ইফতারের সময় প্রধান খাদ্য হিসেবে সর্বপ্রথম খেজুরের চাহিদা বেশি থাকে। দেশের অধিকাংশ খেজুর আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ-বিশেষ করে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, ইরান, ওমান ও ইরাক থেকে।
রোযা রাখার পর দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে খেজুর বেশ কার্যকর। এতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকায় শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।
বিশ্বে কয়েক’শ ধরনের খেজুর রয়েছে। তবে বাংলাদেশে সাধারণত কয়েক ধরনের খেজুর বেশি দেখা যায়। সেগুলো হলো-
আজওয়া খেজুর:
এটি সৌদি আরবের পবিত্র মদীনা শরীফের বিখ্যাত খেজুর। ছোট আকারের, গাঢ় রঙের এবং নরম স্বাদের জন্য এটি বিখ্যাত। এটি বাংলাদেশে বাকি অংশ পড়ুন...
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা:
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমারসহ ছোট-বড় ১৬টি নদ-নদী। এছাড়া নয়টি উপজেলায় রয়েছে দুই শতাধিক খাল ও বিল।
নদ-নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ার কারণে পানির ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ায় শুকিয়ে গেছে এই নদ-নদীগুলো। এতে সেচ সংকট প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। যার প্রভাব পড়বে কৃষিসহ জীববৈচিত্র্যে। জেলার নদ-নদীতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে এ সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দেশের বৃহত্তম নদীমাতৃক জেলা হিসেবে পরিচিত বাকি অংশ পড়ুন...
২) হালাল হারাম নিয়ে কথা:
২ (ঙ) হালালের বিরোধিতা করা এবং হারামের প্রচার করা কুফরী:
হালাল বিষয়ের বিরোধিতা করা আর হারামের প্রচার করা কুফরী এ বিষয়টিও প্রায় মানুষের জানা আছে কিন্তু সমস্যা হয় হালাল বিষয় আর হারাম বিষয় আলাদা করার মধ্যে। এ পর্যায়ে একটি উদাহরণ দিচ্ছি যদিও তা আজকের আলোচ্য বিষয় নয় তবু উপলব্ধির জন্যই বলা। বাল্যবিবাহ হালাল এবং সুন্নত কিন্তু সরকার আদা-পানি খেয়ে লেগেছে এর বিরোধিতায় (ঋণ দাতা দেশ এবং দাতা সংস্থাগুলোর চাপ রয়েছে)। যুক্তি হিসেবে দিচ্ছে নানান মেডিক্যাল সাইন্সের কথা কিন্তু যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...
ওযূর প্রকারভেদ
ওযূ তিন প্রকার- (১) ফরয, (২) ওয়াজিব, (৩) মুস্তাহাব।
ক) পবিত্র নামায উনার জন্য, পবিত্র জানাযা ও পবিত্র সিজদায়ে তিলাওয়াতের জন্য ওযূ করা ফরয।
খ) পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ তাওয়াফের জন্য ওযূ করা ওয়াজিব।
গ) ১. নিদ্রার পূর্বে, ২. নিদ্রা থেকে উঠে, ৩. মিথ্যা কথা বলার পর, ৪. কারো গীবত করার পর, ৫. মন্দ কবিতা আবৃত্তি করার পর, ৬. হাস্য-রসিকতার পর, ৭. ফরয গোসল সমাধা করার পর, ৮. নাপাক অবস্থায় খাওয়ার জন্য, ৯. পুনরায় আহলিয়ার সাথে একান্তে অবস্থান করার ইচ্ছা করলে, ১০. মুর্দাকে গোসল দেয়ার জন্য এবং ১১. একবার পবিত্র নামায আদায় করার পর দ্বিতীয়বার পবিত্র নাম বাকি অংশ পড়ুন...
পুরনো বইয়ের দোকানে গেলে অনেক হলদেটে বা লালচে পাতার বই দেখা যায়। ওসবের আদতে অনেক বয়স। পুরনো বই বা পত্রিকার কাগজ অনেক দিন রেখে দিলে সাদা রঙ ধীরে ধীরে লালচে বা হলদেটে হয়ে যায়।
কাগজের হলদেটে হওয়ার রহস্য খুঁজতে গেলে প্রথমে জানতে হবে, কাগজ আসে কোথা থেকে। কাগজ কি দিয়ে তৈরি। কাগজ বানানো হয় কাঠ থেকে। কাঠ একদম গুঁড়া করে পানি মিশিয়ে নরম ম- তৈরি করা হয় প্রথমে। তারপর সেই ম-কে চাপ দিয়ে পাতলা করে শুকিয়ে নিলেই তৈরি হয় কাগজ।
কাঠের মধ্যে থাকে লিগনিন নামের এক ধরনের পদার্থ। এই পদার্থ কাগজকে মজবুত করে। গাছের ভেতরে এটা আঠার মতো কাজ করে। কিন্তু এর একটা বাকি অংশ পড়ুন...
