SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বদর%' OR titleBn LIKE '%বদর%' OR descriptionEn LIKE '%বদর%' OR descriptionBn LIKE '%বদর%' OR slug LIKE '%বদর%' OR metaTag LIKE '%বদর%' OR metaDescription LIKE '%বদর%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ছাহবিাতু সাইয়্যদিলি আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যদিাতু নসিায়লি আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহবিায়ে নয়োমত, রহমাতুল্ললি আলামীন, আহলু বাইতি রসূলল্লিাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়মি মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মনিীন আলাইহন্নিাস সালাম, সাইয়্যদিাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তনিি বলনে, মহান আল্লাহ পাক তনিি সূরা বাক্বারা শরীফরে ৪৩, ৮৩, ১১০ নং আয়াত শরীফসহ পবত্রি কুরআন শরীফ-এর আরো কয়কে স্থানে ইরশাদ মুবারক করনে, তোমরা নামায কায়মে করো। নামায সম্মানতি শরীয়ত উনার অন্যতম এক ফরয আমল, যা মানুষকে ফাহশো, হারাম, নাজায়যি ও নাফরমানীমূ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণনাকারী বলেন, আমরা হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কাছাকাছি গিয়ে সামান্য কিছু দূরে দাঁড়ালাম এবং উনাকে সালাম দিলাম। তিনি আমাদের সালামের জবাব দিলেন। হযরত জা’ফর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তখন এমনভাবে পাগড়ি-রুমাল পরিহিত অবস্থায় ছিলেন যে, হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার দু’ চোখ এবং দু’ পা ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হে হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি কি আমাকে চিনেছেন?
বর্ণনা বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা-বাক্বার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত আবূ উবাইদাহ্ ইবনে র্জারাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত আবূ উবাইদাহ্ ইবনে র্জারাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি ‘আশারায়ে মুবাশ্শিরা’ উনাদের মধ্যে অন্যতম বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক। তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সূচনালগ্নেই সম্মানিত ঈমান মুবারক প্রকাশ করেছিলেন। স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আবূ উবাইদাহ্ ইবনে র্জারাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সম্মানিত শান মুবারক-এ ইরশাদ মু বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা-বাক্বার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মুবারক:
তরবারির পরিবর্তে কাঠের টুকরো নিয়েই সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার ময়দানে ঝাপিয়ে পড়া:
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা। বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত উক্কাশাহ্ ইবনে মিহছান রাদিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বদরের সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার দিন নিজের তরবারি দিয়ে সম্মানিত জিহাদ মুবারক করছিলেন। সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার তীব্রতা ও ক্রমাগত আক্রমণের এক পর্যায়ে উনার হাতে থাকা তরবা বাকি অংশ পড়ুন...
একবার পরীক্ষা করার জন্য তিনজন আলিম হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে নির্জনে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের তাফসীর জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের তাফসীর এমন সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করলেন যে, উক্ত তিনজন আলিম আশ্চর্য হয়ে গেলেন এবং শেষ পর্যন্ত উনার নিকট ক্ষমা চেয়ে মুরীদ হয়ে গেলেন। “তাওয়ারিখে আজিবার” ৩৮ পৃষ্ঠায় একথা উল্লেখ আছে।
“সাওয়ানেহ আহমদী, সীরাতে সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ ১ম খন্ড, “তাওয়ারীখে আযীবা” কিতাবের ৯-১০ পৃষ্ঠায় বর্ণিত আছে, “পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের ২১ রাত্রিতে সাইয়্যিদুল আবেদীন, হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত সা‘দ ইবনে মু‘আয রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বেমেছাল আদব মুবারক:
উভয় বাহিনী বদর প্রান্তরে উপস্থিত হওয়ার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার প্রস্তুতি গ্রহণ করা শুরু হয়। হযরত সা‘দ ইবনে মু‘আয রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার পরামর্শ অনুযায়ী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত অবস্থান মুবারকের জন্য একটি উঁচু টিলার উপর ছাউনী নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়। এ বাকি অংশ পড়ুন...
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلٰى يَوْمِ الدِّينِ
হে ইবলিস! তোর জন্য অনন্তকালের জন্য লা’নত। নাউযুবিল্লাহ! বিষয়টা কি হলো, আক্বীদা ক্রটি থাকার কারণে তার সব বরবাদ হলো এই ইবলিসের। তাহলে একটা মানুষের যদি আক্বীদা অশুদ্ধ থাকে সে কোথায় যাবে? জাহান্নামে যাবে। আর আক্বীদা যদি শুদ্ধ থাকে আমলে ক্রটি থাকেও একসময় সে শাস্তি ভোগ করলেও সে নাজাত লাভ করবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরও হাজার মেছাল। আমরা একটা মেছাল দিয়ে থাকি তা হলো, বনী ইসরাইলের একটা লোক হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যামানায়। সে দু’শত বছর হায়াত পেয়েছিল ক বাকি অংশ পড়ুন...
