SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রফতানী%' OR titleBn LIKE '%রফতানী%' OR descriptionEn LIKE '%রফতানী%' OR descriptionBn LIKE '%রফতানী%' OR slug LIKE '%রফতানী%' OR metaTag LIKE '%রফতানী%' OR metaDescription LIKE '%রফতানী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
আবারও বাংলাদেশের ভূমি চাইছে ভারত। ভারতের আসাম রাজ্যের বরননগর থেকে বিহারের কাটিহার পর্যন্ত সাতশো পয়ষট্টি কঠ ক্ষমতার এক দানুবীয় উচ্চ ঠড়ষঃধমব বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানতে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুরের প্রায় প বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
আবারও বাংলাদেশের ভূমি চাইছে ভারত। ভারতের আসাম রাজ্যের বরননগর থেকে বিহারের কাটিহার পর্যন্ত সাতশো পয়ষট্টি কঠ ক্ষমতার এক দানুবীয় উচ্চ ঠড়ষঃধমব বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানতে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুরের প্রায় প বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিবছর দেশের বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে, যা অর্থনীতির ওপর নীরব কিন্তু ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার ৭০ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এ জন্য বছরে প্রায় ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে বাংলাদেশের মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সয়াবিন তেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাক বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের কৃষি খাতের দুঃখজনক কথা হলো, কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না, আবার ভোক্তাও সস্তায় কিনতে পারে না। মাঝখানের এই বিশাল ‘দাম’ শুষে নিচ্ছে মধ্যসত্ত্বভোগীরা।
গুটিকয়েক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতার অংশীদার হয়, তখন তারা একটি শক্তিশালী ‘দাম নিয়ন্ত্রণকারী’ গোষ্ঠী তৈরি করে। এই গোষ্ঠীটি হিমাগার, সার এবং বীজের বাজারের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং নিজেদের স্বার্থেই রফতানী প্রক্রিয়াকে আমলাতান্ত্রিকভাবে জটিল করে রাখে, যাতে রফতানী সহজ হলে তাদের একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ ভেঙে না যায় এবং প্রান্তিক কৃষক বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের কৃষি খাতের দুঃখজনক কথা হলো, কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না, আবার ভোক্তাও সস্তায় কিনতে পারে না। মাঝখানের এই বিশাল ‘দাম’ শুষে নিচ্ছে মধ্যসত্ত্বভোগীরা।
গুটিকয়েক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতার অংশীদার হয়, তখন তারা একটি শক্তিশালী ‘দাম নিয়ন্ত্রণকারী’ গোষ্ঠী তৈরি করে। এই গোষ্ঠীটি হিমাগার, সার এবং বীজের বাজারের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং নিজেদের স্বার্থেই রফতানী প্রক্রিয়াকে আমলাতান্ত্রিকভাবে জটিল করে রাখে, যাতে রফতানী সহজ হলে তাদের একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ ভেঙে না যায় এবং প্রান্তিক কৃষক বাকি অংশ পড়ুন...
বঙ্গোপসাগরে প্রচুর ইয়োলোফিন ও বিগআই টুনা মাছ পাওয়া যায়। জাপান, আমেরিকা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে টুনা মাছের বিপুল চাহিদা রয়েছে।
গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ এবং মৎস্য আহরণ কার্যক্রমে বাংলাদেশের শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থাকলেও তা কেবলই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। সঠিক বিনিয়োগ ও অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারলে এই খাত থেকে বছরে কমপক্ষে এক হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি আয় করা সম্ভব হবে।
আন্তর্জাতিক মানের ২৫ থেকে ৫০টি বৃহৎ ও উন্নত প্রযুক্তির গভীর সমুদ্রগামী জাহাজ নামানো গেলে বছরে ৩ লাখ টন ভালো মানের টুনা ধরা যাবে, এই মাছের বৈà বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলার ঘরে ঘরে নারী-পুরুষেরা কাপড় তৈরি করতেন যে তুলা থেকে, যে তুলার জোরে বাংলা শিল্পোন্নত দেশ ছিল, বাংলার মাটি যে তুলার উপযোগী, সেই তুলা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা কোথায়?
