আবারো আলোচনায় বাংলাদেশের ৮০ কিলো ভূমি ব্যবহার করে ভারতের হাইভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইন করিডোর।
মাত্র কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশে বিস্তীর্ণ ভূমি, প্রাকৃতিক বৈচিত্র নষ্ট হবে উত্তরবঙ্গের জনজীবন ও অর্থনীতি বিপর্যস্থ হবে, সর্বোপরি ভারতের হাতে যাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাতের কুঠার।
ভারতকে শক্তভাবে ‘না’ বলতে হবে। ঘাপটি মেরে থাকা এজেন্টদের নির্মূল করতে হবে। দেশীয় উৎসে বিদ্যুৎ সমৃদ্ধি বর্জন করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
, ১৯ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
আবারও বাংলাদেশের ভূমি চাইছে ভারত। ভারতের আসাম রাজ্যের বরননগর থেকে বিহারের কাটিহার পর্যন্ত সাতশো পয়ষট্টি কঠ ক্ষমতার এক দানুবীয় উচ্চ ঠড়ষঃধমব বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানতে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুরের প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি কিলোমিটার ভূমি ব্যবহারের প্রস্তাব নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কিন্তু পর্যবেক্ষক মহলের কাছে প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশের ভৌগোলিক করিডোর ব্যবহার করে ভারতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বিদ্যুৎ সঞ্চালন কী শুধুই ভারতের বিদ্যুৎ সুবিধা প্রাপ্তি? নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে ভারতের জটিল ভূ-রাজনৈতিক ও পরিবেশগত সমীকরণ?
শিলিগুড়ি করিডরের ওপর চাপ কমাতে ভারত বাংলাদেশের ভূখ- ব্যবহারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে তাগাদা দিয়ে আসছে। যাতে করে ৭৬৫ কেভি লাইনের বিশাল টাওয়ার ও করিডরের জন্য বাংলাদেশের মূল্যবান কৃষিজমি এবং ফসলি জমি নষ্ট হবে। সঞ্চালন লাইনটি বনাঞ্চল বা জনবসতির ওপর দিয়ে গেলে লক্ষ লক্ষ গাছপালা কাটা পড়বে এবং জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়বে।
সবচেয়ে স্পর্শকাতর কথা হলো- দেশের ভেতরের গ্রিড লাইনের ওপর ভারতের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ বা কৌশলগত প্রভাব তৈরির চরম ঝুঁকি তৈরী হবে। যা সংকট মুহূর্তে দেশের সার্বভৌমত্বের উপরেও চরম আঘাত আনতে ভারত।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার ত্রিবেদী ৬ আগস্ট বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। ওই সময় সে ৭৬৫ কেভি গ্রিড লাইন নির্মাণের বিষয়টি উত্থাপন করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে ওই বছরের ১৯-২০ জুলাই দুই দেশের বিদ্যুৎ সচিবের নেতৃত্বে একটি যৌথ ওয়াকিং গ্রুপ-জেডব্লিউজির বৈঠক হয়। সেখানে ৭৬৫ কেভির লাইন টানতে বাংলাদেশের পার্বতীপুর দিয়ে ৭৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার করিডর দেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক আলাপ-আলোচনা হয়।
২০২৪ সালের সেই জেডব্লিউজির কাগজপত্র দৈনিক আল ইহসানের কাছে এসেছে। তাতে দেখা যায়, এই লাইন নির্মাণ হলে বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হবে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু নেই কাগজপত্রে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জেডব্লিউজি বৈঠকে বলা হয়েছে, ভারত জানিয়েছে যে, এই হাইভোল্টেজ লাইন দিয়ে সস্তায় নেপাল, ভুটান ও ভারতের পানিবিদ্যুৎ আমদানি করার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। কিন্তু এই লাইন দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশে কি পরিমাণে বিদ্যুৎ দেওয়া যাবে, এ ব্যাপারে কোনো উল্লেখযোগ্য যাচাই-বাছাই করা হয়নি। এমনকি ভারতের কোনো পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প অথবা নেপাল, ভুটান থেকে প্রস্তাবিত হাইভোল্টেজ লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহণ করা যাবে কি না, তাও উল্লেখ করা হয়নি।
