খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, কুতুবুল আলম, বাহরুল উলুম, ছাহিবু সুলতানিন নাছীর, জামিউল মাক্বাম, জামিউন নিসবত, জামিউল আলক্বাব, ফখরুল আউলিয়া, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আল মানছূর, নূরে মুকাররম, মুহিউদ্দীন, মুঈনুদ্দীন, বাহাউদ্দীন, নূরুদ্দীন, বদরুদ্দীন, ছানীয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক
, ০৯ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ
(৬ষ্ঠ পৃষ্ঠার পর)
আনুগত্যতার ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন সূরা ইউনূস শরীফের ৬৪ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
وَمَا أَرْسَلْنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا لِيُطَاعَ بِإِذْنِ اللَّهِ ۚ
রসূলগণ উনাদেরকে প্রেরণ করাই হয় আনুগত্য করার জন্য। অন্যত্র মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন ইরশাদ মুবারক করেন-
أَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
তোমরা যদি মু’মিন হয়ে থাকো তাহলে তোমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে যে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উনাদের আনুগত্য করা। এখান থেকে সুস্পষ্ট যেটা বুঝা গেল যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্যতা করাটাও আমাদের উপর উনার একটা হক্ব। এখন এই আনুগত্যর হক্বটা কিভাবে আদায় করতে হবে? সেটার দৃষ্টান্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে আমরা দেখতে পাই। উদাহরণ স্বরূপ ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের জিবনী মুবারক থেকে আনুগত্যের একটা ওয়াকিয়া উল্লেখ করছি। মুতার জিহাদের পূর্বে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, এই যুদ্ধে যায়েদ ইবনে হারিছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি পতাকা ধরবেন। অতঃপর তিনি শহীদ হলে জাফর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু পতাকা ধরবেন। এবং তিনি শহীদ হয়ে গেলে আব্দুল্লাহ ইবনে রাফে’ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি পতাকা ধরবেন। তা এখান থেকে যে জিনিসটা স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল যে, যায়েদ ইবনে হারিছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি শহীদ হয়ে যাবেন। এরপর জাফর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিও শহীদ হয়ে যাবেন। এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে রাফে’ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কাছে শেষ পর্যন্ত সেটা যাবেন। তা উনারা কিন্তু সেটা বুঝতেই পারছিলেন। কিন্তু এটা উনারা বুঝেও উনারা জেনেও উনারা ঐ জিহাদে গিয়েছিলেন। এবং কোনো কথা বার্তা উনারা বলেননি এবং উনারা এটার উপর ইস্তিকামত ছিলেন। এবং উনাদের কিন্তু পরিবার সন্তান ছিলেন। উনারা কিন্তু ওটা উনাদের পরিবার সন্তান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জিম্মায় রেখে উনারা গিয়েছিলেন। তাহলে এখন ফিকির করতে হবে যে, আমাদেরকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কেমন আনুগত্য করতে হবে? উনারা কিন্তু জানতেন যে উনারা গেলে আর ফিরে আসবেন না। জানটা দিয়ে দিতে হবে, জীবন চলে যাবে। জান দেয়া কিন্তু অনেক কঠিন বিষয়। কিন্তু উনারা জেনে ওখানে গেছেন। আচ্ছা এরপরে আসি ইত্তেবা বা অনুসরণের আলোচনায়। ইহা সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি কালামুল্লাহ শরীফ সূরা আ’রাফ শরীফের ১৫৮ আয়াত শরীফের মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন, মূলত এই আয়াত শরীফটা দুইটা হাক্বীক্বতের কথা বলা হয়েছে। একটা হচ্ছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে ঈমান আনতে হবে। যেটা আমরা পূর্বে আলোচনা করেছি এবং আরেকটা হচ্ছে উনার ইত্তেবা বা অনুসরণ করতে হবে। যেটা আমি এখন আলোচনা করবো! বিষয়টা পরিস্কার হওয়ার জন্য আমি আয়াত শরীফটা আবারও পাঠ করছি-
يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكُمْ جَمِيعًا الَّذِي لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ يُحْيِي وَيُمِيتُ ۖ فَآمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ الَّذِي يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَكَلِمَاتِهِ وَاتَّبِعُوهُ لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
আচ্ছা! এখানে প্রথম অংশতে ঈমান আনার কথা বলা হয়েছে যে, النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ আর পরের অংশে বলা হচ্ছে যে, وَاتَّبِعُوهُ অর্থাৎ তোমরা উনার ইত্তেবা করো! لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ তাহলেই তোমরা হেদায়েতপ্রাপ্ত হবে। অর্থাৎ হক্বটা তখন আদায় হবে, আরকি। আচ্ছা! এই আয়াত শরীফের মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে আমাদের আরেকটা হক্ব হলো ইত্তেবা করা। আচ্ছা! এই ইত্তেবাটা কিভাবে করতে হবে? এটাও আমরা ছাহাবায়ে কিরাম উনাদের জীবনী মুবারকে দেখতে পাই। এবার এক্ষেত্রে ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার একটা বানী মুবারক আছেন, উনি বলছিলেন যে-
شيء صنعه النبي صلى الله عليه وسلم فلا نحب أن نتركه"
যে কাজটা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম করেছেন সেটাকে তরক্ব করা বা ছেড়ে দেওয়াটা আমরা পছন্দ করি না। অর্থাৎ করাটাই আমরা পছন্দ করি। এক্ষেত্রে উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে- যে একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি একবার আংটি মুবারক পড়লেন তখন সব ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনার অনুসরণে আংটি মুবারক পড়া শুরু করলেন। এরপর আবার উনি আংটি পড়া বাদ দিয়ে দিলেন, আবার সবাই বাদ দিয়ে দিলেন। উনি কিন্তু কাউকে আদেশও করেন নাই, নিষেধও করে নাই। উনি পড়া শুরু করে দিয়েছেন সবাই পড়া শুরু করে দিয়েছেন। উনি পড়া বাদ দিয়ে দিয়েছেন সবাই পড়া বাদ দিয়ে দিয়েছেন। উনারা সবাই এইভাবে অনুসরণ করতেন। আর একটা ঘটনা বলা যেতে পারে- একটা ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফের আগের ঘটনাটা। এটা আমরা অনেকেই জানি। যে উনার বিছাল শরীফের আগ মুহুর্তে একদম অন্তিম কালে উনি উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করতেছিলেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে কাফন মুবারক পড়ানো হয়েছে ওখানে কয় কাপড় ছিলো? তো উনি বললেন তিন কাপড়। আচ্ছা! তো পরে আবার জিজ্ঞাসা করলেন, উনার বিছাল শান মুবারক প্রকাশ করেন ওইদিন কি বার ছিল? তো উনি বললেন যে, ইয়াওমুল ইছনাইনীল আযীম শরীফ। তো জিজ্ঞাস করলেন আজকে কি বার? তো বললেন যে, ইয়াওমুল ইছনাইনীল আযীম শরীফ। তখন উনি বললেন যে আজকে যদি, আমার যদি আজকেই বিছাল শরীফটা হতো, চিন্তা-ফিকিরের বিষয় যে, উনার একদম শেষ সময়, এসময় তো মানুষের শরীর অনেক অসুস্থ থাকে, অনেক দুর্বল থাকে। ওই সময়ও উনার ইত্তেবা করার খেয়াল ছুটে যায় নাই। এরপরে ইত্তেবাতো মানে শুধু শুধু এরকম বলতে পারতেন, তিন কাপড়ের কাফন মুবারক পড়ানো হয়েছে আমাকে এটা দিয়েন। ওইটাতো উনি বলছেনই। যেটা নাকি উনার, মানে মানুষ কবে ইন্তেকাল করবে এটাতো আল্লাহ পাক নির্ধারণ করেন। ওইটাতেও যদি ইত্তেবা হয় ওইটাও উনার ইচ্ছা। কত উনারা মানে ইত্তেবা করার জন্য ব্যাকুল ছিলেন। কিভাবে উনারা করতেন? প্রত্যেক বিষয় ধরে ধরে উনারা অনুসরণ করতেন। কাজেই আমাদেরও এখান থেকে শিখতে হবে। আসলে আমাদেরও এইভাবে অনুসরণ করতে হবে। আচ্ছা! এরপরে তৃতীয় ভাগে যেটা রয়েছে সেটা হচ্ছে নুসরাত এবং তা’যীর। মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আ’রাফ শরীফের ১৫৭ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
