মুসলমানরা আজ ইলিম চর্চা হতে অনেক দূরে। মুসলমানরা নিজেদের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে বড়ই বেখবর। আজ মুসলমানরা নিজেদের স্বর্ণযুগ, সারা বিশ্বব্যাপী তাদের বিস্তীর্ণ জ্ঞান-বিজ্ঞানে অভূতপূর্ব উন্নতি ইত্যাদি সম্পর্কে কিছুই জানে না। আবার অপরদিকে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে কাফির-বিধর্মীরা যে মুসলমানদের উপর কত মর্মান্তিক যুলুম করেছে, নির্মমভাবে শহীদ করেছে সে খবরও মুসলমানরা জানে না। পহেলা এপ্রিলে এমনি ধরনের এক নির্মম বাস্তবতা রয়েছে। যাতে লক্ষ-লক্ষ মুসলমানের নির্মমভাবে শাহাদাতের ঘটনা ঘটেছে।
এর ইতিহাস হলো-
খলীফা ওয়ালিদ তৎকালী বাকি অংশ পড়ুন...
পরিখা খননকালে প্রকাশিত কতিপয় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মু’জিযাহ শরীফ:
وَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخَذَ رِدَاءَهُ وَجَلَسَ قَالَ حضرت سَلْمَانُ الْفَارِسِيُّ رضى الله تعالى عنه يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَيْتُكَ حِينَ ضَرَبْتَ مَا تَضْرِبُ ضَرْبَةً إِلَّا كَانَتْ مَعَهَا بَرْقَةٌ قَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا حضرت سَلْمَانُ الْفَارِسِيُّ رضى الله تعالى عنه رَأَيْتَ ذَلِكَ فَقَالَ إِي وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَإِنِّي حِينَ ضَرَبْتُ الضَّرْبَةَ الْأُولَى رُفِعَتْ لِي مَدَائِنُ كِسْرَى وَمَا حَوْلَهَا وَمَدَائِنُ كَثِيرَةٌ حَتَّى رَأَيْتُهَا بِعَيْنَيّ বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফে এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফে ইলিম এবং আলিমের ফাযায়েল-ফযীলত সম্পর্কিত অনেক আয়াত শরীফ, হাদীছ শরীফ উল্লেখ করেছেন। যেটা জরুরত আন্দাজ সমস্ত মুসলমান নর এবং নারীর জন্য জানা অবশ্য কর্তব্য।
যেহেতু ইলিম ব্যতীত কোন ব্যক্তির পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি অর্জন করা কখনো সম্ভব নয়। কাজেই প্রত্য বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৮)
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও গরু জবাই করেছেন, গরুর গোশত খেয়েছেন। এমন অনেক বর্ণনা রয়েছে।
এ সকল বর্ণনা থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো, গরুর গোশত খাওয়া নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সুন্নত, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুন্নত এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সুন্নত। সুবহানাল্লাহ!
আর একারণেই যুগ যুগ ধরে মুসলমানগণ গরু কুরবানী করে আসছেন, গর বাকি অংশ পড়ুন...
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ جَاءَهُ الْمَوْتُ وَهُوَ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِيُحْيِيَ بِهِ الإِسْلامَ فَبَيْنَهُ وَبَيْنَ الأَنْبِيَاءِ دَرَجَةٌ وَاحِدَةٌ فِي الْجَنَّةِ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র দ্বীন ইসলাম জিন্দা করার জন্য, দ্বীন ইসলামের বোল-বালা প্রচার-প্রসার করার জন্য ইলম তলব করা অবস্থায় কারো মৃত্যু এসে গেলো অর্থাৎ তার ইন্তেকালের সময় হয়ে গেলো, ঐ ব্যক্তি এবং মহাসম্মানিত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে শুধুমাত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত যাকাত কাকে দিবেনমহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত যাকাত পাওয়ার হক্বদারদের ব্যাপারে অর্থাৎ যে খাতে যাকাতের অর্থ ব্যয় করা ফরয সে খাতগুলো সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّـمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِيْنِ وَالْعَامِلِيْنَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوْبُـهُمْ وَفِي الرّقَابِ وَالْغَارِمِيْنَ وَفِي سَبِيْلِ اللهِ وَابْنِ السَّبِيْلِ ط فَرِيْضَةً مّنَ اللهِ ط وَاللهُ عَلِيْمٌ حَكِيْمٌ.
অর্থ : “নিশ্চয়ই সম্মানিত যাকাত কেবল ফক্বীর, মিসকীন ও সম্মানিত যাকাত আদায়কারী কর্মচারীদের জন্যে, যাদের মন আকর্ষণ করা প্রয়োজন তাদের জন্যে অর্থাৎ নও মুসলিমের জন বাকি অংশ পড়ুন...
نَحْمَدُهُ وَنُصَلِّى عَلَى رَسُولِهِ الْكَرِيم
সমস্ত প্রশংসা সেই মহান মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার জন্য, যিনি আমাদেরকে ওয়াজ শরীফ শুনার তৌফিক দান করেছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَى تَنْفَعُ الْمُؤْمِنِينَ
“আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি নছীহত মুবারক করুন, নিশ্চয় আপনার নছীহত মুবারক সমূহ মু’মিনদের জন্য উপকারী।
আর হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا اجْتَمَعَ قَوْمٌ فِى بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللهِ يَتْلُون বাকি অংশ পড়ুন...
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিলের সময় ছা’লাবার এক আত্মীয় একজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি উপরোক্ত ঘটনা ছা’লাবাকে জানালে, ছা’লাবা তখন সম্মানিত যাকাত উনার মাল-সম্পদ নিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট উপস্থিত হয়ে তা গ্রহণের জন্য আবেদন জানালে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন জওয়াব মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন- হে ছা’লাবা!
اِنَّ اللهَ مَنَعَنِـىْ اَنْ اَقْبَلَ مِنْكَ صَدَقَتَكَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে তোমার যাকাত তথা যাক বাকি অংশ পড়ুন...












