পবিত্র শবে ক্বদর বা পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর দু‘আ কবুলের পাঁচ রাত্রির মধ্যে অন্যতম রাত্রি। এই রাত্রিতে বান্দা-বান্দি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে যা আরজি করে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে প্রয়োজন অনুসারে তা দিয়ে থাকেন। বান্দা-বান্দির সকল দু‘আই এ রাত্রিতে মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করে থাকেন।
কাজেই সকলের উচিত মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক উনার জন্য, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার উপর, সম্মানিত ঈমান উনার উপর ইস্তিক্বামত বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনারা যে তারতীবে (পন্থায়) সম্মানিত যাকাত উসূল করেছেন সে তারতীবে যাকাত উসূল করাকে ছহীহ বা সঠিক তারতীব বলা হয়।
যাকাত একটি ফরয মালী ইবাদত। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম বেনা-ভিত্তি বা খুঁটি।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بُـنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاَنَّ مُـحَمَّداً رَسُوْلُ اللهِ وَاقَام لصَّلاَةِ وَايْتَاءِ الزَّكَ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
উল্লেখিত আলোচনা থেকে اَنْزَلَ ও نَزَّلَ শব্দদ্বয় উনাদের পার্থক্য স্পষ্টভাইে বুঝা গেলো।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে কখন থেকে পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল হওয়া শুরু হয়েছে?
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন-
بَعَثَهُ اللهُ تَعَالٰى عَلٰى رَأْسِ أَرْبَعِيْنَ سَنَةً
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উ বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বলে দিলেন-
عَنْ حَضْرَتْ عَلِيٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْنُ أَهْلُ بَيْتِ
(এখানে স্পষ্ট বলা হচ্ছে,) সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমরা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ আমি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদরকে আমার অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
شَجَرَةِ النُّب বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার অশেষ শুকরিয়া যে, তিনি আমাদেরকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত হওয়ার এক মহান সৌভাগ্য দান করেছেন। যিনি কুল-কায়িনাতের জন্য রহমাতুল্লিল আলামীন’। আমাদের অস্তিত্ব, ঈমান এবং ইহকাল ও পরকালের যাবতীয় কল্যাণ একমাত্র উনারই উসিলায়। পিতা-মাতা কিংবা আত্মীয়-স্বজনের উপকারের চেয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহসান মুবারক আমাদের ওপর লক্ষ-কোটি গুণ বেশি। তাই উনার হক্ব বা অ বাকি অংশ পড়ুন...
ওযূর প্রকারভেদ
ওযূ তিন প্রকার- (১) ফরয, (২) ওয়াজিব, (৩) মুস্তাহাব।
ক) পবিত্র নামায উনার জন্য, পবিত্র জানাযা ও পবিত্র সিজদায়ে তিলাওয়াতের জন্য ওযূ করা ফরয।
খ) পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ তাওয়াফের জন্য ওযূ করা ওয়াজিব।
গ) ১. নিদ্রার পূর্বে, ২. নিদ্রা থেকে উঠে, ৩. মিথ্যা কথা বলার পর, ৪. কারো গীবত করার পর, ৫. মন্দ কবিতা আবৃত্তি করার পর, ৬. হাস্য-রসিকতার পর, ৭. ফরয গোসল সমাধা করার পর, ৮. নাপাক অবস্থায় খাওয়ার জন্য, ৯. পুনরায় আহলিয়ার সাথে একান্তে অবস্থান করার ইচ্ছা করলে, ১০. মুর্দাকে গোসল দেয়ার জন্য এবং ১১. একবার পবিত্র নামায আদায় করার পর দ্বিতীয়বার পবিত্র নাম বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানগণ শুধুমাত্র বিজ্ঞান, গণিতশাস্ত্র, দ্বীনশাস্ত্র, ইত্যাদি ক্ষেত্রেই মুন্সিয়ানা দেখাননি বরং শিল্প ও স্থাপত্যকলার উন্নয়ন সাধনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। বস্তুত সে সময়ে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, ৩য় আব্দুর রহমান, সুলতান সুলাইমান ‘দ্য মাগনিফিসিয়েন্ট’ এবং শাসক শাহজাহানের মত প্রভাবশীল মুসলিম শাসকগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দুনিয়ার বুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিলো।
ফিলিস্তিনে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করা সৌন্দর্যের প্রতীক পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ এবং কুব্বাত আল-সাখরা; গ্রানাডার বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...












