অতিরিক্ত চিনি শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি উচ্চ রক্তচাপ, ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস এবং ফ্যাটি লিভার রোগের কারণ হতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয়, মিষ্টি এড়িয়ে চলতে হবে। তবে এর জন্য প্রাকৃতিক মিষ্টি ব্যবহার করতে হবে যা চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প। চিনি প্রতিস্থাপনের জন্য নীচে কয়েকটি সেরা প্রাকৃতিক মিষ্টির তালিকা দেওয়া হলো-
খেজুর:
খেজুর হলো কম ক্যালোরি, উচ্চ পুষ্টির চিনির বিকল্প। খেজুর ফাইবার, খনিজ এবং ভিটামিনের একটি চমৎকার উৎস। খেজুর পেস্ট তৈরি করতে একটি ব্লেন্ডারে এক বাটি বীজবিহীন খেজুর, ১ কাপ উষ্ণ পানি মিশিয়ে নিন। এই পেস্টটি বিভিন বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে গরম ভাতের সঙ্গে এক চামচ ঘি আর আলু ভর্তা হলেই জমে যায়। তবে সুস্বাদু ঘি তৈরি করা সহজ কাজ নয়। বাজারেও বিশুদ্ধ গাওয়া ঘি প্রায় দুলর্ভ। তাই সময়সাপেক্ষ হলেও ঘরেই খাঁটি ঘি তৈরি করা বুদ্ধিমানের কাজ। জেনে নিন গাওয়া ঘি তৈরির পদ্ধতি-
সাধারণত ঘি তৈরি করা হয় দুইভাবে:
দুধ জ্বালিয়ে ঘি তৈরি: এই পদ্ধতিতে দুধকে চুলায় ধীরে ধীরে জ্বালিয়ে তার উপরের হলুদ স্তর বা সর সংগ্রহ করা হয়। এ সর থেকে তৈরি ঘি হলো গাওয়া ঘি, যা স্বাদের দিক থেকে সেরা। এটি সময়সাপেক্ষ হলেও খাঁটি ও মজাদার ঘি পেতে হলে এ পদ্ধতি অপরিহার্য।
ক্রিম থেকে ঘি তৈরি: মেশিন ব্যবহার করে দুধ থে বাকি অংশ পড়ুন...
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা:
দেশি খেজুর দিয়েই অভিনব এক পানীয় বানিয়েছেন ঝিনাইদহের আহসান ইসলাম শাহিন। খেজুরের বীজ থেকে তৈরি এ পানীয় টেক্কা দিচ্ছে কফির সঙ্গে।
জানা গেছে, ঝিনাইদহের কৃষি উদ্যোক্তা আহসান ইসলাম শাহিন। নবগঙ্গা নদীর কোলঘেঁষে ৪৩ শতক জমিতে গড়ে তুলেছেন ছোট্ট খামারবাড়ি। সেই খামারবাড়িতে কৃষি উদ্ভাবনের নানা দিক নিয়ে তিনি নিভৃতে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আহসান ইসলাম শাহিন বলেন, দেশি খেজুর কেউ খায় না। গাছের গোড়ায় পড়ে থাকে। নষ্ট হয়। এসব দেখে আমি দেশি খেজুরের বীজ দিয়ে কিছু করা যায় কি না চিন্তা করি। পরে অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পারি, ম বাকি অংশ পড়ুন...
তরমুজ ছোট-বড় সবার বেশ পছন্দের ফল। তরমুজের মৌসুম চলছে, এটি শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। আর এই গরমে ইফতারে যদি ঠা-া এক গ্লাস শরবত খাওয়া যায়, তবে বেশ ভালো হয়। কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই বাসায় বানিয়ে ফেলতে পারেন দারুণ স্বাদের এই শরবত। জানুন তরমুজের শরবত বানানোর সহজ প্রক্রিয়াটি-
উপকরণ:
তরমুজের টুকরো -দুই কাপ
বরফ কুচি -পছন্দমতো
বিট লবণ -এক চিমটি
লেবুর রস -সামান্য
পুদিনা পাতা -কয়েকটি (প্রয়োজন মনে করলে)
চিনি -পরিমাণমতো
প্রস্তুত প্রণালী:
প্রথমে তরমুজের খোসা ছাড়িয়ে বিচিগুলো ফেলে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এবার একটি ব্লেন্ডারে টু বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
এই গরমে ফল আর চিয়া সিড দিয়ে শরবত বানিয়ে খান। এতে ক্লান্তি দূর হবে। এই বীজে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। চিয়া সিডের পানি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি ওজন কমাতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা মুক্তি দেয়। রক্তে সুগার লেভেল ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
চিয়া সিডের মধ্যে থাকা ‘ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড’ নামের এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।
চিয়া সিডের শরবত বানাতে বেশি কষ্ট করতে হয় না। এক গ্লাস পানিতে এক চামচ চিয়া সিড ভিজিয়ে রাখলেই বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ল্যাকটিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ দই হজমে সহায়তা করে ও ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমায়। পাশাপাশি শরীর ঠান্ডা রাখতে কার্যকর দই। জেনে নিন দই দিয়ে কীভাবে কয়েক ধরনের শরবত বানাবেন।
১। পাকা বেল ও দই দিয়ে শরবত বানিয়ে ফেলতে পারেন। একটি বেলের শাঁস ছাড়িয়ে পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। এরপর চটকে বিচি ফেলে মেশান ৫০ গ্রাম টক দই, স্বাদ মতো লবণ, চিনি ও প্রয়োজন মতো ঠান্ডা পানি। গ্লাসে ঢেলে বরফের টুকরা মিশিয়ে পরিবেশন করুন বেল ও দইয়ের শরবত।
২। শরীর ঠান্ডা রাখতে পুদিনা পাতা ও দইয়ের শরবত বানিয়ে ফেলতে পারেন। এজন্য ব্লেন্ডারে পুদিনা পাতার সঙ্গে কয়েক টু বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
লেমনেড খেতে পারেন এই গরমে। ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে সাহায্য করে এই পানীয়। লেবুপানি হজমে সহায়তা করে, রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণেও রাখতে পারে ভূমিকা। কিছু পুদিনা পাতা গুঁড়ো করে মিশিয়ে দিতে পারেন লেমোনেডে।
লেবু ও শসার ঠান্ডা পানীয় শীতল রাখবে আপনাকে। শসা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণ ছেঁকে রস সংগ্রহ করুন। একটি গভীর পাত্রে লেবুর রস, শসার রস ও লবণ, পুদিনা পাতা কুচি একসঙ্গে মেশান। গ্লাসে ঢেলে বরফের কুচি মিশিয়ে পরিবেশন করুন ঠান্ডা শসা-লেবুর পানীয়।
পুদিনা-পানি খেতে পারেন নানা ধরনের উপকার পাওয়ার জন্য। একটি গ্লা বাকি অংশ পড়ুন...












