ্ছে হয়। (উনাকে অনুসরণ করো)
(মুসনাদে আহমদ শরীফ, ক্ববাসুম মিন নূরে মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاقَ طَعْمَ الْإِيْـمَانِ مَنْ رَضِيَ بِاللهِ رَبًّا وَّبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَّبِـسَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَسُوْلًا
অর্থ : হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ঐ ব্যক্তিই ঈমান উনার স্বাদ পেয়েছে; যে ব্যক্তি মহান রব্বুল আলামীন উনাকে রব হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট রয়েছে, সম্মানিত ইসলাম উনাকে দ্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা ফীল শরীফ উনার বরকতময় শানে নুযূল বা অবতীর্ণের কারণ
এ ঘটনার পঞ্চাশ দিন পর মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে তাশরীফ মুবারক আনেন। এই ওয়াক্বিয়া জানানোর জন্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি এ ‘পবিত্র সূরা ফীল শরীফ’ নাযিল করেন।
পবিত্র সূরা ফীল শরীফ উনার ইবরত ও নছীহত মুবারক
বর্ণিত ‘পবিত্র সূরা ফীল শরীফ’ থেকে এই ইবরত ও নছীহত মুবারক হাছিল করতে হবে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর পবিত্র কা’বা শরীফ উনাকে সবসময়ই কুদরতীভাবে হিফা বাকি অংশ পড়ুন...
ছাত্র জিজ্ঞাসা করলো- সে কেমন?
হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন যে দেখ, আমি স্বয়ং নিজে আমার চোখে দেখেছি এই ছেলেটাকে। তার বাড়ী অমুক স্থানে, সে রাস্তা থেকে মাটি তুলে তার বাড়ীর বা ঘরের যে দেয়াল রয়েছে, দেয়ালটা লেপ দিয়েছে। কিছু দুব্বা ঘাসও সে নিয়েছে, এর কারণে তার দেয়ালটা যেমন কয়েক সুতা বেশী মোটা হয়ে গিয়েছে, তেমনি রাস্তাটিও কয়েক সুতা সংকীর্ণ বা নিচু হয়ে গিয়েছে।
আমি ফিকির করলাম, যে ব্যক্তি মানুষের হক ও রাস্তার হক সম্পর্কে বুঝে না, রাস্তার মাটি নেয়া জায়েয বা নাজায়েয, তা উপলব্ধি করতে পারে না, অথচ নিজেরটা সে সম্পূর্ণ বুঝলো, বাকি অংশ পড়ুন...












