SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুসলমানগণ%' OR titleBn LIKE '%মুসলমানগণ%' OR descriptionEn LIKE '%মুসলমানগণ%' OR descriptionBn LIKE '%মুসলমানগণ%' OR slug LIKE '%মুসলমানগণ%' OR metaTag LIKE '%মুসলমানগণ%' OR metaDescription LIKE '%মুসলমানগণ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বর্তমান বিশ্বে মুসলমানরা এক চরম দুরবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কাফির-মুশরিকরা তো রয়েছেই, সাথে সাথে কাফির-মুশরিকদের সন্তুষ্টি অর্জনে মুসলিম দেশগুলোর শাসকরাও নিজ দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচারের স্টীমরোলার চালাচ্ছে। কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ সাজার জন্য মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার খর্ব করে, উগ্র হিন্দু-উপজাতি সন্ত্রাসীদের প্রাধান্য বিস্তারে যাবতীয় সহায়তা করছে সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা।
বর্তমান মুসলিম দেশগুলোর শাসকরা কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ ইমেজ ধরে রাখতে গিয়ে কাফিরদের গোলাম হয়। সংখ্যালঘু বিধর্মীদের অন্যায় আবদার মেটাতে বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করার পূর্বে অর্থাৎ আহত অবস্থায় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমগণ উনারা আরয করলেন উনার পরবর্তী খলীফা মনোনীত করার জন্য। তখন তিনি বললেন, আমি ছয় জনের সম্মানিত নাম মুবারক ঘোষণা করে যাচ্ছি। উনাদের মধ্য হতে যে কোনো একজনকে তিন দিনের মধ্যে খলীফা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
উল্লেখিত ছয়জন হচ্ছেন- আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুন বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরী বর্ষের প্রথম মাস পবিত্র মুহররমুল হারামকে কথিত ‘হিজরী নববর্ষ’ হিসেবে উদযাপন করার জন্য কতিপয় নব্য বিদয়াতী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’ যেন কোমর বেঁধে নেমেছে। তাদের কথা হলো, বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দেশ হওয়া সত্ত্বেও কেনো এদেশে হিজরী নববর্ষকে বরণ করতে উলামায়ে কিরাম ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন না।
তারা পত্রিকায় “স্বাগতম হিজরী নববর্ষ” শিরোনামে লিখা পত্রস্থ করে বলে যে, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে আলিম উলামা, পীর-মাশায়িখ ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের বুদ্ধিজীবিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে হিজরী নববর্ষ পালনের আয়োজন করতে হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
অথচ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা তাওবাহ শরীফ উনার ৩৬ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় বিশ্বখ্যাত তাফসীর গ্রন্থসমূহে বিশেষ করে ‘আহকামুল কুরআন লিল জাছছাছ হানাফী মাতুরীদী’ নামক তাফসীরে লিখিত আছে, “পবিত্র হারাম মাসগুলোর এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যে, এতে ইবাদত-বন্দিগী করা হলে বাকি মাসগুলোতেও ইবাদত-বন্দিগী করার তাওফিক ও সাহস লাভ হয়। অনুরূপ কেউ এ মাসগুলোতে পাপ কার্য থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারলে বছরের বাকি মাসগুলোতেও পাপাচার থেকে দূরে থাকা সহজসাধ্য হয়। সুতরাং এ সুযোগের সদ্ব্যবহার থেকে বিরত থাকা অপূরণীয় ক্ষতির কারণ।”
পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ‘পবিত্র সূরা মুনাফিকুন শরীফ’ উনার ৮নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সমস্ত ইজ্জত-সম্মান মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য এবং উনার যিনি রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
আব্বাসীয় যুগে বিজ্ঞানচর্চা; জ্যোতির্বিদ্যা:
আব্বাসীয় যুগে জ্যোতির্বিদ্যারও প্রভূত উন্নতি হয়েছিলো। জ্যোতির্বিদদের মধ্যে মাশাআল্লাহ, সেন্দা বিন আলী, ইয়াহিয়া বিন মনসূর, আবূ মাসার প্রমুখ বিশেষ প্রসিদ্ধি লাভ করেন। আবূ মাসারের লিখিত ‘জিসবায়ে মাসার’ জ্যোতির্বিজ্ঞানের উৎস বলে বিবেচিত হতো। আবুল হাসান দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করে জ্যোতিঃশাস্ত্রের বিশেষ উন্নতি সাধন করেন। ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত আল বাত্তানীর বাতানীর জ্যোতিঃশাস্ত্রীয় তালিকাসমূহ বহু শতাব্দী ধরে ইউরোপের জ্যোতিঃশাস্ত্রের ভিত্তিরূপে গৃহীত হয়েছিলো। আবাসীয় শাসক বাকি অংশ পড়ুন...