৭ম শতাব্দীতে পারস্য শাসকের জন্য উইন্ডমিল বা বায়ুকল আবিষ্কার করা হয়। শস্য চূর্ণ এবং সেচের জন্যে পানি উত্তোলনে তা ব্যবহার করা হতে থাকে। এ বিষয়টা পার্সিয়ান ভূগোলবিদ Estakhri এর বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়। তিনি নবম শতাব্দীতে খোরাসানের (পূর্ব ইরান এবং পশ্চিম আফগানিস্তান) বায়ুকলগুলি পরিচালনা করতেন।
গ্রীষ্মকালে পানির উৎস গুলো শুকিয়ে গেলে আরব দেশের বিশাল মরুভূমিতে শক্তির একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়াতো বাতাস। কয়েক মাস পর্যন্ত একদিক থেকে অন্যদিকে দ্রুত বেগে বাতাস প্রবাহিত হতো। এই বাতাসের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উইন্ডমিল সচল থাকতো।
তৎকালীন প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা:
কেউ বসে কাঁচা হলুদ বাছছেন। কেউ ঝুড়িতে ভরে নিচ্ছেন সিদ্ধ করার জন্য। পাশেই মেশিনে ঘুরছে হলুদ- ঝরে পড়ছে মাটি আর খোসা। কিছুক্ষণ পর সেগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে রোদে শুকানোর জন্য। সকাল থেকেই এই কাজে ব্যস্ত কিসমত ইলিশপুর গ্রামের মানুষজন। এখানে হলুদ সংগ্রহের পর প্রথমে তা পরিষ্কার করা হয়। এরপর সিদ্ধ করে রোদে শুকানো হয়। শুকনো হলুদ আবার হাতে বাছাই করে ছোট-বড় আলাদা করা হয়। তারপর বস্তাবন্দী করে পাঠানো হয় বাজারে।
একজন শ্রমিক বলেন, কাঁচা হলুদ কিনে আনি। ধুয়ে সিদ্ধ করি। শুকিয়ে দুইবার মেশিনে ঘুরানো হয়, যাতে মাটি বা খোসা না থ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতের উত্তরাখ- রাজ্যে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। রাজ্যটির ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার্স ও নন্দাদেবী জাতীয় উদ্যানসংলগ্ন বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল আগুনে পুড়েই চলেছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে এনডিটিভি জানিয়েছে, আগুন এতটাই ব্যাপক আকার ধারণ করেছে, তা এখন মহাকাশের স্যাটেলাইট ছবিতেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর চপার হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্থলপথে নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, ফলে আকাশপথেই আগুন নেভানোর চেষ্টা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূ বাকি অংশ পড়ুন...
টাঙ্গাইল সংবাদাদতা:
প্রথমবারের মতো চাষ হচ্ছে ওষধি গুণসম্পন্ন ‘রোজেলা চা’। পরীক্ষামূলক চাষেই মিলেছে অভাবনীয় সাফল্য। স্বল্পখরচে অধিক লাভ হওয়ায় অনেক কৃষক এখন বাণিজ্যিকভাবে এ লাল চা চাষের স্বপ্ন দেখছেন। কৃষি বিভাগও বলছে, রোজেলা চা’ চাষে বাণিজ্যিক ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
পরীক্ষামূলকভাবে দুই শতক জমিতে এ অর্থকরী ফসলের চাষ করেছেন টাঙ্গাইলের মধুপুরের মহিষমারা গ্রামের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত কৃষক ছানোয়ার হোসেন। ফলন ও চায়ের স্বাদ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। নেই কোনো যতœ, নেই রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের ব্যবহার। এন্টিঅক্সিডেন্টসহ নানা ওষু বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
শীতের মৌসুমে যেখানে সাদা বরফের চাদরে ঢাকা থাকার কথা হিমালয়, সেখানে এখন দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন। উত্তরাখ-ের বিশ্ব বিখ্যাত ‘ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার্স’ এবং নন্দাদেবী জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ দাবানল।
পরিস্থিতি এতটাই সঙ্কজনক যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে নামাতে হয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর চপার হেলিকপ্টার। আর এত জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এই দাবানল যে মহাকাশের স্যাটেলাইট থেকেও চোখে পড়ছে আগুনের লেলিহান শিখা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জনা গেছে, জানুয়ারি মাসের শুরু থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। আবহাওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
বান্দরবান সংবাদাদতা:
সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীতে চর জেগে ওঠার কারণে নদী দুটি ভরাট হয়ে নাব্যতা হারাচ্ছে। যার ফলে নৌ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, জেলেরা বিপাকে পড়েছেন। এর কারণ মূলত পাহাড়ের ঢলের সঙ্গে আসা মাটি ও বালু, দখলদারদের প্রভাব এবং দীর্ঘদিন ড্রেজিং না হওয়া যা নদী অববাহিকার পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরূপ। এ সমস্যা সমাধানে নদী অববাহিকা পুনরুদ্ধারের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া প্রয়োজন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদী ড্রেজিং হয়নি। সাঙ্গু নদীতে নৌ চলাচল বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি জেলা শহরে খাওয়ার পানিরও সংকট দে বাকি অংশ পড়ুন...
কক্সবাজার সংবাদাদতা:
টেকনাফ উপকূলে জেলেদের এক জালে ধরা পড়ছে ছোট আকৃতির বিপুল মাছ। এর মধ্যে ছুরি মাছের সংখ্যা বেশি। সব মিলিয়ে এসব মাছের ওজন ১০৯ মণ। প্রতি মণ সাড়ে ৭ হাজার টাকা দরে এসব মাছ বিক্রি করে জেলেরা ৮ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা পেয়েছেন।
গত শনিবার বেলা একটার দিকে টেকনাফ সদরের মহেশখালীয়াপাড়ার বাসিন্দা হাফেজ আহমদের মালিকানাধীন টানা জালে এসব মাছ ধরা পড়ে। স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এখলাস মাছগুলো কিনে নেন।
জানতে চাইলে হাফেজ আহমদ বলেন, টেকনাফ সৈকতের মহেশখালীয়াপাড়া নৌঘাট থেকে ২৫ জন মাঝি টানা জালটি নিয়ে নৌকায় করে সাগরে মাছ ধরতে বাকি অংশ পড়ুন...












