খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, কুতুবুল আলম, বাহরুল উলুম, ছাহিবু সুলতানিন নাছীর, জামিউল মাক্বাম, জামিউন নিসবত, জামিউল আলক্বাব, ফখরুল আউলিয়া, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আল মানছূর, নূরে মুকাররম, মুহিউদ্দীন, মুঈনুদ্দীন, বাহাউদ্দীন, নূরুদ্দীন, বদরুদ্দীন, ছানীয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক
, ০৯ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ
মহান আল্লাহ পাক উনার অশেষ শুকরিয়া যে, তিনি আমাদেরকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত হওয়ার এক মহান সৌভাগ্য দান করেছেন। যিনি কুল-কায়িনাতের জন্য রহমাতুল্লিল আলামীন’। আমাদের অস্তিত্ব, ঈমান এবং ইহকাল ও পরকালের যাবতীয় কল্যাণ একমাত্র উনারই উসিলায়। পিতা-মাতা কিংবা আত্মীয়-স্বজনের উপকারের চেয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহসান মুবারক আমাদের ওপর লক্ষ-কোটি গুণ বেশি। তাই উনার হক্ব বা অধিকার আদায় করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য সবচাইতে বড় ফরয ও আবশ্যিক দায়িত্ব। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, বর্তমান সময়ে আমরা অনেকেই মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সেই আজিমুশশান হক্বসমূহ সম্পর্কে গাফেল। উনার হক্ব আদায়ের গুরুত্ব ও পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের ইলম ও আমলের যথেষ্ঠ অভাব রয়েছে।
এই অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে উম্মাহকে সঠিক পথের দিশা দিতে এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রকৃত শান-মান ও হক্ব মুবারক সম্পর্কে সচেতন করতে, যুগের মহান পথপ্রদর্শক সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম এক অমূল্য নছীহত মুবারক পেশ করেছেন। উক্ত নছীহত মুবারকে তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, ইজমা ও কিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হক্বসমূহকে ৭টি বিশেষ ভাগে বিভক্ত করে অত্যন্ত প্রজ্ঞাপূর্ণ আলোচনা করেছেন। বিষয়গুলো হলো-
১. ঈমান।
২. ইত্তেবা ও ইতায়াত।
৩. নুসরাত ও তাজির।
৪. তা’যীম ও তাওকীর।
৫. মুহব্বত মুবারক।
৬. সন্তুষ্টি মুবারক।
৭. ছলাত ও সালাম।
يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ (৫৭) قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ
إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
اللهم صلى على سيدنا معدن الجود والكرم واله وسلم
اللهم صلى على سيدنا مولانا وسيلة اليك واله وسلم
اللهم صلى على سيدنا مولانا النبى الامى واله وسلم
আজকে আমার আলোচনার বিষয় হচ্ছে, আমাদের উপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হক্ব মুবারক সম্পর্কে।
হক্ব সম্পর্কে জানতে হলে, প্রথমে যেটা জানতে হবে, হক্ব আসলে কিভাবে তৈরি হয়? হক্ব তৈরি হয় উপকারের মাধ্যমে। অর্থাৎ কেউ যদি আমাদেরকে উপকার করে তাহলে আমাদের উপর উপকারকারীর প্রতি একটা হক্ব তৈরি হয়। মূলত আমাদের উপর যত হক্ব রয়েছে সব হক্বই এভাবে উপকারের মাধ্যমেই তৈরি হয়েছে। সেটা পিতা-মাতার হক্ব বলি, আত্মীয়-স্বজনের হক্ব বলি, পারা-প্রতিবেশির হক্ব বলি, সব হক্বই এভাবে উপকারের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে। আবার যে যতবড় উপকার করে তার প্রতি ততবড় হক্ব তৈরি হয়। আর যে যত ছোটো করে তার প্রতি ততছোটো হক্ব তৈরি হয়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, আমরা জানি