ভারতের ঘোষণা অনুযায়ী, ১১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের ব্রহ্মপুত্র বেসিনে আপার সিয়াং মাল্টিপারপাস প্রকল্প, দুই হাজার ৭০০ মেগাওয়াটের লোয়ার সিয়াং প্রকল্প, সাবানসিরি দুই হাজার মেগাওয়াট প্রকল্প (এটি আংশিকভাবে পানিবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে), সাবানসিরি আপার ১ হাজার ৬০৫ মেগাওয়াট প্রকল্প (নির্মাণাধীন) এবং ডিবাং নদীতে ২ হাজার ৮৮০ মেগাওয়াট ডিবাং মাল্টিপারপাস প্রকল্পের আওতায় পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ চলছে। বাংলাদেশ মনে করে, ব্রহ্মপুত্রে একাধিক বাঁধ দিয়ে পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প করলে বাংলাদেশের পরিবেশের দারুণ ক্ষতি হবে।
কারণ, পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো চালু রাখতে শুষ্ক মৌসুমে পানির মজুত বাড়াতে হবে ভারতকে এবং নদীর গতিপথও পরিবর্তন করতে হবে। এটি করা হলে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সুতরাং দেশের ভূ-প্রকৃতি, জনজীবন তথা সার্বভৌমত্ব বিরোধী এহেন পরিকল্পনা সরকারকে তালাক দিতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, দেশের আভ্যন্তরীন উৎসও সম্পদ থেকে যথাযথ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা গেলে দেশ শুধু বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণই নয় বরং ইনশাআল্লাহ রফতানীতেও হবে সক্ষমও হবে ইনশাআল্লাহ।
সুতরাং সে সমৃদ্ধির পথে না গিয়ে, দেশকে বহুবিধ বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে, নামকাওয়াস্তে বিদ্যুৎ আহরণের প্রক্রিয়া থেকে বাংলাদেশ সরকারকে এক্ষনি জোরালো ভাবে এবং স্পষ্টভাষায় ভারতকে না বলতে হবে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পরিবেশের তথাকথিত যুক্তিতেই বরং সেপ্টেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত নারিকেল দ্বীপ খোলা রাখলে জীবন-জীবিকা, পরিবেশ এবং সার্বভৌমত্ব সমুন্নত থাকে। নারিকেল দ্বীপ জনযোগাযোগ মুক্ত থাকায় আরাকান আর্মি নারিকেল দ্বীপ দখলের দুঃস্বপ্ন দেখে, এদেশের জেলেদের আটক করে।
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
স্কুল শিক্ষায় নতুন ৪ বই অনুমোদন হারাম খেলাধুলা, মেয়েদের খেলাধূলায় অগ্রনী হওয়া, নাচ-গান ইত্যাদি অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে পাঠ্যপুস্তকে।
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ আজ।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান মহাপবিত্র ১১ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহাব্বুন নাসি ইলান নাবিয়্যি, সাইয়্যিদাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, যাকিয়্যাহ, রদ্বিয়্যাহ, মারদ্বিয়্যাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাবুল ইলম, কুতুবুল আলম, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চিনিকলগুলো থেকে বাণিজ্যিকভাবে ভিনেগার, জৈব দ্রাবক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সহ রাসায়নিক সামগ্রী সহ-উৎপাদক হিসেবে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া সম্ভব।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা, ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা সর্বোপরি উনার নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সব নারীদের জন্য ফরয।
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তিউনিসিয়া এবং পেরু, পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনলেও বাংলাদেশ কেনো সক্ষম হচ্ছে না।
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূলিল্লাহ আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূলিল্লাহ আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাবেক সরকার নারিকেল দ্বীপে পর্যটক বন্ধ করে- দেশে নাগরিকের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার, জীবন জীবিকার অধিকার চরমভাবে ক্ষুন্ন করেছে।
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