فَالَّذِينَ آمَنُوا بِهِ وَعَزَّرُوهُ وَنَصَرُوهُ وَاتَّبَعُوا النُّورَ الَّذِي أُنزِلَ مَعَهُ ۙ أُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান এনেছেন উনাকে সম্মান করেছেন এবং উনার খিদমতের আনজাম দিয়েছেন এবং সেই নূর অনুসরণ করেছেন যা উনার সাথে অবতীর্ণ হয়েছেন উনারাই সফলকাম। এই আয়াত শরীফ হচ্ছে ঐ আয়াত শরীফের পরের অংশ যেটা আমি পূর্বে বলেছি। যেখানে বলা হয়েছিল, তিনি আমাদেরকে সৎ কাজ অসৎ কাজ চিনিয়েছেন, পবিত্রতা ও অপবিত্রতা শিখিয়েছেন। আমাদের কাধের বোঝা এবং হাত পায়ের বেরি খুলে দিয়েছেন। সেই আয়াত শরীফেরই পরের অংশ। এখানে বলা হচ্ছে যে আমাদের করণীয় কি? আমাদের করণীয় হচ্ছে এই যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে এতো শিক্ষা দিলেন। সেইজন্য আমাদের করণীয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নুসরাত এবং তা’যীর করা। অর্থাৎ উনার খিদমত করা এবং উনার সাথে নাযিলকৃত নূর মুবারক অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনুসরণ করা তাহলে আমরা সফলকাম হতে পারবো। অর্থাৎ তাহলেই হক্ব আদায় হবে। তা এখানে এই নুসরাত এবং তা’যীরের বিষয়টা যেটা একটা হক্ব। আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য উনি যেহেতু আমাদের শিখিয়েছেন এখানে এটা বলা হয়েছে। আচ্ছা! এখন প্রশ্ন হচ্ছে নুসরাত এবং তা’যীর কি? নুসরাত এবং তা’যীর হচ্ছে খিদমত করা। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাজসমূহ সম্পাদনে আনজাম দেওয়া, কাজসমূহ সম্পাদনে জরুরী জিনিসপত্র সরবরাহ করা, উনার কাজসমূহ সম্পাদনে যত ধরণের বাধা প্রতিদ্বন্দ্বি রয়েছে সেগুলো দুর করা এগুলো সবই নুসরাত এবং তা’যীরের অন্তর্ভূক্ত। এখানে কাজ বলতে উনার যত ধরণের কাজ রয়েছে ঘরের কাজ, বাহিরের কাজ, দাওয়াতের কাজ, তা’লীমের কাজ, জিহাদের কাজ আরো যত রকমের কাজ রয়েছে সব কাজেই এটার অন্তর্ভূক্ত। আমরা ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের জীবনী মুবারক পড়লে দেখতে পাই যে, উনাদের হায়াত মুবারকের একটা বড় অংশ কেটেছে এই নুসরাত এবং তা’যীর করে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাতো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সরাসরি পেয়েছেন। এবং সরাসরি উনার নুসরাত এবং তা’যীরের হক্ব আদায় করেছেন। কিন্তু আমরাতো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সরাসরি পাইনি। তাহলে আমরা কিভাবে উনার নুসরাত এবং তা’যীরের হক্ব আদায় করবো? আচ্ছা! এটার উত্তর হচ্ছে যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা রেখে গিয়েছেন সেগুলার খিদমতের আনজাম দেওয়া। যে ইলিম তা’লীম আদর্শ, ¯েœহ, দ্বীন, দাওয়াত এগুলো রেখে গেছেন এগুলোর খিদমতের আনজাম দেওয়া। উনার প্রচার-প্রসার করা অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রচার-প্রসার করা। উনার হক্ব সমূহ মানুষকে জানানো, উনার বিরুদ্ধকারীদের প্রতিহত করা, উনার রেখে যাওয়া বিষয় সমূহের যারা বিরোধিতা করে তাদের প্রতিহত করা, এগুলোর মাধ্যমে আমরা নুসরাত এবং তা’যীরের হক্ব আদায় করতে পারি। আচ্ছা! এরপরে চতুর্থ ভাগ যেটা রয়েছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তাওকীর এবং তা’যীম অর্থাৎ সম্মান করা। আচ্ছা! এই সম্পর্কে আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا لِّتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُ
এখানে যেটা বলা হচ্ছে যে, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি شَاهِدًا প্রত্যক্ষদর্শী বা مُبَشِّرً نَذِيرًا সুুসংবাদদাতা সতর্ককারী হিসেবে। যেন তারা لِّتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ যেন তারা ঈমান আনে আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপরে وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُ তা’যীর করে যেটা আগে আলোচনা হয়েছে এবং وَتُوَقِّرُوهُ এখানে তাওকীর শব্দটা এসেছে। যে উনাকে যে প্রেরণ করা হয়েছে شَاهِدًا مُبَشِّرًا نَذِيرًا হিসেবে, এইজন্য আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে উনাকে, উনার ঈমান আনা তা’যীর করা এবং তাওকীর করা। আচ্ছা! এই তাওকীর মানে হচ্ছে সম্মান করা। কি। তা’যীম করা। এখন এই সম্মানটা আমরা কিভাবে করবো? সেই সম্মান করাটা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা আমাদের শিখিয়ে গেছেন। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, উনারা কিভাবে তা’যীম করতেন? সেটার উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে যে, উনারা যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছোহবত মুবারকে অবস্থান করতেন তখন উনারা এমন ভাবে থাকতেন মনে হতো যেন উনাদের মাথার উপরে যেন পাখি বসে আছে। অর্থাৎ উনারা ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার সময় কোন নড়াচড়া করতেন না, খুব একা গুরুচিত্রে ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করতেন। তারপর আর একটা বলা যেতে পারে হযরত খতীমুল মুহাজিরীন আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করা হলো যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বড় নাকি আপনি বড়। তিনি জবাবে বললেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার চেয়ে অনেক বড়। তবে আমি উনার পূর্বে বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেছি। কত সুক্ষ কথা! উনারা কিভাবে খেয়াল করতেন, কিভাবে তাবির করতেন। আর একটা উদাহরণ দেয়া যেতে পারে যে, উনাদের সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টা হযরত উরাইব ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি ঈমান আনার পূর্বে। উনি হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় কুরাইশদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন। তো পরে, যাওয়ার পরে, যখন নাকি কুরাইশদের কাছে ফিরে গেলেন উনি গিয়ে বললেন যে, হে আমার ক্বওম! মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! আমি দুনিয়াবী অনেক শাসকদের কাছে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছি, কায়সার, কিসরা, নাজ্জাসী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের কাছেও প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছি। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেভাবে তা’যীম- তাকরীম মুবারক করেন সেভাবে আমি আর কাউকে করতে দেখিনি এবং তিনি আবার বলতেছেন যে, মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! তিনি যখনই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল বারাকাত মুবারক অর্থাৎ থুথু মুবারক ফেলেন তখন উনাদের কেউ না কেউ, তা উনাদের হাতে নিয়ে নিতেন। মানে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তো সম্মান করতেনই। উনার নূরুল বারাকাত মুবারকেউ সম্মান করতেন। ওটাও নিয়ে নিতেন এবং ওইটা নিয়ে উনারা উনাদের চেহারা এবং শরীর মুবারকে মাখতেন। এবং উনাদেরকে যখন কোনো আদেশ মুবারক করতেন উনারা সঙ্গে সঙ্গে তা পালন করতেন। কোনো দেরী নেই এবং তিনি যখন সম্মানিত ওযূ মুবারক করতেন তখন উনার ওযূ মুবারকের পানির জন্য ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা, উনি