হযরত বদরুদ্দীন আইনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হাদীছটি ছহীহ
كان الصدقة تعطى على عهد رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وأبي بكر وعمر نصف صاع من حنطة.
অর্থ: হযরত সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম, খলীফাতুল মুসলিমীন, ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাদের শাসনামলে ছদক্বাতুল ফিতর দেওয়া হতো আধা সা গম। (শরহু মাআনিল আছার ১/৩৫০)
আল্লামা ইবনে আবদুল বার রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, এট বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ সরকারের ঋণের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর তথা ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে সরকারের নেয়া ঋণ স্থিতি ছিল ৮ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছর পর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এসে ঋণের এ স্থিতি ১৯ লাখ ২২ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সে হিসাবে এ পাঁচ বছরে সরকারের ঋণ বাড়ে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ স্বাধীনতা-পরবর্তী ৪৭ বছরে সরকার যে পরিমাণ ঋণ নিয়েছে, মাত্র পাঁচ বছরে তার চেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে পতিত শেখ হাসিনা সরকার। সরকারি এ ঋণের মধ্যে ৯ লাখ ৪০ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা নেয়া হয়েছে দেশের অভ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সরকার সম্প্রতি নয়জন জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিবের চুক্তি বাতিল করেছে। এর আগে আরো তিন সচিবকে নিজ নিজ পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
তবে এসব দপ্তরে এখনো নতুন করে কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর কার্যত দপ্তরপ্রধান ছাড়াই চলছে। এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগেও কয়েক মাস ধরে নেই দপ্তরপ্রধান। সে কারণে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও রদবদল কার্যক্রম পরিচালনায় তৈরি হয়েছে জটিলতা।
এ পরিস্থিতিতে প্রশাসন পুনর্গঠনের কাজ এগিয়ে নিতে বাড়তি চাপ সামলাত বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম এক নিদর্শন যশোরের শেখপুর জামে মসজিদ। নয়নাভিরাম তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ জামে মসজিদটি আজও ছড়াচ্ছে শিক্ষার আলো।
মসজিদটির পাঠশালায় ৪০০ বছর ধরে স্থানীয়রা পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি ইসলামী বিভিন্ন বিষয়ে চর্চা এবং কুরআন শরীফ শিক্ষার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে এই পাঠশালায়।
এ মসজিদকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ রয়েছে। শত শত বছর ধরে ইসলামের প্রচার প্রসারের কেন্দ্রবিন্দু মসজিদটি। এ যাত্রা অব্যাহত রাখতে মসজিদটির সংস্কার প্রয়োজন।
মোঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত শেখপুর জামে মসজিদটি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বঙ্গভবনে আগামী ঈদ উদযাপনের স্মৃতি নিয়ে নিজেই চলে যেতে চান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। তাকে ইমপিচমেন্ট করা হোক, এটা তিনি আশা করেন না। উপযুক্ত সময়ে এবং সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে বিদায় নিতে চান তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি ইতোমধ্যেই বিএনপির এক নীতিনির্ধারকের সঙ্গে আলাপ করেছেন। তার এই বার্তা ইতোমধ্যে সরকারপ্রধানের কাছেও পৌঁছানো হয়েছে।
২০২৩ সালের ১৩ মার্চ দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তিনি রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের স্থলাভিষিক্ত হন। নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৮ স বাকি অংশ পড়ুন...
উসমানীয় সালতানাত ছিলো মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ একটি সালতানাত। এই সালতানাতের সব সুলতানই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অপরিসীম মুহব্বত পোষণ করতেন। পাশাপাশি, সুলতানগণ সবাই হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণ করতেন শাসনব্যবস্থায়। উসমানীয় শাসকদের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন সুলতান মুরাদ। উনার শাসনামল ন্যায়পরায়নতা এবং মুসলিম বিজয়ের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত। একটি রাতের ঘটনা তার শাসনামলে অত্যন্ত বিখ্যাত।
সুলতান মুরাদ এক রাতে বিছানায় শুয়েছিলেন, দেখেন তার দম বন্ধ হয়ে আস বাকি অংশ পড়ুন...
একথা সবারই জানা রয়েছে, একটি গোঁড়া বর্বর প্রথার নাম হচ্ছে ‘সতীদাহ প্রথা’। এ বর্বর নির্মম প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পর চিতায় মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হতো। মহিলাটি পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে, হিন্দুরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে, পিটিয়ে এরপর অগ্নিকুন্ডের মধ্যে নিক্ষেপ করতো।
এটা বন্ধের ইতিহাস নিয়ে অনেকে দাবি করে থাকে যে- চোর রামমোহন হিন্দুদের সতীদাহ প্রথা বন্ধ করেছিলো। অনেকে দাবি করে, ব্রিটিশ বেনিয়া উইলিয়াম আইন করে সতীদাহ বন্ধ করেছিলো। আসলে প্রকৃতসত্য হচ্ছে, এর বহু আগেই মুসলিম শাসকরা বিভিন্ন সময় আইন করে এ বর বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলমান সালতানাতগুলোর বেশিরভাগ অঞ্চলেই নিরাপত্তা প্রধানের উপস্থিতি ছিলো। অঞ্চলভেদে উনাদের ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হতো। আফ্রিকায় নিরাপত্তা প্রধানকে বলা হতো হাকিম। মামলুক সালতানাতের শাসনামলে বলা হতো ওয়ালি। আর মিশরে এই পদটি ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দুই দশকের কম সময় নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করতে পারেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে আছেন।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের অনলাইন প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদি জনমত জরিপগুলো সঠিক হয় তাহলে বৃহস্পতিবারের (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ৬০ বছর বয়সী মৃদুভাষী তারেক রহমানের ভাগ্যের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।
সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সর বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার কারণে যালিম হওয়া সত্ত্বেও একজন শাসককে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক তিনি কুদরতীভাবে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করলেন এবং তার শত্রুকে গায়িবী তীর দ্বারা নিশ্চিহ্ন করে দিলেন এবং ঘোষণা মুবারক দিলেন, ‘তুমি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে সম্মান করেছো, তাই আমি তোমাকে রক্ষা করেছি। যদি তুমি আরো বেশি সম্মান করো, তাহলে আমি তোমার সম্মান আরো বাড়িয়ে দিবো।’ সুবহানাল্লাহ!
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
وَحُكِىَ عَنْ بَعْضِ الْـخُلَفَاءِ اَنَّهٗ كَانَ يَـجُوْرُ فِـىْ حُكْمِهٖ وَك বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে সংঘটিত গুমের ব্যাপকতাসহ ভয়ভীতি ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনেকাংশে বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এ সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিবেচনায় হাজারো মানুষকে নির্বিচারে আটক করেছে। বিচারহীন অবস্থায় আটকে থাকা এসব ব্যক্তির জামিন নিয়মিতভাবে নাকচ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুন থেকে ২০২৫ আগস্টের মধ্যে গণপিটুনিতে কমপক্ষে ১২৪ জন নিহত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে জেঁকে বসা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও নি বাকি অংশ পড়ুন...