পিতা-মাতার হক্ব হচ্ছে, আত্মীয়-স্বজন, পারা-প্রতিবেশির হক্বের চেয়ে বড়। কারণ পিতা-মাতা আমাদের যে উপকারটা করেছেন সেটা পারা-প্রতিবেশি, আত্মীয়-স্বজনদের উপকারের চেয়েও বড়। কিভাবে বড়? সেটা হচ্ছে, পিতা-মাতা আমাদের যে উপকারটা করেছেন, সেটা হলো উনারা আমাদের জন্ম দিয়েছেন। উনারা যদি আমাদের এই উপকারটা না করতেন, অর্থাৎ আমাদের জন্ম না-দিতেন তাহলে আমাদের অস্তিত্বই থাকতো না। আর পারা-প্রতিবেশি, আত্মীয়-স্বজন তারা আমাদের যে উপকারটা করে সেই উপকারটা যদি না করতো তাহলে আমাদের হয়তো অসুবিধা হতো, বা অনেক সমস্যায় হয়তো পরতে হতো। কিন্তু অস্তিত্বের সংকটে পরতে হতো না। যার কারণে পিতা-মাতার উপকারটা বড়। বিধায় উনাদের হক্বটাও বড়। এখন এখান থেকে যদি আমরা যেটা বুঝতে পারতেছি সেটা হলো যে, উপকারের মাধ্যম দিয়ে হক্ব তৈরি হয়। আর উপকারের মাত্রা দিয়ে হক্বের মাত্রাটাও নির্ধারণ হয়। এই সূত্র ধরে আমরা যদি চিন্তা করি, তাহলে দেখতে পাই, আমাদের উপর সবচেয়ে বড় হক্ব তৈরি হয়ে আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার। কারণ উনি আমাদের যে উপকারটা করেছেন সেটা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় উপকার। সেই উপকারটা কি? সেটাতো অনেক বড় উপকার। তবে এক কথায় বলতে গেলে বলতে পারি, আল্লাহ পাক আমাদের যে দোআটা শিক্ষা দিয়েছেন-
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
অর্থাৎ হে আমাদের রব, আমাদের ইহকালের কল্যাণ এবং পরকালের কল্যাণ দান করুন! এবং আযাব থেকে রক্ষা করুন!
তা এই যে ইহকালের কল্যাণ, পরকালের কল্যাণ এবং আযাব থেকে রক্ষা পাওয়ার বিষয়টা সেটাই হাছিল করার, অর্জন করার, লাভ করার ইলিমটা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে হাতে কলমে শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন। এই যে উপকারটা করেছেন এটা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় উপকার। কিভাবে সবচেয়ে বড় উপকার? প্রথমতো এই উপকারটার ব্যক্তি অনেক বড়। ইহকালিক কল্যাণ বলতে জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত ধাপে এবং জীবন-যাপনের সমস্ত শাখা-প্রশাখায় কিভাবে কল্যাণ হাছিল করতে হবে, সেটা বুঝানো হয়েছে। আর পরকালিক কল্যাণ বলতে এটা মৃত্যুর পর থেকে অনন্তকাল পর্যন্ত সবকিছুর কল্যাণ বুঝানো হয়েছে। আর আযাব বলতে ইহকালের আযাব, পরকালের আযাব থেকে রক্ষা পাওয়া বুঝানো হয়েছে। সুতরাং উপকারটা কত বড় সেটা সহজে বুঝা যায়। এটা গেল প্রথম বিষয়। আর দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে এই উপকারটা না পেলে অন্য সব উপকারটা অর্থহীন বা নিশ্বেস হয়ে যায়। তখন অন্যান্য সব উপকারগুলোকে আর উপকার বলে মনে হয় না। কারণ আমরা যদি ইহকালের কল্যাণটা হাছিল করতে না পারি, আমাদের জীবনটা যদি অকল্যাণের হয়ে যায়, শাস্তিতে ভরে যায়, তাহলে আমাদের জীবনটাকে বিথা বলে মনে হবে এবং জন্ম নেয়াটাকেও ভূল বলে মনে হবে। ফলে জীবণের সব উপকারই তখন অর্থহীন বলে মনে হবে। এমন কি একটু আগে আমরা যেটা বললাম, আমাদের পিতামাতা আমাদের যে উপকারটা করেছেন, আমাদের জন্ম দিয়েছেন, এটা অনেক বড় উপকার। কিন্তু তখন এটা ক্ষতি বলেই মনে হবে। পক্ষান্তরে আমরা যদি ইহকালে প্রকৃত কল্যাণ হাছিল করতে পারি, আমাদের জীবনটা কল্যাণে ভরে যায় এবং ইহকালিন আযাব থেকে রক্ষা পাই তাহলে জীবনের সব উপকারকেই উপকার হিসেবে মনে হবে এবং বাবা মা আমাদের যে উপকারটা করেছেন, সেটাকেও অনেক বড় উপকার বলেই মনে হবে। এটাতো গেল ইহকালের কথা। পরকালের কল্যাণের কথাতো হিসেবের বাহিরে। কাজেই আমরা বুঝতে পারলাম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের যে উপকারটা করেছেন, সেটা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় উপকার। আচ্ছা, এখন কথা হচ্ছে যে, এত বড় উপকারটা তিনি কিভাবে করলেন? আচ্ছা, সেটা মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন-
يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا مِن قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
এখানে যেটা বলা হচ্ছে যে, يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ তিনি আমাদেরকে আয়াত শরীফ তিলাওয়াত করে শিখিয়েছেন। আচ্ছা, وَيُزَكِّيهِمْ এবং আমাদের অন্তরগুলি পরিশুদ্ধ করেছেন। অর্থাৎ আমাদের অন্তরে যে ভুল বিশ্বাস, বদ আক্বীদাহ, কুসংস্কার, জাহিলিয়াত বিদ্যমান ছিল, যেগুলো আমাদের সঠিক বস্তুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং আমাদের ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ হাছিলের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাড়ায়, সেগুলো তিনি দূর করে দিয়েছেন। এবং يُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ এবং তিনি আমাদেরকে সম্মানিত কিতাব এবং হিকমত শিক্ষা দিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি আমাদেরকে ইহকালিন কল্যাণ কি? এবং পরকালের কল্যাণ কি? এবং কিভাবে হাছিল করতে হয়? সেটা হাতে কলমে শিখিয়েছেন।وَإِن كَانُوا مِن قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ পূর্বে আমরা বিভ্রান্ত ছিলাম। অর্থাৎ ইহকালিন কল্যাণ পারকালের কল্যাণ হাছিল করা আমাদের পক্ষে সম্ভব ছিলনা। এই বিষয়টা আরো সংশ্লিষ্ট করে অন্যত্র আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন,
يَأْمُرُهُم بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَاهُمْ عَنِ الْمُنكَرِ وَيُحِلُّ لَهُمُ الطَّيِّبَاتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَائِثَ وَيَضَعُ عَنْهُمْ إِصْرَهُمْ وَالْأَغْلَالَ الَّتِي كَانَتْ عَلَيْهِمْ
এখানে বলা হচ্ছে যে, يَأْمُرُهُم بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَاهُمْ عَنِ الْمُنكَرِ যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একমাত্র ব্যক্তি সৎকাজে আদেশ করেছেন এবং অসৎকাজে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ তিনি আমাদের প্রথমে শিক্ষা দিয়েছেন, এটা সৎ কাজ এটা তোমরা করো। তিনি আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন, এটা অসৎ কাজ এটা তোমরা করো না। আমার কিন্তু জানতাম না কোনটা সৎ কাজ এবং কোনটা অসৎ কাজ। কোনটা সদাচারণ কোনটা অসদাচারণ। কোনটা ভদ্রতা কোনটা অভদ্রতা। শুধু উনার কারণেই আজকে আমরা সৎ, হক্ব শুনতে পেয়েছি। ভদ্রতা শিক্ষতে পেয়েছি। وَيُحِلُّ لَهُمُ الطَّيِّبَاتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَائِثَ এবং তিনি আমাদের জন্য পবিত্র জিনিসকে হালাল করেছেন আর অপবিত্র জিনিসকে হারাম করেছেন। অর্থাৎ তিনি আমাদের শিখিয়েছেন এটা পবিত্র এটা তোমরা গ্রহণ করো। এবং তিনি আমাদেরকে শিখিয়েছেন এটা অপবিত্র তোমরা এটা গ্রহণ করো না। আমরাতো জানতামনা কোনটা পবিত্র, কোনটা অপবিত্র। তিনিই এই পবিত্রতা এবং অপবিত্রতা শিখানোর মাধ্যমে আমাদের সভ্যতা শিখিয়েছেন। আমাদেরকে সভ্য করেছেন। তিনি যদি আজকের দয়া করে আমাদেরকে এই পবিত্রতা অপবিত্রতা শিক্ষা না দিতেন, তাহলে আজকে আমরা নাপাক থাকতাম। আমরা পোকা-মাকর খেতাম। আমরা অসভ্য থাকতাম। শুধু উনার