দৈনিক আল ইহসান শরীফের গবেষণায় জানা গেছে- দেশের ৭ লাখ হেক্টর পতিত জমিসহ মোট প্রায় ২০ লাখ হেক্টর জমিতে প্রায় ৮৫/৯০ লাখ বেল তুলা উৎপাদন করা সম্ভব। যার মূল্য ৪০ হাজার কোটি টাকা।
সরকারের উচিত- তুলা খাতকে অগ্রগামী করে আমদানির পরিবর্তে রফতানী নির্ভর করা। (২)
সামাজিক বিভাজন প্রকাশে কাপড় যেমন বড় ভূমিকা পালন করে, তুলার উৎপাদনও আসলে তা-ই। বলা হয়, সারা দুনিয়াকে তুলার নরম কাপড় পর বাকি অংশ পড়ুন...
অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
বাংলার ঘরে ঘরে নারী-পুরুষেরা কাপড় তৈরি করতেন যে তুলা থেকে, যে তুলার জোরে বাংলা শিল্পোন্নত দেশ ছিল, বাংলার মাটি যে তুলার উপযোগী, সেই তুলা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা কোথায়?
দৈনিক আল ইহসান শরীফের গবেষণায় জানা গেছে- দেশের ৭ লাখ হেক্টর পতিত জমিসহ মোট প্রায় ২০ লাখ হেক্টর জমিতে প্রায় ৮৫/৯০ লাখ বেল তুলা উৎপাদন করা সম্ভব। যার মূল্য ৪০ হাজার কোটি টাকা।
সরকারের উচিত- তুলা খাতকে অগ্রগাà বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থ বিভাগের প্রাক্কলন অনুযায়ী, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর শেষে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ১০০ কোটি টাকায়। এর পরবর্তী অর্থবছরে তা আরো বেড়ে ২৯ লাখ ৫৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা হবে এবং তিন বছর পর অর্থাৎ ২০২৮-২৯ অর্থবছর শেষে এ ঋণ স্থিতি দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। এ বিশাল ঋণের মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎসের অবদান থাকবে ১৮ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়।
ঋণের এ উল্লম্ফন স্বাভাবিকভাবেই সুদ পরিশোধের ব্যয়কে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় বনাঞ্চল ও ফসলের ক্ষেত ধ্বংস করতে ‘এজেন্ট অরেঞ্জ’ নামে একটি মারাত্মক রাসায়নিক আকাশ থেকে স্প্রে করেছিলো মার্কিন বিমানবাহিনী। লক্ষ্য ছিলো কমিউনিস্ট যোদ্ধাদের খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করা। সেই ঘটনার অর্ধশতক পর, এজেন্ট অরেঞ্জের অন্যতম প্রধান উপাদান ‘২,৪-ডি’ নামে আগাছানাশকটি এখনো দেদারসে ব্যবহৃত হচ্ছে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের কৃষিজমিতে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ক্যানসার গবেষণা সংস্থা একে ‘সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী’ উপাদান হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
শুধু ‘২,৪-ডি’ একাই নয়, ভারতের কৃঠবাকি অংশ পড়ুন...
কাঁঠাল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। তবে উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে থাকলেও কাঁঠাল ও কাঁঠালজাত পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখনো অনেক পিছিয়ে। যদিও কাঁঠাল ও কাঁঠালজাত পণ্য রপ্তানির প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সরকারের সঠিক উদ্যোগের অভাবে এই সম্ভাবনাময় পণ্য রপ্তানির সুযোগ কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১ হাজার ৮৩ টন কাঁঠাল রপ্তানি হয়েছে। তবে কৃষিপণ্য রপ্তানিকারকরা বলছেন সঠিক উদ্যোগ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে চীনে কঠবাকি অংশ পড়ুন...