আরবীতে যে শব্দটা ব্যবহার করছিলেন كاد يبتدئ মানে হচ্ছে যুদ্ধ শুরু করে দিতেন। ওটা কে নিবেন এজন্য। তা, তিনি যখন এবং এরপরে তিনি যখন নাকি, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি যখন নাকি কথা মুবারক বলতেন তখন উনারা উনাদের কথা চুপ বা নিথর হয়ে যেতেন নাকি এবং উনার দিকে মানে তীক্ষè দৃষ্টিতে তাকাতেন না অর্থাৎ আদবের সহীত তাকাতেন। তো এখান থেকে একটা ধারণা পাওয়া যে উনারা আসলে কি রকম তাওকীর বা সম্মান করতেন। আমাদেরকে ওখান থেকে দেখে শিখতে হবে এবং সেই অনুযায়ী আমল করার কোশেশ করতে হবে। আচ্ছা এরপরে পঞ্চম ভাগে যেইটা আমি চাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাছল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করা। আচ্ছা! এই প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥٓ أَحَقُّ أَن يُرْضُوهُ إِن كَانُواْ مُؤْمِنِينَ
তোমরা যদি মু’মিন হয়ে থাকো তাহলে তোমাদের প্রতি হক্ব হচ্ছে, মানে, আল্লাহ পাক এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হক্ব আরকি যে, উনাদেরকে সন্তুষ্ট করা। আচ্ছা! এবং এই সম্মানিত হক্বের ক্ষেত্রে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনারা সবসময় একটু কোশেশ করতেন এবং উনারা সবসময় চেষ্টা করতেন যে আসলে কিভাবে উনাকে সন্তুষ্ট করা যায়। এবং উনাদের প্রত্যেকটা কাজ প্রত্যেকটা কথা এবং সব কিছু উনাকে সন্তুষ্ট করার কেন্দ্র করে উনারা করতেন। আচ্ছা! তা আমাদের সব সময় খেয়াল করতে হবে। এখানে একটা নিয়তের একটা বিষয় আছে আসলে এটা একটা নিয়তের সাথে সম্পৃক্ত। যে আমি যে কাজটা করতেছি আসলে এটা কোন নিয়তে করতেছি। সন্তুষ্টির নিয়তে করলে এক রকম। আরেক নিয়তে করলে আরেক করম আরকি। আচ্ছা! আর সপ্তম ভাগে যেটা রয়েছে সেটা হচ্ছে যে ছলাত-সালাম পেশ করা। আচ্ছা! এটা তো আমরা জানি যে, এই ব্যাপারে যেটা আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেছেন যে-
﴿ إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا﴾
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ছলাত পাঠ করেন এবং ঈমানদারকে বলা হচ্ছে যে আপনাদেরও দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে ছলাত সালাম পেশ করা। এটা হলো আরেকটা হক্ব। এবং এই হক্বটা হচ্ছে আসলে অন্যান্য হক্বের যত ত্রুটি বিচ্ছুতি আছে, সেগুলোকে আসলে পুরণ করে দেয়। আমরা যত হক্ব আদায় করিনা কেন আসলে আমাদের হক্বটা আদায় হয় না আসলে। অনেক ভুল – ত্রুটি থাকে। তা এই ছলাতটা হচ্ছে এই রকম একটা বিষয় যেটা মাধ্যম দিয়ে আমাদের যে সকল ত্রুটি বিচ্ছুতি থাকে ওইটা আসলে এইটা গুছিয়ে দেয়। আচ্ছা তো এটা কিভাবে করতে হবে? এই ব্যাপারে হাদীছ শরীফ তো আমরা সবাই জানি উবাই ইবনে কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হাদীছ শরীফ। উবাই ইবনে কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি যখন জিঙ্গাসা করলেন যে আমি তো অনেক বেশী বেশী দরুদ শরীফ পড়তে চাই। তো কি পরিমাণ পড়বো? তখন উনি বললেন যে, আপনার ইচ্ছা হুযূর পাক ছল্লাছল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি ইরশাদ মুবারক করলেন। বললেন তাহলে এক চতুর্থাংশ পড়ি। উনি বললেন যে আপনার ইচ্ছা বেশী করলে আপনার জন্যই ভালো। তা বললেন যে, অর্থেক। তখনও বললেন আপনার ইচ্ছা। তবে বেশী করলে ওটা আপনার জন্য আরো ভালো। এরপরে বললেন যে, তৃতীয়াংশ। এরপরে তখনও বললেন, আপনার ইচ্ছা বেশী করতে পারলে ভালো। উনি বললেন যে أجعل لك صلاتي كلها আমি সব সময় আপনার জন্য দরুদ শরীফ পড়বো। তখন তিনি যেটা বললেন যে, তাহলে আপনার যাবতীয় আকাংক্ষা পূরণ হবে এবং গুণাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। তো দরুদ শরীফটা হচ্ছে এই রকম একটা হক্ব যেটা নাকি আমাদের অন্যান্য হক্ব আদায়ের যে ত্রুটি বিচ্ছুতি থাকে সেটা আসলে গুছিয়ে দেওয়া হয়, আরকি। আমরাতো আসলে কিছুই করতে পারিনা। আমাদের পক্ষে কিছুই করা সম্ভব না। কিন্তু দরুদ শরীফ পাঠটা হচ্ছে যে আল্লাহ পাক আসলে এইটা আমাদের পক্ষ থেকে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে যে ছলাত সালামটা পেশ করেন ওইটাই আসলে ওইটা একটা ইয়া হিসেবে থাকে যায় আরকি। আচ্ছা! এই ছিল আমাদের সাত ভাগে বিভক্ত হওয়া সম্পূর্ণ আলোচনা।