যদিও ইমাম ওয়াহেদী এই মতটি রদ করতে চেয়েছেন, কিন্তু ইমাম নাক্কাস রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ইমাম আবু দাউদ যিনি সুনানে আবু দাউদ উনার লেখক তিনি বলেন, যে এই মতকে অস্বীকার করে সে আমাদের মতে তিরস্কৃত। আর এই ধরণের বর্ণনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মত ছাহাবী উনারা করেছেন।
বর্ণনায় এসেছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কিয়ামতের দিনে মহান আল্লাহ পাক উনার সামনে বিশে বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক-এ বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
এই জিহাদ মুবারকে সম্মানিত মুসলমান সৈন্য সংখ্যা ছিলেন ৩১৩ জন এবং কাফিরদের সৈন্য সংখ্যা ছিলো ১০০০ জন। সম্মানিত মুসলমান উনাদের নিকট ছিলো ৩টি ঘোড়া, ৭০টি উট, ৬টি বর্ম এবং ৮টি তরবারি। আর মুশরিকদের সঙ্গে ছিলো ৩০০ ঘোড়া ও যুদ্ধ সম্ভারে বোঝাই সাতশত বা তার চাইতেও অধিক সংখ্যক উট। তাদের অশ্বারোহী প্রত্যেকটি সৈনিক ছিলো বর্মাচ্ছাদিত; এমনকি পদাতিক সৈন্যগণও বর্মধারী ছিলো। তাদের সঙ্গে আরো ছিলো বাদ্যযন্ত্রসহ জিহাদে উন্মাদনা সৃষ্টিকারী একদল গায়িকা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমাইয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
قَالَ فَجَلَسْنَا إلَيْهِ فَقُلْنَا لَهُ جِئْنَاك لِتُحَدّثَنَا عَنْ قَتْلِك حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ كَيْفَ قَتَلْته؟ فَقَالَ أَمَا إنّي سَأُحَدّثُكُمَا كَمَا حَدّثْت رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ حِينَ سَأَلَنِي عَنْ ذَلِكَ كُنْت غُلَامًا لِجُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ وَكَانَ عَمّهُ طُعَيْمَة بْنُ عَدِيّ قَدْ أُصِيبَ يَوْمَ بَدْرٍ فَلَمّا سَارَتْ قُرَيْشٌ إلَى أُحُدٍ، قَالَ لِي جُبَيْرٌ إنْ قَتَلْت حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ عَمّ حَضْرَتْ مُحَمّدٍ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ بِعَمّي فَأَنْتَ عَتِيقٌ. قَالَ فَخَرَجْت مَعَ النّاسِ وَكُنْت رَجُلًا حَبَشِيّا أَقْذِفُ بِالْحَرْبَةِ قَذْفَ الْحَبَشَةِ، قَلّمَا أ বাকি অংশ পড়ুন...
পাঁচ বছরের মধ্যে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম তার দেশ থেকে বের করে দিবে। নাউযুবিল্লাহ! ঐ কাফিরকে দেশের মালিকানা কে দিয়েছে? এই কাফিরকে দেশের মালিকানা কে দিলো? সে দেশের মালিক কবে হলো? সে একটা কর্মচারী মালিক হলি কবে? তুইতো দেশের লোকদের থেকে পয়সা নিয়ে তারপর সংসার চালাছ। তুইতো একটা কর্মচারী।
তারে মালিকানা কে দিয়েছে? এখন কাফফারা আদায় কর। সমস্ত কাফিররা কাফফারা আদায়া করবে। ছাড়াছাড়ি নাই একটারো। কঠিন এখন আযাবে-গযাবে গ্রেফতার। কোটি কোটি মানুষ মারা যাচ্ছে আরো মরবে। তাহলে বিষয়টা ফিকির করতে হবে। এখন মানুষ, জিন-ইনসান উপলদ্ধি করতে পারে না। এজন্য আম বাকি অংশ পড়ুন...
‘তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম’ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
يَـقُوْلُ لَا تَسُمُّوْهُ اِذَا دَعَوْتُـمُوْهُ يَا مُحَمَّدُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا تَـقُوْلُوْا يَا اِبْنَ عَبْدِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلكِنْ شَرَّفُـوْهُ فَـقُوْلُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا نَبِىَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করবে তখন উনার সম্মানিত নাম মুবারক ধরে এভাবে ইয়া মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে সম্বোধন করবে না। এমনকি এ বাকি অংশ পড়ুন...












