তীব্র গরম থেকে বাঁচতে বিভিন্ন উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন সবাই। এই গরমে এসিতে থাকতে পারা মানে পরম আরামের ব্যাপার। বাড়িতে এসি আছে মানে এখন বাড়তি সুবিধা। কিংবা অফিসের কাজের চাপও এখন ততটা গায়ে লাগছে না কারণ দীর্ঘ সময় এসিতে থাকা যায়। কিন্তু এই আরামও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে যদি দীর্ঘ সময় এসিতে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারাদিন এসিতে থাকার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে শরীরে। জানুন-
ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে:
তীব্র গরমের সময় যদি আপনি দীর্ঘ সময় এসিতে থাকেন তাহলে তার প্রভাব পড়বে ত্বকে। কারণ এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। অনেক সময় ত্বক ফেটে গিয়ে চু বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদ
তাজ-উল-মসজিদ ভারতের মধ্যেপ্রদেশের ভূপালে অবস্থিত একটি বৃহৎ মসজিদ। প্রকৃতপক্ষে তাজ-উল-মসজিদ ভারতের সর্ববৃহৎ মসজিদ। এই মসজিদ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর অন্যতম। এটি হলো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তর মসজিদ । ১৯০১ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদের কারুকার্য
মোগল শাসক বাহাদুর শাহ জাফরের রাজত্বকালে ভূপালের নবাব শাহ জাহান বেগম (নবাব সৈয়দ সিদ্দিক হাসান খানের স্ত্রী) এই মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল এবং তার কন্যা সুলতান জাহান বেগম নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন।
কয়েকধা বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র-: পবিত্র মসজিদে জুমুয়ার ঐতিহাসিক ছবি
আল জুমুয়া মসজিদ (আরবি: مسجد الجمعة), এছাড়াও মসজিদটি বনী সেলিম মসজিদ, আল গুবাইব মসজিদ বা আতিকাহ মসজিদ হিসাবে পরিচিত, মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরে অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে ক্বিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুম উনারা পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদিনা শরীফে হিজরত মুবারকের সময় প্রথমবারের মত এই স্থানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।
মসজিদের অবস্থানঃ
মসজিদটি পবিত্র মদিনা শরীফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুন বাকি অংশ পড়ুন...
কসর আল খারানা হচ্ছে একটি দূর্গ, অনেকের কাছে কসর আল-খারানা, খারেণে বা হরনেহ নামে এই দূর্গ পরিচিতি লাভ করেছ, এর মধ্যে সর্বাধিক পরিচিত জর্দানের পূর্বের মরুভূমি দূর্গ নামেই। কসর খারানা দুর্গটি আম্মানের ৬০ কিলোমিটার (৩৭ মাইল) পূর্বে এবং তুলনামূলকভাবে সৌদি সীমানার কাছাকাছি অবস্থিত। কসর আল খারানা দূর্গটি কুসায়ের আমরা দূর্গ থেকে হাইওয়ে রাস্তা বরাবর ৪০ কিলোমিটার সামনে ১৬ কিলোমিটার পশ্চিমে।
এই দুর্গটির প্রথম উদাহরণগুলির মধ্যে একটি হচ্ছে এটি এই অঞ্চলের প্রথম ইসলামী স্থাপত্য। কাসর আল খারানাহ দূর্গটি বিস্তীর্ণ, বৃক্ষবিহীন সমতল মর বাকি অংশ পড়ুন...
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার হাতিমন্ডলা গ্রামে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদের সন্ধান মিলেছে।
স্থানীয়রা জানান, এ মসজিদটি যেখানে ছিল, সেখানে ঘন জঙ্গল ছিল।
বর্তমানে এর আশেপাশের জমি কবরস্থান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কবরস্থান সংস্কারের জন্য জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করতে গেলে এলাকাবাসী এই মসজিদের সন্ধান পান। এর মধ্যে মসজিদটি এক নজর দেখতে সেখানে শত শত মানুষ ভিড় করছেন।
এলাকাবাসী জানান, মসজিদের ভেতরে একটি কুরআন শরীফ পাওয়া গেছে।
কুরআন শরীফখানা দেখে স্থানীয় আলেমদের ধারণা, এটি ২০০ বছরের আগে ছাপানো হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া সেই পবিত্র কুর বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: খুলনার ঐতিহাসিক মসজিদকুড় মসজিদ
মসজিদের সম্মুখভাগ:
পূর্বদিকের কৌনিক খিলানযুক্ত তিনটি প্রবেশ পথ দ্বারা এই মসজিদটিতে প্রবেশ করা যায়। খিলানগুলোর ওপরের দিক অলঙ্করণযুক্ত। উত্তর দিকের প্রবেশ পথটির উপরে আনুভূমিক এক সারি মোল্ডিং আছে। তার ওপর আনুভূমিক আরও এক সারি পুষ্প অলঙ্করণ আছে। কেন্দ্রীয় খিলানটির উপরাংশ অধিক অলঙ্কৃত। এই খিলানটির দুই পার্শ্বই বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত। খিলানটির উত্তর পাশে শুধু একটি ফুলের অলঙ্করণ দেখা যায়। মধ্যবর্তী খিলানের ওপর আনুভূমিক এক সারি পেঁচানো নকশা রয়েছে। তার ওপর রয়েছে আনুভূমিক এক সারি বুনানো বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: খুলনার ঐতিহাসিক মসজিদকুড় মসজিদ
খুলনা মহানগরী থেকে ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে সুন্দরবনঘেঁষা কয়রা উপজেলার প্রাচীন ইউনিয়ন আমাদি। কপোতাক্ষ নদের পূর্বপাড়ের এই ইউনিয়নের মসজিদকুড় গ্রামকে ইতিহাসপ্রসিদ্ধ করেছে এই ঐতিহাসিক মসজিদকুড় মসজিদ।
জানা যায়, ১৪১৮-১৪৩২ খৃ: জান্নাতবাদের সুলতান ছিলেন জালাল উদ্দীন মুহম্মদ শাহ। এই সময় হযরত খানজাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি দক্ষিণবঙ্গে আগমন করেন। সর্বপ্রথমে তিনি যশোরের বারোবাজার (বর্তমান ঝিনাইদহ) তারপর মুরালী পর্যন্ত সফলভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার-প্রসার করেন। এরপর মুরালী কসবা হতে খান বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক বিবি বেগনি মসজিদটি বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত মগরা মৌজার ৭৮০ নং দাগে ষাটগম্বুজ মসজিদের পশ্চিমদিকে ঘোড়াদিঘির পশ্চিমপাড়ে অবস্থিত।
১৯৬৪ খৃ: এই মসজিদ মেরামতের জন্য ৫ বছরের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। চারদিকের দেওয়াল, চারকোনার প্রবেশপথগুলোর ২ পাশে ইট দ্বারা মসজিদের ভেতরের ফাটল মেরামত; গম্বুজের হালকা হওয়া ইট পুনঃস্থাপন; কাটা ইট দ্বারা ধনুক বক্র ছাদ কিনারা নির্মাণ; ছাদে চুনের টেরাস করা; মসজিদের অভ্যন্তরে পিটানো মেঝে তৈরি; মসজিদ এলাকা থেকে আগাছা পরিষ্কার এবং কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করা হয়। বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খানজাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি ১২ জন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের নিয়ে এ অঞ্চলে আসার পর বেশ কিছু মসজিদ ও দ্বীনী স্থাপনা নির্মাণ করেন। সিংদহ আউলিয়া মসজিদ এগুলোর মধ্যে একটি। গাজী কালু চম্পাবতী নামে একজন খান জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময় মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। মসজিদটির গঠন দেখে এটি সুলতানী আমলে তৈরি অন্য মসজিদগুলোর সাথে অনেকটাই মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
খান জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ¯মৃতি-বিজড়িত পূর্বদিকে একটি বারান্দা সংযুক্ত এ মসজিদটি যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের নিমতলা বাস স্টপের তি বাকি অংশ পড়ুন...
বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফের কাছে রণবিজয়পুর এক গম্বুজ মসজিদটি অবস্থিত। মসজিদটি দরিয়া খাঁর মসজিদ, ফকিরবাড়ি মসজিদ নামেও পরিচিত, এবং মসজিদের দক্ষিণ দিকের দিঘিটি দরিয়া খাঁর দিঘি নামেও পরিচিত ছিল।
রণবিজয়পুর মসজিদ বাংলাদেশের এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদের মধ্যে স্থাপত্যর দিক থেকে সর্ববৃহৎ মসজিদ। বাগেরহাট-ষাটগম্বুজ সড়কে এই ঐতিহাসিক মসজিদটির অবস্থান। মসজিদটি বাংলাদেশের সবচেয়ে সংরক্ষিত একটি মসজিদ এবং স্থাপত্য শৈলীর বিচারে এটি খানজাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময়ে নির্মিত বলে মনে করা হয়।
বাকি অংশ পড়ুন...
নয়-গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাট গম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত দিঘিরপাড় গ্রামে খান জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফের দক্ষিণ-পূর্বে আধা কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থিত। বর্তমানে মসজিদটি বাংলাদেশ প্রতœতাত্ত্বিক বিভাগের অধীনে ইসলামিক স্থাপত্য হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।
চিত্র: ঐতিহাসিক নয়-গম্বুজ মসজিদের অভ্যন্তরভাগে খিলানযুক্ত গম্বুজের ভেতরের অংশ।
ইটের তৈরি বর্গাকৃতির মসজিদটি পরিমাপ বাইরের দিকে প্রায় ১৬.৭৬ মিটার এবং ভিতরের দিকে ১২.১৯ মিটার। উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব তিন দিকের প্রাচীরই ২.৪৪ মিটার পুরু এব বাকি অংশ পড়ুন...












