মানুষের মধ্যে যতগুলো কুপ্রবৃত্তি আছে, লোভ তারমধ্যে একটি। লোভের শুরুতেই মানুষকে নানারূপ অপমান ও লাঞ্ছনা ভোগ করতে হয় এবং পরিশেষে লজ্জার বোঝা ঘাড়ে বহন করতে হয়। আবার লোভ চরিতার্থ বা সফল না হলে সাথে সাথে তা থেকে আরো কতগুলো কুপ্রবৃত্তি উৎপন্ন হয়ে থাকে। কেননা যে ব্যক্তি কারো কাছ থেকে কিছু পাওয়ার জন্য লোভ করে, প্রথম থেকে তার সাথে চাটুবাক্য বলে তার মন ভুলাতে শুরু করে দেয় এবং নেফাক্বীমূলক আচরণ প্রদর্শন করতে থাকে। ধার্মিকতা বা সাধুগিরি দেখিয়ে তার প্রিয়ভাজন হওয়ার চেষ্টা করে। সে ব্যক্তি ঘৃণা বা অবহেলা করলেও সে তা নির্বিবাদে সহ্য করে নেয় বাকি অংশ পড়ুন...
নারীবাদীদের অবস্থা হলো,
১. তারা একক এক শক্তি পয়দা করতে যাচ্ছে।
২. তাদের সমাজে পুরুষ সঙ্গী রাখতে নারাজ।
৩. পুরুষদেরকেও নারীবাদী হতে হবে।
৪. এরা সমাজে থাকতে চায় কিন্তু সমাজের ধার ধারে না।
৫. অনেক পুরুষের সাথে বহুগামী হতে চায়, কিন্তু লুকাতে চায় তাদের বিকৃত লালসা।
৬. সরকারী লাইসেন্স পাওয়া পতিতা বৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহকে সানন্দে গ্রহণ করা এবং পতিতা হওয়ার উৎসাহ দেয়া।
৭. হারাম কাজে মশগুল অর্থাৎ প্রেম- প্রীতিকে বর্জন করার জন্য শরীয়তের বিধান অস্বীকার করা। নাউযুবিল্লাহ!
এখন কথা হলো, মুসলিম দেশে মুসলমান হয়েও যারা নারীবাদীত্বে ম বাকি অংশ পড়ুন...
মানব হৃদয়ের যাবতীয় আকাঙ্খার মধ্যে ভোজনাকাঙ্খা সবচেয়ে প্রবল। মূলত ভোজনাকাঙ্খাই মানুষের অন্যান্য সমস্ত আকাঙ্খার মূল। ভোজন দ্বারা উদর পরিতৃপ্ত হলেই কাম-রিপু প্রবল হয়ে উঠে। আর ভোজনাকাঙ্খা ও কাম উগ্রতাকে চরিতার্থ করতে হলে অর্থকড়ির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এই প্রবৃত্তি দুটির সাথে সাথেই ধন সংগ্রহের লালসার উদয় হয়। ধনউপার্জন ও সঞ্চয়ের লক্ষ্যে প্রভাব-প্রতিপত্তির লিপ্সাও জেগে উঠে। এরপর নিজেই সেই ধন-সম্পদ এবং প্রভাব-প্রতিপত্তি রক্ষার জন্য মানুষের সাথে বিবাদ-বিসম্বাদ এবং কলহ-কোন্দলে লিপ্ত হতে হয়। এই কলহ-কোন্দল থেকেই আবার পরস্পরের মধ্যে হ বাকি অংশ পড়ুন...
