SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বিলুপ্ত%' OR titleBn LIKE '%বিলুপ্ত%' OR descriptionEn LIKE '%বিলুপ্ত%' OR descriptionBn LIKE '%বিলুপ্ত%' OR slug LIKE '%বিলুপ্ত%' OR metaTag LIKE '%বিলুপ্ত%' OR metaDescription LIKE '%বিলুপ্ত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব সংবাদদাতা:
এনসিপি বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ। তার দাবি, এনসিপিকে ধীরে ধীরে জামাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
তিনি বলেন, জামাতের প্রতিষ্ঠান না হয়ে এনসিপি একটি নতুন দল হিসেবে নতুনভাবে দাঁড়াতে পারত। বাংলাদেশে নতুন দল বা শক্তির বিকাশের বাস্তবতা ও প্রয়োজনও ছিলো। কিন্তু জামায়াত থাকতে আরেকটি জামায়াতের ‘প্রোম্যাক্স’ দলের প্রয়োজন ছিলো না।’
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) এক পোস্টে রাশেদ এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি বলেন, এনসিপিকে জামাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করা বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৭৭নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনি বলুন, দুনিয়াবী সম্পদ সামান্য। আর মুত্তাকীগণ উনাদের জন্য পরকালই উত্তম এবং তোমাদের প্রতি সামান্য অবিচারও করা হবে না।”
সাইয়্য বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
দখলদার ইসরাইলের ক্রমাগত হামলা, কঠোর অবরোধ এবং উপর্যুপরি বাস্তুচ্যুতির কারণে গাজা উপত্যকার গবাদিপশু খাত সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এর ফলে টানা তৃতীয় বছরের মতো কুরবানির ঈদ উদযাপনে ব্যর্থ হতে যাচ্ছেন গাজার অধিকাংশ পরিবার।
যুদ্ধ শুরুর আগে গাজা সিটির অন্যতম শীর্ষ গবাদিপশু খামারি ছিলেন মাজেন আল-জেরজাউই। বছরের এই সময়ে তিনি কুরবানি উপলক্ষে শত শত ভেড়া ও ছাগল বিক্রি করার প্রস্তুতি নিতেন। তবে বর্তমান বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। জেরজাউই এখন একটি ছোট রেস্তোরাঁ চালান, যেখানে ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কোনোমতে উপত্যকায় প বাকি অংশ পড়ুন...
আসন্ন পবিত্র কুরবানির হাট নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা এখন আদালতের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। সিটি করপোরেশনের কথিত ইজারা না পাওয়া হাটগুলো একে একে বিলুপ্ত হওয়ার পথে।
‘অবৈধ হাট’ এই একটি শব্দের আড়ালে যে আয়োজনটি লুকিয়ে আছে, সেটি কেবল একটি বাজার নয়; এটি একটি দ্বীনি উৎসবের প্রাণ, মানুষের বিশ্বাসের অংশ, এবং বহু মানুষের জীবিকার একমাত্র ভরসা। অথচ আজ সেই আয়োজনটিকেই ধীরে ধীরে অপরাধের আসনে বসানো হচ্ছে। এর অভিঘাত এসে পড়েছে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মেরাদিয়া হাটেও, যা বহু বছর ধরে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মানুষের প্রয়োজন মিটিয়ে আসছে। অ বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-
لَـتَجِدَنَّ اَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّـلَّذِيۡنَ اٰمَنُوا الۡيَهُوۡدَ وَالَّذِيۡنَ اَشۡرَكُوۡا
“(ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি মুসলমানদের জন্য স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) নিয়ে বিতর্ক থামছেই না। র্যাব কি বিলুপ্ত হবে, নাকি পুনর্গঠন করা হবে- এই প্রশ্ন এখন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর চাপ থাকলেও র্যাব বিলুপ্ত না করেও কাঠামোগত সংস্কার বা পুনর্গঠন সম্ভব। তবে সরকার যে সেই পথে স্পষ্টভাবে এগোচ্ছে, এমন কোনও ইঙ্গিত নেই।
সম্প্রতি র্যাবের জন্য নতুন যানবাহন কেনায় সরকারি বরাদ্দ অনুমোদনের পর প্রশ্ন উঠেছে- র্যাব কি সত্যিই বিলুপ্তির পথে বাকি অংশ পড়ুন...
সীমান্ত হত্যার বিরুদ্ধে কঠিন কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হবে।
পতিত জালিম সরকারের বিলুপ্ত করা- ‘ইসলামী তারতীবের ভিত্তিতে রাষ্ট্র অপরাপর মুসলিম দেশ সমূহের সাথে ভ্রাতৃত্ববন্ধন জোরদার করবে’- এই অনুচ্ছেদের পূণঃজাগরণ ঘটাতে হবে ইনশাআল্লাহ।
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেছেন, শিক্ষকরা একটি মহান পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই শিক্ষকদের রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি না করে নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষে মনোযোগী হওয়া উচিত।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) শিক্ষা ভবনের নিজ দপ্তরে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
মহাপরিচালক বলেন, আমরা যদি আমাদের স্বাধীন সত্তা, সামাজিক মর্যাদা ও আত্মসম্মানের কথা চিন্তা করি, তাহলে শিক্ষক হিসেবে আমাদের পরিচয়টাই সবচেয়ে বড় হওয়া উচিত। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লেজুড়বৃত্তিক স বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের আবহমান বাংলার গ্রামে-গঞ্জে এক সময় উঁচু তালগাছে বাবুই পাখিদের দৃষ্টিনন্দন বাসা প্রচুর পরিমাণে দেখা যেত। কালের বিবর্তনে, পরিবেশের বিপর্যয়ে এবং তালগাছ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় বর্তমান সময়ে তাদের শৈল্পিক বাসা হারিয়ে যেতে বসেছে। এখন আর গ্রামেগঞ্জে খুব একটা শোনা যায় না বাবুই পাখিদের কলরব আর কিচির-মিচির শব্দ।
সারা দেশের মতো মৌলভীবাজারেও ক্রমশ কমছে তালগাছের সংখ্যা, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে কমছে বাবুই পাখি ও তাদের শৈল্পিক বাসা। তবে এখনও যে পরিমাণ বাবুই পাখি এ জেলায় টিকে রয়েছে সে তুলনায় তালগাছ আর অবশিষ্ট নেই। ফলে তালগাছের সঙ্ক বাকি অংশ পড়ুন...
খুলনা সংবাদদাতা:
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ সংবিধানসম্মত নয় এবং এটি সংবিধানের সঙ্গে প্রতারণার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে সমিতির মিলানয়তনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে গতকাল জুমুয়াবার এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের পর সংবিধান অনুযায়ী আদেশ জারির মাধ্যমে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে সেই ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে নতুন করে আদেশ জারি করা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক।
আইনমন্ত্রী বলেন, আগের যে আদেশ করার ক্ষমতা ছিল, সেটা ৭৩ সাল থেকে বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ায় বন্দী মুসলিম (খ):
মুসলমানদের নিমর্মভাবে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি রুশ নেতৃবৃন্দ। দ্বীন ইসলাম যাতে প্রচারিত এবং প্রসারিত না হতে পারে তার জন্য কয়েকটি ঘৃণ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলো রাশিয়া। মসজিদ ও মাদরাসার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রায় ৮ হাজার প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া হয়। পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের আইন এবং মুসলিম রীতিনীতি স্থায়ীভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হল। হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংস করা হয়। সারা দেশের ২৬ হাজার মসজিদের মধ্যে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত টিকে ছিলো মাত্র তেরশ মসজিদ। মসজিদগুল বাকি অংশ পড়ুন...