আচ্ছা! আমাদের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হক্ব সমূহ আদায় আসলে কোশেশ করা। আর আর একটা হচ্ছে আসলে কি এই হক্ব আদায় করাটা হলো দায়েমী বিষয়। নামায যেমন আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত পড়তে হয়। পাঁচ ওয়াক্ত পড়তে থাকতে হবে। এটাই কর্তব্য। ওটা আল্লাহ পাক উনি নির্দেশ করেছেন। ওটা উনার হক্বের মধ্যে পড়ে। এরকম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হক্বের মধ্যে যেটা পড়ে ওটা আসলে আমাদের দায়েমী করতে থাকতে হয়। মানে একবার করলাম আরেকবার করলাম না এটা আসলে হয় না। নামায এক ওয়াক্ত পড়লেন আরেক ওয়াক্ত পড়লেন না এটা হয়। না এটা হয়। হক্ক আদায় হয় না। এখানে যে বিষয়টা আছে সেই বিষয়গুলো সবগুলা ওই দায়েমীতে মশগুল থাকতে হবে আরকি। তখন আসলে হক্ব আদায় হবে। এরপরেও ভুল ত্রুটি হবে। আমাদের ভুল ত্রুটি থাকে। আমাদের অনেক ঘাটতি আছে। অনেক নফসানী আছে। ওটা হয়ে যাওয়ার জন্য এগুলোর শেষে যেটা দরুদ শরীফ ছলাত সালাম যেটা ওটা আদায় করতে হবে। কাজেই যিনি খ¦লিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি আমাদের এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে হক্ব সমূহ আদায় করার কোশেশে মশগুল থাকার তৌফিক দান করুন। এবং উনাদের খালিছ সন্তুষ্টি রেযামন্দি হাছিল করার তৌফিক দান করুন।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এক নযরে উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘আহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ
২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা মাওলানা হযরত আন নূরুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুবারক খিদমতে হযরত বড় পীর ছাহেব রহমতুল্লহি আলাইহি এবং হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৯শে শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! রাইহানাতা মুর্শিদিনা, নূরে মদীনা, গুলে মুবীনা, নাক্বীবাতুন নিসা, আকরামে রহমানী, হাবীবাতুল্লাহ, ত্বাহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম আলাইহিমাস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হযরত শাহ্ নাওয়াসা-শাহ্ নাওয়াসী আলাইহমিুস সালাম-আলাইহন্নিাস সালাম উনাদরে বমেছোল খুছূছয়িাত মুবারক
১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদাতান নিসায়ি আলাল আলামীন, জান্নাতী মেহমান সাইয়্যিদাতাল উমাম হযরত শাহ নাওয়াসী ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক
১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এক নযরে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক
০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এক নযরে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘আহ্ ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক
০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত জিন-ইনসানকে জাহান্নামে যত শাস্তি দেয়া হবে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তি শহীদ করেছে, তাকে এককভাবে সকলের অর্ধেক শাস্তি দেয়া হবে
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