কারণেই আজকে আমরা সভ্যাচারণ পেয়েছি। وَيَضَعُ عَنْهُمْ إِصْرَهُمْ وَالْأَغْلَالَ الَّتِي كَانَتْ عَلَيْهِمْ এবং তিনি আমাদের কাজের বোঝা এবং হাত পায়ের বেড়ি সরিয়ে দিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি আমাদের এই সমস্ত তা’লিম দেয়ার মাধ্যমে জীবণ জাপণ সহজ করে দিয়েছেন। এবং ইহকালিন এবং পরকালিন কল্যাণ হাছিলের সমস্ত বাধা দূর করেদিয়েছেন। এই যে তিনি এত বড় উপকার করলেন, আমরা কিন্তু উনার কাছে এই উপকারগুলো চাই নাই। আমাদের চাওয়ার আকোলও ছিলনা। বিনা চাওয়াতেই তিনি আমাদের এত বড় উপকার করে দিয়েছেন। কারণ তিনি হচ্ছে রহমাতুল্লিল আলামীন। তিনি কেবল নিজ দয়ায় আমাদের এই উপকার গুলো করেছেন। আমাদের কোনো কারণে না। শুধু এতটুকুই না। তিনি আমাদের এত বড় উপকার করতে গিয়ে আমাদের জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। অনেক জুলুম সহ্য করেছেন। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, শিয়াবে আবূ তালিবের ঘটনা এবং তায়েবের ঘটনা। শিয়াবে আবূ তালেবে কাফিরেরা উনাকে, আগে থেকেই তো অনেক জুলুম করতো, অনেক কিছু করতো, যখন নাকি পরবর্তিতে শিয়াবে আবূ তালিবে গেলেন, তখন তারা খাদ্য পানি আটকে রাখতেছিল। জুলুম করা কষ্ট দেয়ার জন্য। এভাবে একদিন দুইদিন নয় তিন বছর উনাদেরকে এইভাবে খাদ্য পানিও আটকে রেখেছিল। আর তায়েফের ঘটনাটা আরো কঠিন। উনি গেলেন তাদেরকে দ্বীন ইসলামের দাওয়াত দিতে। দাওয়াততো গ্রহণ করলোই না। উল্টা আরো আযেবাযে কথা-বার্তা বলে বেয়াদবী মূলক কথা বার্তা বললো। একটা পর্যায় পাথর মারা শুরু করলো। বিষ্টির মতো পাথর মারা শুরু করলো। ফলশ্রুতিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মুজাসসাম, জিসিম মুবারক থেকে নুরুন নাজাত মুবারক অর্থাৎ রক্ত মুবারক ঝরতো শুধু করলো। এমনকি উনার নালাইন মুবারকের সাথে উনার নূরুদ নাজাত মুবারক লেগে গেল। আল্লাহ পাক ফেরেশতা পাঠিয়েছিলেন পাহাড়ের ফেরেশতা। বলেছিলেন যে আপনি বললে উদেরকে দশিয়ে দেয়া হবে। মিঠিয়ে দেয়া হবে। উনি বললেন যে আমি চাই, এদের বংশধর থেকেই এমন লোক আসুক যারা নাকি ইসলাম গ্রহণ করবে এবং মুসলমান হবে। উনি শাস্তিটা চাইলেন না। এরপরেও উনি দোআ করে দিলেন। তা উনি আমাদের জন্য এত কষ্ট করেছিলেন। অথচ উনি হচ্ছেন হাবীবুল্লাহ। উনি হচ্ছেন সৃষ্টির মূল। উনি আমাদের জন্য এত কষ্ট সহ্য করেছেন। এত জুলুম সহ্য করেছেন। তা উনি কে আর আমরা কে? তাহলে তিনি কেন আমাদের জন্য এত কষ্ট করলেন? ওটাই আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেছেন, عَزِيزٌ عَلَيْهِ مَا عَنِتُّمْ আমাদের কষ্ট উনার সহ্য হয় না। حَرِيصٌ عَلَيْكُم উনি আমাদের কল্যাণ চান। উনি চান আমরা ইহকালিন পরকালিন কল্যাণ লাভ করি। আমরা আযাব থেকে মুক্ত থাকি। بِالْمُؤْمِنِينَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ এবং উনি মু’মিনদের জন্য রউফুর রহীম। অর্থাৎ উনি রহমত করেই আসলে এই কাজটা করেছেন। এখানে অন্য কোনো কারণ নাই। একদম, শুধুমাত্র তিনি রহমতের কারণেই এই কাজটা করেছেন। এখানে আর কোনো ব্যাখ্যা নাই। এখন কথা হচ্ছে যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে আমাদের জন্য এত কষ্ট করে এত করলেন এবং এত বড় উপকার করলেন। তাহলে উনার হক্বটা কত বড় হবে? উনার হক্ব কত বেশি হবে? সেই হক্ব গুলোকি আমরা জানি? সেই হক্ব গুলো নিয়েই আজকে আমার আলোচনা। সেই হক্ব গুলো যদি সংক্ষেপে বলতে হয় তাহলে বলা যায়, প্রথম হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান আনা এবং আক্বীদাহ বিশুদ্ধ করা। আচ্ছা এর পরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইতেয়াত করা এবং ইত্তেবা করা। অর্থাৎ আনুগত প্রকাশ করা। তারপরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নুসরাত এবং তা’যীর অর্থাৎ খিদমত করা। এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তাওকির এবং তা’যীম অর্থাৎ সম্মান করা। এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহাব্বত করা। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সন্তুষ্ট করা। এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে ছলাত ছালাম পাঠ করা। আলোচনার শুরুতে এই আলোচনা গুলিকে সাত ভাগে ভাগ করেছি। আচ্ছা! প্রথমে যেটা ছিল যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান আনা এবং আক্বীদাহ বিশুদ্ধ করা। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন সূরা আলাক্ব শরীফের ১৫৮ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكُمْ جَمِيعًا الَّذِي لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ يُحْيِي وَيُمِيتُ ۖ فَآمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ
আচ্ছা এখানে বলা হচ্ছে যে, قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ হে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি মানুষদেরকে বলে দিন! إِنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكُمْ جَمِيعًا যে আমি তোমাদের সকলের প্রতি রসূল হিসেবে প্রেরিত হয়েছি মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে। الَّذِي لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ যিনি আসমান যমীনের মালিক। لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ يُحْيِي وَيُمِيتُ তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনিই হায়াত দেন এবং তিনিই মৃত্যু দেন। فَآمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ কাজেই তোমরা ঈমান আনো আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মূল নবী উনার উপরে। এখানে যেটা বলা হচ্ছে যে, উনাকে যেহেতু রসূল হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে এখন আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, উনার উপর ঈমান আনা। এটা হচ্ছে প্রথম হক্ব। আচ্ছা! এখন এই ঈমানটা কিরূপ আনতে হবে? এই প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি সূরা বাকারা শরীফের ১৩৭ নং আয়াত শরীফে যেটা বলে দিয়েছেন, সেখান থেকে আমরা সহজে জানতে পারবো যে-
فَإِنْ آمَنُوا بِمِثْلِ مَا آمَنتُم بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوا
অর্থাৎ ঈমানটা এমনভাবে আনতে হবে যে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম যেভাবে ঈমান এনেছেন। এখন দেখি, ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম কিভাবে ঈমান এনেছিলেন? আচ্ছা! এ ক্ষেত্রে একটা উদাহরণ দেয়া যেতে পারে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ হতে আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র মে’রাজ শরীফের ঘটনা সংগঠিত হওয়ার পরে সকালে মানুষদের কাছে ঘটনা গুলো বর্ণনা করলেন, তখন কেউ কেউ ফিরে গেল। সম্মানিত মে’রাজ শরীফ উনাকে অস্বীকার করলো। নানান কথা-বার্তা বললো। তো, তারা হযরত ছিদ্দীকে আক্ববর আলাইহিস সালাম উনার কাছে গেল। গিয়ে জিঙ্গাসা করলো, আপনি কি জানেন, আপনাদের যিনি নবী, রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, তিনি নাকি গতরাত্রে বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ হতে ভ্রমণ করে এসেছেন? হযরত ছিদ্দীকে আক্ববর আলাইহিস সালাম জিঙ্গাসা করলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি স্বয়ং নিজেই বলেছেন? তারা বললো, হ্যাঁ! তিনি নিজেই বলেছেন। তখন হযরত ছিদ্দীকে আক্ববর আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, যদি তিনি নিজেই স্বয়ং বলে থাকেন, তাহলে তো তিনি অবশ্যই সত্য বলেছেন। কাফিররা বললো, আপনি কি এই বিষয়টা কেউ সত্য মনে করেন? তিনি রাত্রে মধ্যে বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ ভ্রোমণ করে ফজরের আগেই ফিরে এসেছেন? তখন ছিদ্দীকে আক্ববর আলাইহিস সালাম বললেন, বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ থেকেও দূরে ছফর হলে আমি অবশ্যই সেটাকে সত্য বলে মনে করি। হযরত ছিদ্দীকে আক্ববর আলাইহিস সালাম তিনি আরো বলেন, সকল-সন্ধা আসমানের খবর অর্থাৎ উনি আসেন, ফেরেশতা আসেন। আমি তো ওগুলো পূবেই সত্য বলে মনে করি। তাহলে ওটা কেন মনে করবো না। আচ্ছা, আর এ জন্যই হযরত ছিদ্দীকে আক্ববর আলাইহিস সালাম উনাকে চরম সত্যবাদী। অর্থাৎ ছিদ্দীক্ব লক্বব মুবারক দেয়া হয়েছে। এই ঘটনা দ্বারা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কিভাবে ঈমান এনেছিলেন, সে সম্পর্কে একটা সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। আচ্ছা! উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি এমনভাবে ঈমান এনেছেন যে মে’রাজ শরীফের মতো যে বিষয়গুলা সাধারণ মানুষের আকলে ধরে না। সেটাও উনারা বিনা চু-চেরায় সত্য বলে মেনে নিয়েছেন। মূলত উনাদের মতো ঈমান আমাদের আনতে পরলেই আসলে ঈমান আনার যে হক্ব সেইটা আদায় হবে। আচ্ছা! এরপরে দ্বিতীয় ভাগে যে বিষয়টা রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইতেয়াত করা এবং ইত্তেবা করা। অর্থাৎ আনুগত্যতা প্রকাশ করা। (বাকি ্অংশ ৭ম পৃষ্ঠায় দেখুন)
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
এক নযরে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবি‘আহ্ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই যিলক্বদ শরীফ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, শাহ্ আমীরাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস মুবারক
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দুধ বোন সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উম্মু সুলত্বানিন নাছীর আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল নিসবত মুবারক প্রকাশ
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আবূ সুলত্বানিন নাছীর আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার একখানা মহাসম্মানিত বড় মাক্বাম মুবারক প্রকাশ
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাদিসাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার আযীমুশ শান মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিসবতে আযীম শরীফ
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার অনন্য খুছূছিয়ত মুবারক
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল খ্বামিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার বিশেষ শান মুবারক
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফসমূহ প্রকাশ সম্পর্কে বর্ণনা মুবারক
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আযীমুশ শান নিসবতে আযীমাহ্ শরীফ
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












