জাহানীয়া মসজিদ ভারতের জান্নাতবাদে বিদ্যমান সুলতানি আমলের সর্বশেষ ঐতিহাসিক নিদর্শন। এ মসজিদকে আবার স্থানীয় অনেকে মিয়ার মসজিদ বা ‘ঝনঝনিয়া মসজিদ’ও বলে থাকে। মসজিদের দরজার উপরের একটি শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, ১৫৩৫ খৃ: সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এর পুত্র সুলতান গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ এর শাসনামলে মালতি বিবি নামে একজন এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মাণ করেন। ‘জাহানীয়া মসজিদ’ নামটি সচরাচর পরিচিত নয়। জাহানীয়া মসজিদের নামটি সুলতানী আমলের মখদুম জাহানীয়া জাহানগাস্ত নামে এক আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নামানুসারে নামকরণ কর বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
“মুসনাদে বাজ্জার” কিতাবের ১ম খ-ের ২১৮ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ: نَزَلَتْ هٰذِهِ الَلآيةُ فِيْ أَهْلِ قُبَاءٍ فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَتَطَهَّرُوْا, وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ. فسألهم رسول الله صلى الله عليه و سلم فقالوا: إنا نتبع الحجارة الماء.
অর্থ: হযরত ইবনে আববাস রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, “মসজিদে কুবা শরীফ উনার অধিবাসীগণ উনাদের সম্পর্কে
فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَّتَطَهَّرُوْا وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ.
এই আয়াত শরীফ নাযিল হয়। অর্থাৎ সেখানে (মসজিদে কুবা শরীফে) এমন অনেক লোক আছ বাকি অংশ পড়ুন...
বেদনাবিধুর ইতিহাসের মুকুরে তাকালে দেখা যায়, যখন পূর্ব আকাশে আগ্রাসী লাল ড্রাগনের নিঃশ^াস আগুনের হলকা হয়ে ঝরে পড়ে, তখন ১১টি বাংলাদেশের সমান বিশাল এক মুসলিম ভূখ- ‘পূর্ব তুর্কিস্তান’ আজ জ্যান্ত কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। ১৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটারের সেই পবিত্র জমিনকে গ্রাস করে নিয়েছে নাস্তিক্যবাদী কমিউনিস্ট চীন। ৩০ কোটি মানুষকে খাঁচায় বন্দি করতে তারা স্থাপন করেছে অগণিত সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা। এটি কেবল নজরদারি নয়, বরং একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ‘কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প’, যেখানে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে মুসলিম অস্তিত্বকে মুছে ফেলার নীল নকশ বাকি অংশ পড়ুন...
৩১. হাদী আল-মুস্তাজিবীন:
অবশেষে যখন আমীর আবুল ফুতূহ এই ঘটনা দেখলো, তখন সে ‘হাদী আল-মুস্তাজিবীন’ এবং তার সাথে থাকা এক মাগরিবী সহযোগীকে ‘বাবুল উমরা’ নামক দরজার কাছে নিয়ে গিয়ে তাদের উভয়ের শিরচ্ছেদ করার আদেশ দেয় এবং তাদেরকে শূলবিদ্ধ করা হয়।
এরপর লোকেরা তাদেরকে পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে, যতক্ষণ না তারা মাটিতে পড়ে যায়। তারপর তাদেরকে একত্রিত করা হয়। অতঃপর তাদের জন্য কাঠ ও হাড় জমা করে তাদের উভয়কে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।
এই খবর সংক্রান্ত ছূফী আবুল ওয়াফা উনার প্রেরিত চিঠিটি ৪১১ হিজরীতে বাগদাদের হাদীছ শরীফ বিশারদ হযরত আবুল ফাতহ ইবনে আবিল ফাওয় বাকি অংশ পড়ুন...