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। বিশ্বব্যাপী পালিত হবে পবিত্র কুরবানীর ঈদ। মুসলমানরা এই দিনে পশু কুরবানী করবেন মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের জন্য। পাশাপাশি, সম্মানিত শরীয়ত উনার রীতিনীতি পালনের মাধ্যমে এই দিনে মুসলমানগণ খুশি প্রকাশ করে থাকেন। পূর্বের মুসলমান শাসনগুলোতেও পবিত্র কুরবানীর ঈদ বিশেষ রীতিনীতির সাথে পালিত হতো। বিশেষ করে পবিত্র এই দিবস উনার সাথে ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় সালতানাতের বিশেষ কিছু তাহযীব জড়িত রয়েছে।
তুরস্কে পবিত্র কুরবানীর ঈদ ‘কুরবান বাইরাম’ নামে পরিচিত। উসমানীয়রা পবিত্র কুরবানীর ঈদ অত্যন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
গরুর গোশত খাওয়া সুন্নত কি-না?
তাছাড়া হযরত মুহম্মদ ইবনে ইউসুফ ছালেহী শামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্ববিখ্যাত সীরাতগ্রন্থ ‘সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ’ উনার মধ্যে উপরোক্ত হাদীছ শরীফখানা উল্লেখ করেছেন। আর সেই বাবের নাম দিয়েছেন-
فيما أكله صلى الله عليه وسلم من لحوم الحيوانات
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সমস্ত প্রাণীর গোশত খেয়েছেন। (সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ ৭/১৮৬)
এখান থেকেও প্রমাণিত হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গরুর গোশত খেয়েছেন।
নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
জানার বিষয় হচ্ছে, যে ব্যক্তি তাক্বওয়া অবলম্বন করবে সে হজ্জ পালনে উপরোক্ত কাজ করা থেকে বিরত থাকবে। অন্যথায় মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক লঙ্ঘন করা হবে। আর যারা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক লঙ্ঘন করবে তাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
مَنْ يَعْصِ اللهَ وَ رَسُوْلَه وَ يَتَعَدَّ حُدُوْدَه يُدْخِلْهُ نَارًا خَالِدًا فِيْهَا وَ لَه عَذَابٌ مُّهِيْنٌ
অর্থ: যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নাফরমানী করবে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে; তিনি তাকে জাহান্নামে প্রবে বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা:
উমাইয়াদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির অনেক উন্নতি সাধিত হয়। উমাইয়া শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিজ্ঞান বিষয়ক অনেক বই পুস্তক আরবীতে অনূদিত হয়। জ্যোতির্বিদ্যা, ক্ষেত্র তত্ত্ব, চিকিৎসা, বীজগণিত, নৌ-চালনা, ভূগোল প্রভৃতি বিষয়ের উন্নতির সূচনা করে উমাইয়া শাসকরা।
আব্বাসীয় শাসকদের অবদান:
আব্বাসীয় যুগকে শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ বলা হয়। শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায়ই তাদের অবদানে সমৃদ্ধ। আব্বাসীয় আমলে সালতানাতের সকল অঞ্চলে অসংখ্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাগদাদ, কায়রো ও কর্ডোভায় উচ্ বাকি অংশ পড়ুন...












