SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%৩য়%' OR titleBn LIKE '%৩য়%' OR descriptionEn LIKE '%৩য়%' OR descriptionBn LIKE '%৩য়%' OR slug LIKE '%৩য়%' OR metaTag LIKE '%৩য়%' OR metaDescription LIKE '%৩য়%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে ভয়াবহ আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ৫০০ টাকার চারা গাছ কেনা হয়েছে লাখ টাকায়।
আংশিক উদ্বোধনের ফিতা কাটতে খরচ দেখানো হয়েছে ৪৪ কোটি টাকা। বিদ্যমান পুকুরকে নতুন পুকুর খনন দেখিয়ে তোলা হয় ১০ কোটি টাকা। নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার অজুহাতে অতিরিক্ত দেওয়া হয়েছে ২১৭ কোটি টাকা। ভেরিয়েশন বা আইটেম পরিবর্তন করার নামে পরিশোধ করা হয়েছে শত শত কোটি টাকা। এখন এসব ব্যয়কে পোস্ট-ফ্যাক্টো (পরবর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-৩ শাখা থেকে জারি করা পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
পরিপত্র অনুযায়ী, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ এবং স্নাতক (পাস) কলেজের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জারি করা পরিপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি জারি করা নির্দেশনার ২.৪ ধারার ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’-তে উল্লেখিত অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগসংক্রান্ত অংশ ছাড়া অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
‘তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম’ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
يَـقُوْلُ لَا تَسُمُّوْهُ اِذَا دَعَوْتُـمُوْهُ يَا مُحَمَّدُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا تَـقُوْلُوْا يَا اِبْنَ عَبْدِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلكِنْ شَرَّفُـوْهُ فَـقُوْلُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا نَبِىَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করবে তখন উনার সম্মানিত নাম মুবারক ধরে এভাবে ইয়া মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে সম্বোধন করবে না। এমনকি এ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদেরকে লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন, আপনারা উভয়ে উওয়ায়েস ক্বারানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাক্ষাত পাবেন। যখন আপনারা উনার সাক্ষাত পাবেন, তখন আপনারা উনাকে বলবে বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- সমস্ত মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য, ছবি, গান, বাজনা, বাদ্যযন্ত্র, বাঁশী, সূর ধ্বংস করতে আমাকে পাঠানো হয়েছে:
২য় দলীল :
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ اُمَامَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى بَعَثَنِي رَحْمَة للعالمينَ وهُدىً لِلْعَالِمِينَ وَأَمَرَنِي رَبِّي عَزَّ وَجَلَّ بِمَحْقِ الْمَعَازِفِ وَالْمَزَامِيرِ وَالْأَوْثَانِ وَالصُّلُبِ وَأَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ
অর্থ : হযরত আবূ উমামাহ্ রদ্বিয়াল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল এবং মীলাদ শরীফ আয়োজন করা।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উক্ত সম্মানিত দিবসে সরকারী ছুটি ঘোষণা করা।
রহমাতুল্লিল আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
নাম মুবারক: হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি।
পিতার নাম: ‘আমির বিন জায্।
ইয়ামান দেশের মুরাদ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত আল-ক্বারান উপগোত্রে উনার বিলাদত শরীফ। সে জন্যই উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়ে থাকে। (তাবাকাত)
কেউ কেউ মনে করে থাকেন, তিনি ক্বারান নামক স্থানের লোক বিধায় উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়, তা ঠিক নয়। গোত্রের নাম অনুসারেই উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়ে থাকে, যা উনার নসবনামা থেকে স্পষ্ট।
প্রাথমিক জীবন:
উনার প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দা বাকি অংশ পড়ুন...
যে সকল ওলামায়ে সূ’রা মন্দির ও মূর্তি পাহারা দিয়েছে, হিন্দুদের পূজায় গিয়েছে, তাদেরকে পূজা করতে সাহায্য-সহযোগীতা করেছে, সমর্থন করেছে, সম্মতি প্রকাশ করেছে, তাদের সাথে মুছাফাহা ও মুয়ানাক্বা করেছে, তাদেরকে সম্মান করেছে, তা’যীম করেছে, তাদের সম্পর্কে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করেছে এবং সম্মানসূচক শব্দ দ্বারা সম্বোধন করেছে, বাহ বাহ দিয়েছে এবং বেশী বেশী মূর্তি তৈরী করতে বলেছে এবং বেশী বেশী পূঁজা করতে বলেছে। বলেছে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, ইহুদী, মুজুছী, মুশরিক পরস্পর ভাই ভাই, আরো বলেছে তারাই মন্দির ও মূর্তি পাহারা দিবে যাতে তারা ম বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়বে না, তার নামায হবে না। বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে কেউ কেউ বলে থাকে যে, ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। ইহা কতটুকু সঠিক?
জাওয়াব: (৩য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عن حضرت ابى حمزة رحمة الله عليه قال قلت لابن عباس رضى الله تعالى عنه اقرأ والامام بين يدى فقال لا.
অর্থ: হযরত আবূ হামযা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, আমি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট প্রশ্ন করলাম, ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা বা কোন সূরা-কির বাকি অংশ পড়ুন...
কি পরিমান প্রয়োজন :
৫০ লক্ষ (৫ মিলিয়ন) সৈন্যের একটি বিশাল বাহিনীর জন্য অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল ও লঞ্চারের প্রয়োজনীয়তা হিসাব করতে হবে আন্তর্জাতিক সামরিক মতবাদ (মিলিটারী ডকট্রিন) এবং পদাতিক ব্যাটালিয়নের স্ট্যান্ডার্ড কাঠামো অনুযায়ী।
সাধারণত, আধুনিক সামরিক বাহিনীতে প্রতি ৮০০ থেকে ১,০০০ জন সৈন্য নিয়ে একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়। সেই হিসাবে, ৫০ লক্ষ বাহিনীর মধ্যে যদি আনুমানিক ৬০% সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের পদাতিক বা কমব্যাট ফোর্স হয়, তবে মোট ব্যাটালিয়নের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০টি।
একটি স্ট্যান্ডার্ড থার্ড-জে বাকি অংশ পড়ুন...
একটি দেশের ভৌগোলিক অখ-তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার মূল চালিকাশক্তি হলো তার সশস্ত্র বাহিনী। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ট্যাংক এবং ভারী সাঁজোয়া যানের ভূমিকা অপরিসীম, আর এই হুমকি মোকাবেলায় পদাতিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল বা এটিজিএম।
এখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানগত ও কৌশলগত সংশোধন প্রয়োজন। বিভিন্ন বৈশি^ক সামরিক সূচক ও সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বর্তমান সক্রিয় সামরিক সদস্য সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষের কাছাকাছি (সংরক্ষিত ও আধাসামরিক বাহিনীসহ এই সংখ্যা সাড়ে ৪ থেকে ৫ লক্ষের মতো হতে পারে) বাকি অংশ পড়ুন...












