সেই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য সব সৃষ্টি করেছেন। সেটাই বলা হচ্ছে, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا حَبِيْبُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم اَنَا وَاَنْتَ وَمَا سِوَاكَ خَلَقْتُ لِاَجْلِكَ،
পবিত্র হাদীসে কুদসী শরীফে যিনি খ¦লিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি এবং আপনি আর কেউ না। আমি এবং আপনি এছাড়া সব আপনার জন্য সৃষ্টি করেছি।
هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا
সমস্ত কিছুই উনার মহাস বাকি অংশ পড়ুন...
দিনাজপুর সংবাদদাতা:
ফুলবাড়ী ও বিরামপুর উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে কলার মোচা দেখিয়ে ট্রেন থামিয়েছেন এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি। এতে প্রাণে বেঁচেছেন কয়েকশ’ যাত্রী।
এনামুল হক বলেন, প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিলাম। হঠাৎ আমার চোখে পড়ে, লাইনের প্রায় এক ফুট অংশ ভেঙে আলগা হয়ে আছে। বিরামপুর স্টেশনে খবর পৌঁছানোর মতো সময় হাতে ছিল না। এর মধ্যেই দক্ষিণ দিক থেকে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনের হুইসেল শুনতে পাই। কাছে কোনো লাল কাপড় না পেয়ে দ্রুত পাশের একটি কলাগাছ থেকে মোচা ছিঁড়ে নিই। মোচার লালচে পাপড়িগুলো একটি লাঠির আগায় বাকি অংশ পড়ুন...
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা:
সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়ন পরিষদে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কার্ডধারী অতিদরিদ্র ও অসহায় প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও, উপকারভোগীদের অনেকেই আট কেজি বা তারও কম চাল পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
গত সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বরাইদ ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া এই চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। উপজেলার ৯টি ওয়ার্ডের অতিদরিদ্র ও অসহায় এক হাজার ৫০ জন উপকারভোগী এ তালিকা বাকি অংশ পড়ুন...
একবার হযরত নাসিরুদ্দীন মাহমুদ চেরাগে দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পীরভাই হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, ‘আমি যখন অযোধ্যায় গমণ করি তখন মানুষের ভীড়ের কারণে ইবাদতে মশগুল থাকতে পারি না। তাই আপনি দয়া করে সুলতানুল মাশায়িখ, হযরত খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট সুপারিশ করুন, তিনি যেন আমাকে জঙ্গলে একাকি থেকে ইবাদতে মশগুল হওয়ার অনুমতি প্রদান করেন।’
উল্লেখ্য, হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আদত ছিলো, তিনি প্রত্যহ ইশার নামাজের পর নিরিবিলি সময়ে সুলত্বানুল মাশায়িখ, হযরত খাজা নিজামু বাকি অংশ পড়ুন...
বালাদুল আমীন বা নিরাপদ শহর পবিত্র মক্কা শরীফ। এই মুবারক শহরের একটি মাদরাসা। ছোট বালকদের তা’লীম দিচ্ছেন একজন বয়স্ক উস্তাদ বা শিক্ষক। তা’লীম মুবারক শেষে বালকদের হাতে একটি করে খেজুর তুলে দিলেন তিনি। পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদিনা শরীফবাসী সবার প্রিয় সুন্নতি খাবার হলো খেজুর। হাতে খেজুর দিয়ে উস্তাদ নছীহত মুবারক করলেন, আগামীকাল সকালে আপনারা তা’লীমে আসার আগে নিজ নিজ খেজুর কোন একটি গোপন জায়গায় লুকিয়ে আসবেন, যেন কেউ না দেখে, বুঝতে পেরেছেন? বালকরা সবাই জবাব দিলেন, জি হুযূর!
শেষ হলো সেদিনের ক্লাস। পরের দিন সকালের কথা। উস্তাদ সবাইকে জ বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদের মূল চিত্র:
রাতের বেলায়ও আক্রমণকারী কাফিররা পরিখা অতিক্রমের জন্য কয়েক দফা চেষ্টা চালিয়েছিলো। কিন্তু এসকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়। মুসলমানগণ পরিখার অপর পাশ থেকে তীর নিক্ষেপ করে তাদের বাধা প্রদান করেন। পরিখার পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর পদাতিকদের মোতায়েন করা সম্ভব ছিলো কিন্তু সম্মুখ যুদ্ধে মুসলমানদের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে তারা সে পদক্ষেপ নেয়নি। পরিখা খননের সময় তোলা মাটি দিয়ে তৈরি বাধের পেছনের সুরক্ষিত অবস্থান থেকে মুসলমানগণ তীর ও পাথর ছুড়ে আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। ফলে কোন প্রকার আক্রমণ হলে ব্যাপক হতাহতের সম্ভাবনা ছ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
আগামীকাল অথবা আগামী পরশু ইনশাআল্লাহ পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এক মাস ছিয়াম পালন করার পর এ ঈদ। ঈদ অর্থ খুশি। কিন্তু প্রচলিত খুশি নিয়েই এ ঈদ নয়। পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিনই একবার দেখা গিয়েছে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূ বাকি অংশ পড়ুন...
দুই কুচক্রী ইহুদীর কঠিন পরিণতি:
সপ্তাহব্যাপী শত সহস্র ভেড়া, দুম্বা, উট যবেহ করে লক্ষ লক্ষ লোককে মেহমানদারী করানো হলো। আর তিনি উনার অনুরোধের উক্তি পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন।
বার বার এই কথা শুনে এক পর্যায়ে পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মুছল্লীগণ সকলেই একবাক্যে বলে উঠলেন, “হে সুলতান! পবিত্র মদীনা শরীফ উনার আশপাশে এমন কোনো লোক আর বাকী নেই, যারা আপনার মেহমানদারীতে শরীক হয়নি।” তখন হযরত নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অত্যন্ত বলিষ্ঠ কণ্ঠে বললেন, “আমি বলছি আপনারা ভালোভাবে অনুসন্ধান করুন, এখনো কিছু লোক দাওয়াত খেতে বাকী রয়েছে। কেন তার বাকি অংশ পড়ুন...