আল্লাহ পাক উনার যমীনের সবকিছুই মূল্যবান। প্রতিটা প্রাণ, প্রতিটা উদ্ভিদ, প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে থাকা প্রতিটা উপাদান-সবই অমূল্য। তবে কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলোর জন্য টানাটানিতে জীবন-সম্পদ-পরিবেশ বিপন্ন হয়ে ওঠে। কখনো কখনো যুদ্ধও লেগে যায়। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হতে পারে ‘কলা যুদ্ধ’। এই কলার সঙ্গে শিল্পকলার কোনো সম্পর্ক নেই। এই কলা গাছে ধরে, আয়রনসমৃদ্ধ একটি ফল।
কলা নিয়ে সেই যুদ্ধ চলেছে ৩৫ বছর, ১৮৯৮ সালের ১৩ আগস্ট থেকে ১৯৩৪ সালের ১ আগস্ট পর্যন্ত। অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র দফায় দফায় যে স বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইয়াফ ইবনে হিমার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ক্বিয়ামতের দিন কিছু শ্রেণীর লোক জান্নাতে প্রবেশ করবেন। এবং কিছু শ্রেণীর লোক জাহান্নামে প্রবেশ করবে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
তিন শ্রেণীর লোক সম্মানিত জান্নাত উনার মধ্যে প্রবেশ করবেন।
(১) ন্যায় পরায়ন শাসক ও বিচারক যিনি অকাতরে সকলকে দান করেন এবং যাকে সৎ কাজ করার তাওফীক দেয়া হয়েছে।
(২) এমন দয়াল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত কালাম মুবারক পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বান্দাদেরকে ধন-দৌলত, টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি ইত্যাদির প্রাচুর্যতা, যা মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে ফিরিয়ে রাখে তা থেকে সতর্ক করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلْـهَاكُمُ التَّكَاثُرُ ◌ حَتّٰى زُرْتُـمُ الْمَقَابِرَ ◌
অর্থ : আধিক্যের লালসা (ধন-সম্পদের লোভ) তোমাদেরকে (মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে) গাফিল করে রেখেছে। যে পর্যন্ত না তোমরা কবর যিয়ারত করো বা ইন্তিকাল করো। (পবিত্র সূরা তাকাছুর : আয়াত শরীফ ১-২)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম বাকি অংশ পড়ুন...
হির্ছ্ ও আমাল আরবী এ শব্দ দু’টি প্রায় কাছাকাছি অর্থে ব্যবহৃত হয়। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিভিন্ন আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে শব্দ দুটি লোভ-লালসা ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَتَجِدَنَّهُمْ اَحْرَصَ النَّاسِ عَلٰى حَيَاةٍ وَمِنَ الَّذِيْنَ اَشْرَكُوْا ۚ
অর্থ : আপনি তাদেরকে (ইহুদীদেরকে) জীবনের প্রতি সবার চেয়ে, এমনকি মুশরিকদের চেয়েও অধিক লোভী দেখবেন। (পবিত্র সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ ৯৬)
ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا وَيَتَمَتَّعُوْا وَيُلْهِهِمُ الْاَمَلُ ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُوْنَ ◌
অর্থ : আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা আহার করুক, ভোগ করুক এবং আশায় মোহগ্রস্ত থাকুক। অত বাকি অংশ পড়ুন...
আর প্রত্যেক মুসলিম-অমুসলিম সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের মহাসম্মানিত জীবনী মুবারক প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনাদের সংশ্লিষ্ট মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফসমূহ উপলক্ষে মাহফিলের আঞ্জাম দেয়া।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
অধুনা পুলিশী রাষ্ট্রের পরিবর্তে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণার প্রবর্তন হয়েছে। কিছুটা অনুশীলন হচ্ছেও বলে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু কল্যাণমূলক ধারণার প্রকৃত ব্যাপ্তি নির্দেশিত হয়েছে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে। ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হে মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের দুনিয়াবী কল্যাণ দান করুন এবং পরকালীন কল্যাণ দান করুন। ”
মূলত, পরকালীন কল্যাণের চেতনা সম্পৃক্ত না থাকলে কোনোদিন কোনোকিছুতেই দুনিয়াবী কল্যাণ সাধিত হয় না; হতে পারে না।
অপরদিকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের প্রধান অবদান হচ্ছে তথ্য অবগতি। অধুনা কল্যাণমূলক রাষ্ট্রগুলো ‘তথ্য বাকি অংশ পড়ুন...
সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রথম মাকতুবাত বা চিঠি মুবারক:
সুলত্বানুল হিন্দ, সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশতী আজমিরী সানজারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার খলীফা সুলত্বানুল আরেফীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে উদ্দেশ্য করে লেখেন- “মহান আল্লাহ পাক উনার অনন্ত-অসীম রহমতের ভা-ার হতে যৎসামান্য আলোক রশ্মি আপনার জন্য পেশ করছি। আপনি তা আপনার হাক্বীক্বী মুরীদ ও মহান আল্লাহ পাক উনার বাকি অংশ পড়ুন...