কক্সবাজার সংবাদদাতা:
পাহাড়ের পাদদেশে একখ- জমিতে বোরো ধান চাষ করেছিলেন কৃষক ছাবের আহমেদ (৬৭)। এলাকাটি হাতির বিচরণক্ষেত্র। তার ওপর ধান পেকেছে। পাকা ধানের গন্ধে হাতির পাল হানা দিতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকে ছাবের আহমেদ খেতের পাশে আগুন জ্বালিয়ে সারা রাত পাহারা দেন। ভোরের দিকে হঠাৎ একটি বন্য হাতি নেমে আসে পাহাড় থেকে সাবের সেটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। উন্মত্ত হাতিটি তাকে শুঁড়ে পেঁচিয়ে আছাড় মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কৃষক ছাবেরের।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) ভোরে কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব গজালি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ ফটকের জিপিও লিঙ্ক রোড এলাকায় হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী ও হকারদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের স্বর্ণ গলি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ৯ এপ্রিল বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দক্ষিণ গেটের জিপিও লিঙ্ক রোডের দুই পাশের ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এতে সেখানকার দোকানপাট বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। অভিযানের পরদিনই জুমুয়াবা বাকি অংশ পড়ুন...
বেশুমার ছলাত ও সালাম মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ আক্বা আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক স্মরণে। বেহদ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম শরীফ সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের মুবারক চরণে। দোয়া চাই, করুণা চাই ছহিবু ইলমিল আউওওয়ালি ওয়াল আখিরি, জামি‘উন নি‘য়ামত মামদূহ আক্বা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ত্বাহারাত সম্পর্কিত পবিত্র আয়াত শরীফ:
আর নামাযি ব্যক্তির পাক পবিত্রতা সম্পর্কে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
يَاأَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوْا وُجُوْهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوْا بِرُءُوْسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ وَإِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوْا وَإِنْ كُنْتُمْ مَرْضٰى أَوْ عَلٰى سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِّنْكُمْ مِنَ الْغَائِطِ أَوْ لَامَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوْا مَاءً فَتَيَمَّمُوْا صَعِيْدًا طَيِّبًا فَامْسَحُوْا بِوُجُوْهِكُمْ وَأَيْدِيْكُمْ مِّنْهُ مَايُرِيدُ اللهُ لِيَجْعَلَ عَلَيْكُمْ مِّنْ حَرَجٍ وَلٰكِنْ يُّرِيْدُ لِيُطَهِّرَكُمْ وَ বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ। নগরের পাঁচলাইশ থানার শুলকবহরের আব্দুল্লাহ খাঁন সড়কে এই মসজিদটির অবস্থান।
জানা যায়, মোঘল আমলে এ অঞ্চল অর্থাৎ চট্টগ্রাম যখন ইসলামাবাদ নাম নিয়ে সুবা বাংলার রাজধানী ছিলো, তখনই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ধারণা করা হয়, ১৭৩৭ খৃ: মোঘল সুবেদার শায়েস্তা খাঁনের পৌত্র (নাতি) শেখ বাহার উল্লাহ এ মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। উনার ইন্তেকালের পর মসজিদটি শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই মসজিদ হতে মাত্র ৫০ গজ দূরেই শায়েস্তা খাঁনের রাজমহল। যা বর্তমান কোর্ট হিলে আদালত ভবন প্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিন মুবারকসমূহ উনাদের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল ও শুকুরগুজার বান্দা-বান্দী, উম্মত উনাদের জন্য সম্মানিত আয়াত অর্থাৎ নিদর্শন মুবারক, উপদেশ মুবারক, মুহব্বত-মা’রিফাত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক নিহিত রয়েছেন।” সুবহ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানীর সবুজবাগ থানাধীন রাজারবাগ কদমতলা এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী কর্তৃক মসজিদের জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে মুসল্লিরা মানববন্ধন করেছেন। গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) দুপুরে তারা মসজিদ প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন।
সমাবেশে মুসল্লিরা বলেন, মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ কমপ্লেক্স জামে মসজিদটি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মরহুম হারুনুর রশীদ খান (সাবেক জেলা জজ), মরহুমা আঞ্জুমানারা বেগম এবং সুরাইয়া চৌধুরী মসজিদের জমিটি দান করেন এবং দখল বুঝিয়ে দেন, যার বৈধ দলিল মসজিদ কমিটির কাছে সংরক্ষিত আছে। কি বাকি অংশ পড়ুন...












