নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী শাসনামলের দমন-পীড়ন মোকাবিলা করে টিকে থাকা বিএনপি এখন নয়াপল্টন কার্যালয়ে সাংগঠনিক পুনর্গঠন আর রাষ্ট্র মেরামতের কাজে ব্যস্ত। বিশেষ দিবসকেন্দ্রিক কিছু আয়োজন ছাড়া দলীয় কার্যালয়ে বর্তমানে আগের মতো রাজনৈতিক উত্তাপের চেয়ে গঠনমূলক কর্মকা-ের নীরবতাই বেশি দেখা যাচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শুরু থেকেই আলোচনার মূল কেন্দ্রে রয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ। এই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপির প্রস্তাব হলো, সংস্কার পরিষদের পরিবর্তে একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠনের মাধ্যমে এই বিষয়টির সুরাহা করা হোক। তবে বিএনপির এই প্রস্তাবে বিরোধী জ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিগত ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে শিক্ষা খাতে সংঘটিত ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করে শে^তপত্র প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তবে তদন্তের পরিধি ব্যাপক হওয়ায় শে^তপত্র প্রকাশের জন্য এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
গতকাল ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদদে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০৮-০৯ অর্থবছর হতে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত সময়ে শিক্ষা খাতে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়সমূহ পর্যালোচনার জন্য বাকি অংশ পড়ুন...
জাহানীয়া মসজিদ ভারতের জান্নাতবাদে বিদ্যমান সুলতানি আমলের সর্বশেষ ঐতিহাসিক নিদর্শন। এ মসজিদকে আবার স্থানীয় অনেকে মিয়ার মসজিদ বা ‘ঝনঝনিয়া মসজিদ’ও বলে থাকে। মসজিদের দরজার উপরের একটি শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, ১৫৩৫ খৃ: সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এর পুত্র সুলতান গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ এর শাসনামলে মালতি বিবি নামে একজন এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মাণ করেন। ‘জাহানীয়া মসজিদ’ নামটি সচরাচর পরিচিত নয়। জাহানীয়া মসজিদের নামটি সুলতানী আমলের মখদুম জাহানীয়া জাহানগাস্ত নামে এক আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নামানুসারে নামকরণ কর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
শেখ হাসিনা যেভাবে ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিনকে ছাড় দিয়েছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকে সেভাবে ছাড় দেয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর। অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলের শে^তপত্র প্রকাশে সরকারের কাছে দাবিও জানান।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) নিজের অনলাইন পেজে এ দাবি তোলেন আনিস আলমগীর।
ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহানের বিরুদ্ধে টিকা কেনায় দুর্নীতির অভিযোগে দুদকে করা আবেদনের প্রতিবেদন শেয়ার দিয়ে আনিস আলমগীর বলেন, এভাবে বিচ্ছিন্ন দাবি তুললে হবে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়; দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই এ বাহিনীর একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পিলখানা হত্যাকা- চালিয়ে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল।
তবে সশস্ত্র বাহিনী ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশকে কেউ কখনো পরাজিত করতে পারবে না।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) ঢাকা সেনানিবাসের সেনাপ্রাঙ্গণ মিলনায়তনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ দরবারে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দরবারে দেও বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নসহ উন্নয়নমূলক কর্মকা- পরিচালনার অন্যতম উৎস বিদেশী ঋণ। বৈদেশিক এ ঋণের স্থিতি ও মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ যেভাবে দ্রুত বেড়ে চলেছে, তা দেশের অর্থনীতির জন্য গভীর উদ্বেগজনক। বিদেশী ঋণের স্থিতি বাড়তে থাকায় পরিশোধের চাপ বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ১১৩ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, তা ২০১০-এর তুলনায় প্রায় ছয়গুণ বেশি। বিদেশী ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকায় দেশের মানুষের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের পরিমাণও বাড়ছে। বর্তমানে মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৬৫৫ ডলার।
এ ঋণ বৃদ্ধির পেছনে উৎপাদনশীল ও অর্থনৈতিক বাকি অংশ পড়ুন...
৩১. হাদী আল-মুস্তাজিবীন:
হাকিম বিআমরিল্লাহ (৯৮৫-১০২১ খ্রি.) মিশরের উবাইদি খিলাফতের ষষ্ট শাসক। তার শাসনামলের শেষ দিকে হামযা বিন আলী জুজনি নামে এক লোক আত্মপ্রকাশ করে। তার উপাধি ছিলো হাদী আল-মুস্তাজিবীন। সে কায়রোর অদূরে ‘তাবার মসজিদ’-এ অবস্থান করতো। শরীয়তের হুকুমের রহস্য সম্পর্কে ভালো ইলিম রাখতো বিধায় সে নামায, রোযা ইত্যাদি দৈহিক আমলের হুকুম রহিত করে দিয়েছিলো। নাঊযুবিল্লাহ! সে ও তার অনুসারীরা আত্মিক নামায পড়ার দাবী করতো। তার মতে, নামায হলো মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে বান্দার একটি সম্পর্ক মাত্র।
এই মতের উপর সে আলাদা একটি মতবাদ প্র বাকি অংশ পড়ুন...
