SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মাসউদ%' OR titleBn LIKE '%মাসউদ%' OR descriptionEn LIKE '%মাসউদ%' OR descriptionBn LIKE '%মাসউদ%' OR slug LIKE '%মাসউদ%' OR metaTag LIKE '%মাসউদ%' OR metaDescription LIKE '%মাসউদ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ফজর নামাযে ‘কুনূতে নাযিলা’ পড়া জায়িয নেই
হানাফী মাযহাবের ফতওয়া হলো, একমাত্র বিতর নামায ব্যতীত অন্য কোন নামাযে ‘কুনূত’ পড়া জায়িয নেই। জমহুর উলামায়ে কিরামও এ মতেরই প্রবক্তা। সুতরাং হানাফী মাযহাবের ফতওয়া মুতাবিক ফজরের নামাযে ‘কুনূতে নাযিলা’ পাঠ করা নাজায়িয এবং নামাযের বাইরের জিনিস পাঠ করার কারণে নামায ফাসিদ বা বাতিল হওয়ার কারণ।
যেমন, এ প্রসঙ্গে “শরহে মায়ানিল আছার” (তাহাবী শরীফ) নামক কিতাবে উল্লেখ আছে যে-
لَايَنْبَغِى الْقُنُوْتُ فِى الْفَجْرِ فِىْ حَالِ حَرْبٍ وَلَاغَيْرِهٖ وَهٰذَا قَوْلُ اَبِىْ حَنِيْفَةَ وَاَبِىْ يُوْسُفَ وَمُـحَمَّدٍ رَحِـمَهُمُ اللهُ.
অর্থ : যুদ্ধঠবাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত মুফাস্সির আল্লামা ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “তাফসীরে ইবনে কাছীরের” ৮ম খ-, ৩-৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন-
قَالَ اِبْنُ مَسْعُوْدٍ فِى قَوْلِهٖ تَعَالٰى وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ....... قَالَ هُوَ وَاللهِ اَلْغِنَاءُ ....... وَكَذَا قَالَ اِبْنُ عَبَّاسٍ وَجَابِرٍ وَعِكْرَمَةَ وَسَعِيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ وَمُجَاهِدٍ وَمَكْحُوْلٍ وَعَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ وَعَلِىِّ بْنِ بُذَيْمَةَ وَقَالَ حَسَنُ الْبَصْرِىِّ نَزَلَتْ هٰذِهِ الْاٰيَةُ فِى الْغِنَاءِ وَالْمَزَامِيْرِ.
অর্থ: বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি لَهْوَ الْحَدِيثِ -এর ব্যখ্যায় বলেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! لَهْÙ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিতে ইরানের জনগণ ভীত নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। একই সঙ্গে যুদ্ধের অবসানে তেহরানের নির্ধারিত শর্তগুলোতে ছাড় না দেওয়ার অবস্থানও বজায় রেখেছে ইরান।
তেহরানে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ ও যাযাবর জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা প্রদর্শনীতে বক্তব্য দিতে গিয়ে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইরানের জনগণ শত্রুর হুমকিতে ভয় পায় না।’
বরং তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ইরানিরা যত দিন বেঁচে থাকবে, তত দিন তারা তাদের বীরত্বপূর্ণ দেশের গর্বিত জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।’
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, ওয়াশিংটন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। সাইà§ বাকি অংশ পড়ুন...
যে সমস্ত মহিলারা কাফির মুশরিকদের পক্ষ অবলম্বন করে যুদ্ধে আগমন করেছিলো। তাদের পঠিত কবিতা শুনে কাফির মুশরিকদের সবাই একযোগে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়লো। সে সমস্ত মহিলাদের কয়েকজনের নাম নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
১. হযরত হিন্দা বিনতে উতবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। তিনি ছিলেন হযরত আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিতা আহলিয়া এবং হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিতা মাতা।
২. হযরত উম্মে হাকীম বিনতে হারিছ ইবনে হিশাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। তিনি ছিলেন হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার আহলিয়া বাকি অংশ পড়ুন...
কুরাইশ কাফির মুশরিকরা মধ্যস্ততাকারী প্রেরণ:
আলোচনায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাকেও সে সব কথাই বললেন, যা তিনি হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে এবং পরবর্তীতে কুরাইশ কাফির-মুশরিকদের পক্ষ থেকে প্রেরিত মিকরায বিন হাফেস্কে বলেছিলেন। প্রত্যুত্তরে উরওয়া বললো, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যদি আপনি নিজ জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেন, তবে কি আপনার পূর্বের কোন আরব সম্পর্কে শুনেছেন যে, সে নিজ জাতিকে সমূলে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছà§ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত গাযওয়াতুল হুদাইবিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ মুবারক:
অতঃপর হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি কুরাইশগণের নিকট গিয়ে বললেন, ‘আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সঙ্গে সাক্ষাত মুবারক করে এসেছি। আমি উনার নিকট একটা কথা শুনেছি, যদি তোমরা চাও তাহলে আমি তোমাদের নিকট তা উপস্থাপন করবো।’ এ কথার প্রেক্ষিতে নির্বোধ এবং স্বল্প বুদ্ধিসম্পন্ন লোকেরা বললো, ‘আমাদের এমন কোন প্রয়োজন নেই যে, আপনি কোন কথা আমাদের নিকট বর্ণনা করেন।’ কিন্তু যারা বুদ্ধিমান তারা বললো, ‘আপনি নূরে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا اَيُّهَا الَّذِينَ امَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে পবিত্র ছলাত বা পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করেন। হে ঈমানদার ব বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
উনাকে বলা হলো- তিনি হচ্ছেন যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে হাবীবুল্লাহ। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম! এবং যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত মুবারক উনার মাঝেই তিনি বিছাল শরীফ গ্রহণ করেছেন। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
কাজেই সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা করা যে কতটুকু ফযীলতপূর্ণ তা বুঝার জন্য এই আয়াত শরীফ বা এই ওয়াকেয়া শরীফ যদি ফিকির করা হয় তাহলে সেটাই যথেষ্ট হবে। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
অন্য দিকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ সাইয়à বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
এখানে বলা হচ্ছে যে আমাদের করণীয় কি? আমাদের করণীয় হচ্ছে, এই যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে এতো শিক্ষা দিলেন। সেইজন্য আমাদের করণীয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নুসরাত এবং তা’যীর করা। অর্থাৎ উনার খিদমত করা এবং উনার সাথে নাযিলকৃত নূর মুবারক অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনুসরণ করা তাহলে আমরা সফলকাম হতে পারবো। অর্থাৎ তাহলেই হক্ব আদায় হবে। এখানে এই নুসরাত এবং তা’যীরের বিষয়টা যেটা একটা হক্ব। আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য উন বাকি অংশ পড়ুন...