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ২৭ হিজরী শরীফে কাতিবে ওহী হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার তত্ত্বাবধানে এবং বিশিষ্ট সেনাপতি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে সুবিশাল নৌবাহিনী গঠন করার পর মুসলমানরা যখন নৌশক্তিতে বিশ্বব্যাপী সমৃদ্ধ এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেন, তখন সাগরবক্ষে প্রবল প্রতাপ ও প্রতিপত্তির সাথে একের পর এক বিজয়াভিযান পরিচালনা করতে লাগলেন। তামাম দুনিয়ার সাগর মহাসাগরে মুসলিম রণতরী দৃশ্যমান হতে থাকলো। পরবর্তীতে উমাইয়া এবং আব্বাসীয়দের ও পর বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
মুসলিম শাসনামলে আইন ছিলো যে, জমিদারগণ সমাজবিরোধী, দুষ্কৃতিকারী ও দস্যু-তস্করের প্রতি কড়া নজর রাখবে। ধরা পড়লে লুণ্ঠিত দ্রব্যাদিসহ তাদেরকে সরকারের নিকটে সমর্পণ করবে। ১৭৭২ সালে কোম্পানী এ আইন রহিত করে। ফলে, নতুন জমিদারগণ দস্যু-তষ্করকে ধরিয়ে দেয়ার পরিবর্তে তাদের প্রতিপালন করে লুণ্ঠিত দ্রব্যাদির অংশীদার হতে থাকে। এটা অনুমান করতে কষ্ট হবার কথা নয় যে, এসব দস্যু-তষ্কর কারা ছিলো, এবং কারা ছিলো গ্রামবাংলার লুণ্ঠিত হতভাগ্যের দল। ১৯৪৪ সালে Calcutta Review-প্রকাশিত তথ্যে বলা হয় যে, এসব নতুন জমিদারগণ দস্যু-তষ্করদেরকে প্রতিপালন করতো ধ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
প্রতি বছর ঈদ এলেই একই দৃশ্য-মানুষের ঢল নামে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রামের পথে। “স্বপ্ন যাবে বাড়ি”-এ যেন এক অনিবার্য বাস্তবতা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, স্বপ্ন কেন বাড়িতেই থাকে না? কেন মানুষকে জীবিকার জন্য এক জায়গায় থাকতে হয়, আর পরিবার অন্য জায়গায়? কেন ঈদের সময় একসাথে কোটি মানুষের যাত্রা জীব বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি: নাম ‘আইয, পিতার নাম ‘আমর ইবনে হিলাল, উপনাম আবূ হুবায়রা, মুযায়না গোত্রের অর্ন্তভুক্ত, তিনি বছরাতে বসবাস করেন এবং সেখানে তিনি একটি বাড়ী নির্মাণ করেছিলেন, হযরত রাফি‘ বিন ‘আমর আল-মুযানী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ভাই। তিনি বাইয়াতুর রিদ্বওয়ানে শরীক ছিলেন (ইছাবা)।
বিছাল শরীফ: ইয়াযিদ লানাতুল্লাহি আলাইহির শাসনামলে তিনি বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন। কুফার তদানিন্তন গভর্ণর উবায়দুল্লাহ বিন যিয়াদ পদাধিকার বলে যেন উনার জানাযার নামাযে ইমামতি করতে না পারে সেজন্য তিনি ওছীয়ত করেছিলেন। তদস্থলে হযরত আবু বারজা আল-আসলামী রদ্বিয়াল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী কর্তৃক বাংলার স্বাধীনতা বিনষ্ট হওয়ার পর মুসলিম সমাজের যে সীমাহীন দুর্দশা হয়েছিলো, তা নিম্নের আলোচনায় সুস্পষ্ট হবে।
পলাশী যুদ্ধের পূর্বে সামরিক ও বেসামরিক চাকুরীক্ষেত্রে সম্ভ্রান্ত মুসলমানদের প্রাধান্য ছিলো। কোম্পানী ক্ষমতা হস্তগত করার পর প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের প্রথম ধাপেই মুসলিম সেনাবাহিনী ভেঙে দেয়া হয়। তার ফলে কিছু উচ্চশ্রেণীর কর্মচারীই বেকার হয়ে পড়ে। ফলে, লক্ষ লক্ষ মানুষকে বেকারত্ব ও দারিদ্রের মুখে ঠেলে দেয়া হয়।
দ্বিতীয়তঃ দেশের গোটা রাজস্ব বিভাগকে ইংল্যান্ডের পদ্ধতিতে পুনর্ বাকি অংশ পড়ুন...












